বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ

বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

জমকালো পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে অংশীদার ও অংশীজনদের সাথে নিজেদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে দেশের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ট্রাভেল এজেন্ট (ওটিএ) শেয়ারট্রিপ। সম্প্রতি রাজধানীর হোটেল শেরাটন ঢাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শেয়ারট্রিপ এর ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পর্কিত অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০২০-২০২১ সালে সার্বিক সহায়তা ও নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য সৌহার্দ্যপূর্ণ আংশিদারিত্বের প্রতীক স্বরূপ পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করেছে। পর্যটন খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থেকে শেয়ারট্রিপ প্রথমবারের মতো এর সাপ্লায়ার এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের পুরস্কৃত করে। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শেয়ারট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কাশেফ রহমান।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেয়ারট্রিপ এর অংশীদার প্রতিষ্ঠানদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি জানাতে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার প্রদান করে, যেমন: এক্সেমপ্লারি পারফর্মিং এয়ারলাইন ইন সাউথ এশিয়া, সাউথ-ইস্ট এশিয়া, আমেরিকাস, ইউরোপ, ওশেনিয়া, মিডল ইস্ট ও সেন্ট্রাল এশিয়া, এশিয়া রিজিওনস এবং বাংলাদেশ, লিডিং ক্যাম্পেইন পার্টনার, লিডিং ট্র্যানজ্যাকশন পার্টনার, বেস্ট কমার্শিয়াল পার্টনার, বেস্ট পারফর্মিং এজেন্ট সহ আরও অন্যান্য অনেক বিভাগ। এছাড়াও, গ্রাহকদের পছন্দ জানার জন্য, তিন দিনব্যাপী পরিচালিত এক জরিপের দশ হাজারেরও বেশি মতামতের ভিত্তিতে শেয়ারট্রিপ পিপল’স চয়েস এয়ারলাইন এবং পিপল’স চয়েস হোটেল খাতে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। 

আইসিটি বিভাগের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় এ ওটিএ প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে এবং শেয়ারট্রিপ-ই দেশের প্রথম পর্যটন খাতে বিনিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পর্যটন খাতের সকল ক্ষেত্রে এ ওটিএ যাতে এগিয়ে যেতে পারে, তাই শেয়ারট্রিপে কৌশলগত এ বিনিয়োগ করা হয়। পর্যটন খাতে একটি প্রভাবশালী ভূমিকা পালনের এবং এর অগ্রগতিকে আরও ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানের প্রতিষ্ঠান শেয়ারট্রিপে বিনিয়োগ করেছে। শেয়ারট্রিপের লক্ষ্য পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এবং উন্নয়নকে ডিজিটালাইজড খাতে রূপান্তর করা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন “ আমরা দেশের পর্যটন খাতের ২০ শতাংশ সম্পর্কে জানি, এ খাতের বাকি ৮০ শতাংশই অনেকের কাছে অজানা। বিদেশ ও দেশের পর্যটকরা বেশিরভাগ ভ্রমণের জায়গা সম্পর্কে অবগত নন। আমার প্রত্যাশা, শেয়ারট্রিপ ও স্টার্টআপ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে দেশের পর্যটন খাতও একই গতিতে এগিয়ে যাবে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন। এ ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্যের অধীনে আমরা দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরি করছি। স্টার্টআপগুলোর জন্য আমাদের ৫শ’কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা একসাথে আমরা দেশের ভবিষ্যতের ইউনিকর্ন স্টার্টআপ গড়ে তুলতে পারবো।”

সামি আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড বলেন “ শেয়ারট্রিপে স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগ ঘোষণা করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি স্টার্টআপ বাংলাদেশ পরিবারে শেয়ারট্রিপকে স্বাগত জানাতে চাই, যারা খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেশের অনলাইন ট্রাভেল মার্কেটের ৫০ শতাংশ বাজার নিজেদের করে নিয়েছে। তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি ২৫ গুণ প্রবৃদ্ধির মাইলফলক গড়েছে, যা রীতিমতো বিস্ময়কর। তবে এটিই স্টার্টআপের বিশেষত্ব, যে যখন একটি দূর্দান্ত আইডিয়াকে দক্ষ জনশক্তি ও অর্থায়নের মাধ্যমে বাস্তবে রূপ দেয়া হয়, তা ফলাফল হয় অভাবনীয় সাফল্য। উদ্ভাবন ও দক্ষতার মাধ্যমে শেয়ারট্রিপ বিশ্ব-বাজারেও অবস্থান পাকা করে নেবে বলে আমার বিশ্বাস ।”

