বাংলাদেশে তৃতীয় আইসিটি একাডেমি স্থাপন করবে হুয়াওয়ে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশে তৃতীয় আইসিটি একাডেমি স্থাপন করবে হুয়াওয়ে

বাংলাদেশে তৃতীয় আইসিটি একাডেমি স্থাপন করবে হুয়াওয়ে

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশের জন্য আইসিটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্প্রতি রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি অবকাঠামো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড।

গতকাল (১৩ সেপ্টেম্বর) রুয়েট ক্যাম্পাসের ভিসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। রুয়েটে প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আইসিটি একাডেমিটি শিক্ষার্থীদের আইসিটি জ্ঞান ও ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বুয়েটে প্রথম আইসিটি একাডেমি চালু করে হুয়াওয়ে, পরবর্তীতে গত আগস্ট মাসে কুয়েটে আইসিটি একাডেমি স্থাপনের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে হুয়াওয়ে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে (বাংলাদেশ) পাবলিক অ্যাফেয়ার্স এবং কমিউনিকেশন বিভাগের কান্ট্রি ডিরেক্টর কার্ল ইউয়িং সহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

হুয়াওয়ে এর নিজস্ব লার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রুয়েটের শিক্ষার্থীদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং কোর্স প্রদান করবে। পাশাপাশি, রুয়েটের শিক্ষকগন এই একাডেমিতে হুয়াওয়ের সনদপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক হওয়ার সুযোগ পাবেন। এই শিক্ষকগন আইসিটি একাডেমিতে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেবেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা সর্বশেষ আইসিটি ট্রেন্ড সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা লাভ করতে পারবেন।

এ নিয়ে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ যদি আইসিটি খাত দ্বারা পরিচালিত প্রবৃদ্ধির ধারাকে সচল রাখতে চায় তাহলে আমাদের এ তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। এ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে আমরা হুয়াওয়ের সহযোগিতায় একটি আইসিটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমাদের দেশের তরুণদের ভবিষ্যত উপযোগী করে গড়ে তুলতে সহায়তা করার জন্য আমি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাই।”

এ প্রসঙ্গে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ এর কার্ল ইউয়িং বলেন, “হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি এমন একটি উদ্যোগ, যা অ্যাকাডেমিশিয়ান ও এ খাতের বিশেষজ্ঞদের সাথে তরুণ শিক্ষার্থীদের মেলবন্ধনের দ্বারা তাদের মেধার উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষতা বিকাশকে ত্বরাণ্বিত করতে কাজ করছে। এর আগে আমরা বুয়েট ও কুয়েটে আইসিটি একাডেমি চালু করেছি, যার চমৎকার ফলাফল পাওয়া গেছে। এবার রুয়েটে আইসিটি একাডেমি চালু করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।”

উল্লেখ্য যে, হুয়াওয়ে ২০১৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কো-অপারেশন প্রকল্প হিসেবে আইসিটি একাডেমি চালু করে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন সহ বিশ্বজুড়ে ৯০টির বেশি দেশে হুয়াওয়ের পরিচালনায় ১৫০০ আইসিটি একাডেমির কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ উদ্যোগের সঙ্গে সব মিলিয়ে ৯২৭টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সম্পৃক্ত। এছাড়াও, বিশ্বের হাজার হাজার শিক্ষার্থী এই উদ্যোগ থেকে উপকৃত হচ্ছেন।

নতুন কমিটির অভিষেক করল বিআইজেএফ



সাব্বিন হাসান, আইসিটি এডিটর, বার্তা২৪.কম
নতুন কমিটির অভিষেক করল বিআইজেএফ

নতুন কমিটির অভিষেক করল বিআইজেএফ

  • Font increase
  • Font Decrease

নবনির্বাচিত বিআইজেএফ কার্যনির্বাহী কমিটিকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করল দেশের তথ্যপ্রযুক্তি অঙ্গন। সংগঠনের সদস্য আর তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী গুণী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে মিলনমেলায় রূপ নেয় নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান।

সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও প্রয়াত দুই সদস্য কম্পিউটার জগতের সহকারী সম্পাদক মঈনুদ্দিন মাহমুদ ও আরটিভি’র মাসুম হোসেন ভূঁইয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অভিষেকের ঘরোয়া আয়োজন।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংবাদকর্মীদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠন বেসিস, বিসিএস, আইএসপিএবি, বাক্কো, ইক্যাব, বিএফডিএস, বিডব্লিইউআইটি, এটুআই, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, বিএনএসকে, আর্টিক্যাল নাইনটি, মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন ছাড়াও বেশকিছু তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও আইসিটি সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছায় ভরে যায় অভিষেক মঞ্চ। রাজধানীর ধানমন্ডিতে অভিষেক অনুষ্ঠানে আগতদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজন পরিপূর্ণতা পায়।

