‘শান্তর নেতৃত্ব অসাধারণ’



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

সাকিব আল হাসান ইনজুরিতে, লিটন দাস পারিবারিক কারণে আছেন এক মাসের লম্বা ছুটিতে। তাতেই আরও একবার কপাল খুলে নাজমুল হোসেন শান্তর। বিশ্বকাপ আগেই কিউই সিরিজে পেয়েছিলেন ওয়ানডে দলের নেতৃত্বের সুযোগ। সেই খুব একটা স্মরণীয় করতে পারেননি তিনি। তবে বিশ্বকাপের পরেই লাল বলের ক্রিকেটে দেখালেন বাজিমাত।

টেস্ট নিজের ক্যাপ্টেন্সির অভিষেকে করলেন সেঞ্চুরি, বাংলাদেশের হয়ে যেকোনো অধিনায়কের জন্য যা প্রথম। সিলেটের সেই টেস্টে পেলেন জয়ের দেখা। এরপরই তার নেতৃত্বের প্রশংসায় মেতেছেন নানা মহলের মানুষ। সেই দলে নাম লেখালেন দলের প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও। আজ (মঙ্গলবার) দ্বিতীয় টেস্টকে সামনে রেখে ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে শান্তর নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন হাথুরুসিংহে। ভবিষ্যতে নিয়মিত অধিনায়কের দৌড়ে শান্তকে ভালোভাবেই এগিয়ে রাখছেন তিনি।

হাথুরুসিংহে বলেন, ‘অধিনায়কত্ব আর নেতৃত্ব দুটো কিন্তু আলাদা বিষয়। অধিনায়কত্বটা সে (শান্ত) দারুণ করেছে। ম্যাচে সে সবসময় এক ধাপ এগিয়ে ছিল। দারুণ ফিল্ডিং সাজিয়েছে। কখনো আন-অর্থোডক্স ছিল, কিন্তু বেশ সফল ছিল।’

অধিনায়ক আর নেতৃত্ব আলাদা করে তার দুটি দিকেরই প্রশংসা করেছেন হাথুরুসিংহে। এবং তাকে সামনেও অধিনায়ক হিসেবে দেখতে মুখিয়ে আছেন। তিনি আরও বলেন, ‘নেতৃত্বের দিক থেকেও শান্ত বেশ ভালো ছিল। সে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। বিষয়টা বেশ ভালো, আমার মনে হয় তার সামনে লম্বা একটা ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। সে অধিনায়ক থাকবে কি না, সে বিষয়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। তাকে আমি অধিনায়কত্বের জোর দাবিদার হিসেবেই দেখছি।’

ঘরের মাটিতে টেস্ট সিরিজ শেষে কিউই সফরের যাবে বাংলাদেশ। সেখানে সাদা বলের দুই ফরম্যাটেরই সিরিজ খেল্বেন শান্ত-মিরাজরা। সফরটির দুই দলের নেতৃত্বের দায়িত্বও পেয়েছেন শান্ত। 

 

   

জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং দুর্দশা চলছেই



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিং নিয়ে ভুগতে হয়েছে জিম্বাবুয়েকে। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও একই সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাদের। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এবং তানজিম হাসান সাকিবের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে খাবি খাচ্ছে তারা। তাদের বোলিং তোপে পাওয়ার প্লে শেষে জিম্বাবুয়ের রান ৩ উইকেটে ৩৩।

বাংলাদেশের দেয়া ১৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারে ওপেনার জয়লর্ড গামবিকে হারায় জিম্বাবুয়ে। সাইফউদ্দিনের বল ক্যাচ তুলে দেন গামবি, ডিপ থার্ড ম্যানে থাকা মাহমুদউল্লাহ সহজ ক্যাচ তালুতে জমিয়ে গামবির বিদায় নিশ্চিত করেন। 

পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারে অভিজ্ঞ ক্রেইগ এরভিনকেও নিজের শিকার বানান এই সিরিজ দিয়ে ১৮ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা সাইফউদ্দিন। তার বলে ঠিকঠাক শট না খেলতে পেরে বল স্টাম্পে টেনে আনেন এরভিন (৭)।

সাইফউদ্দিনের দুই উইকেটের মাঝে ব্রায়ান বেনেটকে কট এন্ড বোল্ড করেন শরিফুলের জায়গায় একাদশে ঢোকা তানজিম সাকিব। 

জয়ের জন্য জিম্বাবুয়ের এখনো চাই ৮৪ বলে ১৩৩ রান।

;

