বাজারে এলো ইনফিনিক্সের সেরা বাজেট গেমিং স্মার্টফোন ‘হট ১২’



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাত্র ১৬ হাজার টাকারও কম মূল্যের সেরা বাজেটের এই গেমিং স্মার্টফোনে রয়েছে ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সম্বলিত ডিসপ্লে, হেলিও জি৮৫ গেমিং প্রসেসর এবং ১১জিবি র‌্যাম+১২৮জিবি রম এর অসধারণ সমন্বয়; যেটি নিঃসন্দেহে লুফে নেবেন গেমিংভক্তরা।

ঢাকা, বাংলাদেশ- ১৭ মে, ২০২২:

জনপ্রিয় মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইনফিনিক্স আজ ব্র্যান্ডটির হট সিরিজের স্মার্টফোনের সর্বশেষ সংস্করণ ‘হট ১২’ বাজারে এনেছে। গ্রাহকদের কাঙ্ক্ষিত এই ডিভাইসে থাকছে হেলিও জি৮৫ প্রসেসর, ৯০ হার্টজের ৬.৮২” ইঞ্চি ‘প্রো-লেভেল পাঞ্চ হোল’ ডিসপ্লে, ১১জিবি র‌্যাম+১২৮জিবি রম এবং ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধাসম্পন্ন ৫০০০এমএএইচ টেকসই ব্যাটারি। বাহারি এই মোবাইল ফোনের নান্দনিক ‘স্ট্রেইট-এজ’ ডিজাইন প্রথম দেখাতেই স্মার্টফোনপ্রেমীদের মন কেড়ে নেবে।

‘হট ১২’ ডিভাইসটিতে মিডিয়াটেক জি৮৫ গেমিং চিপসেট এর সাহায্যে নির্বিঘ্নে ‘হাই ফ্রেম’ রেট এর গেম খেলা যায় এবং এতে ‘রেসপন্স টাইম’ও কম লাগে ও গেমিং কমিনিউকেশন দ্রুততর হয়। এই স্মার্টফোনের চিপসেটে রয়েছে ‘ডুয়েল কোর ফ্ল্যাগশিপ সিপিইউ আর্কিটেকচার’, ২টি  ‘ফাস্ট এআরএম কর্টেক্স-এ৭৫ কোর’, যেগুলো সর্বোচ্চ ২ গিগাহার্টজ পর্যন্ত পারফরম্যান্স বাড়াতে সক্ষম ও আরো আছে ৬টি স্মল এআরএম কর্টেক্স-এ৫৫ কোর এবং এগুলো ১.৮ গিগাহার্টজ পর্যন্ত পারফরম্যান্স বাড়াতে পারে। মোবাইলটির এই মাল্টিপ্রসেসিং ফিচার প্রয়োজনে একসঙ্গে আটটি কোর-কেও পারফরম্যান্সের জন্য কাজে লাগাতে সক্ষম। তাই এই স্মার্টফোনের মাধ্যমে দ্রুতগতির ও ভারী গেমিং এর অসাধারণ অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

মোবাইলের ১২৮জিবি+৬জিবি’র মেমোরি এবং র‌্যাম ফিচার প্রয়োজন অনুসারে গ্রাহকদের একাধিক এপ্লিকেশন ব্যবহারের সুযোগ করে দেয় এবং পারফরম্যান্সের কোনো ঘাটতি ছাড়াই একটি থেকে অন্য অ্যাপ ব্যবহার করা যায়। অধিকন্তু, ইনফিনিক্সের নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত ‘র‌্যাম ফিউশন টেকনোলজি’ ব্যবহার করে ‘হট ১২’ গ্রাহকরা বর্ধিত ৫জিবি র‌্যাম (সর্বোচ্চ ১১জিবি পর্যন্ত সমন্বিত র‌্যাম) ব্যবহারের সুযোগ পাবেন; এতে ব্যাকগ্রাউন্ড  ‘ক্যাশড অ্যাপ্লিকেশন’ সক্ষমতার সংখ্যা তিন থেকে ৯টি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে এবং শীর্ষ ২০টি অ্যাপের ‘অ্যাভারেজ লঞ্চ টাইম’-এ সময় কম লাগবে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। স্মার্টফোনের বাড়তি স্টোরেজ সুবিধা এবং বর্ধিত ১১জিবি র‌্যাম নিঃসন্দেহে ব্যবহারকারীদের দিবে গেমিং এর ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা।

