সাব্বির একাই লড়লেন, খুলনার জয়ের নায়ক দুই বিদেশি



স্পোর্টস এডিটর, বার্তা২৪.কম
সাব্বির রহমান তোলেন ৩৯ বলে ৬২ রান, ছবি: বিসিবি

সাব্বির রহমান তোলেন ৩৯ বলে ৬২ রান, ছবি: বিসিবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যাটিংয়ের জায়গা বদলে সত্যিকার অর্থেই বদলে গিয়েছিলেন সাব্বির রহমান! ব্যাটিং ওপেন করতে নেমে খেললেন ৩৯ বলে ৬২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ম্যাচ জিততে পারল না কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। ৬২ রান করে সাব্বির যখন আউট হলেন তখনো ম্যাচ জিততে বাকি ৩০ বলে কুমিল্লার চাই ৫০ রান। শেষ চার ওভারে সেই হিসেব দাঁড়াল ৪৩। কিন্তু রান-বলের এই ব্যবধান কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বাকি ব্যাটসম্যানরা ঘোচাতে পারলেন না। তাদের ইনিংস থেমে গেল ১৪৫ রানে। খুলনা টাইগার্স ৩৪ রানে ম্যাচ জিতে শেষ চারের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল জয়ের হাসি নিয়ে। ১০ ম্যাচে খুলনার পয়েন্ট এখন ১২।

খুলনার জয়ের ম্যাচে বল হাতে নায়ক রোবি ফ্রাইলিঙ্ক আর ব্যাটিংয়ে তারকা রাইলি রুশো। ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ১৬ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন ডানহাতি পেসার ফ্রাইলিঙ্ক। যাতে ডট বলের সংখ্যা ১৭! আর ব্যাটিংয়ে ৪ ছক্কা ৬ বাউন্ডারিতে ৩৬ বলে করেন হার না মানা ৭১। দুই বিদেশির এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই ম্যাচে দুরন্ত জয় পায় খুলনা টাইগার্স।

ম্যাচ জয়ের জন্য দলের ফিল্ডারদের আলাদা করে একটা ধন্যবাদ দিতেই পারে খুলনা টাইগার্স। তিনটি দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়েছে খুলনার ফিল্ডাররা এই ম্যাচে। প্রায় অসম্ভব তিনটি ক্যাচকে সম্ভব করে ম্যাচ জিতেছে তারা। শফিউল ইসলাম, রাইলি রুশো এবং আলিস ইসলাম আলিস অনেকদিন মনে রাখার মতো ক্যাচ ধরেছেন এই ম্যাচে।

জয়ের জন্য ১৮০ রান তাড়া করতে নামা কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স শুরু থেকেই রানের গতি এগিয়ে রাখে। প্রথম ১০ ওভারে তারা তোলে ২ উইকেটে ৮২ রান। ফর্মে ফেরার জন্য ব্যাটিং ওপেন করতে সাব্বির রহমান তখন খেলছিলেন মাত্র ২৭ বলে ৪১ রান করে। ১৭ বলে ২২ রান করে সৌম্য সরকার ফিরে আসার পর ম্যাচ জেতানোর দায়িত্বটা পড়ে সাব্বির রহমানের কাঁধে। ৩৩ বলে নিজের হাফসেঞ্চুরি পুরো করেন সাব্বির। চলতি টুর্নামেন্টে এটি তার প্রথম হাফসেঞ্চুরি।

১৫ নম্বর ওভারে মোহাম্মদ আমির তার তৃতীয় ওভার করতে এলেন। আমিরের প্রথম পাঁচ বল থেকে এলো ১০ রান। এর মধ্যে স্কুপ শটে সাব্বির একটি বাউন্ডারিও হাঁকান। শেষ বলেও প্রচণ্ড জোরে পুল শট খেলেন। কিন্তু শর্ট স্কয়ার লেগে দাঁড়ানো রাইলি রুশো ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দর্শনীয় কায়দায় সেটা ক্যাচ বানিয়ে নেন। যা হওয়ার কথা ছিল নিশ্চিত বাউন্ডারি সেটাই হয়ে গেল অনবদ্য ক্যাচ!

ম্যাচে সেখান থেকেই ছিটকে পড়ে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। ইয়াসির আলীকে পরের ওভারেই আলিস ইসলাম চমৎকার কায়দায় পেছন দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচ নেন। ডেভিড ভিসা দুটি বাউন্ডারি হাঁকালেও ম্যাচের ফিনিশার হতে পারেননি। মূলত তার আউটের মধ্যে দিয়েই ম্যাচেও কুমিল্লা ‘ফিনিশ’ হয়ে গেল!

