গ্রাহক ধরে রাখতে সেবার মান বাড়ানোর বিকল্প নেই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
'নেটওয়ার্ক উন্নয়নে অবকাঠামো ভাগাভাগির চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক

'নেটওয়ার্ক উন্নয়নে অবকাঠামো ভাগাভাগির চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে মোবাইল অপারেটররা তাদের নিজস্ব টাওয়ার শেয়ারিং এ অনাগ্রহী হওয়ায় এক যুগের বেশি সময় আগে অবকাঠামো ভাগাভাগি নীতিমালা করা হলেও এর উল্লেখযোগ্য কোন সুফল পাওয়া যায়নি।

এ নীতিমালা প্রতিপালনে বাধ্যবাধকতা থাকলে নেটওয়ার্ক সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যেত। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব।

নীতিমালাটি কঠোরভাবে প্রতিপালন করা হলে সেবার মানও তুলনামূলক বৃদ্ধি পেত বলে জানান আলোচকরা।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত 'নেটওয়ার্ক উন্নয়নে অবকাঠামো ভাগাভাগির চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকরা  একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে জানানো হয়, গত ২৫ বছরে মোবাইল অপারেটর টাওয়ার শেয়ারিং মাত্র ১৭% পৌঁছেছে।

টাওয়ার লাইসেন্সিং চালু পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালের মে মাসে এ বিটিআরসি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি (মোবাইল অপারেটর-টাওয়ার কোম্পানি- মোবাইল অপারেটর) সম্পাদনের নির্দেশ দিলেও কিছু মোবাইল অপারেটর অন্য মোবাইল অপারেটর নিজস্ব টাওয়ারের শেয়ারিং করতে চাইলেও গত প্রায় ৪ বছরে কোন শেয়ারিং হয়নি।

টাওয়ার নির্মাণ বাড়ছে যা টাওয়ার শেয়ারিং এর পরিপন্থী। এর কারণে টাওয়ার কোম্পানী গুলোর প্রচুর বিনিয়োগ প্রয়োজন হচ্ছে। 

আলোচকরা বলেন, এই অবস্থার মূল্য কারণ প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে মোবাইল অপারেটররা তাদের নিজস্ব টাওয়ার শেয়ারিং এ অনাগ্রহী। মোবাইল অপারেটরদের প্রায় ২০ হাজার টাওয়ার এখনও শেয়ারিং এর বাইরে রয়েছে।

আলোচকরা বলছেন, নেটওয়ার্ক তৈরির প্রতিযোগিতায় অপরিকল্পিতভাবে বিটিএস স্থাপন করেছে সেলফোন অপারেটররা। গত দুই দশকে সারা দেশে অপারেটর নিজস্ব টাওয়ারে বিটিএস বসিয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

বর্তমানে অপারেটরগুলোর মধ্যে রবি ৩০%, গ্রামীণফোন ১৮%, বাংলালিংক ১৭% শেয়ার করছে। অপারেটরেদের হাতে থাকা ২৪ হাজার ৪২৫ টাওয়ারেরর মাত্র ১৭ % টাওয়ার শেয়ার হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। 

টাওয়ার শেয়ারিং না করা সরকারের নীতির সম্পূর্ণ বিরোধী বলে মন্তব্য করে আলোচকরা বলেন, টাওয়ার ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজন হচ্ছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ, যা চাপ তৈরি করছে জ্বালানির ওপর। অপরিকল্পিত এসব বিটিএস পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। অপচয় হচ্ছে জমিরও। এগুলো পরিচালনায় ব্যয় বাড়ছে অপারেটরদের।

 

অপারেটরদের ভাগাভাগির মাধ্যমে এ সংখ্যা কমিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে আলোচকরা বলেন, মোবাইল অপারেটররা তাদের নিজস্ব মালিকানাধীন টাওয়ার ধরে রেখেছে যার ফলে নতুন টাওয়ার তৈরি হচ্ছে কিন্তু শেয়ারিং বাড়ছে না । টাওয়ার নির্মাণ বাড়ছে যা টাওয়ার শেয়ারিং এর পরিপন্থী।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, অপ্রয়োজনে একই জায়গায় একাধিক অবকাঠামো গড়ে তোলা সমীচিন নয়। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে যে অবকাঠামো আমরা গড়ে তুলছি তা যেন একে অপেরর সাথে ভাগাভাগি করতে পারি। অ্যাকটিভ শেয়ারিংটা জরুরি।

