কুমিল্লায় অনলাইনে জমজমাট ঈদের কেনাকাটা



আবদুর রহমান, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস বদলে দিয়েছে হাজারো মানুষের জীবনের গল্প। গত বছর দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার দীর্ঘ লকডাউনসহ নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েন অসংখ্য মানুষ, অনেকে হয়ে পড়েন নিঃস্ব।

আবার সেই করোনাকে কেন্দ্র করে বদলে গেছে অনেকের জীবনের চিত্র। করোনাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানের তরুণ-তরুণীরা অনলাইনে ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করেন। যাদের অনেকেই এখন স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন। তাদের স্বপ্ন এখন উদ্যোক্তা হওয়ার।

গত বছর কুমিল্লার তরুণ-তরুণীদের অনলাইনে ক্ষুদ্র ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করতে এগিয়ে আসেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক কাজী আপন তিবরানী। তাঁর উদ্যোগে ইতিমধ্যে পাল্টে গেছে  হাজারো তরুণ-তরুণীর জীবনের গল্প। তিনি ভিক্টোরিয়া ই-কমার্স ফোরাম নামক ফেসবুক পেজ চালুর মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের অনলাইনে ক্ষুদ্র ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করে তোলেন। বর্তমানে এই পেজে যুক্ত রয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি সদস্য। এছাড়া কুমিল্লার আরও বেশ কিছু ফেসবুক পেজের মাধ্যমেও অনলাইনে চলছে ক্ষুদ্র ব্যবসা।

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার এসব ফেসবুক পেজে এখন চলছে জমজমাট বেচাকেনা। করোনার সংক্রমণ এড়াতে অনেক মানুষ ঘরে বসেই এখন ঈদের কেনাকাটা করছেন অনলাইনে। কুমিল্লার ঐতিহ্যের খাদি পোশাক, দেশ-বিদেশি থ্রি পিস, বাহারি শাড়ি, খাদ্য সামগ্রীসহ সকল প্রকার পণ্যই মিলছে অনলাইনে। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সকল বয়সী মানুষের পোশাক, জুতা ও প্রসাধনী সামগ্রীও সহজেই পাওয়া যাচ্ছে এখানে। আর এর মাধ্যমে হাজারো তরুণ-তরুণীরা হয়ে উঠছেন স্বাবলম্বী। তাদের স্বপ্ন এখন বহুদূর যাওয়ার।

কুমিল্লার দেবিদ্বারের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসী ইভা। পরিবারের সঙ্গে বর্তমানে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় বসবাস করা ইভা ঢাকার ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী।

ইভা জানায়, আমার পরিবারের প্রায় সকলেই সরকারি চাকরি করে। তারা চায়নি আমি ই-কমার্সে কাজ করি। এরপরও তিবরানী মেমের উৎসাহে ১০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে গত বছর থ্রি-পিস বিক্রি শুরু করি। পরে আরও কিছু পণ্য যুক্ত করি। এবারের ঈদকে সামনে রেখে যুক্ত করি খাদি পোশাক। গত ১৭ দিনে প্রায় চার'শ খাদি পাঞ্জাবি বিক্রি করেছি। গড়ে প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে ২০ হাজার টাকার পণ্য। আমার ব্যবসার মূলধন এখন প্রায় দুই লাখ টাকা। আমি ই-কমার্সে একজন উদ্যোক্তা হতে চেষ্টা করছি। এখন মা আমাকে সাপোর্ট দেন।

জেলার লাকসামের মেয়ে উম্মেহানি স্বামী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায়। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন তিনি।

উম্মেহানি জানান, গত বছর মাত্র ১০০ টাকা পুঁজি নিয়ে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করেন তিনি। আগে টিউশনি করলেও করোনার কারণে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে তাঁর ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে ই-কমার্সে মনোযোগ দেন তিনি। বর্তমানে হোমমেড ভেজালমুক্ত খাদ্য সামগ্রী, মেয়েদের পোশাক, খাদি পণ্য বিক্রি করছেন তিনি। এছাড়া পাঞ্জাবি, শাড়ি, থ্রি পিস, ঘি, মধুসহ বিভিন্ন খাঁটি পণ্য বিক্রি করছেন তিনি। ঈদকে সামনে রেখে তার বিক্রিও জমজমাট। তিনিও একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চান। পাশাপাশি একটি সুপার শপ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন রয়েছে তার।

