গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো বিষয়ে স্পষ্টীকরণ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা অভিধানে দুটি শব্দ আছে, অবকাঠামো ও পরিকাঠামো। সাধারণভাবে ‘অবকাঠামো’ বলতে ভবন, সেতু, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাজার ইত্যাদি দৃশ্যমান স্থাপনাসমূহকে বুঝানো হয়ে থাকে আর ‘পরিকাঠামো’ শব্দটি দিয়ে “যে কোন কার্যক্রম বা ব্যবস্থার ভিত্তি” বুঝানো হয়ে থাকে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে “গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (Critical Information Infrastructure)” অর্থ সরকার কর্তৃক ঘোষিত এইরূপ কোনো বাহ্যিক বা ভার্চুয়াল তথ্য পরিকাঠামো যাহা কোনো তথ্য-উপাত্ত বা কোনো ইলেকট্রনিক তথ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চারণ বা সংরক্ষণ করে এবং যাহা ক্ষতিগ্রস্থ বা সংকটাপন্ন হইলে – (অ) জননিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বা জনস্বাস্থ্য, (আ) জাতীয় নিরাপত্তা বা রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা বা সার্বভৌমত্বের, উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়িতে পারে।

এখানে উল্লেখ্য যে, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (আইটি ইনফ্রাসট্রাকচার) এর মধ্যে সীমিত। এ সকল পরিকাঠামো পরিচালনার সময় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও ব্যবহৃত (ISO/IEC/BDS 17025, 15489, 20000, 27001, 27005, 27037, 27041, 27042, 27043, 27050) মান অনুসরণে কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৫-তে উল্লেখিত বিধান পরিপালনক্রমে সরকার ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা করেছেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিধানাবলি যথাযথভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য মহাপরিচালক প্রয়োজনে, সময় সময়, কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করবেন এবং এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করবেন। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনষ্টিটিউশন (বিএসটিআই) ISO এর এই সকল মানকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ প্রণয়নের পূর্বেই জাতীয় মান ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মত দূর্ঘটনা এড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহকে এ সকল মান অনুসরণ করে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিভিত্তিক পরিকাঠামো পরিচালনা ও বাস্তবায়ন তদারকি নিশ্চিত করার জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ডিজিটাল নিরাপত্তা সুরক্ষা গাইডলাইন, ২০২১’ জারি করা হয়েছে। এই গাইডলাইনের পরিশিষ্ট ১ হতে ৫ এ নির্ধারিত ফরমে অনুসরণীয় উত্তম চর্চা (Best Practices), তথ্য প্রেরণ ছক, প্রাথমিক মূল্যায়ন ফরম, চূড়ান্ত মূল্যায়ন ফরম, প্রামান্য দলিল পত্রাদির তালিকা ও ঝুঁকি রেজিস্টার ইত্যাদি প্রস্তুতকরণ ও সংরক্ষণের বিষয়টি রয়েছে। এখানে কোথাও সংবাদ মাধ্যমের কর্মী বা সাংবাদিকতায় বাধার কোন সংস্থান নেই। তবুও পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, কিছু তথাকথিত সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন প্রকার মিথ্যা বিবৃতির মাধ্যমে সংবাদিক বন্ধুগণকে বিভ্রান্ত করছেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণার বিধান পার্শ্ববর্তী দেশসহ অন্যান্য দেশেও রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রম পরিচালনা প্রমিতকরণের জন্যই অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশ সরকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাকাঙ্খীত ঘটনার পরবর্তী সময়ে এরূপ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ চিহ্নিতকরণ করা হয় এবং এ সকল তথ্য পরিকাঠামোর কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, উপযুক্ত ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির দক্ষতা উন্নয়ন করা হয়। প্রাথমিক এ সকল কার্যক্রম শেষে সরকার আইন অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর তালিকা প্রকাশ করেছে। এখানে উল্লেখ্য যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে দেশে বিদেশে ৪০০০ (চার হাজার) এর অধিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ২০২০ সাল হতে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক লব্ধ জ্ঞানের পরিপূর্ণ রুপ প্রদানের জন্য বাৎসরিক ৩টি সাইবার ড্রিল আয়োজন করা হচ্ছে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-তে একটি অত্যাধুনিক সাইবার রেঞ্জ স্থাপন করেছে। এই সাইবার রেঞ্জে শিক্ষার্থীসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার জন্য আপদকালীন সাইবার নিরাপত্তা নিরসনের জন্য সিমুলেশনের মাধ্যমে অনুশীলনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (CII) ও Key Point Installation (KPI) এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর ঘোষণা শুধুমাত্র তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর নেটওয়ার্কের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে জাতীয় মান অনুসরণ নিশ্চিত করে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো বলতে সংস্থা নয় বরং তার আওতাধীন তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর নেটওয়ার্ক, ডাটা সেন্টার ইত্যাদিতে তথ্য-উপাত্ত সঞ্চালনের মধ্যেই সীমিত। অপরদিকে সরকার ঘোষিত Key Point Installation (KPI) সংস্থাসমূহে ব্যক্তি প্রবেশাধিকার, নিরাপত্তা প্রহরীর কার্যবিধি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে। Key Point Installation (KPI) ঘোষণা ও ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো কর্তৃক কোন প্রকার দূর্বলতা, অব্যবস্থাপনা, ইত্যাদির তথ্য সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশে কোন প্রকার বাধা নেই, বরং প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়ক।