১১ ম্যাচে মাত্র ১০ পয়েন্ট পাওয়া কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের জন্য বঙ্গবন্ধু বিপিএলের শেষ চারের স্বপ্ন মূলত শেষ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

খুলনা টাইগার্স: ১৭৯/২ (২০ ওভারে, শান্ত ৩৮, মিরাজ ৩৯, রুশো ৭১*, মুশফিকুর রহিম ২৪*; সৌম্য ১/৩৯ ও ভিসা ১/৩০)।

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স: ১৪৫/১০ (১৮.২ ওভারে, সাব্বির ৬২, সৌম্য ২২, ইয়াসির ২৭; ফ্রাইলিঙ্ক ৫/১৬, আমির ২/১৮ ও শহিদুল ২/৩৪)।

ফল: খুলনা টাইগার্স ৩৪ রানে জয়ী।

ম্যাচ সেরা: রোবি ফ্রাইলিঙ্ক।

   

ছয় ম্যাচ পর জয়ে ঘুম ভালো হওয়ার স্বস্তি ডু প্লেসির



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু হারের বৃত্তে আটকে গিয়েছিল। গত ২৫ মার্চ পাঞ্জাব কিংসকে হারানোর পর টানা ছয় ম্যাচ হেরে বসেছিল তারা। ঠিক এক মাস পর আবারও জয়ের দেখা পেয়েছে বেঙ্গালুরু। উড়তে থাকা সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৩৫ রানে হারিয়েছে দলটি। দীর্ঘ সময় পর জয় পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি।

ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণীতে ডু প্লেসি কণ্ঠে ঝরেছে স্বস্তি, ‘বড় স্বস্তি পেলাম। আপনি যে অবস্থানেই থাকেন না কেন, জয় না পেলে তা আপনার মানসিকতায়, আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলে। আজকে (গতকাল) রাতে একটু ভালো ঘুম হবে।’

চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত বেঙ্গালুরুর গল্পটা তীরে এসে তরী ডোবার। হায়দরাবাদের বিপক্ষে আগের ম্যাচটাইতেই যেমন ২৮৮ রান তাড়া করতে গিয়ে ২৫ রান দূরে থামতে হয় তাদের। কলকাতার বিপক্ষে হারটা তো আরও হৃদয়বিদারক, ২২৩ রান তাড়া করতে নেমে ১ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয়েছিল কোহলিদের।

অবশেষে হায়দরাবাদের বিপক্ষে বেঙ্গালুরু কাঙ্ক্ষিত সে জয়ের দেখা। এই জয়ের পর দলের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়বে বলে মনে করেন ডু প্লেসি, ‘আপনি শুধু কথা দিয়ে কাউকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলে পারবে না, ভুয়া আত্মবিশ্বাসও তৈরি করা সম্ভব না। শুধুমাত্র পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায়।’

এই জয়ের পর অবশ্য পয়েন্ট টেবিলে বেঙ্গালুরুর অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ১০ দলের লিগে এখনো তলানিতেই তাদের অবস্থান। নামের পাশে যদিও পয়েন্ট দুই থেকে বেড়ে চার হয়েছে।

;

টানা দুই হারে সিরিজ খোয়ানোর শঙ্কায় পাকিস্তান



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজটা দারুণ ছন্দে শুরু করেছিল পাকিস্তান প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ উইকেটের বিশাল জয় পায় কিউইদের বিপক্ষে। কিন্তু পরের দুই ম্যাচ জিতে এখন পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে নিউজিল্যান্ড। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ৪ রানে স্বাগতিক পাকিস্তানকে হারিয়ে ব্ল্যাকক্যাপসরা।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে কিউইদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। ওপেনার টিম রবিনসনের ঝোড়ো ফিফটিতে শুরুটা দুর্দান্ত হয় সফরকারীদের। ৩৬ বলে ৫১ রান আসে তার ব্যাটে। ৩৪ রান করেন তিনে নামা ডিন ফক্সক্রফট। তাতে ২০ ওভারে কিউইদের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৭৮।

৩ ওভার বল করে পাকিস্তানের পক্ষে ২০ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন আব্বাস আফ্রিদি।

