'বিএনপির আন্দোলন আ.লীগ সরকারকে পতন করতে পারবে না'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি এই আন্দোলন দিয়ে আ.লীগ সরকারকে পতন করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পুনঃনির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে জাতীয় শ্রমিক লীগ, রাজশাহী জেলা ও মহানগরের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৩ এর প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করানোর জন্য দেশি-বিদেশী নানা চক্রান্ত চলছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যার মধ্যে তো পিতার একটা দৃঢ়তা আছে। আমরা লক্ষ্য করছি একটা একটা করে বাধা তিনি কাটিয়ে আসছেন। বিএনপি যতই বলুক তারা আর পনেরো দিন পরে বিরামহীন আন্দোলন করবে, যা তারা গত ৭ বছর ধরে করছে, তা কখনো সফল হওয়ার নয়। কিন্তু এখনো তারা একথাটি কেন বলছে, তাদের কি লজ্জা করছে না? এই আন্দোলনে যে সরকার পতন হয় না, অন্তত আওয়ামী লীগ সরকারকে পতন করা যায় না, এটি তাদের বোঝা উচিত ছিল। সে কারণে কারো মধ্যে দ্বিধা রাখবেন না, সবাই জাগ্রত থাকবেন, শেখ হাসিনার ডাকে যা করণীয় করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র পোশাক শিল্প রপ্তানির উপর নির্ভরশীল না থেকে আরো অনন্ত ১০টি আইটেম রপ্তানি করার ক্ষেত্র তৈরির চেষ্টা করছে সরকার। বর্তমানে বাংলদেশ উন্নত বিশ্বেও ওষুধ রপ্তানি করছে। বাংলাদেশ জাহাজ নির্মাণ করছে, এখন হয়তো এই খাতটি বড় হয়নি তবে আগামীতে আরো অনেক বড় জাহাজ তৈরি করবে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী ফ্রিল্যান্সিং খাতকেও গুরুত্ব দিয়েছেন। ইতোমধ্যে অনেক ফ্রিল্যান্সার তৈরি হয়েছে দেশে। রাজশাহীতে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং করে ডলার আয় করছেন। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে। এভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সম্মেলনের উদ্বোধক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনপ্রিয় ব্যক্তি, মানুষ তাকেই ক্ষমতায় দেখতে চায়। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ী করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। রাজশাহী জেলা ও মহানগরে যারা নেতৃত্বে আসবেন, তারা সবাই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। আমি বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বলতে চাই আওয়ামী লীগকে ভয় দেখিয়ে লাভ নাই। বাংলার মানুষ এখন অনেক সচেতন। বাংলার মানুষ মনে করে শেখ হাসিনা সরকার, বারবার দরকার।

এরআগে পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। জাতীয় শ্রমিক লীগ, রাজশাহী মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ওয়ালী খানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে উদ্বোধক ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া। সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য এবং যুব মহিলা লীগের সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা। 

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশন জাতীয় শ্রমিক লীগ, রাজশাহী জেলা ও মহানগরের বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

দ্বিতীয় অধিবেশনে জাতীয় শ্রমিক লীগ, রাজশাহী মহানগরের সভাপতি পদে মাহাবুব আলম (জি.পি.ও) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আকতার আলী (রেলওয়ে) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সম্মেলনে সহ-সভাপতি পদে জহুরুল ইসলাম ও সেলিম রেজা বায়রুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রাশেদুজ্জামান রাশেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আফজাল হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়। নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের নাম ঘোষণা করেন খায়রুজ্জামান লিটন।

   

নরসিংদীর ৫ আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন যারা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেট, বার্তা ২৪.কম, নরসিংদী
ছবি: আওয়ামী লীগ পদপ্রার্থী

ছবি: আওয়ামী লীগ পদপ্রার্থী

  • Font increase
  • Font Decrease

 

