ক্রিপ্টোকারেন্সিতে কোন লেনদেন চলবে না চীনে



মহিউদ্দিন আহমেদ, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চীনে সব রকমের ডিজিটাল মুদ্রার লেনদেন অবৈধ ঘোষণা করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে বিটকয়েনের মতো হাজারো ভার্চুয়াল মুদ্রা কার্যত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো দেশটিতে।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চীনের পিপলস ব্যাংক অব চায়নার ওয়েবসাইটে বলা হয়, বিদেশি ভার্চুয়াল কারেন্সি এক্সচেঞ্জ যা ইন্টারনেট ব্যবহার করে লেনদেন হয়ে থাকে, সেরকম আর্থিক কার্যকলাপ অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে। বিদেশি ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জের কর্মীদেরও তদন্তের আওতায় আনা হবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

পিপলস ব্যাংক অব চায়না বলছে, ভার্চুয়াল মুদ্রা সম্পর্কিত ব্যবসা কার্যক্রম অবৈধ। এটি মানুষের সম্পদের নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে বিপন্ন করে। বিশ্বের বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারগুলোর একটি চীন। দেশটির বড় কোনো ঘটনা ক্রিপ্টোকারেন্সির বৈশ্বিক দরে প্রভাব ফেলে। যেমন নিষিদ্ধকরণের ঘোষণায় বিটকয়েনের দাম এক ধাক্কায় কমেছে দুই হাজার ডলারের বেশি।

কয়েনমেট্রিকসের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টো মুদ্রা ইথেরিয়ামের দরপতন হয়েছে ৭ শতাংশ।

২০১৯ সালে চীনে ক্রিপ্টোকারেন্সির কেনাবেচা সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে অনলাইনে বৈদেশিক অর্থ লেনদেনের মাধ্যমগুলোতে তা চালু ছিল। তবে চলতি বছর চীন সরকারকে বেশ কঠোর হতে দেখা গেছে। চীন মনে করে ক্রিপ্টোকারেন্সি অবৈধভাবে অর্থ পাচারের অন্যতম মাধ্যম।

ক্রিপ্টোকারেন্সির কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা নির্দিষ্ট দেশ নেই। ইন্টারনেটে এ মুদ্রার লেনদেন হয়ে থাকে। বিটকয়েনের অন্যতম শীর্ষ একজন পৃষ্ঠপোষক মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। বিটকয়েনসহ অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সির মূলে রয়েছে ব্লকচেইন প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তিতে যে কোনো লেনদেন অনেক কম্পিউটারে যাচাই হয়ে ডিজিটাল খতিয়ানে লিপিবদ্ধ হয়। এ যাচাই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার বিনিময়ে নতুন ক্রিপ্টোকারেন্সি মিলতে পারে, যা মাইনিং হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য যে, চলতি মাসে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে মধ্য আমেরিকার এল সালভাদরের বাজারে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে বিটকয়েনকে বৈধতা দেওয়া হয়।