৩ ঘণ্টা আগেই বিএনপির গণসমাবেশ শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
গণসমাবেশ

গণসমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা আগেই শুরু হয় সিলেটবাসীর বহুল প্রতীক্ষিত এ রাজনৈতিক সমাবেশ।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর ২টায় সিলেট আলিয়া মাদরাসার মাঠে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেলা ১১টায় কোরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়েছে।

সমাবেশস্থলে নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিসহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং ধানের শীষ নিয়ে বড় বড় মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে থাকে নেতাকর্মীরা।

সকালেই পুরো মাঠ নেতাকর্মীতে পূর্ণ হয়ে যায়। ট্রেনে করে হবিগঞ্জ থেকে এসেছেন আকবর নামে একজন। তিনি বলেন, সরকার ইচ্ছে করে গাড়ি বন্ধ করে দিয়েছে‌। আমরা ট্রেনে করে এসেছি। আমাদের জেলার অনেক নেতাকর্মী গতকাল এসেছেন। আজ সকালে আমরা এসেছি।

এদিকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নগরীর বিভিন্ন মোড়ে টহল দিচ্ছেন তারা। মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ জানিয়েছেন, সমাবেশকে ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও মাঠে রয়েছে।

সিলেট বিভাগীয় সমাবেশে অতীতের সকল রেকর্ড ভাঙতে চায় বিএনপির নেতাকর্মীরা। বিভাগের সকল জেলা ও উপজেলা থেকে নেতা কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন বলে জানান তারা।

নিত্যপণ্য ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, পুলিশের গুলিতে নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর প্রতিবাদে এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে সিলেটে এই গণসমাবেশ করছে বিএনপি।

এরই অংশ হিসেবে ২৬ নভেম্বর কুমিল্লায় এবং ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে গণসমাবেশ করবে দলটি। সবশেষ ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই কর্ম।

আইজিপির সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধি দলের বৈঠক দুপুরে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের বিষয়ে জটিলতা নিরসনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে বৈঠক করবে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় পুলিশ সদর দফতরে যাবে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

বিএনপি প্রতিনিধি দলে থাকবেন ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপি প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপি আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

এ বিষয়ে এ্যানি বলেন, তারা ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশসহ সম্প্রতি দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতরের বিষয় নিয়ে আইজিপির সঙ্গে আলোচনা করবেন।

;

সরকার কাউকে বিশৃঙ্খলা করার অনুমতি দেবে না: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার কাউকে বিশৃঙ্খলা করার অনুমতি দিতে পারে না।

তিনি বলেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যেই সরকার তাদেরকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ করেছে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতর (ডিএফপি) প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’ ইংরেজি গ্রন্থ এবং তথ্য অধিদফতর প্রকাশিত ‘সমৃদ্ধির সোপানে স্বদেশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে বিএনপির সমাবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৮ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সম্মেলন ছিল, সেটি এগিয়ে এনে ৬ তারিখ করা হয়েছে, যাতে বিএনপি সেখানে নির্বিঘ্নে সমাবেশ করতে পারে। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য তো ভিন্ন। একটি গন্ডগোল লাগানো।

তিনি বলেন, অবশ্যই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করার স্বার্থে, শান্তি-স্থিতি বজায় রাখার স্বার্থে সরকারকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। এই ক্ষেত্রেও তারা যদি চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখান করে নয়াপল্টনেই সমাবেশ করার জন্য তাদের অবস্থান ব্যক্ত করে, সেই ক্ষেত্রে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অনুরোধ জানিয়েছি সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য। দেশে যাতে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য তারা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সতর্ক পাহারায় থাকবে এবং প্রয়োজনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ ও জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিহত করবে।

এর আগে বইমোড়ক উন্মোচনকালে ড. হাছান বলেন, সমগ্র পৃথিবীতে খাদ্যপণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। আমাদের দেশেও বেড়েছে কিন্তু অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে কম। আর করোনা মহামারির মধ্যেই আমাদের মাথাপিছু আয় ভারতকে ছাড়িয়ে ৩ হাজার ডলার ছুঁয়েছে, পদ্মা সেতু হয়েছে এবং মেগা প্রকল্প মেট্রোরেল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের কাজও সমাপ্তির পথে। অর্থাৎ যে যাই বলুক, সত্যিকার অর্থেই সমৃদ্ধির সোপানে বাংলাদেশ।

;

নয়াপল্টনে কোন উদ্দেশ্যে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেছেন, পার্টি অফিসে সমাবেশ করার জন্য বিএনপির এতো দৃঢ়তা কেন? এখানে তাদের কি কোন বদ উদ্দেশ্য আছে? কোন মতলবে কি তারা এটা চায়? 

