‘প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলে দল আরও শক্তিশালী হয়’



রুহুল আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এস এম কামাল হোসেন; বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন বার্তা২৪.কমের সঙ্গে।

তিনি বলেছেন, স্থানীয় গ্রুপিং, প্রতিযোগিতা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবসময় সব দলের মধ্যেই থাকে। তবে জেলা থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত আমরা সবাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই দ্বন্দ্ব, প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে খারাপ কিছু মনে করি না, তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোন নোংরামি বা সহিংসতা যেন না হয়। মানুষের জন্য ভাল কাজ করা, মানুষকে নিরাপদ রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বার্তা২৪.কম-এর স্টাফ করেসপন্ডেন্ট রুহুল আমিন। 

বার্তা২৪.কম: দ্বাদশ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র ও নৌকা সমর্থকদের দ্বন্দ্বে আওয়ামী লীগের মধ্যে যে গ্রুপিংয়ের সৃষ্টি হয়েছে তার সমাধান কীভাবে করবেন?

এস এম কামাল হোসেন: স্থানীয় ভাবে দ্বন্দ্ব আছে, প্রতিযোগিতা আছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই দ্বন্দ্ব, প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে খারাপ মনে করি না।  আমি মনে করি, প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলে দল আরও শক্তিশালী হয়। সে ক্ষেত্রে এই প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে যাতে নোংরামি এবং সহিংসতা যেন না হয়, এটাই আমাদের চেষ্টা। এই নির্দেশনা আমাদের প্রিয় নেত্রী আমাদের দিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে আমরা চেষ্টা করব এগুলো দেখভাল করার জন্য। গ্রুপিং, প্রতিযোগিতা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবসময় ছিল, এটা নির্বাচনকে ইস্যু করে না। যদিও জেলা পর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত কোন গ্রুপিং নেই। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সবাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।

বার্তা২৪.কম: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ও স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার অনুমতি দেওয়ায় অনেক জায়গায় সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে। এক্ষেত্রে এই সংঘাত নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেবেন?

এস এম কামাল হোসেন: আমরা আগে ঢাকায় নেতাদের সাথে বসে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব। এরপর আমরা তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করব।

বার্তা২৪.কম: নতুন বছর, নতুন সরকারের সামনে কী চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন?

এস এম কামাল হোসেন: বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা যা বলেছেন, মানুষকে ভাল রাখা, মানুষকে নিরাপদে রাখা, মানুষকে শান্তিতে রাখা। এটা যদি আমরা করতে পারি, সাধারণ মানুষকে নিরাপদে ও শান্তিতে রাখতে পারি তাহলে জনগণের যে আস্থা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রতি আছে; ভবিষ্যতেও সে আস্থা, বিশ্বাস শেখ হাসিনার প্রতি থাকবে। আমাদের লক্ষ হচ্ছে মানুষকে ভাল রাখা, নিরাপদে ও শান্তিতে রাখা। মানুষ যাতে কোন কষ্ট না পায়, মানুষ যেন আমাদের ওপর বিরক্ত না হয় এটা হচ্ছে মূল কাজ, এটাই আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ।

বার্তা২৪.কম: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন তুলে নেওয়া কি নির্বাচনি কৌশল?

এস এম কামাল হোসেন: এটা কোন কৌশল না। আমরা বঙ্গবন্ধুরকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে সিদ্ধান্ত ছিল, আরপিওতে (গণপ্রতিনিধিত্ব আইন) তৃণমূলে দলীয় মনোনয়ন দিলে প্রতীক দিতে হবে এমন একটা বিষয় আছে, এবার আমাদের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সবাই চিন্তাভাবনা করে প্রস্তাব দিয়েছি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না দিলে ভাল হয়। এতে আরও উৎসবমুখর ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকেই তো হয়ে আসছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও দলীয় প্রতীক ব্যবহারের যে সিদ্ধান্ত ছিল, এবার দলীয় প্রতীক দেওয়া হবে না। দল থেকে আমরা কোন দলীয় প্রতীক দেব না। ফলে দল থেকে মনোনয়ন না দিলে দলীয় প্রতীক দেওয়ারও কোন প্রয়োজন আসে না। এই কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সবাই সবার গ্রহণযোগ্যতা অনুযায়ী নির্বাচন করবে। নির্বাচন আরও উৎসবমুখর পরিবেশে হবে।

বার্তা২৪.কম: নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকাতে এমপিদের আরও দায়িত্ব বাড়বে কিনা?

