ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরলেন সাফ চ্যাম্পিয়নরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরলেন সাফ চ্যাম্পিয়নরা

ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরলেন সাফ চ্যাম্পিয়নরা

  • Font increase
  • Font Decrease

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নিয়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন সাবিনা-সানজিদাদের বহন করা ফ্লাইটটি।

বিমানবন্দরে চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের সংবর্ধনা জানাতে উপস্থিত আছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্তারাসহ বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিরা।

এ ছাড়া নারী ফুটবলাররা আসার আগে থেকেই বিমানবন্দরে অপেক্ষায় আছেন শতশত ভক্তরা। দেশের বিমানবন্দরে নামার পর ফুটবলারদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এরপর ছাদখোলা বাসে করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) যাবেন ফুটবলাররা।

বিমানবন্দর থেকে সাবিনাদের বাস এয়ারপোর্ট, কাকলী, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, বিজয় সরণি ফ্লাইওভার, তেজগাঁও, মগবাজার হয়ে মৌচাক-কাকরাইল-ফকিরাপুল-মতিঝিল হয়ে পৌঁছাবে বাফুফে ভবনে। এরপর সেখানে মতিঝিলে বাফুফে ভবনে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দেবেন। 

গত সোমবার সাফের ফাইনালে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরে বাংলাদেশ নারী দল। কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ফাইনালে প্রথমার্ধেই দুই গোল আদায় করে নেয় বাংলাদেশ। আর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে পায় তৃতীয় গোল। শামসুন্নাহার জুনিয়র একটি ও কৃষ্ণা রানী সরকার দুটি করে গোল করেন।

জয়ের ম্যাচে সেরা হয়েছেন কৃষ্ণা রানী সরকার। অন্যদিকে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৮ গোল করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্ট সেরা গোলকিপার হয়েছেন বাংলাদেশের রুপনা চাকমা।

ঘানার কাছে হেরে গেল দক্ষিণ কোরিয়া

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপে এশিয়ার দেশগুলো চমক দেখাচ্ছে। সেই দলে নাম লেখানোর সুযোগ ছিল দক্ষিণ কোরিয়ারও। সোমবার (২৮ নভেম্বর) ঘানার বিরুদ্ধে দু’গোলে পিছিয়ে পড়েও সমতা ফিরিয়েছিল তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হারতে হল ২-৩ গোলে।

প্রথম থেকে বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছিল দক্ষিণ কোরিয়া। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলছিল দেশটি। সে তুলনায় রক্ষণত্মাক ছিল ঘানা। দক্ষিণ কোরিয়ার গতির সঙ্গে পেরে উঠছিল না তারা। তবু খেলার বিপরীতে এগিয়ে যায় ঘানাই। ২৪ মিনিটে গোল করেন মহম্মদ সালিসু। বক্সে ক্রস ভাসিয়েছিলেন জর্ডান আয়িউ। দক্ষিণ কোরিয়া বল ক্লিয়ার করতে পারেননি। সালিসু বাঁ পায়ের শটে গোল করেন। তবু একটি হ্যান্ডবলের জন্য ভার-এর সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা হয়েছিল। তবে রেফারি শেষ মেশ গোলের সিদ্ধান্তই দেন।

১০ মিনিট পরে আবার এগিয়ে যায় ঘানা। এ বার গোল মহম্মদ কুদুসের। এ বারও সেই ক্রস করেন আয়িউ। সিউং-গুকে টপকে গোল করেন কুদুস। কোরিয়া রক্ষণের তখন দিশেহারা অবস্থা। কীভাবে ঘানাকে আটকানো যাবে বুঝতেই পারছিল না তারা। প্রথমার্ধে আর গোল দিতে পারেনি ঘানা।

দ্বিতীয়ার্ধে অন্য কোরিয়াকে দেখা গেল। এ বার তারা অনেক বেশি পরিণত। অনেক বেশি গতিশীল। ঘানা বরং একটু হালকাভাবে নিয়েছিল প্রতিপক্ষকে। তার দাম চোকাতে হল পর পর দু’টি গোলে। ৫৩ মিনিটে চোয়ের হেড বাঁচিয়ে দেন ঘানার গোলকিপার আতি-জিগি। পাঁচ মিনিট পরেই গোল। বাঁ দিক থেকে দারুণ ক্রস ভাসিয়েছিলেন লি কাং ইন। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থেকে গোল করেন চো গুয়ে সুং।

তবে ম্যাচে ফিরতে সময় নেয়নি ঘানা। সাত মিনিট পরেই তাদের এগিয়ে দেন সেই কুদুস। সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে লড়তে থাকে কোরিয়া। তবে শেষ রক্ষা আর হয়নি।

;

৬ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ক্যামেরুন-সার্বিয়ার ড্র

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
৬ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ক্যামেরুন-সার্বিয়ার ড্র

৬ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ক্যামেরুন-সার্বিয়ার ড্র

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ক্ষণে ক্ষণে দৃশ্যপট বদলে যাওয়া ৬ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ড্র করেছে ক্যামেরুন ও সার্বিয়া।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) আল ওয়াকরার আল জানোব স্টেডিয়ামে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়।

