ফের জোকোভিচের ভিসা বাতিল করল অস্ট্রেলিয়া



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নোভাক জোকোভিচ

নোভাক জোকোভিচ

  • Font increase
  • Font Decrease

ফের নোভাক জোকোভিচের ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো তার ভিসা বাতিল করল দেশটি। করোনা প্রতিরোধী টিকা না নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় সার্বিয়ান তারকার অবস্থান রুখতে এই ব্যবস্থা নিয়েছে ক্যানবেরা। 

জোকোভিচের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইমিগ্রেশন মিনিস্টার অ্যালেক্স হক। ফলে এ টেনিস সুপারস্টারকে অস্ট্রেলিয়া ছাড়তে হতে পারে। 

তবে ৩৪ বছরের এ টেনিস মেগাস্টার ফের কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যেতে ফের আপিল করতে পারেন। 

সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলতে নিজেকে প্রস্তুত করে যাচ্ছেন বিশ্বের নাম্বার ওয়ান এ টেনিস তারকা।

এখন আবার ভিসা বাতিল হওয়ায় নতুন করে অস্ট্রেলিয়ান ভিসা প্রাপ্তিতে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন জোকোভিচ। সেটা কমানো হতে পারে।

মিরাজের প্রথম জয়, রিয়াদের টানা দ্বিতীয় হার



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ

৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্যটা ছিল প্রথম জয় ছিনিয়ে নেওয়ার। স্বপ্নটা সত্যি হওয়ার আভাসও মিলেছিল। তামিম ইকবাল হাঁকালেন দারুণ এক ফিফটি। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানটা লিখলেন ব্যর্থতার গল্প। ফলে ফল যা হওয়ার তাই হলো। ম্যাচসেরা নাসুম আহমেদের কিপ্টেমি বোলিংয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে ৩০ রানে হার মানল মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা। এনিয়ে টানা দুই ম্যাচে ধরাশায়ী হলো ক্যাপ্টেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। আর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের দল পেল প্রথম জয়।

এবারের বিপিএলে এই প্রথম পরে ব্যাটিং করা দল হারের তেতো স্বাদ হজম করল। এর আগে টস জিতে বোলিং বেছে নেয়া তিন দলই জয়ের দেখা পেয়েছে। দ্বিতীয় দিনে এসে পেল না শুধু ঢাকা।

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে টানা দুই ম্যাচে অর্ধ-শতকের দেখা পেলেন তামিম। দেশসেরা এ ওপেনার ৪৫ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় পেলেন ৫২ রানের দারুণ এক ক্রিকেটীয় ইনিংস। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ঢাকা ১৯.৫ ওভারেই গুটিয়ে ১৩১ রানে।

শেষ দিকে ইসুরু উদানা (১৬) ও শুভাগত হোম (১৩) চেষ্টা করেও দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। আর আন্দ্রে রাসেল তো হতাশ করেন ১২ রান নিয়ে সাজঘরে ফিরে। চট্টগ্রামের জার্সি গায়ে কিপ্টেমি বোলিংয়ে ৯ রানে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ। শরিফুল ইসলাম ৩৪ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট।

একটি অলিখিত নিয়ম যেন হয়ে যাচ্ছে এবারের বিপিএলে। দিনের প্রথম ম্যাচে রান হবে না। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ছুটবে রানের ফোয়ারা। আসরের আজ দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্স গুটিয়ে গেল ৯৬ রানে। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই ব্যাটিংয়ের চিত্রনাট্যটা পাল্টে যায়। জয়ের জন্য মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার সামনে ১৬২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুরন্ত ব্যাটিং করলেন উইল জ্যাক। তবে ৯ রানের জন্য অর্ধ-শতক মিস করেন এ ইংলিশ ওপেনার। ২৪ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় খেলেন ৪১ রানের দারুণ এক ইনিংস।

শেষ দিকে ৩৭ রান যোগ করেন বেনি হাওয়েল। সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ এনে যথাক্রমে ২৯ ও ২৫ রান। এতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স গড়ে ১৬১ রানের লড়াকু স্কোর। ঢাকার জার্সি গায়ে একাই তিন উইকেট শিকার করেন রুবেল হোসেন। একটি করে উইকেট নেন আরাফাত সানি, ইসুরু উদানা, শুভাগত হোম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

;