হৃদয়-জাকেরের ব্যাটে লড়াকু পুঁজি বাংলাদেশের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রথম দুই ম্যাচে পরে ব্যাট করে দাপটের সঙ্গেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করার চ্যালেঞ্জ পায় বাংলাদেশ। বলা চলে, তাওহিদ হৃদয়-জাকের আলির ব্যাটে সে চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ কিছুটা হলেও উতরে গেছে। ২০ ওভারে ৫ উইকেটে স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ১৬৫ রান।

বড় স্কোরের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ের শুরুটা বাংলাদেশের মোটেও ভালো হয়নি। ২৯ রান তুলতেই হারাতে হয়েছে ২ উইকেট। ফর্মহীনতা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছেন লিটন দাস। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাকে আদৌ দলে রাখা হবে কিনা তা নিয়ে যখন জোর আলোচনা চলছে, তখন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে হাস্যকরভাবে নিজের উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন লিটন। মুজারাবানিকে টানা দুইবার স্কুপ করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েও তৃতীয়বার একই কাজ করার চেষ্টা করে বোল্ড হয়েছেন। ফেরার আগে ১৫ বলে করেছেন ১২ রান।

অধিনায়ক শান্তও ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। সিকান্দার রাজার আর্ম বল খেলতে গিয়ে লাইন মিস করে বোল্ড হয়েছেন।

চতুর্থ উইকেটে হৃদয়-জাকের মিলে গড়ে তোলেন ৮৭ রানের জুটি। তাদের জুটিতে লড়াইয়ের রসদ পেয়েছে বাংলাদেশ। ১৯তম ওভারে মুজারাবানির বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৩৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৫৩ রান করেছেন হৃদয়। একই ওভারে মুজারাবানির ইয়র্কারে ধরাশায়ী হওয়া জাকের আলি করেছেন ৪৪ রান।

জিম্বাবুয়ের পক্ষে ৪ ওভার বল করে মোটে ১৪ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন মুজারাবানি।

;

পাওয়ার প্লে’তেই শান্ত-লিটনকে হারাল বাংলাদেশ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রথম দুই ম্যাচে পরে ব্যাট করেছিল বাংলাদেশ। আজ চ্যালেঞ্জটা ভিন্ন। টস জিতে আগে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। সে চ্যালেঞ্জে কতটা সফল হতে পারবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল, সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে প্রথম ৬ ওভারে কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের সেভাবে মেলে ধরতে পারল না। লিটন দাস এবং নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট দুটি হারিয়ে ৪২ রান তুলেছে স্বাগতিকরা।

ফর্মহীনতা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছেন লিটন দাস। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাকে আদৌ দলে রাখা হবে কিনা তা নিয়ে যখন জোর আলোচনা চলছে, তখন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে হাস্যকরভাবে নিজের উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন লিটন। মুজারাবানিকে টানা দুইবার স্কুপ করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েও তৃতীয়বার একই কাজ করার চেষ্টা করে বোল্ড হয়েছেন। ফেরার আগে ১৫ বলে করেছেন ১২ রান।

অধিনায়ক শান্তও ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। সিকান্দার রাজার আর্ম বল খেলতে গিয়ে লাইন মিস করে বোল্ড হয়েছেন।

উল্লেখ্য, পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি জিতে সিরিজে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

;

দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জিতলেই দুই ম্যাচ হাতেই রেখে সিরিজ জয়। এমন সমীকরণ সামনে রেখেই আজ চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে  পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। ম্যাচে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জিম্বাবুয়ে।

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে দাপুটে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। প্রথম টি-টোয়েন্টি ৮ উইকেটে ও দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ৬ উইকেটে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে দেয় নাজমুল হাসান শান্তর দল।

যদিও জিম্বাবুয়ের বর্তমান ফর্ম ভালো নয়। এমনকি এই বছর অনুষ্ঠিতব্য ২০ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও জায়গা হয়নি তাদের। তবু তাদের বিপক্ষে খেলে বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে চাইছে বাংলাদেশ।

এই ম্যাচে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। একাদশে পেসার শরিফুল ইসলামের জায়গা নিয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব এবং স্পিনার শেখ মেহেদীর জায়গায় দলে ঢুকেছেন তানভীর ইসলাম।

বাংলাদেশ একাদশ

নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলি অনিক, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব এবং রিশাদ হোসেন

জিম্বাবুয়ে একাদশ

সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), জয়লর্ড গামবি, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ক্রেইগ এরভিন, ব্রায়ান বেনেট, জোনাথান ক্যাম্পবেল, লুক জংওয়ে, ব্লেসিং মুজারাবানি, ক্লাইভ মাদান্দে, ফারাজ আকরাম এবং ওয়েলিংটন মাসাকাদজা

;