নরসিংদী জেলার ৬টি উপজেলার ৭১ টি ইউনিয়ন ও ৬টি পৌরসভা নিয়ে ৫ আসনে সংসদ নির্বাচন হয়ে থাকে। অন্যান্য সময়ের মতো এবারও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ৫টি আসনেই হতে যাচ্ছে। এ বছর ৫টি আসনে সরকার দলীয় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি প্রতিটি আসনে একজন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া নতুন কয়েকটি দলের প্রার্থীসহ মোট ৪৩জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এদের মধ্যে যারা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তারা হলেন- নরসিংদী-১ (নরসিংদী সদর) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বীরপ্রতীক (আওয়ামী লীগ), জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো: ওমর ফারুক ভূইয়া (জাতীয় পার্টি), মো: ছবির মিয়া (বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন), আওলাদ হোসেন মোল্লা (জাকের পার্টি), নরসিংদীর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেরা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো: কামরুজ্জামান কামরুল (স্বতন্ত্র), শাজাহান মিয়া (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), মো: ইকবাল হোসেন ভূইয়া, (বাংলাদেশ কংগ্রেস), মো: আক্তারুজ্জামান (স্বতন্ত্র), মো: জাকারিয়া (স্বতন্ত্র), মো: জলিল সরকার (তৃনমূল বিএনপি)।

নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে মোট মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৭জন প্রার্থী। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য ও পলাশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা: আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ (আওয়ামী লীগ), এ এন এম রফিকুল আলম সেলিম (জাতীয় পার্টি), জায়েদুল কবীর (জাসদ), পাঁচদোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচদোনা স্যার কেজিগুপ্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মাসুম বিল্লাহ (স্বতন্ত্র), সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক আলতামাশ কবির মিশু (স্বতন্ত্র), পলাশ উপজেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী আফরোজা সুলতানা ওরফে আফরোজা দিলীপ (স্বতন্ত্র) এবং সাবেক এমপি কামরুল আশরাফ খান পোটন (স্বতন্ত্র)।

নরসিংদী-৩(শিবপুর) আসনে মোট মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১০জন প্রার্থী এরা হলেন- সাবেক এমপি মরহুম কিরন খান এর ছেলে ফজলে রাব্বি খান (আওয়ামী লীগ), এ এস এম জাহাঙ্গীর পাঠান (জাতীয় পার্টি), সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (স্বতন্ত্র), মুহাম্মদ নুরুজ্জামান (ইসলামী ঐক্যজোট), মো: মাসুম মৃধা (স্বতন্ত্র), সুশান্ত চন্দ্র বর্মন (তৃণমূল বিএনপি), মিরানা জাফরিন চৌধুরী (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), শিবপুর উপজেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী ফেরদৌসী ইসলাম ওরফে ফেরদৌস সিরাজ মোল্লা, (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান(গণফোরাম) ও ডা: মো: আলতাফ হোসেন (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি)।

নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী) আসনে মোট মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬জন প্রার্থী। এরা হলেন- বর্তমান শিল্পমন্ত্রী এড. নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, (আওয়ামী লীগ), মো: কামাল উদ্দিন (জাতীয় পার্টি), মো: ফয়সাল মিয়া (জাকের পার্টি), এমদাদুল হক ভুলন (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), মো: হারুন অর রশিদ (বাংলাদেশ কংগ্রেস) ও মনোহরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: সাইফুল ইসলাম খান বীরু (স্বতন্ত্র)।

জেলার সর্ববৃহৎ ২৪টি ইউনিয়ন ও চরাঞ্চল নিয়ে নরসিংদী-৫ রায়পুরা আসন। এ আসনে এবার মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১০ জন প্রার্থী। এরা হলেন- বর্তমান সংসদ সদস্য রাজি উদ্দিন আহমেদ (আওয়ামী লীগ), মো: শহীদুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি), মো: নাজমুল হক শিকদার (গণফ্রন্ট), আলহাজ্ব মুফতি আব্দুল কাদের মোল্লা (ইসলামী ঐক্যজোট বাংলাদেশ), বিল্লাল মিয়া (জাকের পার্টি), সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী (স্বতন্ত্র), মমতাজ মহল (বাংলাদেশ কংগ্রেস), মো: সোলায়মান খন্দকার (স্বতন্ত্র), মো: মাহফুজুর রহমান (জাসদ) এবং মো: বিটু মিয়া (বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট প্রন্ট)।



;

তালাবদ্ধ বিএনপি কার্যালয় থেকে ইসির চিঠি সরালো কে?