প্রথমে গোল করে ক্যামেরুন এগিয়ে যাওয়ার পর এক পর্যায়ে ৩-১ গোলে এগিয়ে গিয়েও পায়নি ইউরোপের দেশ সার্বিয়া। এই ম্যাচের মাধ্যমে বিশ্বকাপে টানা আট হারের পর প্রথম পয়েন্টের দেখা পেল ক্যামেরুন।

শুরু থেকে বলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া সার্বিয়া পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের ২৯তম মিনিটে। কর্নার থেকে ভেসে বল সার্বিয়ার একজনের মাথা ছুঁয়ে চলে আসে দূরের পোস্টে। অরক্ষিত কাস্তেলেতুর বাকিটা সারেন স্রেফ একটা টোকা দিয়ে। দেশের হয়ে এটাই তার প্রথম গোল। এগিয়ে যায় ক্যামেরুন।

যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সমতা ফেরায় সার্বিয়া। দুসান তাদিচের ফ্রি কিকে দারুণ হেডে জাল খুঁজে নেন স্ত্রাহিনিয়া পাভলোভিচ। ঝাঁপিয়ে পড়লেও আটকাতে পারেননি ক্যামেরুন গোলরক্ষক।

দুই মিনিট পর দলকে এগিয়ে নেন সের্গেই মিলিনকোভিচ-সাভিচ। আন্দ্রিয়া জিভকোভিচের কাছ থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জাল খুঁজে নেন লাৎসিওর এই মিডফিল্ডার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে আরও এগিয়ে যায় সার্বিয়া। গোলদাতা এবার মিত্রোভিচ। জিভকোভিচের পাস পেনাল্টি স্পটের কাছে পেয়ে গোল করেন মিত্রোভিচ।

৬৪তম মিনিটে ব্যবধান কমান বদলি হিসেবে মাঠে আসা ভিনসেন্ট আবুবাকার। এর তিন মিনিট পর সমতা ফেরায় ক্যামেরুন। ডিফেন্স চেরা পাস পেয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে গিয়ে আবুবাকার পাস দেন এরিক ম্যাক্সিম চুপো-মোটিংকে। বায়ার্ন মিউনিখ এই ফরোয়ার্ড বল পাঠান সার্বিয়ার জালে। ম্যাচ দাঁড়ায় ৩-৩ গোলের সমতায়।

এই ড্রয়ে ১ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শেষ দুটি স্থানেই থাকল ক্যামেরুন ও সার্বিয়া। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলা ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ড ৩ পয়েন্ট করে নিয়ে আছে প্রথম দুটি স্থানে।

৩ ডিসেম্বর ক্যামেরুন গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে ব্রাজিলের বিপক্ষে; সার্বিয়া খেলবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে।

;

ড্র করে বিশ্বকাপে বেঁচে রইল জার্মানির স্বপ্ন

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপে বেঁচে থাকল জার্মানি। গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে স্পেনের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও ১-১ ড্র করল তারা। দ্বিতীয়ার্ধে আলভারো মোরাতা গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন। সেই গোল শোধ করেন জার্মানির নিকলাস ফুলক্রুগ। জার্মানির কাছে অবশ্য আশার থেকে আশঙ্কায় বেশি থাকল। এই ম্যাচে জিতলে অনেক বেশি স্বস্তিতে থাকতে পারতেন টমাস মুলাররা। ড্র করায় এক পয়েন্ট পাওয়া গেল বটে। কিন্তু অঙ্কের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে জার্মানিকে।

স্পেনের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে একাধিক বদল করেন জার্মানির কোচ হান্সি ফ্লিক। কাই হাভার্ৎজকে বসিয়ে দেন। ফলে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলতে হয় শুধু টমাস মুলারকে। শুরু থেকেই অতি আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে স্পেন। তাদের খেলায় পাসের ফুলঝুরি দেখা যায়। পাল্টা আক্রমণ শানাতে থাকে জার্মানিও। এক বার গোল করার কাছাকাছি পৌঁছে যান লিয়ঁ গোরেৎজকা। তবে রিপ্লে-তে দেখা যায় সেটি অফসাইড ছিল।

খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে স্পেনের আক্রমণ অল্প হলেও থিতিয়ে যায়। দু’দল পায়ে বেশি বল রাখার চেষ্টা করতে থাকে। পাস খেলে উপরের দিকে ওঠার চেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। জার্মানি ভরসা রেখেছিল প্রতি আক্রমণের উপরেই। মাঝে এক বার সুযোগ পেয়েছিল তারা।

বিরতির পর ৫৫ মিনিটের মাথায় হঠাৎ জার্মানি আক্রমণ করে। স্পেনের রক্ষণের ভুলে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন জার্মানির ফুটবলাররা। জোশুয়া কিমিখের জোরালো শট বাঁচান উনাই সিমন।