শেয়ারট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক বলেন “শেয়ারট্রিপ শুধুমাত্র ট্রাভেল এজেন্টই নয়, আমরা স্টার্টআপ হিসেবে অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্টের সেবা প্রদান করি। ট্রাভেল ইকোসিস্টেমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে শেয়ারট্রিপ। বাংলাদেশের হোটেল ইন্ডাস্ট্রি এখনও বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, আমাদের লক্ষ্য এ খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসা। শুধুমাত্র আমাদের সেবা উন্নত করার জন্যই নয়, বরং আমাদের গ্রাহকদের জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে উদ্ভাবন এবং পণ্য ও সেবার উন্নয়নে আনতে আমরা উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছি। উদ্ভাবন এবং উন্নত গ্রাহক সেবার মাধ্যমে, আমরা লক্ষ্য আরও সামনে এগিয়ে যাওয়া। ”

দেশজুড়ে ৫ লাখেরও বেশি গ্রাহকদের সেবা প্রদান করেছে শেয়ারট্রিপ। ৫ হাজারেরও বেশি এজেন্ট ব্র্যান্ডটির জন্য কাজ করে, যা অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভ্রমণকে আরও সহজ করে তোলে। শেয়ারট্রিপ বিশ্বাস করে, দেশে এখনও ডিজিটাইজেশনের বিশাল সুযোগ রয়েছে। বর্তমান পর্যটন খাতের মোট অনলাইন কার্যক্রমের প্রায় ৫০ শতাংশের অধিক পরিচালনা করে শেয়ারট্রিপ। এ খাতে ডিজিটালাইজেশন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকাতে গ্রাহকরা অনেক পরিষেবা এবং সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকছেন। আইসিটি বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো অংশীজন ও অংশীদারদের সাথে হাত মিলিয়ে, শেয়ারট্রিপ বৈশ্বিকভাবে স্বদেশী প্রযুক্তির উৎকর্ষের সুযোগ প্রসারিত করে বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার সুযোগ তৈরি করতে চায়।

৫ দিন পর দেশে চালু হলো ইন্টারনেট



ডেস্ক ,বার্তা২৪
৫ দিন পর দেশে ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা আবার চালু হয়েছে।

৫ দিন পর দেশে ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা আবার চালু হয়েছে।

  • Font increase
  • Font Decrease

৫ দিন পর দেশে ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা আবার চালু হয়েছে। কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে চলমান পরিস্থিতির মধ্যে সারা দেশের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ ছিল। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধের কারণ হিসেবে ডেটা সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা বলেছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার পর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু করে দেয় সরকার। টানা ৫ দিন ইন্টারনেটের বাইরে ছিল দেশ। তবে ইন্টারনেট চালু হলেও স্লো কাজ করছে।

এর আগে সকালে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ব্যাংক খাত, বাণিজ্যিক এলাকা, মিডিয়া ও বন্দর এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইন্টারনেট সেবা চালু করা হবে। সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হতে কিছু সময় লাগবে।

সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টা থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বন্ধ ছিল।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের কারণ হিসেবে তখন চলমান পরিস্থিতির কথা বলেছেন। শুক্রবার (১৯ জুলাই) তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, দুর্বৃত্তদের আগুনে মহাখালীতে অবস্থিত ডেটা সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান জানান, রাজধানীর মহাখালীতে দুস্কৃতকারীদের অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত ডেটা সেন্টার ও সঞ্চালন লাইন পুনঃসংযোগের কাজ চলছে; যা মেরামত করতে আরও সময় লাগবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মহাখালীতে দুর্যোগ ভবনে আগুন দেওয়া হয়। এ ভবনের পাশেই থাকা তিনটি ভবনে আইআইজি প্রতিষ্ঠানগুলোর ডেটা সেন্টারসহ ইন্টারনেট সরবরাহকারী কিছু প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়। আগুনে এসব ভবনের বাহিরে থাকা কিছু কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তাই ডেটা সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত কেবল কেটে ফেলা হয়।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এ জায়গা থেকে সারা দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ ইন্টারনেট সরবরাহ করা হয়। ফলে এখানে ডেটা সেন্টার বন্ধ থাকলে সারা দেশের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকবে না।