রাজু আহম্মেদ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

 

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশকে ঘিরে সংঘর্ষের পর থেকেই নেতাকর্মী শূন্য হয়ে পড়ে বিএনপি কার্যালয়। সে সময় একে একে গ্রেফতার হতে থাকে দলের শীর্ষ নেতারা, দলীয় কার্যক্রম থেকে ছিটকে গিয়ে নেতাকর্মী শূন্য হয়ে পড়ে দলটির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। বিএনপির সেই সংকটপূর্ণ সময়ে সংলাপের চিঠি পাঠানো হয় ইসি পক্ষ থেকে।

গত (২ নভেম্বর) ইসির চিঠি নিয়ে আসা ব্যক্তি বিএনপির গুলশান কার্যালয় ঘুরে কাউকে না পেয়ে শেষে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালাবদ্ধ গেটের ফাঁকা অংশ দিয়ে রেখে যান সংলাপের চিঠি।

এরপর দীর্ঘদিন বন্দি দশায় ধুলোবালিতে পড়ে থাকলেও কদিন থেকেই সেখানে দেখা যাচ্ছে না বিএনপিকে দেওয়া ইসির সংলাপের সেই চিঠিটি। বর্তমানে চিঠির জায়গায় হঠাৎ দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু দৈনিক পত্রিকা।

প্রশ্ন উঠেছে প্রায় একমাস ভয়ে বিএনপি নেতা কর্মীরা তো যাচ্ছেনা সেখানে। তাহলে চিঠি সরালো কে, কেউ না সরালো হঠাৎ ইসির চিঠি গেলো কোথায়? নাকি রাতের আধারে বা চুপি সারে বিএনপি নেতাদের কেউ নিয়ে গেছে সেই চিঠি?

এ বিষয়ে খোঁজ নিতে বেশ কিছু বিএনপি নেতা কর্মীর সাথে কথা বলেছে বার্তা২৪.কমের প্রতিবেদক।

পুলিশ নিজেই চিঠিটি সরিয়েছে অভিযোগ করে বিএনপি নেতারা বলছেন, ইসির চিঠির কোন ভিত্তি আমাদের কাছে নেই৷ এটা আমাদের সাথে তামাশা করা হয়েছে। আর চিঠি আমাদের প্রয়োজন হলে সংলাপের তারিখের আগেই আমরা নিয়ে আসতে পারতাম। যেহেতু পুলিশ সেখানে ঘাটি গেড়েছে তারা ছাড়া এটা অন্য কেউ সরানোর প্রশ্নেই আসেনা। কারণ পুলিশ সেখানে কাউকে ঘেঁষতে দিচ্ছেনা। তাদের ভাষ্যমতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও নাকি বলছেন একি কথা।

এদিকে সমাবেশে সংঘর্ষের পর থেকেই কার্যালয়টিতে পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। শুরুর দিকে কার্যালয়ের আশপাশে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি কাউকে। এর মধ্যে সেখান থেকে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে। তবে পুলিশের এমন কড়া নিরাপত্তা থাকা অবস্থায় গেলো কোথায় সেই চিঠি?

এ বিষয়ে কথা হয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল জোনের ডিসি হায়াতুল ইসলাম খানের সাথে। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিএনপির কেউ নিয়ে যেতে পারে। ইসির চিঠি, কে সরিয়েছে তা আমরা জানি না।

২৪ ঘণ্টা সেখানে পুলিশ থাকা সত্ত্বেও না জানার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপির কার্যালয়ে আমাদের কোন হস্তক্ষেপ নেই। সেখানে যে কেউ আসতে পারে। তাদের কেউ সরাবে এ বিষয়ে আমরা তো কথা বলতে পারি না।

বিএনপি মর্যাদা দেয়নি ইসির আবেগের, তার পরিণতি ছিল চিঠির বিনা আদেশের কারাবন্দি জীবন, আর কারাবন্দি থাকাতেই অবস্থায় নিখোঁজ ইসির চিঠি। বিএনপি নেতাকর্মীরা জানেন না ইসির চিঠি গেলো কোথায়। জানেনা সেখানে ২৪ ঘণ্টা অবস্থান করা পুলিশ সদস্যরা। তাহলে কি গ্রামীণ ভাষায় বিএনপির বন্ধ কার্যালয় এখন মগের মল্লুক?