   

জিপি বনাম রবি, বাংলালিংক বিরোধের সুরাহা হয়নি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রামীণফোনের ৮৫০ ব্যান্ডে স্পেকট্রাম চাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌছায়নি বলে জানিয়েছে।

গ্রামীণফোন বিটিআরসির কাছে ৮৫০ ব্যান্ডে স্পেকট্রাম চাওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক বলছে, গ্রামীণফোন যদি ৮৫০ ব্যান্ডে ১০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেওয়া হয় তাহলে তাদের নেটওয়ার্কে সমস্যা তৈরি করবে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমের সাথে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় একথা জানানো হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ প্রথম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বিটিআরসির মহাপরিচালক (স্পেকট্রাম বিভাগ) ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান বলেন, মার্চের শুরুতেই সব মোবাইল অপারেটর এমটবের ব্যানারে একসাথে বসবে। এরপর অপারেটরেরা আমাদেরকে একটা প্রস্তাবনা দেবে। ওই প্রস্তাবনা নিয়ে ভেন্ডরদের সঙ্গে বসবো। এ বিষয়ে দেশের ও গ্রাহকদের জন্য যা ভালো হয় সেটিই আমরা করবো।

;

পর্নো ও বেটিং সাইটের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা পর্নোগ্রাফি ও বেটি সাইটগুলোর বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেছে, এ ধরনের সাইটের সন্ধান পেলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমের সঙ্গে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় একথা জানানো হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ প্রথম সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খলিল-উর-রহমান বলেন, নিরাপদ ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে বিটিআরসি। আইন প্রয়োগকারী বা সরকারি সংস্থার অনুরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইস্যুগুলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে জানিয়ে সমাধানের চেষ্টা করে থাকি আমরা। ফেসবুক আমাদের সব অনুরোধ রাখে না। তাদের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ করে থাকে। তবে উসকানিমূলক, রাষ্ট্রদ্রোহী কোনো কনটেন্ট এবং বিশেষ করে পর্নো ও বেটি সাইটগুলোর বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হয় না। যখনই এ ধরনের সাইটের সন্ধান পাওয়া যায়, আমরা তাৎক্ষণিক ওই সব সাইট বন্ধ করে দেই।

;

বাজারে এলো ইনফিনিক্সের গেমিং স্মার্টফোন হট ৪০ প্রো



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্মার্টফোন গেমারদের জন্য বাংলাদেশের বাজারে নতুন গেমিং ফোন ‘হট ৪০ প্রো’ নিয়ে এলো তরুণদের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। তরুণ গেমারদের সেরা গেমিং অভিজ্ঞতা দিতে, শক্তিশালী ও উন্নত ফিচারে আনা হয়েছে ফোনটি। ডিভাইসটিতে উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে জোর দেওয়া হয়েছে খুঁটিনাটি প্রতিটি বিষয়ের ওপর।

হট ৪০ প্রো ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬ ন্যানোমিটারের মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৯ আল্ট্রা-স্পিড প্রসেসের। ফলে কম শক্তি খরচেই পাওয়া যাবে কার্যকর পারফরম্যান্স। এই প্রসেসরকে আরও শক্তিশালী করেছে ইনফিনিক্সের তৈরি এক্স-বুস্ট গেমিং ইঞ্জিন। এই সমন্বয়টি তরুণদের গেমিং চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নিশ্চিত করবে স্বচ্ছন্দ অভিজ্ঞতা।