এদিকে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ইমদাদুল হক শনিবার (২০ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মহাখালীতে ডেটা সেন্টারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে কেবল ও বিভিন্ন সঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা সেবাগুলো আবার চালু করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশ  অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি রাসেল টি আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় প্রতিদিন আইসিটি সেবা খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকা। বিদেশ থেকে যেসব ফরমাশ আসে, সেখানে যোগাযোগে সমস্যা হচ্ছে। গ্রাহকেরা আস্থা হারাচ্ছেন। বাংলাদেশের বাজারের প্রতিও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এত দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট সেবা না পাওয়ায় আইসিটি খাতে সুদূরপ্রসারী ধাক্কা আসবে।

;

স্মার্ট নাগরিক গড়তে দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই: তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

ছবি: সংগৃহীত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

  • Font increase
  • Font Decrease

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, একটাই লক্ষ্য, হতে হবে দক্ষ। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হলেও প্রযুক্তির নিত্য নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির প্রয়োগ সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের ইন্টেলিজেন্স যুগে হয়ত প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাজারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে যেতে পারি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের 'দীক্ষা-দক্ষতা উন্নয়নে শিক্ষা অনলাইনে' প্রকল্পের আওতায় নির্মিত কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের এই ইন্টেলিজেন্স যুগে প্রতিযোগিতার বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বের আসনে আসীন করতে হলে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়ন করতে স্মার্ট নাগরিক গড়ে তুলতে আমাদের দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। স্মার্ট নাগরিক ও স্মার্ট সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে শুধুমাত্র শিক্ষাব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হলেই হবে না; শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে একটা নলেজ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে এবং আমাদের মনস্তাত্ত্বিক একটা পরিবর্তন আনতে হবে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র সনদমুখী বা উচ্চশিক্ষামুখী না হয়ে এবং ঢাকা কিংবা বিদেশমুখী না হয়ে দক্ষতানির্ভর ও কর্মমুখী মানবসম্পদ হিসেবে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে তৈরি করতে হবে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো বিলাসী পণ্য নয় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী পলক বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা রোবটিকস এখন আর কোনো বিলাসী পণ্য নয়। রোবট এখন আমাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় পণ্যে পরিণত হয়েছে। উন্নত বিশ্বে উৎপাদনমুখী কারখানায় শ্রমিকের পরিবর্তে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। এমনকী তৈরি পোশাকখাতেও অনেক কাজে রোবট ব্যবহার করা হচ্ছে।

বাস্তবতা এটা দাঁড়িয়েছে যে, আমাদের গার্মেন্টস শ্রমিকদের যদি আমরা ‘আপস্কিলিং’ বা ‘রিস্কিলিং’ করে দক্ষতার উন্নয়ন করতে না পারি, তাহলে হয়ত কিছুদিন পর আমরা দেখবো রোবট এই শ্রমিক ভাইবোনদের যায়গা দখল করে নিয়েছে।

আমাদের মেন্টরিংয়ের ভূমিকা নিতে হবে উল্লেখ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পের সফল বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সেজন্য আমাদের প্রথাগত শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তনের পাশাপাশি আমাদের শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

আমাদের শিক্ষকদের রোলটা শুধু শিক্ষকতা না হয়ে মেন্টরিংয়ের হতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী কারিকুলামের বাইরে কিছু শিখতে চাইলে তাকে সঠিক প্ল্যাটফর্ম দেখিয়ে দিতে হবে। দীক্ষা ও মুক্তপাঠের মতো এমন অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে, আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে যুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের একটাই লক্ষ্য, হতে হবে দক্ষ। আগামীর ইন্টেলিজেন্স যুগে আমাদের সফল হতে হলে দক্ষতা উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। সেজন্য আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে একটা ব্লেন্ডেড নলেজ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে।

;

এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটাল ও সাইবার সিকিউরিটি সহযোগিতায় অ্যাকজেনটেক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম ব্যবসায়িক শিল্পগোষ্ঠী এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে স্মার্ট সলিউশন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাকজেনটেক পিএলসি। সম্প্রতি রবি আজিয়াটা লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাকজেনটেক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) আদিল হোসেন নোবেল এবং এন. মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান মনজুরুল হক এ সংক্রান্ত চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তি অনুসারে, দেশের প্লাস্টিক শিল্পের অন্যতম প্রতিষ্ঠান এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটাল কার্যক্রম গতিশীল করবে অ্যাকজেনটেক। এন মোহাম্মদ গ্রুপের ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ওসিআই) বাস্তবায়নে কাজ করবে অ্যাকজেনটেক, যা গ্রুপটির ওরাকল ইআরপি সিস্টেমকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখবে। এই সমন্বয়ের মাধ্যমে এন মোহাম্মদ গ্রুপের ব্যবসায়িক দক্ষতা, নির্ভরযোগ্যতা, কার্যকারিতা ও সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।