জেলার লাকসামের নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান ফারাবিও স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন ই-কমার্সকে ঘিরে। ফারাবি বলেন, আমি আগে শাড়ি বিক্রি করতাম। এখন ঈদকে সামনে রেখে খাদি পাঞ্জাবি বিক্রি শুরু করেছি। মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। বিশেষ করে তরুণরা বেশি খাদি পাঞ্জাবি কিনছেন। পাশাপাশি শাড়িও ভালো বিক্রি হচ্ছে। আমি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চাই।
ই-কমার্সের ক্রেতা জেলার নাঙ্গলকোটের বাসিন্দা পারভীন আক্তার বলেন, করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি এবং লকডাউনের কারণে এ বছর মার্কেটে যাইনি। ঘরে বসেই অনলাইনে ঈদের কেনাকাটা করেছি। দামও তেমন বেশি নয় মার্কেটের তুলনায়। এছাড়া ঘরে বসেই পণ্য হাতে পাওয়ায় দিন দিন অনলাইনে পণ্য কেনার ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানান তিনি।

নেত্রকোনায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে হুয়াওয়ে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নেত্রকোনায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে হুয়াওয়ে

নেত্রকোনায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে হুয়াওয়ে

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা লাঘবে আজ নেত্রকোনায় বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড।

সোমবার (২৭ জুন) খালিয়াজুরি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রব্বানী জব্বার; খালিয়াজুরি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এ.এইচ.এম আরিফুল ইসলাম, মেজর জিসানুল হায়দার-এর উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় অনলাইনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) অঞ্জনা খান মজলিস এবং হুয়াওয়ে বাংলাদেশের বোর্ড মেম্বার জেসন লি।

সাম্প্রতিক বন্যায় সিলেট ও ​​সুনামগঞ্জের পর নেত্রকোনায় প্রভাব পড়েছে। নেত্রকোনা জেলার প্রধান নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেত্রকোনা জেলার ছয় উপজেলার ৩৯টি ইউনিয়নের বাসিন্দারা। নেত্রকোনা সদর উপজেলা, বারহাট্টা, পূর্বধলা, খালিয়াজুরী, কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরে বহু বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও নদীর তীরবর্তী কিছু এলাকা নদী ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে।

এমতাবস্থায়, একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিকূল পরিস্থিতির ‍মুখোমুখি হওয়া এ সকল মানুষের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে হুয়াওয়ে। প্রতিষ্ঠানটির ‘ইন বাংলাদেশ, ফর বাংলাদেশ – হেয়ার ফর ইউ’ শীর্ষক উদ্যোগের অংশ হিসেবে নেত্রকোনা উপজেলার বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দুই হাজার পরিবারের মাঝে চাল, মসুর ডাল, আলু, খাবার স্যালাইন, চিনি ও ময়দাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।  

এ নিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, “বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখছে হুয়াওয়ে। পাশাপাশি, বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাহায্যেও এগিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য হুয়াওয়ের এ উদ্যোগটি তার প্রমাণ।” 

এ নিয়ে হুয়াওয়ে বাংলাদেশের বোর্ড সদস্য জেসন লি বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের জনগণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বন্যার দুর্ভোগে পড়েছে। বাংলাদেশে বিদ্যমান একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে, আমরা তাদের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব বোধ করেছি। তাই ‘ইন বাংলাদেশ, ফর বাংলাদেশ – হেয়ার ফর ইউ’ আমাদের উদ্যোগের অংশ হিসেবে আমরা এই ত্রাণ কর্মসূচির আয়োজন করেছি। আমি জানি আমাদের প্রচেষ্টা তাদের অপিরিসীম কষ্টকে মুছে দিতে পারবে না কিন্তু তাদের সংগ্রামে যথেষ্ট সহায়ক হতে পারে।”