অভিষেক অনুষ্ঠানে নতুন নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখে বেশকিছু পরামর্শ দিয়ে বক্তব্য রাখেন বিসিএস সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার,সাবেক বিসিএস সভাপতি শহীদ উল মুনীর, বিসিএস ও আইএসপিএবি’র সাবেক সভাপতি এস এম ইকবাল, বিসিএস প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাফকাত হায়দার, বাক্কো সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন, আইএসপিএবি সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া, বেসিস কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মুশফিকুর রহমান, বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির (বিএফডিএস) সভাপতি তানজিবা রহমান, ই-ক্যাব সহ-সভাপতি মোহাম্মাদ সাহাব উদ্দিন, পরিচালক আম্বারিন রেজা, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, বিডব্লিইউআইটির নবনির্বাচিত সভাপতি রেজওয়ানা খান, সাধারণ সম্পাদক আছিয়া নীলা, উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ট্রাস্টের (উই) সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা, বিআইজেএফ’র সাবেক সভাপতি মোজাহেদুল ইসলাম ঢেউ।

আরও শুভেচ্ছা জানান, গ্লোবাল ব্র্যান্ডের প্রতিনিধি, স্মার্ট টেকনোলজিসের পরিচালক মুজাহিদ আলবেরুনী সুজন, ডেল প্রতিনিধি প্রতাপ সাহা, মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মাহিউদ্দিন আহমেদ, আমরাই ডিজিটাল বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন।

অংশগ্রহণকারির মধ্যে রিভ সিস্টেমের বিশ্বজিত সাহা উপস্থিত থেকে বিআইজেএফ লা রিভের পণ্য ও লা ডেলিশিয়াসের খাবারে বিশেষ ছাড় ঘোষণা করেন।

অভিষেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইজেএফ নবনির্বাচিত সভাপতি নাজনীন নাহার। বক্তব্য রাখেন বিআইজেএফ’র সহসভাপতি ভূইয়াঁ ইনাম লেনিন, নির্বাচন কমিটির সদস্য মাহমুদ হোসেন এবং আপিল বিভাগের সদস্য সুমন ইসলাম, জ্যেষ্ঠ সদস্য হিটলার এ হালিম। সমাপনী বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন হাসান।

অভিষেকে নবনির্বাচিত কমিটির তরফ থেকে বিআইজেএফ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রথমবার বিতরণ করা হয় স্মার্ট কার্ড। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি ভূঁইয়া ইনাম লেনিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরমান, কোষাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম শান্ত, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিমন এবং নির্বাহী সদস্য ইমদাদুল হক।

অভিষেকের সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নৈশভোজের সঙ্গে পরিবেশিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অভিষেক অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষকতা করে কনসিটো পিআর, এক্সনহোস্ট, এসসিএসএল ডেভেলপমেন্ট পসিবিলিটিস, বিডি জবস, স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম ও মিডিয়া সফট। ইভেন্ট পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করে ব্রিলিয়ান্স এক্সপো ও ব্রিলিয়ান্স অ্যাক্টিভেশন লিমিটেড।

;

হোয়াটসঅ্যাপে শিগগিরই আসছে নতুন ফিচার



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউজারদের সুবিধায় হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ শিগগিরই নতুন ফিচার লঞ্চ করতে যাচ্ছে। এবার তারা এমন একটি ফিচার নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করেছে যার সাহায্যে ইউজাররা হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ভয়েস নোট শেয়ার করতে পারবেন।

বর্তমানে ইউজাররা হোয়াটসঅ্যাপে ছবি বা ভিডিও শেয়ার করতে পারেন। তবে নতুন ফিচার চালু হলে আগামী দিনে ইজাররা হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ভয়েস নোটও শেয়ার করতে পারবেন।

আপাতত হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ এই ফিচারের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে আইওএস বিটা ভার্সনে। হোয়াটসঅ্যাপ ট্র্যাকার এই তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াটসঅ্যাপের অ্যান্ড্রয়েড ভার্সানের ক্ষেত্রেও এই ফিচার নিয়ে কাজ চলছে। হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভয়েস নোট শেয়ারের সুযোগ পাবেন ইউজাররা। তার সঙ্গে আবার যোগ করা যাবে টেক্সটও। হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাটবক্সে যেখানে মেসেজ লেখা হয়, সেখানে মাইক্রোফোন চিহ্নে ট্যাপ করে ভয়েস নোট রেকর্ড করা যাবে।

হোয়াটসঅ্যাপের অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস ভার্সানে সমস্ত ইউজারদের জন্য কবে এই ফিচার চালু হবে তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে শিগগিরই এই ফিচার চালু হতে যাচ্ছে।

হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবে স্ক্রিন লক ফিচার

স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ইউজারদের অ্যাকাউন্ট অনেক বেশি সুরক্ষিত থাকে, কারণ স্ক্রিন লক করার সুবিধা রয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েব ভার্সানে এই ফিচার নেই। যার ফলে যদি কখনও ইউজার ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েব ভার্সান চালু করে কিছু সময়ের জন্য নিজের ডিভাইস থেকে দূরে থাকেন, তাহলে সেই সময় অন্য কেউ চাইলে আপনার অ্যাকাউন্টে উঁকিঝুঁকি মারতে পারবেন। তবে এই সমস্যাও খুব তাড়াতাড়ি দূর হতে চলেছে। কারণ এবার হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েব ভার্সানেও চালু হতে চলেছে স্ক্রিন লকের সুবিধা।

