তারেক রহমানকে তালাক না দিলে বিএনপির ধ্বংস অনিবার্য: নানক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, তারেক রহমানকে তালাক দিয়ে রাজনীতিতে ফিরে আসেন। নয়তোবা আপনাদের ধ্বংস অনিবার্য।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ‘ইতিহাসের গতিধারায় বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’ শীর্ষক সংবাদ চিত্র প্রদর্শন ও আলোচনা সভায় বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নানক বলেন, হাওয়া ভবনের মাধ্যমে তারেক রহমান হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন। লন্ডনে বসে রাজপ্রাসাদ থেকে দেশের টাকা লুটপাট করে উপভোগ করছেন। আর বিএনপি নেতাকর্মীদের ভুলভ্রান্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, যেই দুর্নীতি করুক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার নজির সৃষ্টি করতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য বাস্তবায়নে যারা লক্ষ্য বিচ্যুত হয়ে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন- যেই দুর্নীতি করবেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শেখ হাসিনা কোন আপোষ করবেন না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দুর্নীতিকে না বলে এগিয়ে যেতে হবে। যে দুর্নীতি করেছেন- বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু বিএনপি'র নেতারা এই নজির সৃষ্টি করতে পারেনি।

এ সরকার আমাদের প্রধান শত্রু- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের করা সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা। নানক বলেন, ফখরুল সাহেবর ভেতরের কথা বের হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির প্রধান শত্রু। কারণ এই সরকার জনগণের সরকার, এই সরকার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের সরকার, এ সরকার দেশের উন্নয়নের সরকার, কারণ এই সরকার আপনাদের (বিএনপি) বন্ধু একাত্তরের মানবতাবিরোধীদের বিচার করেছে, বিচারের রায় কার্যকর করেছে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের শুধু ঢেকুর দিলে চলবে না। আমরা পঞ্চমবারের মত সরকার গঠন করেছি। সতর্ক থাকতে হবে। বিএনপি-জামায়াত জনগণের সমর্থন না পেয়ে আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা নতুন করে ষড়যন্ত্রের পথ খুঁজছে।

দলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুধু রাজধানীতে নয় মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা পর্যন্ত- পরাজিত শক্তি দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাদেরকে মোকাবিলা করতে গেলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ। এ সময় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শওকত শাহিন. সাংগঠনিক সম্পাদক হালিমা আক্তার লাবণ্য, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমানসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র ছাত্রলীগের হামলা ক্ষমার অযোগ্য: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র ছাত্রলীগসহ সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের হামলা ক্ষমার অযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

ছাত্রদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিনা উসকানিতে আন্দোলনরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীসমূহ কর্তৃক চরম নির্মমতা প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, গতকালকে ৬ জন নিহতের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং অসমর্থিত সূত্রের তথ্য অনুযায়ী আজকে ১৫ জন অর্থাৎ মোট ২১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত মর্মান্তিক। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হল রাষ্ট্রকর্তৃক নিযুক্ত আইনের রক্ষকরা সশস্ত্র সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এক সাথে মিলে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে একটি অসম যুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র। প্রত্যেকটি নাগরিকের মতামত প্রকাশের, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর ও সরকারের প্রতি তাদের দাবি জানানোর অধিকার আছে। সরকারের কর্তব্য এ প্রতিবাদের ভাষা বোঝা এবং সরকারের দায়িত্ব সেটা নিরসনের ববস্থা নেয়া। রাষ্ট্রীয় বাহিনী বা নিজেদের সন্ত্রাসী বাহিনী অথবা একসঙ্গে উভয়কে ব্যবহার করে প্রতিবাদ স্তব্দ করা নয়। কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবি বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে মেনে নেওয়া উচিত।

ক্ষোভ প্রকাশ করে জিএম কাদের বলেন, ১৬ জুলাই বিনা উসকানিতে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে কাছ থেকে ঠান্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ। হত্যাকারীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে আমরা জানি না। আবার পুলিশের সাথে রাস্তায় নেমে ছাত্রলীগের যে সব সন্ত্রাসী পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়েছে সাধারণ ছাত্রদের ওপর- ছাত্রলীগের সেই সব সন্ত্রাসীদের এখনো গ্রেফতার করা হয়নি।