খালিয়াজুরি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এ.এইচ.এম আরিফুল ইসলাম বলেন, “নেত্রকোনার বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য হুয়াওয়ের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। বন্যার কারণে বহু মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়েছে, এমন প্রতিকূল সময়ে হুয়াওয়ের মতো প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের নানা উদ্যোগ পুনরায় আশার সঞ্চার করেছে। এই ত্রাণ সামগ্রীগুলি তাদের এই দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে এবং জীবনকে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করবে।”

নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রাব্বানী জব্বার বলেন, বিগত কয়েক বছর যাবত আমরা দেখতে পাচ্ছি খালিয়াজুরীতে দুর্যোগের সময় হুয়াওয়ে আমাদের পাশে রয়েছে। আমি এজন্য হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমরা আশা করব এরকম সময় উপযোগী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

হুয়াওয়ে ২৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কাজ করছে। এবং এই প্রতিষ্ঠানটি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের জন্য, বিশেষ শিশুদের জন বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামের ব্যবস্থা করে। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ সহজতর করতেও বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে যুক্ত হয়। খালিয়াজুরীতে ত্রাণ বিতরণ এই ধরণের একটি কার্যক্রম।

;

বন্যাদুর্গত এলাকায় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, সচল ১১৭৬ সাইট



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্যাদুর্গত সিলেট , সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার জেলায় সোমবার (২০জুন) পর্যন্ত ১১৭৬টি মোবাইল টাওয়ার সচল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

মঙ্গলবার (২১ জুন) বিটিআরসি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, প্রবল ভারীবর্ষণ ও অতিবৃষ্টির ফলে সিলেট , সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার জেলা বন্যা প্লাবিত হওয়ায় চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন এই অঞ্চলের অধিবাসীরা। উক্ত এলাকায় ৪টি মোবাইল অপারেটরের মোট ৩,৬১৭ সাইট রয়েছে। বন্যাপ্লাবিত এলাকার অনেক সাইট (বিটিএস) বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হওয়ায় মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়। মোবাইল অপারেটরদের প্রচেষ্টায় ২০ জুন সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ১,১৪৬টি সাইট পুনরায় সচল করা হয়। বর্তমানে সকল অপারেটরদের মোট ৯৭৬টি সাইট বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে নেটওয়ার্কের আওতাবহির্ভূত থাকায় তা সচল করার জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আইএসপি

সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ সিলেট বিভাগের অন্যান্য এলাকায় চলমান বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় ওইসব এলাকায় অবস্থিত ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) অপারেটরদের নেটওয়ার্ক অপারেশন্স সেন্টার, পয়েন্ট অব প্রেজেন্স (পিওপি) স্থাপনাসমূহ প্লাবিত ও বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এর মধ্যে যেসব পিওপিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে, সেগুলোতে পোর্টেবল জেনারেটর দিয়ে বর্তমানে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। কিছু সংখ্যক পিওপিতে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুনামগঞ্জসহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় আইএসপি অপারেটরগুলো তাদের টিম পৌঁছানোর ও নেটওয়ার্ক সচল রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আইআইজি

সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ সিলেট বিভাগের অন্যান্য এলাকার ১৫টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) অপারেটরের মোট ৪৮টি পিওপি আছে, যার অধিকাংশই সচল রয়েছে। তবে এসব এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রাপ্তিতে সাময়িকভাবে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিচ্ছে।

এর মধ্যে, যেসব পিওপিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে, সেগুলোতে পোর্টেবল জেনারেটর দিয়ে বর্তমানে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। সিলেটের কয়েকটি আইআইজি'র পিওপি ডিজেল জেনারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার জন্য একটি অস্থায়ী প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। এসব পিওপিতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত ডিজেল চালিত জেনারেটর ও পোর্টেবল জেনারেটর ভাড়া করা হয়েছে।