এস এম কামাল হোসেন: এমপিদের দায়িত্ব বাড়বে এই হিসেবে যে, নির্বাচনটা যাতে সুষ্ঠু হয়, সংঘাতপূর্ণ না হয়। সংঘাত ও সহিংসতামুক্ত ভাল নির্বাচন যাতে দিতে পারে সে হিসেবে সংসদ সদস্যদের তো দায়িত্ব আছেই। ভাল নির্বাচনের ব্যাপারে তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে।

বার্তা২৪.কম: হঠাৎ করে কেন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক তুলে দেয়া হচ্ছে?

এস এম কামাল হোসেন: আমাদের প্রতিটি উপজেলা লেভেলে ১০/১৫ জন করে ভাল প্রার্থী আছে। মনোনয়ন দেওয়ার সময় নৌকা প্রতীক দিলে স্থানীয়ভাবে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড়িয়ে যায়। তাতে দলের ভেতর সংঘাত বেশি বাড়ে। অন্যান্য দল যদি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতো তাহলে আমরা দলীয় প্রতীক দিয়ে নির্বাচন করলে দল আরও ঐক্যবদ্ধ হতো। কিন্তু অন্য কোন দল যেহেতু দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে না, আমরা তাই দলীয় প্রতীক না দিয়ে দলের ভেতর যারা গ্রহণযোগ্য আছেন তাদের ছেড়ে দিয়েছি, তারা নির্বাচিত হয়ে আসবে।

বার্তা২৪.কম: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অন্য কোন দল আসলে আওয়ামী লীগ কি প্রতীক দেবে?

এস এম কামাল হোসেন: সেটা তো পরের ব্যাপার। সেটা কার্যনির্বাহী কমিটির আলোচনার ভিত্তিতে হবে। সে আলোচনার আগে তো আমি ব্যক্তিগতভাবে মতামত দিতে পারব না।

বার্তা২৪.কম: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক দেওয়ার পর আগের নির্বাচনগুলোতে যে সংঘাত হয়েছে সে সংঘাত এই নির্বাচনেও থাকবে বলে কি মনে করছেন?

এস এম কামাল হোসেন: এজন্যেই তো আমরা দলীয় মনোনয়ন দেব না। দলীয় মনোনয়ন দিলে তো দলীয় প্রতীক দিতে হবে। এজন্যে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি দলীয় মনোনয়ন দেব না।

বার্তা২৪.কম: অন্যান্য নির্বাচনে দলীয় প্রতীক দিলেও দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে অনেকে স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়িয়েছে। আবার বিএনপিসহ অন্যান্য দলেরও অনেকে দাঁড়িয়েছে। এবারও কি সে কারণেই নির্বাচনে দলীয় প্রতীক দেওয়া থেকে সরে এসেছে আওয়ামী লীগ?

এস এম কামাল হোসেন: কারা নির্বাচন করবে, না করবে এটা তো আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারব না। আমরা প্রত্যাশা করছি, যারা স্থানীয়ভাবে নির্বাচন করতে চায় তারা সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

বার্তা২৪.কম: উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ওপর দলের চেয়ে এমপিদের নিয়ন্ত্রণ বাড়বে কিনা?

এস এম কামাল হোসেন: প্রত্যেকটা মানুষই তো মনে-মনে কাউকে না কাউকে সমর্থন করতে পারে। এমপিরা তো কোন প্রচারণায় যেতে পারবে না। এখন ঘরে থেকে যদি কেউ কাউকে সমর্থন করে, সেটা দেখার বিষয় না। কিন্তু প্রকাশ্যে তো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কাউকে সমর্থন দিতে পারবে না। কারো পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবে না। প্রত্যেকটা ব্যক্তিরই কেউ না কেউ পছন্দের ব্যক্তি থাকতে পারে। কিন্তু প্রকাশ্যে সমর্থন করার কোন জায়গা নেই। তাহলে নির্বাচন কমিশন তাকে চিঠি দেবে। সে ক্ষেত্রে এটা পারবে না।

বার্তা২৪.কম: আপনাদের অনেকেই বলছেন, বিএনপি এখন চুপ থাকার অর্থ হচ্ছে তারা বড় কোন সহিংসতার পরিকল্পনা করছে, সেক্ষেত্রে বিএনপিকে মোকাবেলায় আওয়ামী লীগের কী প্রস্তুতি?

