নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে আ.লীগ কার্যালয়ে সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে সদ্য নিবন্ধন পাওয়া বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান এসেছিলেন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে। চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নৌকা চান দলটির চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ।

শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। দুইজনের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টা বাক্য বিনিময় হয়।

সম্প্রতি ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের জন্য সাতটি আসনে ছাড় দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আসনগুলো হলো- কুষ্টিয়া-২, লক্ষ্মীপুর-৪, বগুড়া-৪, রাজশাহী-২, সাতক্ষীরা-১, বরিশাল-৩ এবং পিরোজপুর-২।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম-২ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনয়ন পেতে পারেন সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান। ১৪ দলের শরিক বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এ আসনের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য।

জোটের শরিক না হয়েও এবার আসন পেতে পারে সুপ্রিম পার্টি। বিষয়টি নিয়ে জোটের ভেতরে ও বাইরে চলছে নানান আলোচনা। এর মধ্যে হঠাৎই আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেখা গেলো সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদকে।

আলোচনা শেষে বেলা সোয়া একটায় আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে বের হন সাইফুদ্দীন আহমদ।

বের হবার সময় সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, 'আজ মহান বিজয় দিবস। শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। এছাড়া নির্বাচন বিষয়ে কিছু কথা হয়েছে।'

নির্বাচন প্রসঙ্গে কি কথা হলো জানতে চাইলে সাইফুদ্দীন আহমদ বলেন, 'আমাদের কিছু প্রার্থী নিয়ে কথা বললাম, নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা বললাম। আমরা যে সব আসনে ভালো প্রার্থী, জয়ের ব্যাপারে যেসব আসনে আশাবাদী সে সব বললাম। আমাদের কোনো প্রার্থী যেন ভোটের ব্যাপারে বাধা না পায়।'

তিনি বলেন, 'তিনি (ওবায়দুল কাদের) আশ্বস্ত করেছেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।'

দেশে আজ ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে: সেলিমা রহমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪. কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে

ছবি: বার্তা২৪, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে আজ ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, সবচেয়ে বড় ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, দেশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে। আমরা এক অনিশ্চয়তার দিকে ছুটে চলেছি। দেশের মানুষ ধুঁকে ধুঁকে মরছে!

শনিবার (১৩ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের বাংলাদেশ ইযুথ ফোরামের উদ্যোগে 'ভারতের সাথে অসম চুক্তি- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের উপর হুমকি' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেলিমা রহমান বলেন, জনযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয়েছে। ছাত্র-শ্রমিক, নারী-পুরুষ সেই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। সমস্ত দেশ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, শুধু কিছু রাজাকার ছাড়া।

দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫২ বছর। আমাদের যে চাওয়া ছিল, আমাদের যে পাওয়া ছিল, তা আমরা পাইনি। বাংলাদেশের ন্যায়ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার, কথা বলার অধিকার, মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার অধিকার, এই মুহূর্তে ‘ভোট চোর’ সরকার তা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষ কথা বলতে পারছে না।

সেলিমা রহমান বলেন, আজ নানাদিক থেকে আওয়াজ উঠছে। কোটা সংস্কারের আন্দোলন হচ্ছে। তাদের কোনো রাজনৈতিক দল আন্দোলন করতে বলেনি। তাদের বিবেক থেকে আন্দোলন করছে। কোটা সংস্কারে শিক্ষার্থীরা বলছে, এই সরকারের ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই।

চারিদিক থেকে আওয়াজ উঠেছে। শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। মেধার কোনো দাম নেই। দুর্নীতির মধ্য দিয়ে, লবিংয়ের মধ্য দিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে শিক্ষার্থীদের জীবন অনিশ্চিত করে ফেলছে।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের কথা বলে, বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করিয়েছে সরকার। ১/১১ থেকে ষড়যন্ত্র চলছে। তখন বলেছিল- ‘মাইনাস টু’। কিন্তু না, সেই সময় তারা প্ল্যান করেছিল ‘মাইনাস ওয়ান’-এর। খালেদা জিয়া বাইরে থাকলে বাংলাদেশ আজ স্বাধীনতা নিয়ে, গণতন্ত্র নিয়ে মাথা উঁচু করে থাকতো।