এনটিটিএন

নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) অপারেটরদের মধ্যে সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের মোট ২৬২টি পিওপি রয়েছে, যার মধ্যে ১৩৭টি বর্তমানে সক্রিয় ও ১২৫টি নিষ্ক্রিয় রয়েছে। বাহন লিমিটেডের ২৯টি পিওআই'র মধ্যে সবগুলোই সক্রিয় রয়েছে এবং ফাইবার অ্যাট হোম লিমিটেডের ছাতকেরটি (সুনামগঞ্জ) ছাড়া সবগুলো পিওআই সক্রিয় রয়েছে। বন্যাপ্লাবিত এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এনটিটিএন সংযোগ প্রাপ্তিতে সাময়িকভাবে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়। তবে, বর্তমানে সবগুলো এনটিটিএনেই নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ চালু আছে।

বিটিসিএল

রোববার (১৯ জুন) জেনারেটর রুমের পানি বের করে টেলিটকের জেনারেটর ব্যবহারের জন্য বিকল্প পাওয়ার ক্যাবল স্থাপন করা হয়। দুদিন সার্বক্ষণিক কাজ ও নিরলস প্রচেষ্ঠার ফলে ওই দিন দুপুর ২টায় সিলেটের সঙ্গে ঢাকার টেলিযোগাযোগ আবারও চালু হয়।

বর্তমানে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় বিদুৎ না থাকায় টেলিযোগাযোগ বন্ধ আছে। এছাড়া বন্যায় জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় টেলিযোগাযোগ বন্ধ আছে যদিও জকিগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) নেটওয়ার্ক ডাউন রয়েছে। এছাড়া সিলেটের অন্যান্য উপজেলায় বিটিসিএলের টেলিযোগাযোগ চালু আছে। মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলা ও হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলা ছাড়া সবকটি উপজেলায় এ যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু আছে।

বন্যায় বিটিসিএলের ছাতক উপজেলার টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া জকিগঞ্জ, কানাইঘাট ও গোয়াইনঘাটের অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে বিটিসিএল মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিটিসিএলের একটি টিম পোর্টেবল জেনারেটর নিয়ে সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ওই টিম সফলভাবে কাজ করতে সক্ষম হলে, আজ (সোমবার) রাতের শেষভাগে কিংবা আগামীকাল সকাল নাগাদ সুনামগঞ্জে বিটিসিএলের নেটওয়ার্ক সচল করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিএসসিএল

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) গত শনিবার ১২টি ভিস্যাট (খুব ছোট-অ্যাপারচার টার্মিনাল) সুনামগঞ্জে সেনাবাহিনীর নিকট পাঠিয়েছে, যার মধ্যে হাইটেক পার্ক ক্যাম্পে একটি, ডিসির কার্যালয়ে একটি এবং সার্কিট হাউজে একটি করে চালু করা হয়েছে।

এছাড়াও গত রোববার সিলেট স্থানীয় প্রশাসনের নিকট ২৩টি ভিস্যাট পাঠানো হয়েছে। সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে একটি ভিস্যাট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া আরও দুটি ভিস্যাট স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

গ্রামীণফোন ও রবির বিশেষ প্যাকেজ

সিলেট বিভাগের বন্যাকবলিত এলাকায় গ্রামীণফোন তাদের গ্রাহকদের জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য ফ্রি ১০ মিনিট টকটাইম দিয়েছে। একইভাবে রবিও ফ্রি ১০ মিনিট ও ১০০ এমবি ইন্টারনেট দিয়েছে।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হতে বন্যাকবলিত স্থানসমূহের টেলিযোগাযোগ সেবার সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের উদ্দেশ্যে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

উক্ত সেল সকল অপারেটরদের সাথে সমন্বয়ের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইতিপূর্বে বিটিআরসি হতে ৪টি অপারটরের মোট ১৬টি টোল ফ্রি নম্বরের অনুমোদন প্রদান করে সেনাবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এই দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিভিন্ন অপারেটরদের নেটওয়ার্ক পুনরায় সচল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রদত্ত সড়ক ও নৌ পথে পরিবহন ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর ও বিটিসিএল তাদের সাইট দ্রুত সময়ে সচল করতে পেরেছে। পরিবহন ব্যবস্থা ছাড়াও দুর্গম এলাকায় পোর্টেবল জেনারেটর বহনের কার্যক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সহায়তা করছে যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অপারেটরগণ উপকৃত হয়েছে।