এস এম কামাল হোসেন: বিএনপি-জামায়াত সবসময় ষড়যন্ত্র করে, সহিংসতা করে। দেশে অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরির চেষ্টা করে। আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের জনগণ তাদের ডাকে সাড়া দেয়নি। তারা নির্বাচনের আগে অনেক ধরনের সহিংসতা করার চেষ্টা করেছেন। ট্রেনে আগুন দিয়েছে, মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে, নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টা করেছে মানুষকে প্রতিহত করার, কিন্তু মানুষ তাদের ডাকে সাড়া দেয়নি। ভবিষ্যতেও যদি তারা এধরনের কোন পরিকল্পনা করে, খারাপ পরিকল্পনা করে তাহলে জনগণকে সাথে নিয়ে তাদেরকে অতীতে যেভাবে প্রতিরোধ করা হয়েছে ভবিষ্যতেও সেভাবে প্রতিরোধ করা হবে।

বার্তা২৪.কম: তৃণমূলে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান কেমন দেখছেন?

এস এম কামাল হোসেন: আমি তৃণমূলে বিএনপির ওরকম কোন কার্যক্রম দেখি না। সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে কোন জেলায় বিএনপি-জামায়াত মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না। আমি এটা বিশ্বাস করি।

বার্তা২৪.কম: আওয়ামী লীগের নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দ্বন্দ্বে মাঝ নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ১৪ জন মারা গেছে, আহত হয়েছে কয়েক হাজার। আওয়ামী লীগের নিজেদের মধ্যে এই যে একটা বিরোধ তৈরি হলো, এক্ষেত্রে সহিংসতা থামলেও বিরোধ কি থামবে?

এস এম কামাল হোসেন: বিরোধও একটা পর্যায়ে গিয়ে থাকবে না। এই উপজেলা নির্বাচনেই দেখবেন, যারা স্বতন্ত্র দাঁড়িয়ে নৌকার বিপক্ষে কাজ করেছে তারাই এবার অনেকেই নিজেদের মধ্যে একটা সম্পর্ক তৈরি করে নেবে।

বার্তা২৪.কম: উপজেলা নির্বাচনে প্রতীক না দেওয়া তাহলে দ্বন্দ্ব নিরসনের কোন কৌশল?

এস এম কামাল হোসেন: এটা একটা কৌশল আছেই আমাদের। যে দ্বন্দ্বটা তৈরি হয়েছে সেটা এই নির্বাচনের ভিতর দিয়ে একজন আরেকজনের আরও কাছে চলে আসবে। যে নৌকার বিপক্ষে কাজ করছে সে হয়তো নৌকার পক্ষে উপজেলা নির্বাচনে কাজ করবে। তার মধ্য দিয়ে একটা সম্পর্ক তৈরি হবে। আবার নতুন করে একটা দ্বন্দ্ব তৈরি হবে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করব। আমার ব্যক্তিগত চিন্তা হচ্ছে, উপজেলা নির্বাচনের পরে মাঠে নামব, দলকে একসাথে করব।

বার্তা২৪.কম: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি দল হিসেবে আপনারা কী চিন্তা করছেন?

এস এম কামাল হোসেন: বঙ্গবন্ধুকন্যা গত ২৭ ডিসেম্বর যে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন সেখানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, কর্মসংস্থান তৈরি করা, দ্রব্যমূল্য সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা, সন্ত্রাস-মাদক বন্ধ করা, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে আছে; সেগুলো মূল কাজ আমাদের। বিশ্বে যে অর্থনৈতিক মন্দা বাংলাদেশের ওপরও সে প্রভাব পড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশ তা কাটিয়ে ওঠছে বঙ্গবন্ধুরকন্যা শেখ হাসিনার সাহসী পদক্ষেপ, দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে। বাংলাদেশ কিন্তু বড় ধরনের কোন সংকটে পড়েনি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সাময়িকভাবে এই সংকটগুলো আসছে, বঙ্গবন্ধুকন্যার দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা অতিক্রম করে এগিয়ে যাব।

এখন যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে তারা বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। সে ক্ষেত্রে জিনিসপত্রের দাম কিন্তু কমতে শুরু করেছে। এখানে একটা সিন্ডিকেট আছে যারা অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়। জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে বেশি মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এই বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন, দলও এই বিষয়ে দেখাশোনা করবে, সরকারিভাবে মন্ত্রণালয় থেকে তারাও দেখভাল করবে, যেন জিনিসপত্রের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে।

তারপরও নতুন নতুন পদক্ষেপ যেমন- সরকার এক কোটি পরিবারকে টিসিবি কার্ড দিচ্ছে। প্রতিটি শহরে ওএমএস ডিলার দিয়ে প্রচুর মানুষকে সাহায্য করা হচ্ছে, স্বল্পমূল্যে চাল-ডাল দেওয়া হচ্ছে। সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে যেন মানুষ কষ্ট না পায়। ৫ কোটি মানুষকে সোশ্যাল সেফটি নেটের আওতায় আনা হয়েছে, টিসিবির মাধ্যমে খাদ্য সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ মানুষকে ভাল রাখা, নিরাপদে ও শান্তিতে রাখা। এটাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

বার্তা২৪.কম: আপনি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন, এবার প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সে ক্ষেত্রে সামনে কোন চ্যালেঞ্জ দেখছেন কি?