তিনি বলেন, গেলো কয়েক দিন ধরে নিরীহ ছাত্রদের ওপর ছাত্রলীগ যেভাবে সশস্ত্র হামলা করেছে তা সভ্য সমাজে বেমানান। সরকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাঠিয়াল বাহিনী তৈরি করেছে। তারা নিরীহ ছাত্রদের ওপর পৈশাচিক হামলা চালাচ্ছে। অনুগত সন্ত্রাসীদের আইনের ওপরে রেখেছে। নিরীহ ছাত্রদের রক্ত ঝড়াবে আর বিচার হবে না। এটা একটি স্বাধীন দেশে হতে পারে না। যে সরকার কোটা পদ্ধতি বাতিল করেছিলো এখন তারাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেয়া ছাত্রদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এখন আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য এবং কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলা প্রমাণ করে শুধু আন্দোলন ঠেকাতেই সরকার ২০১৮ সালে কোটা বাতিলের কৌশলী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। সাধারণ মানুষের ধারণা জনগণের এ দাবির প্রতি সরকারের সমর্থন ছিল না। যে কোন ভাবে পরবর্তীতে, সময় সুযোগ বুঝে আবার কোটা পদ্ধতি চালু করা হবে, এ সিদ্ধান্ত আগেই ছিল। ফলে জনগণের ধারনা কোটা পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের মামলা ও এতে বর্তমান ফলাফলের বিষয়ে সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ ছিল।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরবর্তীতে কোন একটি সময় কোটা বহালের দাবিতে সাধারণ জনগণের অজান্তে একটি পক্ষ আদালতে মামলা করেছিলো। ২০২৪ সালে হঠাৎ করে সেই মামলার রায় হয়। সেই রায়ে আদালত কোটা পদ্ধতি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেন। সম্পূর্ণ বিষয়টি রহস্যজনক। চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সমাজে বৈষম্য সৃষ্টিতে সহায়ক। বৈষম্যহীন সমাজ গঠনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার জন্য ন্যায়বিচার ভিত্তিক জনগণের নিজেদের একটি দেশ গঠনই ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য। সে কারণে, কোটা পদ্ধতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্যের মূলে আঘাত।

;

বিএনপি-জামায়াতের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী তাণ্ডব চালাচ্ছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি-জামায়াতের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী তাণ্ডব চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাদের উসকানির জন্য সারা দেশে কয়েকজনকে প্রাণ দিতে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও সরকার ধৈর্য এবং সহনশীলতার সঙ্গে আন্দোলন পর্যবেক্ষণ করছে। নিরাপত্তার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে। তবে একটা রাজনৈতিক অপশক্তি অনাকাঙ্ক্ষিত সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তাদের উসকানির জন্য সারা দেশে কয়েকজনকে প্রাণ দিতে হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী ব্যাপক তাণ্ডব চালাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গতকাল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু আজ থেকে দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে এখন বিএনপি-জামায়াত তাদের পুরনো আগুন সন্ত্রাস নিয়ে মাঠে নেমেছে।

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অসংখ্য স্থানে ছাত্রলীগের ওপর নির্যাতন করেছে। ৩শর মত আহত হয়েছে, যেখানে অনেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায়। ছাত্রলীগের নারী শিক্ষার্থীদের ওপরও হামলা চালিয়েছে। মেয়েদের বেধড়ক পিটিয়েছে। পুলিশ, সাংবাদিকদের ওপরও হামলা চালিয়েছে।

বিএনপির দণ্ডিত নেতা তারেক রহমান বিদেশে বসে ছাত্রদলকে নির্দেশ দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে বলে জানান তিনি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

;

গুলিস্তানে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের’ প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ আহ্বান করা হয়েছে। এদিন বিকাল ৩টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এ ঘোষণা দেন। মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলনের আড়ালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মূলে আঘাত প্রতিহত করা এবং হত্যা, নাশকতা, অরাজকতা, অগ্নিসংযোগ প্রতিহত করার লক্ষ্যে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পক্ষের সব শ্রেণি-পেশার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে তাদের প্রতিহত করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে বায়তুল মোকারম মসজিদের দক্ষিণ গেটে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, শ্রমিক, কর্মচারী, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবীসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী জনগণের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক। এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খানসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে অংশ নেবেন। সমাবেশে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে উপস্থিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

;

শিক্ষার্থীদের শাটডাউনে বিএনপির সমর্থন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে সর্বাত্মক শাটডাউনে সমর্থন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ১২টা ১৫ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া উইং এর সদস্য দিদার হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান। 

দিদার হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ ও সশস্ত্র ছাত্রলীগের হিংস্র আক্রমণে ৭ জন শহীদ হয়েছেন। এছাড়া আজও আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উপর র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও সোয়াতের ব্যাপক হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক রক্তাক্ত ঘটনায় আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি চাকুরীতে কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা আগামীকাল ১৮ জুলাই সারাদেশে 'কমপ্লিট শাটডাউন' কর্মসূচিতে সর্বাত্মক সমর্থন জানানো হয়েছে। 

;