;

ডিজিটাল পাওয়ার ও ক্লাউড সার্ভিসে নতুনদের সুযোগ দিচ্ছে হুয়াওয়ে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ডিজিটাল পাওয়ার ও ক্লাউড সার্ভিসে নতুনদের সুযোগ দিচ্ছে হুয়াওয়ে

ডিজিটাল পাওয়ার ও ক্লাউড সার্ভিসে নতুনদের সুযোগ দিচ্ছে হুয়াওয়ে

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করেছে এমন ৬০ জনকে নিয়োগ দিবে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড। ব্যক্তি, বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনসহ সকলের কাছে ডিজিটাল পাওয়ার এবং ক্লাউড সল্যুশনস পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই নিয়োগ দেয়া হবে।

হুয়াওয়ে ডিজিটালাইজেশন ও গ্রিন ডেভেলপমেন্টকে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। পাশাপাশি, তরুণরা যাতে  অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আইসিটি ইকোসিস্টেমকে বিকশিত করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন, সে সুযোগ তৈরিতেও কাজ করছে হুয়াওয়ে। আর এই লক্ষ্য থেকেই ৩য় পক্ষভিত্তিক চুক্তির আওতায় এই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। পদগুলো হলো: বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ, সল্যুশনস আর্কিটেক্ট ও সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার।

এ নিয়ে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস ( বাংলাদেশ) লিমিটেডের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক হুয়াং বাওশিওং বলেন, “গ্রিন ডেভেলপমেন্টকে উৎসাহিত করতে ও দেশের তরুণদের নানাভাবে সহায়তা করতে হুয়াওয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম আয়োজনের পাশাপাশি হুয়াওয়ে সদ্য পাশ করা শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দিয়ে থাকে, যাতে করে তারা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশেষজ্ঞদের সাথে কাজ করতে পারেন। এ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান আহরণে অনুপ্রাণিত করতে চাই, যা তাদের ক্যারিয়ারের পথচলাকে সামনে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে এবং বাংলাদেশের ডিজিটালাইজেশন ও গ্রিন ডেভেলপমেন্টকে উৎসাহিত করতেও ভূমিকা রাখবে।”

সারা দেশের সিএসই, ইইই, ইসিই কিংবা ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা এসব পদে আবেদন করতে পারবে। সদ্য স্নাতক পাশ করেছে অথবা ৪র্থ বর্ষ বা শেষ সেমিস্টারে পড়ছে এমন শিক্ষার্থীরা এই পদের জন্য অগ্রাধিকার পাবে। মাসিক বেতনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট ৬ মাসের চাকরীর শেষে এই ৬০ জন কর্মীদের একটি করে চাকরীর সনদ প্রদান করা হবে। জুন ২০২২ এর মধ্যে আগ্রহীরা [email protected] এ ঠিকানায় ইমেল প্রেরণের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

;

ভার্চুয়াল উন্মোচনে বাজারে এলো নতুন স্পিড মাস্টার ‘নোট ১২’



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ভার্চুয়াল উন্মোচনে বাজারে এলো নতুন স্পিড মাস্টার ‘নোট ১২’

ভার্চুয়াল উন্মোচনে বাজারে এলো নতুন স্পিড মাস্টার ‘নোট ১২’