;

নির্বাচনের ট্রেন চলছে, কেউ থামাতে পারবে না: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনের ট্রেন চলছে। কারো বাধায় কোথাও আর থামবে না। গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত এই ট্রেন চলবে। যত বাধাই দেওয়া হোক, কেউ এই ট্রেন থামাতে পারবে না, নির্বাচন হবে।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলে এসেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, একটা দল না আসলেই অংশগ্রহণমূলক হবে না এই কথা কি তারা বলেছে? সামগ্রিকভাবে একটা ফ্রি-ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল ইলেকশনের কথা তারা বলেছে। ৩০টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে এই নির্বাচনে। প্রতি সিটে ৯ জন করে প্রার্থী। তাহলে অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে না এই কথা কে বলল? মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় আচরণবিধি লঙ্ঘন না করতে। আওয়ামী লীগ সে দায়িত্ব নিবে না। সেটার জন্য যদি নির্বাচন কমিশন কোন অ্যাকশন নেই সে ক্ষেত্রে আমরা কোন ব্যবস্থা নিবো না।

নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের আচরণবিধি শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারে। এটা নিয়ে আমরা কোন আপত্তি করব না।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিজেই বলেছেন জিয়ার রাজনীতি থেকে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিতে সম্মানিত বোধ করছেন। তারও তো স্বাধীনতা আছে। তার যদি আওয়ামী লীগ করতে ভাল লাগে তার সে স্বাধীনতা আছে। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, হয়তো আগে ভুল করে থাকতে পারে। নিজেই স্বীকার করেছেন। ইলেকশনে অনেকগুলো কৌশলের ব্যাপার আছে। কৌশলগত সিদ্ধান্ত আমরা নিতেই পারি। এখানে কোন ভুল নেই। নির্বাচন কমিশনের কোন কোড কেউ এখানে লঙ্ঘন করেনি।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে দলগতভাবে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে কাদের বলেন, অ্যাকশনের ব্যাপারটা ভিন্ন। আমাদের কৌশলগত দিক আছে। আমাদের নেত্রীর বক্তব্য যেটা উনি গণভবনে দিয়েছিলেন, আমাদের প্রার্থীদের উদ্দেশে। সেখানে আমরা ঢালাওভাবে সবাই ইলেকশন করব বিষয়টা এমন না। দলীয় শৃঙ্খলার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ১৭ তারিখের মধ্যে আমরা বিষয়টা নতুন করে দেখবো। অ্যাডজাস্টমেন্ট, অ্যাকুমুডেশন আমরা দলীয়ভাবে বিষয়টি দেখব।

এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

;

যে কারণে বিএনপি ছাড়লেন শাহজাহান ওমর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কারামুক্তির পরদিনই অনেকটা নাটকীয়ভাবে বিএনপি থেকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ঝালকাঠি-১ আসনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান ওমর বীরউত্তম।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে নিজের আইন পেশার চেম্বারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আপালকালে শাহজাহান ওমর বলেন, এই মুহূর্ত থেকে আমি আর ‘বিএনপি ম্যান’ নই।

হঠাৎ করে দল বদল করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে শাহজাহান ওমর বলেন, আর কতবার নির্বাচনের বাইরে থাকব। এসময় তিনি বলেন, বিএনপির ২০১৪ সালের নির্বাচনে যাওয়া উচিত ছিল।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি যেন ভোটে আসে, সেজন্য কারাগারে দলের মহাসচি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্য শীর্ষ নেতাদের বলেছেন বলে জানান তিনি। ওই সময় তারা ইতিবাচক মনোভাবও দেখিয়েছিলেন বলে দাবি শাহজাহান ওমরের।

বিএনপির ভোট বর্জনের নীতির সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করে দলটির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আর কতবার আমরা নির্বাচনের বাইরে থাকব? বিএনপির দোষ-গুণ বিবেচনার সামর্থ্য আমার নাই। আমি মনে করি, বিএনপির ২০১৪ সালে নির্বাচনে যাওয়া উচিত ছিল। ২০১৮ সালে যাওয়া মিসটেক ছিল এবং এবার যাওয়া উচিত ছিল।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান ওমর বিএনপির টিকিটে ১৯৭৯, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জোট সরকারের আমলে তিনি আইন প্রতিমন্ত্রী ও ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সম্প্রতি স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ না পাওয়ায় এবং ঝালকাঠি জেলা বিএনপির নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে তারেক রহমানের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়।

;