ইডেন ছাত্রলীগের ১৪ নেত্রীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ১৪ জন নেত্রীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে, ২ নেত্রীর ওপর থেকে বহিষ্কারাদেশ তুলে নেননি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি।

বহিষ্কারাদেশ থেকে মুক্তি না পাওয়া নেত্রীরা হলেন— ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখী।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) রাত ৯টায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, নিজ আবেদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, আফরোজা রশ্মি, মারজানা উর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি, সাদিয়া জাহান সাথী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা, সূচনা আক্তার এর উপর আরোপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হলো।

এর আগে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত ও ১৬ নেতাকর্মীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে: হানিফ

প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে: হানিফ

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, ৪ তারিখ পলোগ্রাউন্ড মাঠে নেত্রীর জনসভা হবে। ওই দিনটি হবে চট্টগ্রামবাসীর মহা আনন্দের দিন। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম শহরের রাস্তায় রাস্তায় বর্ণিল সাজে সেজেছে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) সকালে আগামী ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে নগরের একটি কনভেনশন সেন্টারে যুবলীগের প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন,বিএনপি কয়েকদিন খুব লাফালাফি করেছে।তবে যুবলীগের সেই ১১ তারিখের জনসভা দেখে তাদের অনেকের হুঁশ ফিরে আসছে। আগের কথার জোর কিন্তু নেই এখন। এখন সুরটা কিছু নরম হয়ে গেছে। মিউ মিউ শব্দ এসেছে এখন তাদের।

তিনি বলেন, সেই রফিকুল ইসলাম মাদানী জোশে হুঁশ হারিয়ে ফেলেছিল।আর হুঁশ ফিরে আসার পর তো সে এখন পা জড়ায় ধরছে সকলের। রফিকুল ইসলাম মাদানীর মতো পরিস্থিতি হয়েছে বিএনপির। আমি বিএনপিকে বলবো তারা যেন জোশে হুঁশ না হারায়।না হয় তাদেরকেও এভাবে পা জড়ায় ধরতে হবে।

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সঞ্চালনায় এতে অন্যান্যের মধ্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর আলম শাহীন, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, এম শাহাদাত হোসেন তসলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, মুহাম্মদ বদিউল আলম,সাংগঠনিক সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. শহিদুল হক রাসেল বক্তব্য রাখেন। এতে চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ টি সাংগঠনিক জেলার যুবলীগের বিভিন্ন স্থরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

;

'হাওয়া ভবনের কসাই বাহিনীকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে'



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
'হাওয়া ভবনের কসাই বাহিনীকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে'

'হাওয়া ভবনের কসাই বাহিনীকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে'

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, হাওয়া ভবন থেকে সৃষ্টি কসাই বাহিনীকে অচিরেই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

মঙ্গলবার(২৯ নভেম্বর) বিকেলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-পাঠাগার সম্পাদক ও ওমরগণি এম.ই.এস. বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মহিম উদ্দিন মহিমের ১৮তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভায় ঢাকা থেকে ভার্চায়ালি সংযুক্ত থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত জোট সরকার গঠন করে সারা দেশে আওয়ামী লীগকে নিচ্ছিন্ন করার জন্য চক্রান্ত শুরু করে। খালেদা জিয়ার কুপুত্র তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ মদদে সারা দেশে ছাত্রলীগ যুবলীগের অসংখ্য দক্ষ সংগঠককে বেছে বেছে হত্যা করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামে ওমর গণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-পাঠাগার সম্পাদক মহিম উদ্দিনকে বিদেশ থেকে কৌশলে ডেকে এনে নির্মমভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করে হাওয়া ভবন খেবে সৃষ্টি কসাই বাহিনী।