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সচিবালয়ে ব্রিফিংকালে বিএনপির উদ্দেশ্যে একথা বলেন তিনি।

বিএনপি সমাবেশকে ঘিরে আন্দোলনের নামে যদি সহিংসতার উপাদান যুক্ত করে তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সমুচিত জবাব দিবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিএনপি কেন তাদের সমাবেশকে ঘিরে ১০ ডিসেম্বর বেছে নিয়েছে তাদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এমন প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন বিএনপি কি জানে না বাংলাদেশের ইতিহাস? ১৯৭১ সালে ১০ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যা নীল নকশা বাস্তবায়নে প্রক্রিয়া শুরু হয়।

১০ ডিসেম্বর সিরাজ উদ্দিন হোসেন এবং সাংবাদিক সৈয়দ নাজমুল হক - এই দুই জনকে পাক-হানাদার বাহিনী দেশের আলবদর বাহিনী উঠিয়ে নিয়ে যায় জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই বুদ্ধিজীবি হত্যার মতো নৃশংসতম ঘটনা বাংলাদেশে সংগঠিত হয়।

জ্ঞান, গরিমা যাদেরকে ঘিরে সেই সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, সাংবাদিক, চিকিৎসকদের ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয় স্মরণ করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন ১০ ডিসেম্বর সমাবেশের জন্য কেন বিএনপি বেছে নিলো এটাই প্রশ্ন?

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কেন বিএনপি যেতে চায় না, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাক-হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে, সেই ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ ভাষণ বিএনপির পছন্দ নাও হতে পারে - যদিও জাতিসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছে সর্বকালের সেরা ভাষণ হিসেবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে স্বধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, ১৬ ডিসেম্বর যারা বিশ্বাস করে, সেখানে পাক-হানাদার মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন- সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কেন বিএনপির অপছন্দ তা জানতে চেয়ে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঐতিহাসিক উদ্যান। বিশাল জায়গা এখানে, আওয়ামী লীগ সব সমাবেশ, জাতীয় সম্মেলন করে এখানে।

তাহলে বিএনপি কেন তাদের পার্টি অফিসের সামনে ছোট এলাকায়, যেখানে ৩৫ হাজার স্কোয়ারের ফিটের মতো একটা ছোট জায়গায় তাদের সমাবেশের জন্য বেছে নিলো প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের।

আওয়ামী লীগ সতর্ক পাহারায় থাকবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

;

বিএনপির উদ্দেশ্য হাসিল করতে দেবে না যুবলীগ: পরশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে ও বোমাবাজি করে দেশ চালোনো যায় না। বিএনপির উদ্দেশ্য হাসিল করতে দেবে না আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীরা। তাই নেতাদের নির্দেশ দিচ্ছি আপনারা রাজপথে থাকবেন। আপনাদের সঙ্গে নিয়েই এই সন্ত্রাসীদের আমরা শায়েস্তা করবো।

তিনি বলেন, বিএনপির কোনো নেতার রাষ্ট্র পরিচালনা করার কোনো যোগ্যতা নাই। না আছে খালেদা জিয়ার, না আছে তার গুণধর পুত্র তারেকের। দক্ষতা নাই বলে আজ তারা এ দেশকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে, হয়তো তাদের বিদেশি প্রভুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে। কিন্তু কোনো বিদেশি প্রভুদের নির্দেশনায় বা হস্তক্ষেপে বাংলাদেশে নির্বাচন হবে না। সরকারও পরিবর্তন হবে না।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে যুবলীগের প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামী ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করে যুবলীগ।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা নিয়ে চট্টগ্রামসহ ১১ জেলার যুবলীগের প্রস্তুতি সভায় যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। আগামী ৪ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশকে মহা জনসমুদ্রে পরিণত করে সফল করার জন্য যুবলীগকে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয় সভায়।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ অতুলনীয় জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এমন কোনো ক্ষেত্র নাই, এমন কোনো গোত্রের মানুষ নাই যেখানে তার সেবার সুফল পৌঁছায়নি। আজকে পদ্মা সেতুর পর চট্টগ্রামবাসীর স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল দৃশ্যমান এবং চালু হওয়ার জন্য অপেক্ষমান। এই টানেল দেশের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে। দেশের জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করবে। টানেল নির্মাণ শেষ হলে চট্টগ্রাম শহর চীনের সাংহাই শহরের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ এর মডেলে গড়ে তোলা হবে।

প্রস্তুতি সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর আলম শাহীন, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, এম শাহাদাত হোসেন তসলিম, আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, মুহাম্মদ বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু মনির মো. শহিদুল হক রাসেল, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মশিউর রহমান চপল, মীর মোহাম্মদ মহি উদ্দিন, মো. আব্দুল হাই, আদিত্য নন্দী প্রমুখ।

;