জয়ের জন্য ঢাকার দরকার ১৬২



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উইল জ্যাকস

উইল জ্যাকস

  • Font increase
  • Font Decrease

একটি অলিখিত নিয়ম যেন হয়ে যাচ্ছে এবারের বিপিএলে। দিনের প্রথম ম্যাচে রান হবে না। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ছুটবে রানের ফোয়ারা। আসরের আজ দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্স গুটিয়ে গেল ৯৬ রানে। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই ব্যাটিংয়ের চিত্রনাট্যটা পাল্টে গেল। জয়ের জন্য মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার সামনে ১৬২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুরন্ত ব্যাটিং করলেন উইল জ্যাক। তবে ৯ রানের জন্য অর্ধ-শতক মিস করেন এ ইংলিশ ওপেনার। ২৪ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় খেলেন ৪১ রানের দারুণ এক ইনিংস।

শেষ দিকে ৩৭ রান যোগ করেন বেনি হাওয়েল। সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ এনে যথাক্রমে ২৯ ও ২৫ রান। এতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স গড়ে ১৬১ রানের লড়াকু স্কোর।

ঢাকার জার্সি গায়ে একাই তিন উইকেট শিকার করেন রুবেল হোসেন। একটি করে উইকেট নেন আরাফাত সানি, ইসুরু উদানা, শুভাগত হোম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

;

টস হেরে ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রাম, বোলিংয়ে ঢাকা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং বেছে নিয়েছে মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা। টস হেরে শুরুতে ব্যাট হাতে মাঠে নেমেছে ক্যাপ্টেন মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম জয়ের দেখা পেতে ঢাকা ও চট্টগ্রামে নেমেছে অপরিবর্তিত দল নিয়ে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে কেননা দুদলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে হার মেনেছে। প্রথম দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা পরাজিত হয়েছে খুলনা টাইগার্সের কাছে। আর প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম ধরাশায়ী হয়েছে ফরচুন বরিশালের কাছে।

মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা একাদশ: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (ক্যাপ্টেন), তামিম ইকবাল, নাঈম শেখ, জহুরুল ইসলাম, শুভাগত হোম চৌধুরী, আরাফাত সানি, রুবেল হোসেন, এবাদত হোসেন চৌধুরী, ইসুরু উদানা, মোহাম্মদ শাহজাদ ও আন্দ্রে রাসেল।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স একাদশকেনার লুইস, শামীম হোসেন, সাব্বির রহমান, আফিফ হোসেন, বেনি হাওয়েল, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), নাঈম ইসলাম, উইল জ্যাকসন, শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ।

;

সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল কুমিল্লা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্যটা ছিল মাত্র ৯৭। সহজ লক্ষ্য। কিন্তু সেই সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। জিতল ২ উইকেটে। রোমাঞ্চকর জয়টা আসল ৮ বল হাতে রেখেই। দাপুটে বোলিংয়ে সিলেট সিক্সার্সকে ৯৬ রানেই গুটিয়ে দিয়েছিল কুমিল্লা। কিন্তু জবাবে ব্যাট করতে নেমে তারাও পড়ে গিয়েছিল বিপদে। হারের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরে দারুণ লড়াকু এক জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ক্যাপ্টেন ইমরুল কায়েসের দল।

জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামলেও কুমিল্লার আশা মলিন হতে সময় নেয়নি মোটেই। ৫৫ রানে হারিয়ে ফেলে ৫ উইকেট। আর ৮৮ রানে অষ্টম উইকেট খুইয়ে ফেলে খাবি খেতে থাকে তারা। সেই ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে কোনোমতো নিজেদের উদ্ধার করে ১৮.৪ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পা রেখেছে কুমিল্লা।

কুমিল্লার হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসটা আসে করিম জানাতের ব্যাট থেকে। তবে সেটা সীমাবদ্ধ ছিল ১৮ রানেই। দলীয় স্কোরে ১৬ রান যোগ করে ফেরেন নাহিদুল ইসলাম ও ওপেনার ক্যামেরন ডেলপোর্ট। মমিনুল হক ১৫ ও ইমরুল কায়েস ১০ এনে দেন। সিলেটের হয়ে নাজমুল ইসলাম তিনটি উইকেট শিকার করেন। দুটি করে উইকেট নেন সোহাগ গাজী ও মোসাদ্দেক হোসেন।

তার আগে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সিলেট সিক্সার্স ব্যাটসম্যানরা। সিলেট গুটিয়ে গেছে মাত্র ৯৬ রানে। পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি তারা। সিলেটের ব্যাটিং যাত্রা থেমেছে ১৯.১ ওভারেই।

সিলেটের কলিন ইনগ্রাম করেন ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২০ রান। রবি বোপারার ব্যাট থেকে আসে ১৭। আর সোহাগ গাজী এনে দেন ১২ রান। বাকিরা কেউ দুই অংকও স্পর্শ করতে পারেননি। কুমিল্লার হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেন ম্যাচসেরা নাহিদুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও শহিদুল ইসলাম। 

;