এই ডিভাইসের ৬.৮২” ইঞ্চির ৯০হার্টজ ‘প্রো-লেভেল ই-স্পোর্টস সিল্কি-স্মুখ স্ক্রিন’ গেমিং ও দরকারি অ্যাপগুলো ব্যবহারের জন্য নির্দ্বিধায় একটি আদর্শ ফোন। মোবাইলটির ১৮০হার্টজ টাচ স্যাম্পলিং রেট সম্পন্ন ডিসপ্লে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকরী এবং সহজেই হাই ফ্রেম রেট সামলিয়ে গ্রাহকদের ধারাবাহিক গেমিং এক্সপেরিয়েন্স দিতে সক্ষম।

ইনফিনিক্স ‘হট ১২’তে আরো আছে ‘হাই-ডেনসিটি’র ৫০০০এমএএইচ এর ‘বিগ ম্যাক’ ও বৃহৎ সক্ষমতার ব্যাটারি এবং এর ফলে গ্রাহকরা দিনভর দরকারি অ্যাপগুলো ব্যবহার ও গেমস খেলতে পারবেন। এছাড়া, ডিভাইসের টাইপ-সি ১৮ ওয়াট সুপারচার্জ ব্যবস্থা ৫০ মিনিটেই স্মার্টফোনের ৫০ শতাংশ চার্জ  পূরণে সক্ষম। এছাড়া, আল্ট্রা-পাওয়ার মুডে ৫ শতাংশ চার্জেও ম্মার্টফোনটি ২.৬ ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়। তাই দুশ্চিন্তা ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ মোবাইলে গেমস-এ মগ্ন থাকতে পারবেন ইনফিনিক্সভক্তরা। ইনফিনিক্সের নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত ‘ব্যাটারি-লাস্টিং’ টেকনোলজি এক ক্লিকেই ব্যাটারির স্থায়িত্ব ২৫ শতাংশ বাড়াতে সক্ষম।

দৃষ্টিনন্দন ‘স্ট্রেইট-এজ’ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ডিজাইন-এর কারণে ৩এমএম ইনফিনিক্স ‘হট ১২’কে দেখতে আরো আকর্ষণীয় দেখায়। পাশাপাশি ‘অ্যাঙ্গুলার এক্সটেরিয়র’-এ আলোর প্রতিফলন এটির সৌন্দর্য আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। ব্যবহারকারীদের মানসম্পন্ন অডিও অভিজ্ঞতা দিতে ‘হট ১২’-এ রয়েছে ‘আপগ্রেডেড ডুয়েল আপার অ্যান্ড লোয়ার স্পিকার’। এই স্পিকার সিস্টেম গ্রাহকদের গান শোনা, ভিডিও দেখা ও গেম খেলার ক্ষেত্রে  ‘ডিপ লো’স’, ‘ক্লিয়ার মিড’স’, ‘রিচ ক্রিপ হাউ’স’ সম্পন্ন সর্বোচ্চ মানের অডিও সার্ভিস প্রদান করবে।

এই মোবাইলে আরো রয়েছে, ৮ মেগাপিক্সেল এআই ফ্রন্ট ক্যামেরা ও ১৩ মেগাপিক্সেল এআই ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা এবং শক্তিশালী ইমেজ অ্যালগরিদম ফিচার; এতে করে গ্রাহকরা ‘হট ১২’ ব্যবহার করে মনোমুগ্ধকর ছবি তুলতে সক্ষম হবেন। ডিভাইসে আরো আছে ‘এআই পোট্রেট মুড’ যেটি প্রতিটি স্ন্যাপ তুলে যত্নের সঙ্গে।

স্মার্টফোনের ‘এক্সওএস’ ১০ অপারেটিং সিস্টেম ব্র্যান্ড-নিউ ডিজাইন ও গতিশীল দৃশ্যের শৈল্পিকতায় ‘আর্টিস্টিক ক্রোমাটিক অ্যাবেরেশন’ এর মাধ্যমে  নতুন নতুন সব অ্যাপ্লিকেশন এর সমন্বয়ে গ্রাহকদের স্মার্ট লাইফস্টাইল পেতে সাহায্য করে। এছাড়া, এক্সঅ্যারেনা গেমিং অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে সমন্বয় করে গ্রাহকদের দেয় সেরা গেমিং পারফরম্যান্স। আরো সহজে ফিচারগুলো ব্যবহার করতে স্মার্টফোনে রয়েছে একটি  ‘কুইক সেটিংস’ ফিচার। এর ফলে গেমিং সেশন চলাকালে ‘অপ্রয়োজনীয় মেসেজ’ মিউট করা যায়। এক বাক্যে বলা যায়, এই স্মার্টফোনে ডার-লিংক ও গেমিং অপ্টিমাইজেশন অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীদের গেমিং এর যে অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা দিচ্ছে, তা এই দামের অন্য মোবাইল সেটে পাওয়া অসম্ভব।

