টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবেন না স্টোকস



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইংল্যান্ড জাতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক বেন স্টোকস ২০২৪ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিবেন না। আজ (সোমবার) তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন।

স্টোকস জানিয়েছেন, আপাতত তার প্রধান লক্ষ্য শুধুমাত্র টেস্ট ক্রিকেট। ভবিষ্যতে এই ফরম্যাটে বোলিং করার জন্য তিনি নিজেকে পুরোপুরি ফিট রাখতে চান। সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ আছে ইংলিশদের। সেখানে তিনি নিজের সর্বোচ্চ ফর্মে থাকতে চান। এজন্যেই মূলত টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তার এ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি কঠোর পরিশ্রম করছি এবং ক্রিকেটের সব ফরম্যাটে একজন অলরাউন্ডার হিসেবে পূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য আমার বোলিং ফিটনেস ফিরে পেতে ফোকাস করছি। আইপিএল এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে দূরে থাকাতা আশা করি এমন একটি সিদ্ধান্ত হবে, যা আমাকে অলরাউন্ডার হিসেবে আরও পরিপোক্ত করবে।‘

শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে আগামী ৪ জুন বার্বাডোসের কেনসিংটন ওভালে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ মিশন। এরপর তারা সুপার 8 এবং নকআউট রাউন্ডে খেলার আগে অস্ট্রেলিয়া, ওমান এবং নামিবিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মাঠে নামবে।

   

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবেন নারাইন?



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে সর্বশেষ দেখা যায় সুনীল নারাইনকে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি লিগে দাপিয়ে বেড়ালেও দেশের হয়ে খেলায় কোনো আগ্রহ ছিল না তার। সতীর্থরা তাকে জাতীয় দলে ফেরার কথা বললেও কানে তুলতেন না। তবে আইপিএলে সেঞ্চুরি করার পর হঠাৎ জাতীয় দলে ফেরার আলোচনা নিজেই উসকে দিয়েছেন নারাইন!

ইডেন গার্ডেনে রাজস্থানের বিপক্ষে কলকাতার হয়ে সেঞ্চুরি করার পর ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলের সঙ্গে আলাপের সময় নারাইন বলেন, ‘দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়।’

নারাইনকে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ফেরানোর জন্য দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টা করছেন বলে জানান রাজস্থানে খেলা ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার রভম্যান পাওয়েল, ‘গত ১২ মাস ধরে এই কথা তাকে (নারাইনকে) বলছি, তবে সে কারো কথা কানে তোলেনি।’

গতকাল (মঙ্গলবার) ইডেন গার্ডেনে কলকাতার হয়ে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন নারাইন। ৪৯ বলে পান তিন অঙ্কের দেখা। ৫৬ বলে ১৩ চার এবং ৬ ছক্কায় করেন ১০৯ রান।

তবে রাজস্থানের জস বাটলারের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরিতে বিফলে যায় নারাইনের সেঞ্চুরি। ৬০ বলে ১০৭ রান করে রেকর্ড রাস্ন তাড়ায় জয় এনে দেন রাজস্থানকে।

;

পেশাদার ফুটবলে ফিরছেন ৫৮ বছর বয়সী রোমারিও 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

২০০৮ সালে সব ধরণের ফুটবলকে বিদায় বলেছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোমারিও। তবে সেই অবসর ভেঙেছিলেন পরের বছরই। প্রয়াত বাবার স্বপ্ন পূরণে সে সময় রিও ডি জেনিরোর ক্লাব আমেরিকা আরজের হয়ে কয়েকটি ম্যাচ খেলেছিলেন ১৯৯৪ আসরের বিশ্বকাপজয়ী এই ফরোয়ার্ড। ১৫ বছর পর আবারও অবসর ভেঙে পেশাদার ফুটবলে ফিরতে চলেছেন তিনি। কারণটা অনেকটা আগেরবারের মতোই। বাবার পর এবার ছেলের স্বপ্ন পূরণে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। 

রোমারিও এখন সেই আমেরিকা আরজের ক্লাব সভাপতি। তার ছেলে রোমারিনিওকে গত মাসে দলে ভিড়িয়েছে ক্লাবটি। ৩০ বছর বয়সী এই ছেলের সঙ্গে খেলার স্বপ্ন পূরণ করতেই ক্লাবটির হয়ে রিও ডি জেনিরোর স্টেট ফুটবল লিগের দ্বিতীয় বিভাগের টুর্নামেন্টে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলবেন রোমারিও। 

