মিয়ানমার সরকার নয়, আরাকান আর্মি গুলি ছুড়েছে: ওবায়দুল কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে উত্তেজনা প্রসঙ্গে সেন্টমার্টিন’সে যে বুলেট পড়েছে, তা মিয়ানমার সরকার নয়, আরাকান আর্মি গুলি ছুড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরাসরি কোনো হামলার ঘটনা দেখা যায়নি। মিয়ানমারে বেশ কয়েকটি জাতিগত গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের অংশ হিসেবে সম্ভবত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো সাম্প্রতিক এসব ঘটনা ঘটিয়েছে, মিয়ানমার সরকার নয়।

বুধবার (১৯ জুন) মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সীমান্তে গুলি আসতে পারে বা গুলির শব্দ শোনা যেতে পারে। এটা কি সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন! এসব ঘটনা তাদের বিদ্রোহীদের কারণে ঘটছে। এর জন্য আমরা কেন মিয়ানমার সরকারকে দায়ী করবো! যতদিন সম্ভব আমরা আলোচনা চালিয়ে যাবো।

সেন্টমার্টিন’স দ্বীপ ইস্যুতে ‘সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে’, বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিরোধীরা সরকারের সিদ্ধান্তকে ‘আজ্ঞাবহ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছে। কিন্তু কীভাবে তা আজ্ঞাবহ হয়! সেন্টমার্টিন’সে যে বুলেট পড়েছে, সেটি মিয়ানমার সরকারের নয়, আরাকান আর্মির বিদ্রোহীদের ছোড়া।

এ সময় যুদ্ধের পরিবর্তে সংলাপের মাধ্যমে সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা বলেন তিনি।

সীমান্তের নাফ নদী থেকে মিয়ানমারের যুদ্ধ জাহাজ সরিয়ে ফেলা হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মিয়ানমারের জাহাজটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। রোহিঙ্গারা যখন জোয়ারের মতো বাংলাদেশে প্রবেশ করে, তখনও উস্কানি ছিল। মাঝে-মধ্যে আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সে সময়ে ওয়াশিংটনে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনী প্রধানদের যেকোনো পরিস্থিতিতে যুদ্ধ এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেন। মিয়ানমার উস্কানি দিলে আমরা সংলাপে বসবো এবং সমাধান বের করবো কিন্তু আমরা যুদ্ধে জড়াবো না।

তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যদি যুদ্ধে জড়াতে চান, তাহলে আমরা উস্কানি ফাঁদে পড়তে পারি। আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে।’

মুক্তিযুদ্ধে ফখরুলের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি জানি না, ফখরুল কী করেছিলেন বা মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরে তিনি যুদ্ধ করেছিলেন।

এ ধরনের দাবি করে কোনো লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রয়েছে। যদি সত্যি সত্যিই সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হয় এবং আলোচনা ব্যর্থ হয়, যদি তারা সত্যিই আক্রমণ করে, তাহলে আমরা কি চুপ করে বসে থাকব! আমাদের জবাব দিতেই হবে।

এর আগে ১৫ জুন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের অভ্যন্তরে কিছু সংঘর্ষ হচ্ছে। ৫৪টা কমিটি রয়েছে। এদের কারোর সঙ্গে কারোর মিল নেই। রাখাইন-আরাকান বিদ্রোহীরা প্রকাশে বিদ্রোহ করে যাচ্ছে। ওদের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জন্য আমরা যদি সাফার করি, সেটাও তো অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক!

তিনি বলেন, মিয়ানমারে বর্তমানে মিলিটারি গভর্নমেন্ট। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বৈরিতা নেই। আলাপ-আলোচনার দরজা এখনো খোলা আছে। আমরা কথা বলতে পারি। যতক্ষণ কথা বলা যাবে, আলাপ-আলোচনা করা যাবে, ‘উই আর নট এ মুভ ডাউন’, এমন পর্যায় না হলে আমরা আলাপ-আলোচনা মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছি এবং করে যাবো।

সরকার জনগণের মতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে: আবদুল কাইয়ূম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বায়তুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ

বায়তুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকার ভারতের সঙ্গে দেশের স্বার্থ বিরোধী রেল ট্রানজিট দিয়ে আবারও তারা জনগণের মতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেন, যেই ভারত প্রতিনিয়ত সীমান্তে বাংলাদেশের বেসামরিক লোককে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করে, তাদের স্বার্থ রক্ষা করে সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতির প্রমাণ দিয়েছে। এই চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করে ভারতের সঙ্গে অন্যান্য অমীমাংসিত চুক্তিগুলোর সুরাহা করতে হবে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) বায়তুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার আদালতের কাঁধে বন্দুক রেখে কোটাবিরোধী আন্দোলন দমাতে চায়। এর পূর্বেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা তুলে দিতেও আদালতকে সরকার ব্যবহার।

বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মানসুর আহমদ সাকী বলেন, দেশ আজ ভালো নেই। রাজধানীসহ সব শহরে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে কোটা প্রথা ফের চালু করে দেশের মেধা ধ্বংসের পাঁয়তারা শুরু করেছে সরকার। কোটা প্রথার যৌক্তিক সংস্কার করে সকল কোটা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে আনতে হবে। আমরা কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন প্রকাশ করছি।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস হাসান, এম এ হাসিব গোলদার, এইচ এম আবু বকর সিদ্দীক, শফিকুল ইসলাম, হোসাইন মুহাম্মাদ কাওছার বাঙ্গালী প্রমুখ।

;

কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনের ওপর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (১২ জুলাই) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের উপর চার সপ্তাহের স্থিতাদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এই আদেশের পরে হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের কোনো কার্যকারিতা বর্তমানে নেই। এরপরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান থাকার যৌক্তিকতা নেই। এই আন্দোলনের ওপর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে।

শিক্ষার্থীরা কার বিপক্ষে আন্দোলন করবে প্রশ্ন রেখে সেতুমন্ত্রী বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ তো তাদের পক্ষেই আছে। এরপরে আন্দোলন চলমান থাকা প্রমাণ করে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো গোষ্ঠী বা মহল এই আন্দোলনকে উস্কানি দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলন চলমান রাখলে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি বাড়ছে। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। জনগণ এই আন্দোলনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়লে তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর তারা আস্থাহীন হয়ে পড়বে। একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক মহল শিক্ষার্থী ও জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার অপচেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি না, কোমলমতি সকল শিক্ষার্থী দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করতে চায়। শুধু যারা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তারাই আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যে কোনো আন্দোলন হলেই বিএনপি-জামাত ও তাদের দোসররা সেটাকে হাতিয়ার করে ক্ষমতায় যাওয়ার দুঃস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে। এখন তারা কোটা আন্দোলনের উপর ভর করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কারণ তাদের উপর জনগণের কোনো আস্থা নেই। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস ও উগ্র-জঙ্গিবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।

তিনি বলেন, বিএনপির নেতা দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল। হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার করে লন্ডনে বিলাসী জীবনযাপন করছে। দেশের সাধারণ জনগণের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। এই দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের অপরাজনীতির কারণেই বার বার জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বিএনপি। সরকারবিরোধী কোনো আন্দোলনেই তারা সফল হতে পারেনি। তাই যখনই অরাজনৈতিক আন্দোলন সংগঠিত হয় সেটাকে পুঁজি করে রাজনীতি করার অপচেষ্টা করে বিএনপি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের মানুষের যৌক্তিক দাবির প্রতি আওয়ামী লীগ সর্বদা আন্তরিক। কোনো যৌক্তিক দাবিই কখনোই আওয়ামী লীগের কাছে উপেক্ষিত হয়নি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি জনকল্যাণকর উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে।

তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আপনারা কারও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহারের শিকার হবেন না। চূড়ান্ত শুনানিতে আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবীর আরও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত চূড়ান্ত শুনানির মাধ্যমে এ বিষয়ে নিষ্পত্তি করবে। আদালত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের বিষয়সমূহ চূড়ান্ত শুনানিকালে আমলে নিয়ে বাস্তবসম্মত চূড়ান্ত রায় প্রদান করবেন এবং বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে।