এস এম কামাল হোসেন: মানুষের ভাল করাটাই চ্যালেঞ্জ। ভাল কাজ করতে গেলে চ্যালেঞ্জ আসবেই। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন চ্যালেঞ্জ নেই। বঙ্গবন্ধুকন্যা নিজে একটা শ্রেষ্ঠ আর্কিটেক্ট। গোটা বাংলাদেশ নিয়ে তিনি ভাবছেন। তার ভাবনার সুফল আমরা পাচ্ছি। আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ পার হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছে। নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, ওই এলাকার মানুষকে ভাল রাখা, শান্তিতে ও নিরাপদে রাখা। এই তিনটা জিনিস করতে পারলে আমরা মনে করি আগামীতে কেউ জনগণকে বিপথে পরিচালনা করতে পারবে না। জনগণ জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেই থাকবে। অতীতে যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা এই কাজগুলো যদি ফেইল করি তাহলে জনগণ আমাদের বিপক্ষে যাবে। আমরা মনে করি, এই কাজগুলো করাই হচ্ছে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ।

বার্তা২৪.কম: দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স আপনারা ঘোষণা করেছেন সে ক্ষেত্রে কি আগের মতো আবার কোন শুদ্ধি অভিযান আমরা দেখব?

এস এম কামাল হোসেন: দুর্নীতি শতভাগ মুক্ত কেউ করতে পারবে না। কিন্তু সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় যেন দুর্নীতি না হয় সে ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। অতীতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি হয়নি। যেখানেই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি হয় সেখানেই জানার সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। আমাদের মূল লক্ষ হচ্ছে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় যেন কোন দুর্নীতি না হয়। এটাই হচ্ছে মূল লক্ষ্য। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করতে হবে, মাদকের বিরুদ্ধে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। এই কাজগুলো আমাদের মানুষের মাঝে তৈরি করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র ছাত্রলীগের হামলা ক্ষমার অযোগ্য: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র ছাত্রলীগসহ সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের হামলা ক্ষমার অযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

ছাত্রদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিনা উসকানিতে আন্দোলনরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীসমূহ কর্তৃক চরম নির্মমতা প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, গতকালকে ৬ জন নিহতের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং অসমর্থিত সূত্রের তথ্য অনুযায়ী আজকে ১৫ জন অর্থাৎ মোট ২১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত মর্মান্তিক। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হল রাষ্ট্রকর্তৃক নিযুক্ত আইনের রক্ষকরা সশস্ত্র সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এক সাথে মিলে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে একটি অসম যুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র। প্রত্যেকটি নাগরিকের মতামত প্রকাশের, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর ও সরকারের প্রতি তাদের দাবি জানানোর অধিকার আছে। সরকারের কর্তব্য এ প্রতিবাদের ভাষা বোঝা এবং সরকারের দায়িত্ব সেটা নিরসনের ববস্থা নেয়া। রাষ্ট্রীয় বাহিনী বা নিজেদের সন্ত্রাসী বাহিনী অথবা একসঙ্গে উভয়কে ব্যবহার করে প্রতিবাদ স্তব্দ করা নয়। কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবি বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে মেনে নেওয়া উচিত।

ক্ষোভ প্রকাশ করে জিএম কাদের বলেন, ১৬ জুলাই বিনা উসকানিতে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে কাছ থেকে ঠান্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ। হত্যাকারীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে আমরা জানি না। আবার পুলিশের সাথে রাস্তায় নেমে ছাত্রলীগের যে সব সন্ত্রাসী পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়েছে সাধারণ ছাত্রদের ওপর- ছাত্রলীগের সেই সব সন্ত্রাসীদের এখনো গ্রেফতার করা হয়নি।