বিশেষ তিনটি রঙ-‘রেসিং ব্ল্যাক’, ‘লিজেন্ড হোয়াইট,’ এবং ‘অরিজিন ব্লু’তে গ্রাহকরা পেতে পারবেন এই স্মার্টফোনটি। মোবাইলটির ৪জিবি(+৩জিবি) /১২৮জিবি র‌্যাম ভ্যারিয়েন্টের দাম ধরা হয়েছে ১৪,৪৯৯ টাকা ও ৬জিবি(+৫জিবি) /১২৮জিবি র‌্যাম ভ্যারিয়েন্টের দাম পড়বে ১৫,৬৯৯ টাকা। 

‘হট ১২’ ছাড়াও মোবাইল ব্যবহারকারীদের একইসঙ্গে আরো একটি রোমাঞ্চকর স্মার্টফোন উপহার দিচ্ছে ইনফিনিক্স। নতুন এই ‘হট ১২ প্লে’ ডিভাইসে রয়েছে ইউএসবি টাইপ-সি চার্জ সম্বলিত ৬০০০এমএএইচ ব্যাটারি। ফলে সকাল-সন্ধ্যা কোনো রকম ভাবনা ছাড়াই স্মার্টফোনটি ব্যবহার করা যাবে। এই মোবাইলে আরো রয়েছে স্বতন্ত্র ‘পাওয়ার ম্যারাথন ফিচার’, যেটি ব্যবহার করে এক ক্লিকেই ‘ব্যাটারি লাইফ’ ২৫% বৃদ্ধি করা যায়। এই ফোনের অক্টা কোর ২.৩গিগাহার্টজ গেমিং প্রসেসর আরো দিবে দ্রুত গেমিং ও নির্বিঘ্ন টেলিকম সংযোগ এর নিশ্চয়তা। ‘হট ১২ প্লে’ বাজারে পাওয়া যাবে দুটি ভ্যারিয়েন্টে; ৪জিবি(+৩জিবি) /১২৮জিবি র‌্যাম ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে ১৩,৫৯৯ টাকায় এবং ৪জিবি(+৩জিবি) /৬৪জিবি র‌্যাম ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে ১২,৫৯৯ টাকায়।

বন্যাদুর্গত এলাকায় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, সচল ১১৭৬ সাইট



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্যাদুর্গত সিলেট , সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার জেলায় সোমবার (২০জুন) পর্যন্ত ১১৭৬টি মোবাইল টাওয়ার সচল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

মঙ্গলবার (২১ জুন) বিটিআরসি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, প্রবল ভারীবর্ষণ ও অতিবৃষ্টির ফলে সিলেট , সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার জেলা বন্যা প্লাবিত হওয়ায় চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন এই অঞ্চলের অধিবাসীরা। উক্ত এলাকায় ৪টি মোবাইল অপারেটরের মোট ৩,৬১৭ সাইট রয়েছে। বন্যাপ্লাবিত এলাকার অনেক সাইট (বিটিএস) বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হওয়ায় মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়। মোবাইল অপারেটরদের প্রচেষ্টায় ২০ জুন সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ১,১৪৬টি সাইট পুনরায় সচল করা হয়। বর্তমানে সকল অপারেটরদের মোট ৯৭৬টি সাইট বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে নেটওয়ার্কের আওতাবহির্ভূত থাকায় তা সচল করার জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আইএসপি

সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ সিলেট বিভাগের অন্যান্য এলাকায় চলমান বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় ওইসব এলাকায় অবস্থিত ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) অপারেটরদের নেটওয়ার্ক অপারেশন্স সেন্টার, পয়েন্ট অব প্রেজেন্স (পিওপি) স্থাপনাসমূহ প্লাবিত ও বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এর মধ্যে যেসব পিওপিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে, সেগুলোতে পোর্টেবল জেনারেটর দিয়ে বর্তমানে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। কিছু সংখ্যক পিওপিতে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুনামগঞ্জসহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় আইএসপি অপারেটরগুলো তাদের টিম পৌঁছানোর ও নেটওয়ার্ক সচল রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আইআইজি

সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ সিলেট বিভাগের অন্যান্য এলাকার ১৫টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) অপারেটরের মোট ৪৮টি পিওপি আছে, যার অধিকাংশই সচল রয়েছে। তবে এসব এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রাপ্তিতে সাময়িকভাবে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিচ্ছে।