বিষয়টি জানিয়েছেন রোমারিও নিজেই। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমার মাঠে ফেরায় চোখ রাখুন। পুরো চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আমার লক্ষ্য না। পছন্দের দল মেকাওয়ের (আমেরিকা ক্লাবের তকমা) হয়ে কিছু ম্যাচ খেলতে চাই। পাশাপাশি নিজের আরেকটি স্বপ্নও পূরণ করতে চাই, ছেলের সঙ্গে খেলতে চাই।’

ক্লাবটির সভাপতি হিসেবে আলাদাভাবে বেতনভুক্ত হলেও খেলোয়াড় হিসেবেও বাড়তি বেতন নেবেন রোমারিও। যদিও টা নামমাত্র। খেলোয়াড়দের চুক্তিনামায় বাধ্যতামূলকভাবে পারিশ্রমিকের অঙ্ক থাকতে হবে বিধায় বাড়তি বেতনে প্রসঙ্গ আসে। অবশ্য রোমারিও জানিয়েছেন বেতনের সেই অর্থ পরে ক্লাবকে ফিরিয়ে দেবেন তিনি। 

এক যুগের বেশি সময় পরে মাঠের খেলায় ফেরা নিয়ে নিজদেশের গণমাধ্যমেও কথা বলেছেন রোমারিও। সেখানে তিনি বলেন, ‘খুব কম অ্যাথলেট এবং ফুটবলারই নিজের ছেলের সঙ্গে খেলার স্বপ্নপূরণের সুযোগ পায়। আমার বয়স ৫৮ বছর হলেও এখনো বেশ ভালো বোধ করছি। খেলার জন্য নিজেকে যথেষ্ট যোগ্য বলেই মনে করি। এটা তার (ছেলের) জন্য বিস্ময় হয়ে এসেছে। সে বেশ খুশি। আশা করি, সর্বোচ্চ গোলদাতা বানাতে সে আমাকে বল পাস দেবে।’ 

এর আগে ২৩ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারে এক হাজারেরও বেশি গোল করেছেন রোমারিও। এবার সেই সংখ্যা হয়তো বাড়বে আরও খানিকটা। 

;

ইতিহাদের গেরো কাটবে রিয়ালের?



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘রাজা’ বলা হয় রিয়াল মাদ্রিদকে। একবার-দুইবার নয়, ১৪ বার এই শিরোপা উঠেছে তাদের হাতে। অথচ ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পাঁচবার খেলে এখনো জয় তাদের অধরা, সবশেষ তিন ম্যাচে তো হেরে ফিরতে হয়েছে। সেই ইতিহাদেই এবার সিটিজেনদের সঙ্গে সেমিতে যাওয়ার লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে তাদের।

ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে প্রথম লেগে ৩-৩ গোলে ড্র করে রিয়াল মাদ্রিদ। রোমাঞ্চকর সে ম্যাচ দর্শকদের বিনোদন উপহার দিলেও সব হিসাব-নিকাশ কিন্তু দ্বিতীয় লেগের জন্যই তোলা। যেহেতু এখন আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অ্যাওয়ে গোলের তাৎপর্য নেই, তাই সেমির টিকিট পেতে ইতিহাদে আবার প্রাণপণ লড়াই করতে হবে সিটি ও রিয়ালকে।

ইতিহাদে রেকর্ড সুখকর না হলেও সেটা নিয়ে ভাবছেন না রিয়াল কোচ আনচেলত্তি, ‘আগে কী হয়েছে তা আমাদের মনে নেই। আমরা শুধু সামনের ম্যাচ নিয়ে ভাবছি।’

রিয়ালকে সমীহ করলেও ম্যানচেস্টার সিটি টানা দ্বিতীয় ট্রেবল জয়ের স্বপ্নে বিভোর। প্রিমিয়ার লিগের শিরোপার দৌড়ে আর্সেনাল, লিভারপুলকে পেছনে ফেলে শীর্ষে তারা। এফএ কাপের সেমিফাইনালের টিকিট আগেই কাটা হয়ে গেছে। এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও শেষ চার তাদের হাতছানি দিচ্ছে।

