মোবাইল ডাটার মেয়াদহীনতার যুগে বাংলাদেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটকের ইন্টারনেট ডাটার মেয়াদের সীমাবদ্ধতা থাকবে না। অর্থাৎ যত দিন ডাটার ব্যালেন্স থাকবে ততদিন গ্রাহক তার ক্রয়কৃত ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) এ ঘোষণা দেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ১৭ মার্চ থেকে টেলিটক এই ব্যবস্থা কার্যকর করবে। মন্ত্রী ঢাকায় বিটিআরসি মিলনায়তনে মোবাইল অপারেটরসমূহের ডাটা এবং ডাটা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্যাকেজ সম্পর্কিত নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, বিশ্বে এই প্রথমবারের মতো মোবাইল ডাটার কোন মেয়াদ রাখার সীমাবদ্ধতা থেকে বাংলাদেশ বেরিয়ে এলো। টেলিটকের পর অন্য অপারেটরসমূহ পর্যায়ক্রমে এই ব্যবস্থা চালু করবে বলে মন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমার ডাটা আমি ব্যবহার করবো, যতদিন ব্যালেন্স থাকবে ততদিন করবো- গ্রাহকদের এটাই দাবি। আমরা সেই দাবিই বাস্তবায়ন করছি। কলড্রপের ফলে গ্রাহকদের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টিও গুরত্বের সাথে দেখার জন্য তিনি মোবাইল অপারেটরসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল সেবা সবার জন্য সহজলভ্য এবং ন্যায় সঙ্গত হোক এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের লক্ষ্য।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ডিজিটাল সংযুক্তির মহাসড়ক তৈরি নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের উপযোগী করা হবে উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা লড়াই করছি। তিনি বলেন, এই লড়াইয়ে টেলকো ইন্ডাস্ট্রির অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। করোনাকালে দেশব্যাপী ফোর –জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য অপারেটরসমূহের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, কোন কিছু নির্দেশ দিয়ে নয় আমরা অপারেটরদের সাথে সব সময় এক টেবিলে বসে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি এবং তা অব্যাহত থাকবে।

তিনি ইন্টারনেটকে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে তুলনা করে বলেন, ডাটা যত বেশি সম্প্রসারণ করতে পারবো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তত বেশি সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবো। ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের এই অগ্রনায়ক মোস্তাফা জব্বার ইন্টারনেটের সাথে প্রত্যেক শিক্ষাথীর সংযোগ নিশ্চিত করতে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার পর তা বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ ছিলো। গত ১৩ বছরে বাংলাদেশ তা সফলতার সাথে অতিক্রম করে বিশ্বে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে উল্লেখ করেন ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার প্রবর্তক মোস্তাফা জব্বার।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব গত ১৩ বছরে টেলিযোগাযোগ খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি কলড্রপ সংকট সমাধানে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, যতটুকু ডাটা গ্রাহক ক্রয় করবেন তার পুর্ণাঙ্গ ব্যবহারে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ নিতে হবে।

সভাপতির বক্তৃতায় বিটিআরসি‘র চেয়ারম্যান গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টিতে বিটিআরসি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তিনি বিটিআরসি‘র চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সাথে নিয়ে আমরা কাজ করছি। তিনি বলেন, জিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বিটিআরসি‘র ওপর অর্পিত দায়িত্বটুকু স্বচ্ছতা এবং দ্রুততার সাথে বাস্তবায়নে বিটিআরসি বদ্ধপরিকর।

বিটিআরসি‘র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে বিটিআরসি‘র ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন, এমটবের সেক্রেটারি জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফরহাদ (অবসরপ্রাপ্ত) এবং গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলা লিংকের প্রতিনিধিগণ মোবাইল ফোনের ডেটা প্যাকেজ ব্যবস্থাপনা সহজীকরণে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং এ বিষয়ে বিটিআরসি‘র গাইড লাইন অনুযায়ী কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়টি অবহিত করেন। বিটিআরসি‘র মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