আলোচনা সভা চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম আর আজিমের সভাপতিত্বে ওমর গণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন আবু’র সঞ্চালনায় এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এটিএম পেয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বৈশাখী টেলিভিশনের বার্তা প্রধান ও সাবেক ছাত্রনেতা অশোক চৌধুরী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ও শহীদ ছাত্রনেতা মহিম উদ্দিন মহিমের বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, সাবেক ছাত্রনেতা সরওয়ার মোর্শেদ কচি, জাহাঙ্গীর আলম, আবু সাঈদ সুমন, ফরিদ উদ্দিন ফরহাদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন, ভিপি ইউনুস, জসিম উদ্দিন খোন্দকার, নাজমুল আহসান, বিপ্লব মিত্র, কেন্দ্রীয় যুব লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, হাসান মনসুর, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এস.এম. সাঈদ সুমন, হাবিব উল্লাহ নাহিদ, শহীদুল ইসলাম শামিম, আসহাব রসূল চৌধুরী জাহেদ, নেছার আহমদ, আছিফুর রহমান মুন্না,   রাজিব দত্ত রিংকু, ফারুকুল ইসলাম অঙ্কুর, আব্দুল জলিল বাহাদুর, কাজী আলমগীর, মীর ইমরুল হাসান চৌধুরী রুবেল, শওকত উল্লাহ সোহেল, গোলাম ফোরকান, ওয়ালিদ মিল্টন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ওমর গণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস আরশেদুল আলম বাচ্চু, অসীম বণিক, নুরুল আলম মিয়া, ফজলুল কবির সোহেল, ফখরুল আলম রিপন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য আলী আবরাহা দুলাল, কাউন্সিলর এসরারুল হক এসরাল, কাউন্সিলর মোবারক আলী, কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনু, রাশেদুল আজিম রাসেল, হাজী ইব্রাহিম, ওসমান গণি আলমগীর, মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ মোর্শেদ, হাবিবুর রহমান তারেক প্রমুখ।

;

‘মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না, মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিবের আদর্শের সৈনিক হতে হবে, শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) নোয়াখালী শহর ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের তাঁর রাজধানীর বাসভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শাসক নয়, তিনি জনগণের সেবক। মির্জা ফখরুল সাহেবদের অপপ্রচারের বিপরীতে আমরা গঠনমূলক সত্য প্রকাশ করব এবং কাজ দিয়ে প্রমাণ করব বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

আন্দোলনের মাধ্যমে নির্যাতনের জবাব দেওয়া হবে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রশ্ন রেখে বলেন নির্যাতন কাকে বলে, বিএনপি কত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে? - ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট ৩ নভেম্বর, ২১ আগস্ট হত্যাকাণ্ড ।

আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে বিএনপি হত্যা করেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন এখন বিএনপি নেতারা ঘরে আছে, অথচ আমরা তাদের শাসনামলের ৫ বছরে ৫০ দিনও ঘরে থাকতে পারিনি।

তিনি বলেন আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, আন্দোলন করেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে।

বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন তারা শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করুক কোন আপত্তি নেই কিন্তু আগুন নিয়ে খেললে,সহিংসতা করতে এলে আমরা সতর্কতার সাথে প্রস্তুত এবং জনগণের জানমাল রক্ষায় সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

নোয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, যুগ্ম আহবায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীন, সহিদ উল্লাহ খান সোহেল এবং সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।

;

রসিক নির্বাচনে মোস্তাফাকেই সমর্থন দিলেন রওশন এরশাদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী হিসেবে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাকে সমর্থন দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ এমপি।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে সমর্থন দেন রওশন এরশাদ।

জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দলের এবং বিরোধী দলীয় নেতার মুখপাত্র কাজী মামুনূর রশীদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

এতে বলা হয়, মোস্তফা একজন সফল ও দক্ষ এবং যোগ্য ও শক্তিশালী প্রার্থী। এসময় কাজী মামুন জানান, আমাদের সবার মনে রাখা উচিত রংপুর জাতীয় পার্টির প্রাণ। এটা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্মস্থান এবং তিনি সেখানে শায়িত আছেন। তাই সিটি নির্বাচনে এই আসনটি যেকোনো মূল্যে ধরে রাখতে হবে এবং জাতীয় পার্টির প্রতীক ‘লাঙল’ নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হবে এমন যোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিরোধী দলীয় নেতার বার্তা হলো- সন্তান ভুল করলেও, মা হিসেবে তিনি সন্তানের ভুল ক্ষমা করে দিয়েছেন।

;