মন্ত্রী বলেন, বিটিআরসি উন্নয়নের কাজ বেশি করে। যে সংকটগুলো বলা হয়েছে তা অবশ্যই সমাধানের উদে্যগ নেওয়া হবে। এমএনওগুলোর দায়িত্ব হচ্ছে তাদের হাতে যে টাওয়ারগুলো আছে তা দয়া করে টাওয়ার কোম্পানিগুলোকে দিয়ে দিন। কোম্পানিগুলো সেগুলো শেয়ার করুক, শেয়ার করার ক্ষেত্রে চারটি অপারেটরই যাতে নিতে পারে সে সুযোগ তৈরি করতে হবে। এরফলে এমএনওগুলোর বিনিয়োগ কম করতে হবে, যে অর্থটা তারা এভানে বিনিয়োগ করতো তা গুনগত মান উন্নয়নে ব্যয় করতে পারবে। আমাদের যে গাইডলাইন রয়েছে তা যেন মেনে চলা হয়। অ্যাকটিভ শেয়ারিং জরুরি বিষয়, এ নীতিমালা আপডেট করা হচ্ছে যা সময় নিয়ে করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, কোন অবস্থাতেই গ্রাহক ধরে রাখতে পারবেন না যদি সেবার মান ধরে না রাখতে পারেন। সেবার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। ব্যবসা করেন বা গ্রাহক বাড়ান তাতে কোনো আপত্তি নেই। মানসম্মত সেবা দিতে না পারলে টিকে থাকা যাবে না।

বিটিআরি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার বলেন, আমাদের কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিশ্চিত করতে হবে। অবকাঠামো ভাগাভাগিতে গ্যাপ কোথায় তা দেখতে হবে। আমােদর দেশে যারা টেলিকম সেবাদাতা তারা কেউ কেউ মাকের্ট সাইজটা বৃদ্ধি করতে মনেযাগী সেবার মান বৃদ্ধি করতে মনযোগী কম। শেয়ারিং এর ক্ষেত্রে অপারেটরদের অহীনা আছে, কিছুটা সমন্বয়হীনতাও আছে। বিটিআরসি এ বিষয়ে কাজ করছে । সরকার যে সাশ্রয়ের কথা বলছে জ্বালানি ও বিদু্‌্যত , এ সাশ্রয় করতে গেলে শেয়ারিংটা মাস্ট। অনেক কিছুই আছে নতুন কোন নীতিমালা দরকার নেই, কিছু কিছু জায়গায় ভুলবুঝাবুঝি আছে তা সমাধান করতে হবে যা রিভিউ করা দরকার।

এছাড়া অনুষ্ঠানে রিকি স্টেইন, কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইডটকো বাংলাদেশ

হোসেন সাদাত, হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স, গ্রামীণফোন, তাইমুর রহমান, চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার, বাংলালিংক, সাহাব উদ্দিন আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেলিটক ,রফিকুল মতিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিটিসিএল, এমদাদুল হক, সভাপতি, আইএসপিএবি, মইনুল হক সিদ্দিকী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যান, ফাইবার অ্যাট হোম

অনামিকা ভক্ত, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, স্পেকট্রাম অ্যান্ড টেকনিক্যাল রেগুলেশন, রবি আজিয়াটা লিমিটেড বক্তব্য রাখেন।

বিআইজেএফ নির্বাচন: সভাপতি নাজনীন, সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিআইজেএফ নির্বাচন: সভাপতি নাজনীন, সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন

বিআইজেএফ নির্বাচন: সভাপতি নাজনীন, সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনে বিআইজেএফ কাযনির্বাহী কমিটির (২০২২-২৪) মেয়াদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন টেক ওয়ার্ল্ডের নাজনীন নাহার। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বার্তা২৪ ডটকম’র কনসালটেন্ট এডিটর (আইসিটি) সাব্বিন হাসান।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের জনতা টাওয়ারে শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা অবধি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের সূত্রে জানা যায়, কার্যনির্বাহী পরিষদে সভাপতি পদে টেক ওয়ার্ল্ডের নাজনীন নাহার, সহসভাপতি পদে কম্পিউটার বিচিত্রার ভূঁইয়া ইনাম লেলিন, সাধারণ সম্পাদক পদে বার্তা২৪.কম’র সাব্বিন হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন সময়ের সাজেদুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ পদে বিজ টেকের সাইফুল ইসলাম শান্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ঢাকা পোস্টের আরিফুল ইসলাম আরমান, প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ঢাকা মেইলের আসাদুজ্জামান লিমন এবং নির্বাহী সদস্য পদে ডিজিটাল সময়ের এনামুল করিম ও ডিজি বাংলার ইমদাদুল হক চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২৩ সেপ্টেম্বর চারটি পদে ভোটগ্রহণ করা হয়। কিন্তু সভাপতি পদে নাজনীন নাহার বেগম (টেক ওয়ার্ল্ড) এবং জাকির হাসান (সমকাল) সমানসংখ্যক ২৫টি করে ভোট পেয়েছিলেন। ফলে সভাপতি পদ ছাড়াই বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে ‘বিআইজেএফ’ নির্বাচন কমিশন। সমান ভোট পাওয়া সভাপতি পদে আবারও ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত জানায় নির্বাচন কমিশন।

বিআইজেএফের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ এইচ কাফি। কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ আর এম মাহমুদ হোসেন ও পল্লব মোহাইমেন। আপিল বোর্ডে ছিলেন সুমন ইসলাম ও আরিফুল হাসান।

;

হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজের একমাত্র এইসি প্ল্যাটিনাম পার্টনার হল স্মার্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ এর প্ল্যাটিনাম পার্টনার ২০২২-২৩ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। এইচপিই'র ১২ টি এশিয়ান ইমার্জিং কান্ট্রির (এইসি) মধ্যে বাংলাদেশে একমাত্র স্মার্টকেই প্ল্যাটিনাম পার্টনারের মর্যাদা দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ। তাছাড়াও নিজেদের পেশাদারিত্বে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখায় স্মার্ট এর ৭ জন প্রকৌশলী এবং ৬ জন বিক্রয় প্রতিনিধিকে বিশেষ সনদ প্রদান করে হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ। এ উপলক্ষ্যে ২৬ সেপ্টেম্বর স্মার্ট টেকনোলজিস এর নিজস্ব কনফারেন্স হলে প্লাটিনাম পার্টনারশীপ পাওয়া উপলক্ষ্যে একটি উৎযাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে স্মার্ট।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, পরিচালক শাহেদ কামাল, জাফর আহমেদ এবং মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন, সনদপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও বিক্রয় প্রতিনিধিবৃন্দ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, আমরা স্মার্ট টেকনোলজিস সব সময়ই কাস্টমারদের সেবা দেয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্ঠা করে থাকি। হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ এর এই স্বীকৃতি কাস্টমার সেবায় আমাদের সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমেরই স্বীকৃতি। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতেও আমাদের দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন কর্মে হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ এবং স্মার্ট একসাথে মিলে কাজ করবে।

তাছাড়াও অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়েছেন স্মার্ট টেকনোলজিস এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এসএম মহিবুল হাসান।

উল্লেখ্য, গত ২১ তারিখে হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ এর পক্ষ থেকে এক ইমেইল বার্তার মাধ্যমে স্মার্ট এর ২০২২-২৩ সালের জন্য প্ল্যাটিনাম পার্টনার হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

;

বিআইজেএফ নির্বাচন সভাপতি পদ অমীমাংসিত



আইসিটি ডেস্ক
বিআইজেএফ নির্বাচন সভাপতি পদ অমীমাংসিত

বিআইজেএফ নির্বাচন সভাপতি পদ অমীমাংসিত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনে সভাপতি পদে নাজনীন নাহার বেগম (টেকওয়ার্ল্ড) এবং মো. জাকির হাসান (সমকাল) সমানসংখ্যক ২৫টি করে ভোট পেয়েছেন। সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় সভাপতি পদ ছাড়াই বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিআইজেএফ নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫০টি। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৫৪ জন।