‘গ্রাহক সেবা নিশ্চিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, গ্রাহকদের কাঙ্খিত সেবা নিশ্চিত করতে বিতরণ কোম্পানিগুলোতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। হয়রানিমুক্ত সেবা দক্ষতার সাথে দিতে হবে।

রোববার (৪ ডিসেম্বর ) ঢাকার একটি হোটেলে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি নেসকো আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেচ কার্যে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ সোলারের মাধ্যমে পরিচালনার উদ্যোগ নিতে হবে। এলাকায় বা অকৃষি জমিতে নেসকো সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগও নিতে পারে। অগ্রাধিকার ভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যকরি জ্বালানি দক্ষতা অর্জনে সমন্বিতভাবে কাজ করা আবশ্যক। ক্লীন এনার্জি প্রসারে ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে বিতরণ কোম্পানিগুলোকেও দায়িত্বশীল অবদান রাখতে হবে।

উত্তর বঙ্গের ১৬টি জেলায় নেসকো বিদ্যুৎ বিতরণ করে। ২০১২৫ কি:মি: বিতরণ লাইনের মাধ্যমে ৮৩০ মেগাওয়ার্ট বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করছে। সোলার পাম্প রয়েছে ২৭ হাজার ৫২৬টি, সোলার হোম সিস্টেম রয়েছে ১৩ হাজার ৯২৪টি।

সেমিনারে নেসকো পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি মো: মহসীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ সচিব মো: হাবিবুর রহমান ও পিডিবির চেয়ারম্যান মো: মাহবুবুর রহমান বক্তব্য রাখেন। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকিউল ইসলাম। প্যানেল বক্তা হিসেবে ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) মো: নূরুল আলম, স্রেডার চেয়ারম্যান মুনিরা সুলতানা, বিপিএমআই-এর রেক্টর মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন।

;

বিআইজেএফ সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা দেবে ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতাল



সাব্বিন হাসান, আইসিটি এডিটর
বিআইজেএফ সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা দেবে ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতাল

বিআইজেএফ সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা দেবে ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতাল

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) সঙ্গে ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবায় চুক্তি সই করেছে। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সই হয়।

ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন ও বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি নাজনীন নাহার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের হয়ে চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরমান, নির্বাহী সদস্য এনামুর রহমান এবং ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স মোজাফফর হাসান খান মজলিস, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. হাফিজুর রহমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (বিপণন ও মিডিয়া) এইচএম দুলাল, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (করপোরেট) মো. হিরো মিয়া, মো. শেখ মোশতাক আহমেদ (জয়) ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যসেবায় চুক্তির মাধ্যমে বিআইজেএফ সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পরিবারের সদস্যরা ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা ও পরীক্ষায় বিশেষ ছাড়সহ করপোরেট সুবিধা নিতে পারবেন।

;

মেসি-নেইমারদের সাথে বিশ্বকাপে আছে ভিভো



মোজো ডেস্ক
মেসি-নেইমারদের সাথে বিশ্বকাপে আছে ভিভো

মেসি-নেইমারদের সাথে বিশ্বকাপে আছে ভিভো

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে উন্মাদনা। দেশেও লেগেছে ওই উন্মাদনার ঢেউ। প্রিয় দল নিয়ে সবাই ভাসছেন উত্তেজনার সাগরে। কেউবা ব্রাজিলের  সবুজ-হলুদ জার্সিতে নিজেদের সাজাচ্ছেন আবার কেউ আর্জেন্টিনার নীল-সাদায় আনন্দে ভাসছেন। এ নিয়ে সকাল থেকে মধ্য রাত অবধি চলছে চায়ের কাপে ঝড়।

কাতারে চলতে থাকা বিশ্বকাপ ফুটবলে আছে বিশ্বে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ভিভোও। এবারের বিশ্বকাপের স্মার্টফোন স্পন্সর গ্লোবাল স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভো। স্টাইলিশ ও সাধ্যের মত দারুণ সব স্মার্টফোন এনে সারাবিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশের তরুণদের মনও জয় করে নিয়েছে ভিভো।  