জবাব দিতে নামা পাকিস্তানের শুরুটা হয় নড়বড়ে। দ্বিতীয় ওভারে স্রেফ ৫ রানে সাজঘরের পথ ধরেন অধিনায়ক বাবর আজম। সাইম আইয়ুব, উসমান খান, ইফিতিখার আহমেদরা সেট হয়েও উইকেট ছুঁড়ে দেন। পাকিস্তানের আশার ভেলা ভাসিয়ে রাখেন চারে নামা ফখর জামান। ৪৫ বলে ৪ চার এবং ৩ ছয়ে ৬১ রান করেন এই ব্যাটার।

শেষদিকে ইমাদ ওয়াসিম ১১ বলে ২২ রানের ক্যামিও খেলে পাকিস্তানকে জয়ের হাতছোঁয়া দূরত্বে নিয়ে গেলেও শেষ ধাপ পার করাতে ব্যর্থ হন। লক্ষ্য থেকে চার রান দূরেই থামতে হয় পাকিস্তানকে। পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৪ রান তুলতে সমর্থ হয় তারা।

শনিবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় একই মাঠে সিরিজের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। কিউইদের সামনে যেখানে থাকছে সিরিজ জয়ের সুযোগ, পাকিস্তানের জন্য সেটা সিরিজ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ।

;

ডিপিএলে বিতর্কিত আউট নিয়ে মুশফিকের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ম্যাচ শেষে প্রাইম ব্যাংকের ক্রিকেটাররা মোহামেডানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাতেই আসেননি। তামিম মাঠে ঢুকলেও সেটা ছিল আম্পায়ারদের কারণ জানাতে। তিনিও শুধুমাত্র মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেছেন। মূলত মুশফিকুর রহিমের একটা ক্যাচ ধরাকে কেন্দ্র করেই এমনটা। যার কারণে খেলাও বন্ধ ছিলো ১৬ মিনিট। তামিম তখন আম্পায়াদের ভিডিওটাও দেখিয়েছিলেন যে সেটা ক্যাচ নয়, ছক্কা ছিলো। আসলেও তাই। ক্যাচ ধরার পর ফিল্ডার আবু হায়দার রনির পা স্পর্শ করেছিলো বাউন্ডারি-লাইন।

এবার সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মুশফিকুর রহিমের ফেসবুক পোস্ট। ক্যাচ ধরার সময় রনির পা বাউন্ডারির দড়ি স্পর্শ করেছে, এমন ছবি আপলোড দিয়ে মুশফিক লিখেন, 'মাশাআল্লাহ।' মূহূর্তেই যা হয়ে যায় ভাইরাল। অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন এমন প্রতিবাদের। আবার অনেকেই প্রশ্নও তুলছেন মুশফিকের পেশাদারিত্ব নিয়ে।

মুশফিকের সেই পোষ্টে দুঃখ পোষণ করে কমেন্ট করেছেন প্রাইম ব্যাংকের আরেক ক্রিকেটার রুবেল হোসেন। ক্রিকেটার ছাপিয়ে এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়ক আরেফিন শুভ।

ডিপিএলে আম্পায়ারিং বিতর্ক এই আসরে এবারই প্রথম না। প্রাইমের বিপক্ষে আবাহনীর নাঈম শেখের নিশ্চিত আউট না দেওয়ায় প্রতিবাদ করেছিলেন তামিম। সাকিবের স্টাম্পে লাথি কিংবা স্টাম্প উপড়ে ফেলা তো উদাহরণ হয়ে আছেই।

;

শেখ রাসেল বীচ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট ও চট্টগ্রাম



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের ডিভাইন ইকো রিসোর্ট পয়েন্টে আয়োজিত হয়েছে ষষ্ঠ শেখ রাসেল বীচ ফুটবল টুর্নামেন্টের বালক ও বালিকা অনূর্ধ্ব-১৫। তিন দিন ব্যাপী হওয়া এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল ছিল শুক্রবার। যেখানে বালক বিভাগে চট্টগ্রাম বিভাগকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সিলেট বিভাগ। অন্যদিকে বালিকা বিভাগে সিলেটকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ।

বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন ক্রীড়া পরিদপ্তর কর্তৃক এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। যেখানে খেলা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া সচিব বলেন, ‘শেখ রাসেল ফুটবল বীচ টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি স্পোর্টস ট্যুরিজমকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এছাড়াও খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা ও মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এ বীচ ফুটবল টুর্নামেন্ট।
এখান থেকে বাছাইকৃত সেরা খেলোয়াড়দের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাহিদ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আবুল হোসেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক আ ন ম তরিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এবারের অনূর্ধ্ব-১৫ বীচ ফুটবল টুর্নামেন্টে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের মোট ১৬টি দল অংশ নেয়।

;