  • Font increase
  • Font Decrease

তরুণদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় চীনা স্মার্টফোন কোম্পানি ইনফিনিক্স আজ ভার্চুয়াল মাধ্যমে ব্র্যান্ডটির নোট সিরিজের সর্বশেষ ও সর্বাধুনিক স্মার্টফোন ‘নোট ১২ জি৯৬’ এর উন্মোচন করেছে। ডিভাইসটির বাজার আসার এই ঘোষণা সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকেও সম্প্রচার করা হয়। এ সময় ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন নোট সিরিজের প্রোডাক্ট অ্যাম্বাসেডর তাসকিন আহমেদ এবং ইনফিনিক্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তানজিন তিশা, এবং ইনফিনিক্স বাংলাদেশ এর সিনিয়র ব্র্যান্ড ম্যানেজার মো. ইফতেখার উদ্দিন সানি। ‘নোট ১২ জি৯৬’কে তকমা দেওয়া হয়েছে স্পিড মাস্টার হিসেবে; কারণ এই ডিভাইসের অত্যাধুনিক ফিচার সমূহ স্মার্টফোন ব্যবহারের শক্তিশালী অভিজ্ঞতা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়; এছাড়া ডিভাইসটি হালকা হওয়ায় ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোন ব্যবহারের বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য পান। বৈচিত্র্যময় ফিচারের সাশ্রয়ী মোবাইল ফোন ‘নোট ১২’তে রয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৬ ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর, ৬.৭” ইঞ্চি এফএইচডি+ অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং ১৩জিবি বর্ধিত র‌্যাম।      

‘নোট ১২’-এর মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৬ গ্রাহকদের দেবে ‘নেক্সট-লেভেল’ গেমিং এক্সপেরিয়েন্স এবং চমৎকার গতিশীল পারফরম্যান্স। ফোনের চিপসেট-টি ৬৪-বিট অক্টাকোর, যেটিতে রয়েছে দুটি শক্তিশালী আর্ম কর্টেক্স-এ৭৬ এবং ৬টি আর্ম কর্টেক্স-এ৫৫ প্রসেসর যেটি ২.০৫ গিগাহার্টজ পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম এবং আর্ম মালি জি৫৭ জিপিইউ,এসবের সমন্বয়ে যুগান্তকারী নেক্সট-লেভেল পারফরম্যান্স পাবেন ব্যবহারকারীরা। এছাড়া, ডার-লিংক, ছবির স্থিরতা (ইমেজ স্ট্যাবেলিটি) ও স্পর্শের সংবেদনশীলতা (টাচ কন্ট্রোল) বজায় রেখে সেরা গেমিং পারফরম্যান্স প্রদান করে এবং কমিয়ে আনে স্মার্টফোন ব্যবহারের বিঘ্ন; এতে মোবাইলটি ব্যবহারে নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা পান ব্যবহারকারীরা।  

এছাড়া, এই ডিভাইসে রয়েছে ৬.৭” ইঞ্চির এফএইচডি+ ট্রু কালার অ্যামোলেড ডিসপ্লে, এই মূল্যে যা একেবারেই এই অভাবনীয়। ট্রু কালার অ্যামোলেড ডিসপ্লে অধিক পরিমাণ কার্যক্ষম এবং এলসিডি ডিসপ্লের তুলনায় কম চার্জ প্রয়োজন হয়। এই ডিসপ্লের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলোতেও স্পষ্ট কাজ করা যায়। এছাড়া এই ডিসপ্লে শতভাগ ডিসিআই-পি৩ এবং ১০০০০০:১ কালার কনট্রাস্ট রেশিও কভার করে, যেখানে নিটস পিক ব্রাইটনেস ১০০০। ‘নোট ১২’তে ফ্রেম রেট অ্যাডজাস্ট করা যায় আর তাই সঠিক ব্যাটারির ব্যবহারে এই ডিসপ্লে বেশ কার্যক্ষম এবং এটিতে কোনো ত্রুটি বা ফ্রেম ড্রপ পরিলক্ষিত হয় না। 