ঢাকার জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গ টেনে সেলিমা রহমান বলেন, পত্রিকায় দেখলাম, সিটি করপোরেশন কাজ না করে ৭শ কোটি টাকা লুট করেছে।

গতকাল (শুক্রবার) ঢাকা শহর ডুবে গেল। কেন ডুববে না! আজকে খাল, নদী, জলাশয় সবকিছু দখল করে নিয়ে রিসোর্ট, ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপি বা তাদের ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালীরা। এমপি হলেই ৫-৬টা বাড়ি করতে হবে, কোটি কোটি টাকা আয় করতে হবে; এই হলো বাংলাদেশের অবস্থা!

সরকারের সমালোচনা করে সেলিমা রহমান বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের বুকের ওপর পা দিয়ে, শিক্ষার্থীদের রক্তের ওপর দিয়ে তারা ক্ষমতায় থাকতে চায়। উন্নয়নের নামে জনগণের ট্যাক্সের টাকা তারা (আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে) লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে। জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে প্রতিদিন নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রসঙ্গে বিএনপির এই সিনিয়র নেত্রী বলেন, ভারত তিস্তার পানি দিচ্ছে না। পানির অভাবে উত্তরাঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হয়। অভিন্ন নদীর পানির হিস্যা পাচ্ছে না বাংলাদেশ। সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদ করতে পারছি না অথচ প্রধানমন্ত্রী তিস্তা প্রকল্পে সই করেছেন। ভারতের সঙ্গে চুক্তির ফলে বাংলাদেশ ‘গোলামি রাজ্যে’ পরিণত হবে। এই চুক্তি দেশের জনগণ মেনে নেবে না।

ভারতের সঙ্গে হওয়া চুক্তিকে অসম চুক্তি উল্লেখ করে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, এই চুক্তি বাতিল করতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

রাষ্ট্রচিন্তক ও বাংলাদেশ ইউথ ফোরামের উপদেষ্টা রোটারিয়ান এম নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সহতথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, হেলাল উদ্দিন, ইউসুফ আলী প্রমুখ।

;

ভাসানী অনুসারী পরিষদে যোগ দিলেন বিভিন্ন সংগঠনের ২৪ নেতাকর্মী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪. কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

ছবি: বার্তা২৪, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

  • Font increase
  • Font Decrease

ভাসানী অনুসারী পরিষদে যোগ দিয়েছেন সারাদেশ থেকে আসা বিভিন্ন সংগঠনের ২৪ জন নেতাকর্মী।

শনিবার (১৩ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে ভাসানী অনুসারী পরিষদ। এতে নতুন নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় সংগঠনটি।

সদ্য যোগদানকারী নেতাকর্মীদের অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষা, দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া এবং মানুষের নাগরিক ও মৌলিক অধিকার জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই সামাজিক সংগঠন থেকে রাজনৈতিক দলে রূপান্তরিত হয়েছে, ভাসানী অনুসারী পরিষদ।

রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথমে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ গঠনের প্রথম উদ্যোগও নিয়েছিল ভাসানী অনুসারী পরিষদ।

দেশে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমরা রাজপথে রয়েছি। একদফা আন্দোলনের বিকল্প নেই। ‘ফ্যাসিস্ট’ আওয়ামী লীগের সরকার পতন ঘটিয়ে জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিভিন্ন সংগঠন থেকে যারা যোগ দিয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম নুরুজ্জামান হিরা, মো. শাহাদাত হোসেন, নুরুল আমীন লিটন, মো. ওমর ফরুক, হাজী মাসুদ খান, তানজিমুল হাসান মায়া।

ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বাবলু এবং সদস্য সচিব আবু ইউসুফ সেলিমের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের উপদেষ্টা মো. হারুন অর রশিদ, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক সিরাজ উদ্দিন সাথী, যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন, বাবুল বিশ্বাস, আরিফ হোসেন প্রমুখ।