এর মধ্যে, যেসব পিওপিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে, সেগুলোতে পোর্টেবল জেনারেটর দিয়ে বর্তমানে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। সিলেটের কয়েকটি আইআইজি'র পিওপি ডিজেল জেনারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার জন্য একটি অস্থায়ী প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। এসব পিওপিতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত ডিজেল চালিত জেনারেটর ও পোর্টেবল জেনারেটর ভাড়া করা হয়েছে।

এনটিটিএন

নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) অপারেটরদের মধ্যে সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের মোট ২৬২টি পিওপি রয়েছে, যার মধ্যে ১৩৭টি বর্তমানে সক্রিয় ও ১২৫টি নিষ্ক্রিয় রয়েছে। বাহন লিমিটেডের ২৯টি পিওআই'র মধ্যে সবগুলোই সক্রিয় রয়েছে এবং ফাইবার অ্যাট হোম লিমিটেডের ছাতকেরটি (সুনামগঞ্জ) ছাড়া সবগুলো পিওআই সক্রিয় রয়েছে। বন্যাপ্লাবিত এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এনটিটিএন সংযোগ প্রাপ্তিতে সাময়িকভাবে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়। তবে, বর্তমানে সবগুলো এনটিটিএনেই নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ চালু আছে।

বিটিসিএল

রোববার (১৯ জুন) জেনারেটর রুমের পানি বের করে টেলিটকের জেনারেটর ব্যবহারের জন্য বিকল্প পাওয়ার ক্যাবল স্থাপন করা হয়। দুদিন সার্বক্ষণিক কাজ ও নিরলস প্রচেষ্ঠার ফলে ওই দিন দুপুর ২টায় সিলেটের সঙ্গে ঢাকার টেলিযোগাযোগ আবারও চালু হয়।

বর্তমানে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় বিদুৎ না থাকায় টেলিযোগাযোগ বন্ধ আছে। এছাড়া বন্যায় জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় টেলিযোগাযোগ বন্ধ আছে যদিও জকিগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) নেটওয়ার্ক ডাউন রয়েছে। এছাড়া সিলেটের অন্যান্য উপজেলায় বিটিসিএলের টেলিযোগাযোগ চালু আছে। মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলা ও হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলা ছাড়া সবকটি উপজেলায় এ যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু আছে।

বন্যায় বিটিসিএলের ছাতক উপজেলার টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া জকিগঞ্জ, কানাইঘাট ও গোয়াইনঘাটের অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে বিটিসিএল মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিটিসিএলের একটি টিম পোর্টেবল জেনারেটর নিয়ে সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ওই টিম সফলভাবে কাজ করতে সক্ষম হলে, আজ (সোমবার) রাতের শেষভাগে কিংবা আগামীকাল সকাল নাগাদ সুনামগঞ্জে বিটিসিএলের নেটওয়ার্ক সচল করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিএসসিএল

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) গত শনিবার ১২টি ভিস্যাট (খুব ছোট-অ্যাপারচার টার্মিনাল) সুনামগঞ্জে সেনাবাহিনীর নিকট পাঠিয়েছে, যার মধ্যে হাইটেক পার্ক ক্যাম্পে একটি, ডিসির কার্যালয়ে একটি এবং সার্কিট হাউজে একটি করে চালু করা হয়েছে।

এছাড়াও গত রোববার সিলেট স্থানীয় প্রশাসনের নিকট ২৩টি ভিস্যাট পাঠানো হয়েছে। সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে একটি ভিস্যাট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া আরও দুটি ভিস্যাট স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

গ্রামীণফোন ও রবির বিশেষ প্যাকেজ

সিলেট বিভাগের বন্যাকবলিত এলাকায় গ্রামীণফোন তাদের গ্রাহকদের জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য ফ্রি ১০ মিনিট টকটাইম দিয়েছে। একইভাবে রবিও ফ্রি ১০ মিনিট ও ১০০ এমবি ইন্টারনেট দিয়েছে।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হতে বন্যাকবলিত স্থানসমূহের টেলিযোগাযোগ সেবার সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের উদ্দেশ্যে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

উক্ত সেল সকল অপারেটরদের সাথে সমন্বয়ের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইতিপূর্বে বিটিআরসি হতে ৪টি অপারটরের মোট ১৬টি টোল ফ্রি নম্বরের অনুমোদন প্রদান করে সেনাবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এই দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিভিন্ন অপারেটরদের নেটওয়ার্ক পুনরায় সচল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রদত্ত সড়ক ও নৌ পথে পরিবহন ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর ও বিটিসিএল তাদের সাইট দ্রুত সময়ে সচল করতে পেরেছে। পরিবহন ব্যবস্থা ছাড়াও দুর্গম এলাকায় পোর্টেবল জেনারেটর বহনের কার্যক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সহায়তা করছে যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অপারেটরগণ উপকৃত হয়েছে।