তিনি বলেন, গেলো কয়েক দিন ধরে নিরীহ ছাত্রদের ওপর ছাত্রলীগ যেভাবে সশস্ত্র হামলা করেছে তা সভ্য সমাজে বেমানান। সরকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাঠিয়াল বাহিনী তৈরি করেছে। তারা নিরীহ ছাত্রদের ওপর পৈশাচিক হামলা চালাচ্ছে। অনুগত সন্ত্রাসীদের আইনের ওপরে রেখেছে। নিরীহ ছাত্রদের রক্ত ঝড়াবে আর বিচার হবে না। এটা একটি স্বাধীন দেশে হতে পারে না। যে সরকার কোটা পদ্ধতি বাতিল করেছিলো এখন তারাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেয়া ছাত্রদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এখন আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য এবং কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলা প্রমাণ করে শুধু আন্দোলন ঠেকাতেই সরকার ২০১৮ সালে কোটা বাতিলের কৌশলী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। সাধারণ মানুষের ধারণা জনগণের এ দাবির প্রতি সরকারের সমর্থন ছিল না। যে কোন ভাবে পরবর্তীতে, সময় সুযোগ বুঝে আবার কোটা পদ্ধতি চালু করা হবে, এ সিদ্ধান্ত আগেই ছিল। ফলে জনগণের ধারনা কোটা পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের মামলা ও এতে বর্তমান ফলাফলের বিষয়ে সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ ছিল।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরবর্তীতে কোন একটি সময় কোটা বহালের দাবিতে সাধারণ জনগণের অজান্তে একটি পক্ষ আদালতে মামলা করেছিলো। ২০২৪ সালে হঠাৎ করে সেই মামলার রায় হয়। সেই রায়ে আদালত কোটা পদ্ধতি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেন। সম্পূর্ণ বিষয়টি রহস্যজনক। চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সমাজে বৈষম্য সৃষ্টিতে সহায়ক। বৈষম্যহীন সমাজ গঠনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার জন্য ন্যায়বিচার ভিত্তিক জনগণের নিজেদের একটি দেশ গঠনই ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য। সে কারণে, কোটা পদ্ধতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্যের মূলে আঘাত।

;

বিএনপি-জামায়াতের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী তাণ্ডব চালাচ্ছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি-জামায়াতের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী তাণ্ডব চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাদের উসকানির জন্য সারা দেশে কয়েকজনকে প্রাণ দিতে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও সরকার ধৈর্য এবং সহনশীলতার সঙ্গে আন্দোলন পর্যবেক্ষণ করছে। নিরাপত্তার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে। তবে একটা রাজনৈতিক অপশক্তি অনাকাঙ্ক্ষিত সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তাদের উসকানির জন্য সারা দেশে কয়েকজনকে প্রাণ দিতে হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী ব্যাপক তাণ্ডব চালাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গতকাল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু আজ থেকে দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে এখন বিএনপি-জামায়াত তাদের পুরনো আগুন সন্ত্রাস নিয়ে মাঠে নেমেছে।

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অসংখ্য স্থানে ছাত্রলীগের ওপর নির্যাতন করেছে। ৩শর মত আহত হয়েছে, যেখানে অনেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায়। ছাত্রলীগের নারী শিক্ষার্থীদের ওপরও হামলা চালিয়েছে। মেয়েদের বেধড়ক পিটিয়েছে। পুলিশ, সাংবাদিকদের ওপরও হামলা চালিয়েছে।

বিএনপির দণ্ডিত নেতা তারেক রহমান বিদেশে বসে ছাত্রদলকে নির্দেশ দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে বলে জানান তিনি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

;

গুলিস্তানে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের’ প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ আহ্বান করা হয়েছে। এদিন বিকাল ৩টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এ ঘোষণা দেন। মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলনের আড়ালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মূলে আঘাত প্রতিহত করা এবং হত্যা, নাশকতা, অরাজকতা, অগ্নিসংযোগ প্রতিহত করার লক্ষ্যে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পক্ষের সব শ্রেণি-পেশার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে তাদের প্রতিহত করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে বায়তুল মোকারম মসজিদের দক্ষিণ গেটে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, শ্রমিক, কর্মচারী, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবীসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী জনগণের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক। এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খানসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে অংশ নেবেন। সমাবেশে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে উপস্থিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

;

শিক্ষার্থীদের শাটডাউনে বিএনপির সমর্থন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে সর্বাত্মক শাটডাউনে সমর্থন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ১২টা ১৫ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া উইং এর সদস্য দিদার হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান। 

দিদার হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ ও সশস্ত্র ছাত্রলীগের হিংস্র আক্রমণে ৭ জন শহীদ হয়েছেন। এছাড়া আজও আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উপর র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও সোয়াতের ব্যাপক হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক রক্তাক্ত ঘটনায় আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি চাকুরীতে কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা আগামীকাল ১৮ জুলাই সারাদেশে 'কমপ্লিট শাটডাউন' কর্মসূচিতে সর্বাত্মক সমর্থন জানানো হয়েছে। 

;