তাই তো দলটির মিডফিল্ডার বার্নার্দো সিলভার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস, ‘আমরা লিগ্যাসি তৈরি করতে চাই। টানা চার প্রিমিয়ার লিগ জিততে চাই, টানা দুই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং টানা দুই ট্রেবলও জিততে চাই।’

ম্যাচের আগে দুই দলের দুই মহাতারকা হালান্ড এবং বেলিংহ্যামের নাম ভিন্ন কারণে আসছে আলোচনায়। ফর্ম আর খেলার ধরন নিয়ে সম্প্রতি সমালোচনার মুখ পড়েছেন হালান্ড। দেশ এবং ক্লাবের হয়ে সবশেষ ২০ ম্যাচের ১৩টিতেই গোল পাননি। রিয়ালের বিপক্ষে সবশেষ তিন ম্যাচে তার কোনো গোল নেই। হতাশার এসব পরিসংখ্যান ঝেড়ে ইতিহাদে হালান্ডের দুর্ধর্ষ রূপে ফিরবেন এমনটা প্রত্যাশা সিটি ভক্তদের।

অন্যদিকে দারুণ ছন্দে থাকা বেলিংহ্যাম প্রথম সিজনেই রিয়ালের প্রাণভোমরা বনে গেছেন। রিয়ালের ইতিহাদ-গেরো কাটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে বিশ্বাস আনচেলত্তির, ‘বেলিংহ্যাম অত্যন্ত ভালো ফুটবলার। সামনের সময়ে রিয়াল মাদ্রিদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হবে।’

আজ বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১ টায় কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে ম্যান সিটি ও রিয়াল মাদ্রিদ।

;

বার্সার হারের দায় শুধুই রেফারির!



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রথম লেগে থেকেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আট থেকে বিদায় নিয়ে হয়েছে বার্সেলোনাকে। দ্বিতীয় লেগে যে ঘরের মাঠে তারা পিএসজির কাছে হেরে গেছে ৪-১ গোলে। দুই লেগ মিলিয়ে ব্যবধান ৪-৬। এমন হারের পর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে জাভির। ম্যাচ শেষে সব ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রেফারির উপর।

রোমানিয়ার রেফারি ইস্তভান কোভাকস দ্বিতীয় লেগে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ম্যাচের ২৯ মিনিটে বার্সেলোনা ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহোকে দেখিয়েছেন সরাসরি লাল কার্ড। এমনকি পিএসজি যে গোলের মাধ্যমে টাইয়ে এগিয়ে গেছে, সে গোলটি এসেছে পেনাল্টি থেকে। রেফারির লাল কার্ড এবং পেনাল্টির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নাখোশ জাভি। ডাগআউটে দাঁড়িয়ে নিজের ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে তাকেও লাল কার্ড দেখতে হয়।

ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার হারের জন্য রেফারিকে কাঠগড়ায় তোলেন জাভি, ‘রেফারি খুবই বাজে ছিল। তার পারফরম্যান্স যে অত্যন্ত বাজে ছিল, সেটা আমি তাকে বলেছি।’

আরাউহোর লাল কার্ডে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায় বলে মত বার্সা কোচের, ‘আমরা খুবই হতাশ এবং ক্ষুদ্ধ, কারণ লাল কার্ডটা ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছে। যখন ১১ জন মাঠে ছিল, আমরা ভালো অবস্থানে ছিলাম।’

লা লিগার শিরোপার দৌড়ে এই মুহূর্তে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে বেশ খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে বার্সেলোনা। ঘরোয়া কাপ টুর্নামেন্টগুলোতেও এবার তাদের ভাগ্য সহায় হয়নি। তাই অন্তত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ভালো কিছু করার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন মৌসুম শেষে বার্সা ছাড়ার ঘোষণা দেয়া জাভি। কিন্তু সে স্বপ্নে গুঁড়েবালি! রেফারির উপর জাভির ক্ষোভটা তাই একটু বেশিই, ‘লজ্জার কথা হচ্ছে, এই মৌসুমের আমাদের সব পরিশ্রম রেফারির একটা বাজে সিদ্ধান্তের জন্য এখানেই শেষ হলো।’

;