এর পরেই এনরিকে দলে বদল করেন। আক্রমণে তোরেস কার্যকরী হতে পারছেন না দেখে তাকে তুলে নিয়ে মোরাতাকে বক্স স্ট্রাইকার হিসেবে নামান তিনি। সেই মোরাতাই গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন ৬২ মিনিটে। জার্মানির রক্ষণের ভুলের সুযোগ নিয়ে গোল করেন তিনি। বাঁ দিকে বল পান জর্দি আলবা। তার ক্রস থেকে চলতি বলে পা ঠেকিয়ে গোল করেন মোরাতা।

স্পেন গোল করার পরেই খেলাটা অনেক বেশি জীবন্ত হয়ে যায়। এত ক্ষণ দিশেহারা দেখালেও গোল হজম করার পর মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে জার্মানি। মাঝে এক বার গোলকিপারকে একা পেয়েও অকারণে জোরে শট মারতে গিয়ে তারই গায়ে মারলেন মুসিয়ালা। সুবর্ণ সুযোগ হারায় জার্মানি। সেই মুসিয়ালাই সমতা ফেরানোর গোল এনে দিলেন একার কৃতিত্বে। যেভাবে জার্মানি শেষ দিকে আক্রমণ করছিল তাতে গোল কোনও না কোনও সময়েই আসতই। সেটাই হল। ৮৩ মিনিটের মাথায় একার কৃতিত্বে স্পেনের ডিফেন্সকে ঘোল খাইয়ে বক্সের ভিতরে ঢুকে পড়েন মুসিয়ালা। তার থেকে বল পেয়ে গোল করেন নিকলাস ফুলক্রুগ। পরে আরও কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল জার্মানি। কিন্তু স্পেনের ডিফেন্ডারদের তৎপরতায় গোল হয়নি।

;

নেইমারের জায়গায় কাকে খেলাবেন তিতে?

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সার্বিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ জয়ের পর নির্ভার থাকার কথা ছিল ব্রাজিলের, কিন্তু সেটা আর হচ্ছে কই? ওই ম্যাচে দলের প্রাণভোমরা নেইমার জুনিয়র পড়েছেন ইনজুরিতে। ইনজুরিতে পড়েছেন ডিফেন্ডার দানিলোও। তাই দ্বিতীয় ম্যাচের আগে কোচ তিতেকে ভাবনায় পড়তে হচ্ছে বিকল্প নিয়ে।

এমনিতেই ব্রাজিল দলে প্রতিভার ছড়াছড়ি। সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে বদলি নামা খেলোয়াড়েরাও রেখেছন তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর। তবে নেইমার তো নেইমারই, যার বিকল্প এখনও তৈরি হয়নি ব্রাজিল দলে।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবে ব্রাজিল। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বারবার এসেছে নেইমার প্রসঙ্গ। উত্তর দিয়েছেন কোচ তিতে, ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস।

মার্কিনিয়োস বলেছেন, দল হিসেবে নিজেদের শক্তিমত্তা দেখাতে উন্মুখ হয়ে আছেন তারা। তার ভাষায়, নেইমারকে ছাড়াও ভালো করার ব্যাপারে আমরা শতভাগ আত্মবিশ্বাসী। নেইমারও আমাদের সঙ্গে খেলতে পারলে খুব ভালো হতো। তবে এরপরও আমাদের দলটা শক্তিশালী এবং যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে প্রস্তুত ও আত্মবিশ্বাসী।

নেইমার না থাকায় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এই পজিশনে রদ্রিগো গোয়েজকে নিয়ে চিন্তা করা হচ্ছে। রিয়াল মাদ্রিদের কোচ কার্লো আনচেলত্তি রদ্রিগোকে চলতি বিভিন্ন পজিশনে খেলিয়ে সাফল্য পেয়েছেন। নেইমারের পজিশনে রদ্রিগোকে রেখে সার্বিয়া ম্যাচের মতো ছকেই একাদশ সাজাতে পারেন তিতে।

ইনজুরিতে পড়া রাইট ব্যাক দানিলোর জায়গায় খেলানো হতে পারে এদের মিলিতাও অথবা দানি আলভেসকে।

৩৯ বছরের দানি আলভেস সুইজারল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে খেলানোর ঝুঁকি তিতে নেবেন কি-না সেটা নিয়েও সংশয় আছে। সেজন্য মিডফিল্ডার লুকাস পাকুয়েতার জায়গায় ফ্রেডকে খেলানো হতেও পারে।

মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেজও একাদশে স্থান পেতেও পারেব। ব্রাজিলের নিয়মিত মিডফিল্ডারদের মধ্যে সবচেয়ে ফর্মে থেকে বিশ্বকাপে এসেছেন ব্রুনো। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে কাসেমিরোর পাশে বাঁ-পায়ের মিডফিল্ডার হওয়ায় ফ্রেড কিছুটা এগিয়ে। তবে ব্রুনোকে নামানোর সম্ভাবনাও থাকছে। এরবাইরে অন্য অপশন হিসেবে আছেন গ্যাব্রিয়েল জেসুসও।

;