;

ডিজিটাল পাওয়ার ও ক্লাউড সার্ভিসে নতুনদের সুযোগ দিচ্ছে হুয়াওয়ে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ডিজিটাল পাওয়ার ও ক্লাউড সার্ভিসে নতুনদের সুযোগ দিচ্ছে হুয়াওয়ে

ডিজিটাল পাওয়ার ও ক্লাউড সার্ভিসে নতুনদের সুযোগ দিচ্ছে হুয়াওয়ে

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করেছে এমন ৬০ জনকে নিয়োগ দিবে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড। ব্যক্তি, বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনসহ সকলের কাছে ডিজিটাল পাওয়ার এবং ক্লাউড সল্যুশনস পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই নিয়োগ দেয়া হবে।

হুয়াওয়ে ডিজিটালাইজেশন ও গ্রিন ডেভেলপমেন্টকে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। পাশাপাশি, তরুণরা যাতে  অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আইসিটি ইকোসিস্টেমকে বিকশিত করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন, সে সুযোগ তৈরিতেও কাজ করছে হুয়াওয়ে। আর এই লক্ষ্য থেকেই ৩য় পক্ষভিত্তিক চুক্তির আওতায় এই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। পদগুলো হলো: বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ, সল্যুশনস আর্কিটেক্ট ও সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার।

এ নিয়ে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস ( বাংলাদেশ) লিমিটেডের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক হুয়াং বাওশিওং বলেন, “গ্রিন ডেভেলপমেন্টকে উৎসাহিত করতে ও দেশের তরুণদের নানাভাবে সহায়তা করতে হুয়াওয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম আয়োজনের পাশাপাশি হুয়াওয়ে সদ্য পাশ করা শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দিয়ে থাকে, যাতে করে তারা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশেষজ্ঞদের সাথে কাজ করতে পারেন। এ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান আহরণে অনুপ্রাণিত করতে চাই, যা তাদের ক্যারিয়ারের পথচলাকে সামনে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে এবং বাংলাদেশের ডিজিটালাইজেশন ও গ্রিন ডেভেলপমেন্টকে উৎসাহিত করতেও ভূমিকা রাখবে।”

সারা দেশের সিএসই, ইইই, ইসিই কিংবা ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা এসব পদে আবেদন করতে পারবে। সদ্য স্নাতক পাশ করেছে অথবা ৪র্থ বর্ষ বা শেষ সেমিস্টারে পড়ছে এমন শিক্ষার্থীরা এই পদের জন্য অগ্রাধিকার পাবে। মাসিক বেতনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট ৬ মাসের চাকরীর শেষে এই ৬০ জন কর্মীদের একটি করে চাকরীর সনদ প্রদান করা হবে। জুন ২০২২ এর মধ্যে আগ্রহীরা [email protected] এ ঠিকানায় ইমেল প্রেরণের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

;

ভার্চুয়াল উন্মোচনে বাজারে এলো নতুন স্পিড মাস্টার ‘নোট ১২’



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ভার্চুয়াল উন্মোচনে বাজারে এলো নতুন স্পিড মাস্টার ‘নোট ১২’

ভার্চুয়াল উন্মোচনে বাজারে এলো নতুন স্পিড মাস্টার ‘নোট ১২’

  • Font increase
  • Font Decrease

তরুণদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় চীনা স্মার্টফোন কোম্পানি ইনফিনিক্স আজ ভার্চুয়াল মাধ্যমে ব্র্যান্ডটির নোট সিরিজের সর্বশেষ ও সর্বাধুনিক স্মার্টফোন ‘নোট ১২ জি৯৬’ এর উন্মোচন করেছে। ডিভাইসটির বাজার আসার এই ঘোষণা সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকেও সম্প্রচার করা হয়। এ সময় ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন নোট সিরিজের প্রোডাক্ট অ্যাম্বাসেডর তাসকিন আহমেদ এবং ইনফিনিক্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তানজিন তিশা, এবং ইনফিনিক্স বাংলাদেশ এর সিনিয়র ব্র্যান্ড ম্যানেজার মো. ইফতেখার উদ্দিন সানি। ‘নোট ১২ জি৯৬’কে তকমা দেওয়া হয়েছে স্পিড মাস্টার হিসেবে; কারণ এই ডিভাইসের অত্যাধুনিক ফিচার সমূহ স্মার্টফোন ব্যবহারের শক্তিশালী অভিজ্ঞতা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়; এছাড়া ডিভাইসটি হালকা হওয়ায় ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোন ব্যবহারের বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য পান। বৈচিত্র্যময় ফিচারের সাশ্রয়ী মোবাইল ফোন ‘নোট ১২’তে রয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৬ ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর, ৬.৭” ইঞ্চি এফএইচডি+ অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং ১৩জিবি বর্ধিত র‌্যাম।      