;

প্রশ্নটা ভালো হয়নি, সাংবাদিককে মির্জা আব্বাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪, জিয়ার মাজারে মির্জা আব্বাস

ছবি: বার্তা২৪, জিয়ার মাজারে মির্জা আব্বাস

  • Font increase
  • Font Decrease

কাউন্সিল ছাড়াই মহানগর কমিটি গঠন করা হয়েছে। থানা কমিটিও হয়ত হবে। সেক্ষেত্রে অভিযোগ ওঠে, কমিটি নিয়ে বাণিজ্য হয়, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, আপনার প্রশ্নের সব উত্তর দিতে চাই না। কারণ, প্রশ্নটা ভালো হয়নি।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে মির্জা আব্বাস এ মন্তব্য করেন।

তবে এই প্রশ্নের উত্তরে মির্জা আব্বাস বলেন, কমিটিতে বাণিজ্য করা হয়, এটা ঠিক না। এটা সম্পূর্ণ অলীক কথাবার্তা। কমিটি হয়েছে। আহ্বায়ক কমিটির পর কাউন্সিল হয় না। আগে কমিটি গঠিত হয়ে পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটির আগে কাউন্সিল হয়। এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণীর বিষয়।

নবগঠিত কমিটি আন্দোলন করায় কতটা ভূমিকা রাখবে এমন প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, বিএনপি আন্দোলনে কখনো ব্যর্থ হয়নি। এই আন্দোলনে আমাদের ছেলেরা, কর্মীরা, নেতারা দলে দলে জেলে গেছেন। এখনো যাচ্ছেন আবার বের হচ্ছেন আবার ঢুকছে।

মির্জা আব্বাস আরো বলেন, তারা গুলি খেয়েছে, আহত হয়েছে। শাহাদাত বরণ করেছে, এমন অনেক লোকই আছেন। আন্দোলন ব্যর্থ হয়নি বরং সরকার আন্দোলনকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন যারা করছেন, তাদের দাবি-দাওয়া ন্যায্য উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি এর সঙ্গে আছে, এই কথা বলে আসল বিষয়টাকে ধামাচাপা দেওয়ার কোনো দরকার আছে বলে আমি মনে করি না।

এটা তাদের (আওয়ামী লীগ) ‘অপপ্রয়াস’ ‘অপকৌশল’ ছাত্রদের আন্দোলনকে অন্যদিকে ধাবিত করার জন্য।

তিনি বলেন, আমরা ভয় করছি, এই আন্দোলনের ফাঁক দিয়ে তারা অন্যকিছু আবার করছে কি না! এই দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে কি না!

বেগম জিয়ার অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, দেশনেত্রী যখন অসুস্থ থাকেন তখন সারাদেশ অসুস্থ থাকে। এই দেশ এবং জাতিকে অসুস্থতা থেকে মুক্ত করতে হবে এই প্রত্যয়ে আজকে আমাদের এই মাজার জিয়ারত।

খালেদা জিয়া মারাত্মক অসুস্থ মন্তব্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, আল্লাহর কাছে আমরা দোয়া করবো, কামনা করবো, আল্লাহতায়ালা যেন সুস্থ্ ও সহি-সালামতে আমাদের মধ্যে তাকে (খালেদা জিয়া) ফিরিয়ে দেন। আমরা দেশবাসীর কাছেও এই দোয়া কামনা করি।

;

জিয়ার মাজারে নবগঠিত মহানগর বিএনপির শ্রদ্ধা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নবগঠিত ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরস্থ জিয়াউর রহমানের মাজারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে ফুল দিয়ে এ শ্রদ্ধা জানান তারা।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী প্রমুখ।

এর আগে, গত রোববার (৭ জুলাই) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখায় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে দলটি।

ঢাকা মহানগর উত্তরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নিরবকে আহ্বায়ক ও বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ফুটবলার আমিনুল হককে সদস্য সচিব করে দুই সদস্যের এই আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়। আর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুকে আহ্বায়ক ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ রবিনকে সদস্য সচিব করে দক্ষিণে দুই সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়।

;