‘স্পিড মাস্টার’ ‘নোট ১২’তে রয়েছে মেমোরি ফিউশন টেকনোলজি। ফোনের ৮জিবি র‌্যামকে সহজেই সর্বোচ্চ ১৩জিবি পর্যন্ত বর্ধিত করা যায়, যেটি ডিভাইসকে গতিশীল করতে র‌্যাম ও রমকে সমন্বয় করতে সক্ষম। মেমোরি ফিউশন টেকনোলজি ব্যবহারকারীদের ব্যাটারির কোনো রকম অবনমন না ঘটিয়েই ও কোন রকম বিঘ্ন ছাড়াই গ্রাহকদের মাল্টি-টাস্কিং এর সুযোগ করে দেয়। এছাড়া, অপ্টিমাইজেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপের প্রসেসিং স্পিডও সামলাতে সক্ষম ‘নোট ১২’ ডিভাইস; আর তাই ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ সংখ্যা ৯ থেকে বাড়িয়ে সহজেই ২০টি করা সম্ভব কোনো রকম বিঘ্ন ছাড়াই।     

এছাড়া, ‘নোট ১২’ ডিভাইসে আরো রয়েছে ৩৩ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জিং সুবিধা-সম্পন্ন ৫০০০এমএএইচ ব্যাটারি, এতে একবার চার্জ দিয়েই নির্ভাবনায় ফোনটি সারাদিন ব্যবহার করা যাবে। ব্যাটারির রয়েছে সর্বোচ্চ ৮০০ চার্জ সাইকেল কাউন্ট, বারাবার ব্যবহারেও ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফে অবনমন ঘটে না। 

চমৎকার এই স্মার্টফোনে আরো আছে, ৫০ মেগাপিক্সেল ট্রিপল আল্ট্রা-নাইট ক্যামেরা সেট-আপ (৫০মেগাপিক্সেল+২মেগাপিক্সেল+এআই লেন্স); এতে মৃদু আলোতেও নিখুঁতভাবে ছবি ক্যামেরাবন্দি করা যায়। মোবাইলটি আরো থাকছে ১০৮০ পিক্সেল এবং ৩০ এফপিএস এ ব্লারিং ফিচারে অসাধারণ ভিডিও ধারণ করারও সুযোগ।    

‘ইনফিনিক্স নোট ১২’ এর প্রধান প্রধান ফিচারগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে, সুপার-চার্জড গেমিং পারফরম্যান্সের জন্য ডারলিংক আল্টিমেট গেম বুস্টার ২.০, সিনেম্যাটিক সাউন্ড এর জন্য ডিটিএস টেকনোলজি সহ সিনেম্যাটিক ডুয়েল স্পিকারস, ডিভাইস ব্যবহারের অভিনব অভিজ্ঞতা দিতে এক্সওএস ১০.৬, গ্রাহকদের জন্য মানানসই ও প্রযুক্তির নান্দনিকতা ফুটিয়ে তুলতে ফেসিয়াল, ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক, মনস্টার গেম কিট সহ অন্যান্য ফিচার।

‘নোট ১২’ ডিভাইসটি নকশা করা হয়েছে ৭.৮ এমএম আল্ট্রা-স্লিক ডিজাইনে এবং স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে- ‘ফোর্স ব্ল্যাক’, ‘স্নোফল হোয়াইট’, ‘স্যাফায়ার ব্লু’ এই তিনটি বিশেষ রঙে। কাঙিক্ষত এই মোবাইলটি গ্রাহকদের জন্য মিলবে মাত্র ১৯ হাজার ৯৯৯ টাকায়, অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ-এ ফোনটি পাওয়া যাবে ১৯ জুন থেকে ও প্রথম ১০০ জন ক্রেতা উপভোগ করবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার। দেশজুড়ে অফলাইন মার্কেটে স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে ২১ জুন থেকে। এছাড়া ব্র্যান্ড আউটলেট থেকেও ‘নোট ১২ জি৯৬’ ডিভাইসটি কিনে ইনফিনিক্সভক্তরা পেতে পারেন নানান উপহার সামগ্রী। এর আগে নোট ১২ স্মার্টফোনের জি৮৮ ভার্সনকে ঘিরেও গ্রাহক মহলে ব্যাপক সাড়া দেখা যায়; সাশ্রয়ী মূল্যের অত্যাধুনিক ওই ডিভাইসটিও ছিল ব্যবহারকারীদের জন্য অকল্পনীয়!

;