সভাপতি পদে অমীমাংসিত বিষয়ে বিআইজেএফ নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ এইচ কাফি বার্তা২৪ ডটকমকে জানান, দুজন প্রার্থীই সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় আলোচনার ভিত্তিতে এক বছর মেয়াদে সভাপতি পদে দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরে এই সংক্রান্ত নীতিমালা দেখে আমরা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাব।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বার্তা২৪ ডটকম’র কনসালটেন্ট এডিটর (আইসিটি) সাব্বিন হাসান।

নির্বাহী কমিটির পাঁচটি পদে (সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দুটি নির্বাহী সদস্য) একাধিক প্রার্থী না থাকায় চারটি পদে ভোট গ্রহণ করা হয়। চারটি পদে লড়েছেন ১০ জন প্রার্থী। নির্বাচিত অন্যরা হলেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান (নতুন সময়), কোষাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম (বিজটেক ২৪ ডটকম) এবং প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক আসাদুজ্জামান (ঢাকামেইল ডটকম)।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও বিজয়ী হয়েছেন সহসভাপতি ভূঁইয়া মোহাম্মদ ইনাম (কম্পিউটার বিচিত্রা), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম (ঢাকাপোস্ট) এবং নির্বাহী সদস্য এস এম ইমদাদুল হক (ডিজিবাংলা) ও মো. এনামুল করিম (ডিজিটাল সময়)।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের সম্মেলনকক্ষে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা অবধি ভোট গ্রহণ করা হয়।

বিআইজেএফের নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ আর এম মাহমুদ হোসেন ও পল্লব মোহাইমেন। আপিল বোর্ডে আছেন সুমন ইসলাম ও আরিফুল হাসান।

;

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বাংলাদেশের মাহিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

  • Font increase
  • Font Decrease

ক’দিন আগে উন্মোচন করা হয়েছে মার্কিন টেকনোজায়ান্ট এপলের যুগান্তকারি সৃষ্টি আইফোন ১৪ সিরিজ। সারা বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি পিস সেলফোন বিক্রি করা এই প্রতিষ্ঠানটির ধারের কাছেও নেই বিশ্বের কোন মোবাইল ফোন তৈরি করা প্রতিষ্ঠান।

আইফোনের চমকপ্রদ নকশা, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এটিকে দিয়েছে সেলফোনের জগতে সম্রাটের স্থান। বিশ্বখ্যাত এই আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের সাথে কাজ করছেন বাংলাদেশের সন্তান মাহিন মাশরুর। যতটুকু জানা যায় মাহিনই একমাত্র বাংলাদেশি যে প্রোডাক্ট ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন।

মাহিনের জন্ম ঢাকার উত্তরায়, ১৯৯৯ সালে। উত্তরার ‘ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টারের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবা মা’র সাথে চলে যায় কানাডায়। ২০১৮ সালে ভর্তি হন কানাডার মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে।


ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি অসম্ভব আকর্ষণ মাহিনের। ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত থেকে তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে যখন সে তার ফাইনাল পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত তখন আবেদন করেছিলেন চাকরি। ইলনমাস্কের টেসলা, স্পেসএক্স, এ্যাপল এবং অনেক কানাডিয়ান নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ইন্টারভিউ এর ডাক পান। মাহিন তার শেষবর্ষের পরীক্ষা শেষ করার আগেই ইন্টারভিউ এর চারটি ধাপ অতিক্রম করে এ্যাপলের আইফোন ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেয়ার সুযোগ পান।

গত ১৫ জুলাই সে যোগ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার কুপার্টিনোর স্টিভ জবস এর সেই বিখ্যাত ভবন অ্যাপল পার্কে। আইফোনের পরবর্তি সংস্করণের নকশায় বাংলাদেশের এই তরুণ মেধাবীর সম্পৃক্ততা থাকবে।

মেধাবী মাহিনের বাবা মা দুজনেই কৃষিবিদ। তাদের পৈত্রিক নিবাস উত্তরের জেলা গাইবান্ধা সদরের পলাশপাড়ায়। দেশে তার বাবা মোমিনুল আজম চাকরি করতেন বিসিএস (ডাক) ক্যাডারে আর মা মাহমুদা আনোয়ার ছিলেন বিসিএস (কৃষি) ক্যাডার। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০১০ সালে পাড়ি জমান কানাডায়। মাহিনের বড় ভাই মুহিবও কানাডায় মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।

;