আন্দোলনকারীদেরকে ধৈর্য্য ধারণ করার জন্য আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে এ ধরনের সকল কর্মসূচি পরিহার করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যার যার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার পুনরায় অনুরোধ জানাচ্ছি।

;

জনগণের মালিকানা কেড়ে নিয়েছে সরকার: আমির খসরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের মালিকানা কেড়ে নিয়েছে সরকার। মূল মালিকানা ফিরিয়ে আনতে জাতীয় ঐক্য ও রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য দরকার। এই মালিকানা ফিরিয়ে দিতে সকলকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে যুগপৎ আন্দোলনের ৩১ দফা ও ১ দফা ঘোষণার বর্ষপূর্তিতিতে আলোচনা সভার আয়োজন করে গণতন্ত্র মঞ্চ সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ তাদের মালিকানা হারিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশের মানুষের মূল মালিকানা ফিরিয়ে আনতে একটি বড় বিষয় ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর জাতীয় ঐক্য। কোন প্রক্রিয়ায় এই মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া হবে তা আমাদের ৩১ দফায় ছিল। মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হলে সংবিধানে কি কি পরিবর্তন করতে হবে, বিচার ব্যবস্থায় কি পরিবর্তন আনতে হবে, সংসদের মধ্যে কি পরিবর্তন আনতে হবে, অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় কি পরিবর্তন আনতে হবে, সামাজিক ব্যবস্থায় কি পরিবর্তন আনতে হবে।

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার যেভাবে রাষ্ট্র চালাচ্ছে, এতে আগামী দিনে মেধাবীদের বাংলাদেশে কোনো সুযোগ নেই, বাংলাদেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ আমার মনে হয় না বাংলাদেশকে তারা মেধাবী রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাই। কারণ মেধাবীরা সত্যি কথা বলে, সত্যের পথে চলে, প্রতিবাদ করে, প্রতিরোধ করে।

সকালের বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন স্থান ডুবে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা শহর তো ঢুকবেই কারণ মেধাবী লোকজন তো কোথাও নেই। যারা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ করে, সেখানে মেধাবী লোকদের নিয়ে আসতে হবে। দলীয় লোকজন দিয়ে যদি চালানো হয় তাহলে ঢাকা ডুববে, সারা বাংলাদেশ ডুববে। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে তো এমনিতেই ডুবে গেছে, এখন শুধু পানির ডুবা দেখতে পাচ্ছেন। সবদিক থেকে বাংলাদেশ ডুবে গেছে।

আলোচনাসভার সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গনফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, গণতন্ত্র মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল মামুনসহ আরও অনেকে।

;

বিএনপির আন্দোলন চলমান আছে: আমীর খসরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকার পতনে বিএনপির আন্দোলন চলমান আছে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ২০-৩০ লাখ লোকের সমাবেশ ভণ্ডুল করে দিলে কোনো আন্দোলন শেষ হয়ে যায় না। বাংলাদেশের মানুষ চলমান আন্দোলনের মাধ্যমে তা প্রমাণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, এনডিএম ও গণফোরামের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটি।

আমীর খসরু বলেন, অনেকের প্রশ্ন থাকে যে, আন্দোলন আবার কবে শুরু হবে। কর্মসূচি আবার কবে হবে। একটা জিনিস পরিষ্কার করা দরকার, আন্দোলন চলমান আছে। আন্দোলন চলমান আছে। দেশের মানুষ ভোট কেন্দ্রে না গিয়ে এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। ৯৫ শতাংশ লোক আমাদের আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন। যারা ভোট কেন্দ্রে না গিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন, তারা আজকে এই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

বৈঠক প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, চলমান যুগপৎ আন্দোলনে আরও গতি সৃষ্টি করার জন্য আমরা আজ সহযোগীদের নিয়ে আগামী দিনের কর্মসূচি প্রণয়নে; দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে, জনগণের চাহিদা পূরণে আমরা কী করতে পারি; এই আন্দোলনের সফল সমাপ্তি কীভাবে করতে পারি, সেটা নিয়ে আলোচনা করেছি। বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।

;