‘নোট ১২’-এর মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৬ গ্রাহকদের দেবে ‘নেক্সট-লেভেল’ গেমিং এক্সপেরিয়েন্স এবং চমৎকার গতিশীল পারফরম্যান্স। ফোনের চিপসেট-টি ৬৪-বিট অক্টাকোর, যেটিতে রয়েছে দুটি শক্তিশালী আর্ম কর্টেক্স-এ৭৬ এবং ৬টি আর্ম কর্টেক্স-এ৫৫ প্রসেসর যেটি ২.০৫ গিগাহার্টজ পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম এবং আর্ম মালি জি৫৭ জিপিইউ,এসবের সমন্বয়ে যুগান্তকারী নেক্সট-লেভেল পারফরম্যান্স পাবেন ব্যবহারকারীরা। এছাড়া, ডার-লিংক, ছবির স্থিরতা (ইমেজ স্ট্যাবেলিটি) ও স্পর্শের সংবেদনশীলতা (টাচ কন্ট্রোল) বজায় রেখে সেরা গেমিং পারফরম্যান্স প্রদান করে এবং কমিয়ে আনে স্মার্টফোন ব্যবহারের বিঘ্ন; এতে মোবাইলটি ব্যবহারে নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা পান ব্যবহারকারীরা।  

এছাড়া, এই ডিভাইসে রয়েছে ৬.৭” ইঞ্চির এফএইচডি+ ট্রু কালার অ্যামোলেড ডিসপ্লে, এই মূল্যে যা একেবারেই এই অভাবনীয়। ট্রু কালার অ্যামোলেড ডিসপ্লে অধিক পরিমাণ কার্যক্ষম এবং এলসিডি ডিসপ্লের তুলনায় কম চার্জ প্রয়োজন হয়। এই ডিসপ্লের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলোতেও স্পষ্ট কাজ করা যায়। এছাড়া এই ডিসপ্লে শতভাগ ডিসিআই-পি৩ এবং ১০০০০০:১ কালার কনট্রাস্ট রেশিও কভার করে, যেখানে নিটস পিক ব্রাইটনেস ১০০০। ‘নোট ১২’তে ফ্রেম রেট অ্যাডজাস্ট করা যায় আর তাই সঠিক ব্যাটারির ব্যবহারে এই ডিসপ্লে বেশ কার্যক্ষম এবং এটিতে কোনো ত্রুটি বা ফ্রেম ড্রপ পরিলক্ষিত হয় না। 

‘স্পিড মাস্টার’ ‘নোট ১২’তে রয়েছে মেমোরি ফিউশন টেকনোলজি। ফোনের ৮জিবি র‌্যামকে সহজেই সর্বোচ্চ ১৩জিবি পর্যন্ত বর্ধিত করা যায়, যেটি ডিভাইসকে গতিশীল করতে র‌্যাম ও রমকে সমন্বয় করতে সক্ষম। মেমোরি ফিউশন টেকনোলজি ব্যবহারকারীদের ব্যাটারির কোনো রকম অবনমন না ঘটিয়েই ও কোন রকম বিঘ্ন ছাড়াই গ্রাহকদের মাল্টি-টাস্কিং এর সুযোগ করে দেয়। এছাড়া, অপ্টিমাইজেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপের প্রসেসিং স্পিডও সামলাতে সক্ষম ‘নোট ১২’ ডিভাইস; আর তাই ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ সংখ্যা ৯ থেকে বাড়িয়ে সহজেই ২০টি করা সম্ভব কোনো রকম বিঘ্ন ছাড়াই।     

এছাড়া, ‘নোট ১২’ ডিভাইসে আরো রয়েছে ৩৩ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জিং সুবিধা-সম্পন্ন ৫০০০এমএএইচ ব্যাটারি, এতে একবার চার্জ দিয়েই নির্ভাবনায় ফোনটি সারাদিন ব্যবহার করা যাবে। ব্যাটারির রয়েছে সর্বোচ্চ ৮০০ চার্জ সাইকেল কাউন্ট, বারাবার ব্যবহারেও ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফে অবনমন ঘটে না। 