;

জিপি গ্রাহকরা সহজেই খুলতে পারবেন উপায় একাউন্ট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জিপি গ্রাহকরা সহজেই খুলতে পারবেন উপায় একাউন্ট

জিপি গ্রাহকরা সহজেই খুলতে পারবেন উপায় একাউন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল ফোন অপারেটর ও শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা এখন থেকে খুব সহজেই মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) উপায় একাউন্ট খুলতে পারবেন।

সোমবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন এই সেবা উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও আরিফ কাদরী এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা।

সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় এই গ্রাহক রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে গ্রামীণফোনের ব্যবহারকারীদের *২৬৮# ডায়াল করতে হবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের নির্দিষ্ট কিছু তথ্য, যেমন – জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর এবং জন্ম তারিখ, উপায়-কে ব্যবহারের জন্য গ্রামীণফোনকে অনুমতি দেবেন। প্রাথমিক

রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর উপায় গ্রাহক তার একাউন্টে সর্বচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ইন করতে এবং এবং উক্ত টাকা ব্যবহার করে শধু রিচার্জ করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে, ব্যবহারকারীদের নিকটস্থ উপায় এজেন্ট পয়েন্ট কিংবা ফোনের অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের ছবি সংযুক্ত করতে হবে।

ইউসিবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও আরিফ কাদরী বলেন, ‘আমরা মনে করি, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম মেনে ইউএসএসডি-ভিত্তিক দ্রুত এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া, আর্থিক সেবাদানের ক্ষেত্রে উপায়সহ সামগ্রিকভাবে এমএফএস খাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। যারা এখনও আর্থিক সেবার বাইরে আছেন, তাদেরকে খুব সহজেই সেবা প্রদান করা যাবে। আর্থিক অন্তুরভুক্তিও বেগবান হবে।’

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী, ইয়াসির আজমান বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য তখনই সফল হয়, যখন আমাদের প্রচেষ্টা মানুষের ক্ষমতায়নে ও ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে ভূমিকা রাখে। প্রথমবারের মতো এ উদ্ভাবনী সল্যুশন ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের এমএফএস অ্যাকাউন্ট খুলতে এবং তাদের ফোন রিচার্জে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে ভূমিকা রাখবে। এ উদ্যোগ আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ত্বরাণ্বিত করবে; পাশাপাশি, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে আইনসম্মত ও দ্রুতগতিতে লেনদেন সহজ করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
উপায় ও গ্রামীণফোন একসাথে উন্মোচন করেছে উদ্ভাবনী মোবাইল রিচার্জ সেবা।

গ্রাহকরা *১২১# ইউএসএসডি কোড ডায়াল করলে ‘রিচার্জ মেনু’ পাবেন। এর মাধ্যমে উপায় অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা তাদের নাম্বার, রিচার্জ অ্যামাউন্ট ও উপায় অ্যাকাউন্টের পিন নাম্বার লিখে সহজেই যেকোনো গ্রামীণফোন নাম্বার রিচার্জ করতে পারবেন।

;

বিশ্বব্যাংকের ‌‘গভটেক লিডারস’ তালিকায় বাংলাদেশ



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারের বিভিন্ন সেবা প্রদান এবং এসব সেবা গ্রহণে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার ইকোসিস্টেম তৈরিতে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে করে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের ‘গভটেক লিডারস’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) অনলাইনে বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত গভটেক ম্যাচ্যুরিটি ইনডেক্স (জিটিএমআই)-২০২২ এ এই অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

বিশ্বব্যাংকের জিটিএমআই-২০২২ তথ্য অনুসারে, মোট ০.৮৪ স্কোর (১.০০ -এর মধ্যে) নিয়ে জিটিএমআই এর ‘ক্যাটাগরি এ: ভেরি হাই গভর্নমেন্ট ম্যাচুরিটি’তে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে থাকা প্রতিটি দেশকে ‘গভটেক লিডারস’ হিসেবে বিবেচনা করে বিশ্বব্যাংক। নতুন স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৯৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ২৯তম অবস্থানে রয়েছে।

উল্লেখ্য, জিটিএমআই-২০২০ -এ বাংলাদেশের স্কোর ছিল ০.৭২ এবং অবস্থান ছিল ‘ক্যাটেগরি বি: হাই গভটেক ম্যাচুরিটি’ গ্রুপে।

জিটিএমআই-২০২২ এ সরকারি খাতের বিভিন্ন সেবা প্রদানের ডিজিটাল রূপান্তরের চারটি প্রধান দিককে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এগুলো হলো-কোর গভর্নমেন্ট সিস্টেমস, পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি, সিটিজেন এনগেজমেন্ট এবং গভটেক এনাবলার্স।

বিশ্বব্যাংকের ফ্ল্যাগশিপ এই প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির ১৯৮টি দেশের গভটেক ম্যাচ্যুরিটির একটি চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। জিটিএমআই-২০২২ -এ গভটেক এর নতুন নতুন প্রবণতা, অনুশীলন ও সেগুলো বাস্তবায়নে গুরুত্ব প্রদান করেছে।

;