ইআরপির জন্য ওসিআই ব্যবহারের পাশাপাশি এন মোহাম্মদ গ্রুপ নিজেদের ই-কমার্স এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনার জন্য অ্যাকজেনটেকের রবি ক্লাউড ব্যবহার করছে। যা অনলাইনে গ্রুপটির প্রসার এবং স্থানীয় বাজারে ভোক্তাদের সাথে যোগাযোগের ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে বিস্তৃত করবে।

অ্যাকজেনটেক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) আদিল হোসেন নোবেল এ প্রসঙ্গে বলেন, “এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটাল অবকাঠামো নিয়ে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও রবি ক্লাউডের মাধ্যমে আমাদের সমন্বিত ক্লাউড সলিউশন এন মোহাম্মদ গ্রুপকে বর্তমান ডিজিটাল সময়ে নিজেদের ব্যবসাকে আরো এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।”

;

গিগাবাইটের গেমিং মনিটর এখন বাংলাদেশে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: গিগাবাইটের গেমিং মনিটর উন্মোচন

ছবি: গিগাবাইটের গেমিং মনিটর উন্মোচন

  • Font increase
  • Font Decrease

গেমিংয়ের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা আকর্ষণীয় ওলেড মনিটর বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এলো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কম্পিউটার ব্র্যান্ড গিগাবাইট। রোববার (১৪ জুলাই) রাজধানী একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এক পার্টনারমিট অনুষ্ঠানে এই মনিটর উন্মোচন করা হরে গিগাবাইট বাংলাদেশ। আয়োজনে গিগাবাইটের গেমিং ও বিনোদনের আরও বিস্তৃত পণ্যের সমাহারের সাথে পরিচিত হন পার্টনাররা।

এই মনিটর উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- গিগাবাইট এর পরিবেশক প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ডিসট্রিবিউশন বিজনেস ডিরেক্টর জাফর আহমেদ, চ্যানেল সেলস ডিরেক্টর মুজাহিদ আলবেরুনী সুজন এবং গিগাবাইট কান্ট্রি হেড খাজা মো. আনাস খান।

এ সময় বাংলাদেশ সহ বিশ্ববাজারে গেমিং মনিটরের ক্ষেত্রে অপ্রতিদ্বন্দ্বী গিগাবাইট বলে জানিয়েছেন বক্তরা। দেশের বাজারেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে জানান তাঁরা।

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ডিসট্রিবিউশন বিজনেস ডিরেক্টর জাফর আহমেদ বলেন-একসময় গিগাবাইট বলতে শুধু মানুষ মাদারবোর্ড ছিলো। এখন গিগাবাইট বলতে বুঝায় একটা ব্র্যান্ড পিসি। এ সময় সম্মানিত পার্টনারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

খাজা মো. আনাস খান বলেন-পৃথিবী এখন চলতেছে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট) বেইজড। এই এইআইকে গুরুত্ব আমরা এআই বেইজড ল্যাপটপ বাজারে নিয়ে এসেছি। এর ধারাবিকতায় গেমিংয়ের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা আকর্ষণীয় ওলেড গেমিং মনিটর বাজারে নিয়ে এসেছি। নতুন নিয়ে আসা এই ওলেড সিরিজের গেমিং মনিটরটি এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের লাসভেগাসে অনুষ্ঠিত এসইএস (কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস শো) ২০২৪-এ উন্মোচন করা হয়। এখন থেকে বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

নতুন এই মনিটরে কি আছে:

২৭-৩৪ ইঞ্চির এই মনিটরগুলোয় রয়েছে ৩৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেট, এর সাথে যুক্ত হয়েছে সর্বাধুনিক স্পেকিফিকেশন ও বিশেষ ট্যাকটিকাল ফিচার; যা ব্যবহারকারীর গেমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ের অভিজ্ঞতাকে নিয়ে যাবে অনন্য উচ্চতায়। এসইএস ২০২৪ অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণই ছিল সর্বাধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ ৩২ ইঞ্চির অরাস এফও৩২ইউ২পি। বিশ্বের প্রথম ডিপি২.১ ইউএইচবিআর২০ ট্যাকটিকাল গেমিং মনিটর হিসেবে এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৮০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ। যা ডিসপ্লে স্ট্রিম কমপ্রেশন (ডিএসসি) ছাড়াই পূর্ববর্তী ডিপি১.৪ এইচবিআর৩ এর তুলনায় আড়াই গুণ বেশি ব্যান্ডউইথ-সম্পন্ন গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সক্ষম। এই মনিটরের ডিসপ্লে পোর্টে ডেইজি চেইন ব্যবহার করা যাবে, ফলে কোনোপ্রকার ক্যাবল ক্লাটার ছাড়াই মাল্টি-ডিসপ্লে কনফিগার করা হবে অনেক সহজ।

অরাসের গেমিং মনিটরগুলোয় বেশকিছু উদ্ভাবনী ও গেমিং-বান্ধব ট্যাকটিকাল ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কুইক অ্যাক্সেস ফাংশনের জন্য নির্ধারিত শর্টকাট কী - ট্যাকটিকাল সুইচ। কম আলোতেও সমৃদ্ধ দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রয়েছে নাইট ভিশন, যা পুরো স্ক্রিন ওভারএক্সপোজ না করেই অন্ধকার এলাকাকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম। পাশাপাশি, ফার্স্ট-পারসন শ্যুটারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা এর রেজ্যুলুশন সুইচ। দ্রুত গতির গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে যা মাত্র এক ক্লিকেই ২৪ ইঞ্চিকে ১০৮০ পিক্সেলে রূপান্তর করতে সক্ষম।

একইসাথে, এআই-নির্ভর সমাধান গিগাবাইট ওলেড কেয়ার নিয়ে এসেছে গিগাবাইট। ফলে, এখন ইমেজ জমিয়ে রাখার দুশ্চিন্তা কমে আসা এবং নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী স্বয়ংক্রিয় প্যানেল-প্রোটেকটিং ফিচার যুক্ত করা আরও সহজ হবে। বিশেষকরে, স্ক্রিন ব্যবহারের ধরন নিরবচ্ছিন্নভাবে শনাক্ত করতে পারে গিগাবাইট ওলেড, যা নিজেকে নিয়মিত ও স্বাধীনভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম। ফলে, এখানে ব্যবহারকারীর ম্যানুয়েল কোনো কাজ থাকছে না।

মোশনের ক্ষেত্রে অতুলনীয় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং মোশন ব্লার ও ঘোস্টিং উল্লেখযোগ্যহারে কমিয়ে আনতে নতুন এই গেমিং মনিটরগুলোয় ব্যবহার করা হয়েছে সিএমআর১৩০০০-টায়ার কিউডি-ওলেড প্যানেল। ব্যবহারকারীর স্ক্রিন দেখার ক্ষেত্রে একদম স্বচ্ছ ও ঝকঝকে অনুভূতি নিশ্চিত করবে এর ১,৫০০,০০০:১ কনট্রাস্ট রেশিও, ভেসা ডিসপ্লে এইচডিআর ট্রু ব্ল্যাক ৪০০ এবং ৯৯ শতাংশ ডিসিআই-পি৩ এর আলট্রা-ওয়াইড কালার গেমাট। এর উচ্চ রিফ্রেশ রেট ও বিদ্যুৎগতিসম্পন্ন ০.০৩ এমএস জিটিজি রেসপন্স টাইম গেমিংয়ের অভিজ্ঞতাকে করবে আরও নিখুঁত ও দুর্দান্ত।

অনবদ্য এই এফও৩২ইউ২পি-এর মতোই আরেকটি মনিটর হচ্ছে এফও৩২ইউ২; এতে এইচডিএমআই ২.১ এফআরএল ১২জি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। আরেকটি হচ্ছে এফও২৭কিউ৩, যেখানে সমৃদ্ধ দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে ৩৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহারকারীর জন্য অনবদ্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে এবং গেমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ের অনন্য চাহিদা পূরণ করতে আলট্রা-ওয়াইড কার্ভড মনিটর এমও৩৪ডব্লিউকিউসি ও এমও৩৪ডব্লিউকিউসি২ নিয়ে আসা হয়েছে।

;