চমৎকার এই স্মার্টফোনে আরো আছে, ৫০ মেগাপিক্সেল ট্রিপল আল্ট্রা-নাইট ক্যামেরা সেট-আপ (৫০মেগাপিক্সেল+২মেগাপিক্সেল+এআই লেন্স); এতে মৃদু আলোতেও নিখুঁতভাবে ছবি ক্যামেরাবন্দি করা যায়। মোবাইলটি আরো থাকছে ১০৮০ পিক্সেল এবং ৩০ এফপিএস এ ব্লারিং ফিচারে অসাধারণ ভিডিও ধারণ করারও সুযোগ।    

‘ইনফিনিক্স নোট ১২’ এর প্রধান প্রধান ফিচারগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে, সুপার-চার্জড গেমিং পারফরম্যান্সের জন্য ডারলিংক আল্টিমেট গেম বুস্টার ২.০, সিনেম্যাটিক সাউন্ড এর জন্য ডিটিএস টেকনোলজি সহ সিনেম্যাটিক ডুয়েল স্পিকারস, ডিভাইস ব্যবহারের অভিনব অভিজ্ঞতা দিতে এক্সওএস ১০.৬, গ্রাহকদের জন্য মানানসই ও প্রযুক্তির নান্দনিকতা ফুটিয়ে তুলতে ফেসিয়াল, ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক, মনস্টার গেম কিট সহ অন্যান্য ফিচার।

‘নোট ১২’ ডিভাইসটি নকশা করা হয়েছে ৭.৮ এমএম আল্ট্রা-স্লিক ডিজাইনে এবং স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে- ‘ফোর্স ব্ল্যাক’, ‘স্নোফল হোয়াইট’, ‘স্যাফায়ার ব্লু’ এই তিনটি বিশেষ রঙে। কাঙিক্ষত এই মোবাইলটি গ্রাহকদের জন্য মিলবে মাত্র ১৯ হাজার ৯৯৯ টাকায়, অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ-এ ফোনটি পাওয়া যাবে ১৯ জুন থেকে ও প্রথম ১০০ জন ক্রেতা উপভোগ করবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার। দেশজুড়ে অফলাইন মার্কেটে স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে ২১ জুন থেকে। এছাড়া ব্র্যান্ড আউটলেট থেকেও ‘নোট ১২ জি৯৬’ ডিভাইসটি কিনে ইনফিনিক্সভক্তরা পেতে পারেন নানান উপহার সামগ্রী। এর আগে নোট ১২ স্মার্টফোনের জি৮৮ ভার্সনকে ঘিরেও গ্রাহক মহলে ব্যাপক সাড়া দেখা যায়; সাশ্রয়ী মূল্যের অত্যাধুনিক ওই ডিভাইসটিও ছিল ব্যবহারকারীদের জন্য অকল্পনীয়!

;

তরুণদের বিকাশে নতুন তিনটি প্রতিযোগিতা নিয়ে এলো হুয়াওয়ে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তরুণদের বিকাশে নতুন তিনটি প্রতিযোগিতা নিয়ে এলো হুয়াওয়ে

তরুণদের বিকাশে নতুন তিনটি প্রতিযোগিতা নিয়ে এলো হুয়াওয়ে

  • Font increase
  • Font Decrease

স্থানীয় স্টার্টআপ এবং তরুণদের আইসিটি দক্ষতার বিকাশে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে বুধবার (১৫ জুন) তিনটি নতুন প্রতিযোগিতা চালু করেছে। প্রোগ্রামগুলো হচ্ছে: আইসিটি ইনকিউবেটর, অ্যাপ ডেভেলপার এবং টেক উইমেন।

বুধবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এই তিন প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

এ তিনটি প্রোগ্রামই নতুন স্টার্টআপের সূচনা এবং মোবাইল অ্যাপ তৈরির ধারনা বাস্তবায়নে ডিজাইন করা হয়েছে। এর মধ্যে, আইসিটি ইনকিউবেটর প্রতিযোগিতাটি স্টার্টআপের ওপর আলোকপাত করবে। এ প্রতিযোগিতাটি দু’টি ভাগে বিভক্ত–আইডিয়া পর্যায় এবং সূচনা পর্যায় (আর্লি স্টেজ)। হুয়াওয়ে আয়োজিত আইসিটি ইনকিউবেটর প্রতিযোগিতায় স্ট্রাটেজিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে আইডিইএ এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড। 