দেশে সম্প্রতি বেশি কিছু নতুন স্মার্টফোন নিয়ে হাজির হয়েছে ভিভো। ভি ২৫ সিরিজের নতুন দুইটি স্মার্টফোন অসাধারণ লুক ও পারফরমেন্সের কারণে সবার নজর কেড়েছে। এদিকে ওয়াই সিরিজের ওয়াই২২ এস অসাধারণ ফিচার ও  বাজেটবান্ধব হওয়ায়  তরুণদের আকৃষ্ট করেছে।

ভি২৫ সিরিজের দুইটি স্মার্টফোন ভি২৫ ও ভি২৫ ই এর ম্যাজিকাল ফিচার হলো এর কালার চেঞ্জিং গ্লাস। সূর্যের আলোতে গেলে অটোমেটিক স্মার্টফোনের পেছনের অংশের রং বদলে যায়। এই সিরিজে ব্যবহার করা হয়েছে ট্রিপল মেইন রেয়ার ক্যামেরা যার মেইন ক্যামেরাটি ৬৪ মেগাপিক্সেলের । ভি২৫ এর দাম ধরা হয়েছে ৪৭,৯৯৯ টাকা এবং ভি২৫ই এর মূল্য ধরা হয়েছে ৩১,৯৯৯ টাকা।

এদিকে স্টাইল ও প্রযুক্তির অনন্য সমন্বয়ে ভিভো এনেছে ওয়াই২২এস। শক্তিশালী প্রসেসর, নান্দনিক ডিজাইন, আর্কষণীয় ক্যামেরা স্মার্টফোনটিকে করে তুলছে অনন্য। স্মার্টফোনটির  দাম ধরা হয়েছে ২১, ৯৯৯ টাকা।

নজরকাড়া এই স্মার্টফোনগুলো মিলবে সারাদেশে ভিভোর অথোরাইজড আউটলেট বা ভিভো ই-স্টোরে।

;

নভেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৫৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৬৩ টি। দুর্ঘটনায় নিহত ৫৫৪ জন এবং আহত ৭৪৭ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৭৮ জন এবং শিশু ৭১।

রোববার গণামধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৪ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২২৯ জন, যা মোট নিহতের ৪১.৩৩ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪১.৯০ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১২৩ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ২২.২০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৭৯ জন, অর্থাৎ ১৪.২৫ শতাংশ।

এই সময়ে ৩টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত, ৭ জন আহত ও ২ জন নিখোঁজ রয়েছে। ৮টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছে।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ৩০.৬৬%, প্রাণহানি ৩১.৪০%, রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১৮.৭৯%, প্রাণহানি ১৮.৫৯%, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ১৪.৯০%, প্রাণহানি ১৪.২৫%, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ৯.৫০%, প্রাণহানি ৯.৩৮%, বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৭.১২%, প্রাণহানি ৬.৩১%, সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ৪.১০%, প্রাণহানি ৩.৬১%, রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ৮.২০%, প্রাণহানি ৯.২০% এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৬.৬৯%, প্রাণহানি ৭.২২% ঘটেছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ১৪২টি দুর্ঘটনায় ১৭৪ জন নিহত। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ১৯টি দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত। একক জেলা হিসেবে চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি ২৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ২৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে মানিকগঞ্জ, নড়াইল, ঝালকাঠি, লালমনিরহাট ও রাঙ্গামাটি জেলায়। এই ৫টি জেলায় ১১টি দুর্ঘটনা ঘটলেও কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

রাজধানী ঢাকায় ১৮ টি দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ২২ জন আহত হয়েছে।

প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বলা হয়ছে, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন,  বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, বেতন ও কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট না থাকা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণ ও যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি, গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে-

১. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে;

২. চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট করতে হবে;

৩. বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে;

৪. পরিবহনের মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে;

৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা (সার্ভিস রোড) তৈরি করতে হবে;

৬. পর্যায়ক্রমে সকল মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে;

৭. গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে;

৮. রেল ও নৌ-পথ সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে;

৯. টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে;

১০.“সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮” বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

;