আইসিটি ইনকিউবেশন প্রতিযোগিতার আইডিয়া স্টেজ এবং আর্লি স্টেজ, উভয় ক্ষেত্রে বিজয়ীরা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রাইজ মানি পাবেন। স্টার্টআপের প্রধান নির্বাহীরা বিদেশে সফল স্টার্টআপের কার্যক্রম পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন এবং সর্বোচ্চ এক লাখ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার সমমূল্যের হুয়াওয়ে ক্লাউড ক্রেডিট পাবেন। প্রথম এবং দ্বিতীয় রানার আপ পাবেন যথাক্রমে সর্বোচ্চ তিন লাখ ও এক লাখ টাকা পর্যন্ত প্রাইজ মানি। প্রথম এবং দ্বিতীয় রানার আপ স্টার্টআপগুলোর প্রধান নির্বাহীরাও বিদেশে সফল স্টার্টআপের কার্যক্রম পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন; সাথে পাবেন ৮০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের হুয়াওয়ে ক্লাউড ক্রেডিট।

অন্য দুটি প্রতিযোগিতার এককভাবে আয়োজন করছে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড। হুয়াওয়ে অ্যাপ ডেভেলপার এবং হুয়াওয়ে টেক উইমেন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একটি দলে সর্বোচ্চ দুই সদস্য থাকতে পারবে। র প্রতিযোগিতায় ৩.০ এর ওপরে সিজিপিএ সহ যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। হুয়াওয়ে টেক উইমেন প্রোগ্রামটিতে শুধু নারীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অন্যদিকে, হুয়াওয়ে অ্যাপ ডেভেলপার প্রোগ্রামে নারী-পুরুষ উভয়ই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

অ্যাপ ডেভেলপার এবং হুয়াওয়ে টেক উইমেন প্রতিযোগিতার বিজয়ী পাবেন ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রাইজ মানি; পাশাপশি, তারা বিশ্বব্যাপী সফল অ্যাপ ডেভেলপারদের সাথে দেখা করারও সুযোগ পাবেন এবং ৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হুয়াওয়ে ক্লাউড রিসোর্স পাবেন। প্রথম এবং দ্বিতীয় রানার আপ পাবেন যথাক্রমে সর্বোচ্চ দুই ও এক লাখ টাকা প্রাইজমানি এবং তিন হাজার ও দুই হাজার মার্কিন ডলারের ক্লাউড রিসোর্স।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি এবং হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও প্যান জুনফেং।

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও প্যান জুনফেং-এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর, মূল বক্তব্য পেশ করেন ইসিই’র (চুয়েট) ডিন ও আইইইই বাংলাদেশ সেকশনের চেয়ার অধ্যাপক ড. এম. মশিউল হক। তারপরে অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হয় এবং বক্তব্য রাখেন সেবা প্ল্যাটফর্ম লিমিটেড’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিওও ইলমুল হক সজীব, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, আইডিইএ প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “ডিজিটাল সমাজ, জ্ঞনাভিত্তিক অর্থনীতি এবং উদ্ভাবনী বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমাদের একটা স্টার্টআপ কমিউনিটি তৈরি করতে হবে। সেই বিষয়টাকে এগিয়ে দিতে এই প্রতিযোগিতা গুলোর মাধ্যমে চমৎকার একটা পার্টনারশিপ মডেল হুয়াওয়ে গড়ে তুলেছে। মোবাইল এ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য, আইসিটি ক্ষেত্রে নারীদের জন্য যে বিশেষ এই আয়োজন হুয়াওয়ে তৈরি করেছে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ আছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত স্টার্টআপরা আছেন, মেন্ট্রররা আছেন, বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় প্রযুক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে হুয়াওয়ে নিজেই আছে, এবং সর্বপোরি আমি বাংলাদেশ সরকার থেকে প্রতিনিধিত্ব করছি।”

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী প্যান জুনফেং বলেন, “আইসিটি ইনকিউবেটর প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপ এবং আইডিয়া-স্টেজে থাকা স্টার্টআপগুলোকে  সহায়তা করে প্রত্যেকের জন্য একটি কার্যকরী এবং টেকসই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলবে। এ উদ্যোগটি নতুন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ইইই, ইসিই ও সিএসই বিভাগের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদ্যমান দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে। এ প্রোগ্রামটি দেশের নারীদের (যারা প্রযুক্তি-বিষয়ক খাতে কর্মরত আছেন কিংবা প্রযুক্তি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছেন) প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার ওপরও আলোকপাত করবে। এ প্রোগ্রামগুলোর মাধ্যমে সবাই সুবিধা লাভ করবে বলে আমি প্রত্যাশা করছি।”

;