দিনব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে সাশ্রয়ী মূল্যের গেমিং ফোনটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি এবং ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার। এই চার্জার দিয়ে মাত্র ৩৫ মিনিটেই ফোনটির চার্জের পরিমাণ ২০% থেকে ৭৫% করা যায়। এছাড়া চার্জিং-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফোনটিতে আছে রিয়েল-টাইম টেম্পারেচার মনিটরিং ফিচার।

উন্নত গেমিং পারফরম্যান্সের জন্য হট ৪০ প্রো ফোনটিতে আছে ৮ জিবি র‍্যাম, যা ১৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যায়। ১২৮ জিবি ধারণক্ষমতার স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১৩ ভিত্তিক এক্সওএস ১৩.৫ অপারেটিং সিস্টেমে চলে। ফোনটির সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা আরও বাড়াবে।

গেমারদের ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা উন্নত করতে ডিভাইসটিতে আছে ম্যাজিক রিং ফিচারসহ ৬.৭৮ ইঞ্চির ফুল এইচডি+ আইপিএস ডিসপ্লে। স্বচ্ছন্দ টাচ ও স্ক্রলিংয়ের জন্য ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট দেওয়া হয়েছে ডিভাইসটিতে। গেমিংয়ের সময় সর্বোত্তম স্বচ্ছতা ও দেখার স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ৯০.৭% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও এবং ৫০০ নিটস ব্রাইটনেস থাকছে এতে। এর মাল্টিফাংশনাল এনএফসি’র মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ডেটা শেয়ার অথবা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন সহজেই।

হট ৪০ প্রো-তে নতুন মেটাম্যাটেরিয়াল অ্যান্টেনা নিয়ে এসেছে ইনফিনিক্স। অ্যান্টেনাটি চলে মেটাম্যাটেরিয়াল গেমিং নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে। এই প্রযুক্তি তিনগুন বেশি অ্যান্টেনা এরিয়া কাভার করতে পারে। ফলে গেমিংয়ের সময় নেটওয়ার্ক সিগন্যাল নিয়ে বাড়তি দুঃশ্চিন্তা করতে হয় না।

ফটোগ্রাফির জন্য ডিভাইসটিতে আছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা। এই হাই-রেজোলিউশন লেন্সের সঙ্গে আছে দুই মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো লেন্স। পাশাপাশি এতে আছে একটি এইচএমএস সেন্সর, যা সুন্দর ও স্পষ্ট ছবি তুলতে ব্যবহারকারীদের সাহায্য করবে। ডিভাইসটির সামনে থাকা ৩২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে সুন্দর সেলফি তুলতে পারবে তরুণরা।

উদ্ভাবনী ফিচারযুক্ত ইনফিনিক্স হট ৪০ প্রো পাওয়া যাচ্ছে একটি চমৎকার এমএলবিবি-কাস্টমাইজড বক্সে। পাম ব্লু, হরাইজন গোল্ড এবং স্টারলিট ব্ল্যাক— এই তিনটি রঙে বাজারে এসেছে ফোনটি। ১৯,৯৯৯ টাকা মূল্যের ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ইনফিনিক্সের অনুমোদিত শপ এবং দেশের বৃহত্তম অনলাইন শপিংপ্লেস দারাজে।

;

অপতথ্য প্রচার রোধে টেকজায়ান্ট, সোস্যাল মিডিয়ার সমঝোতা



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ভুল তথ্য বিভ্রান্ত করতে পারে

ভুল তথ্য বিভ্রান্ত করতে পারে

  • Font increase
  • Font Decrease

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি আমাদের বাস্তবের এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। খুব দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে এই প্রযুক্তি। মাত্র কয়েক বছর ধরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার শুরু হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে তা আরো উন্নত হবে। একসময় হয়ত বাস্তব-অবাস্তব পার্থক্য করা কষ্টকর হয়ে যাবে। তবে ইতোমধ্যেই প্রযুক্তি এত বেশি আধুনিক হয়ে গেছে যে, চোখে ধুলো দেওয়া অসম্ভব নয়। সামনে প্রায় ৪০টি দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিশ্ব নেতাদের নির্বাচন করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কারণ, পরোক্ষভাবে মানুষজাতির ভবিষ্যৎ প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। 

এই সমস্যার গুরুত্ব অনুধাবন করেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। মাইক্রোসফট, মেটা, ওপেন এআই, গুগল, আমাজন, আইবিএম, এডোবি, আর্ম- একটি চুক্তি সই করেছে। ২০টি বড় প্রতিষ্ঠান একজোট হয়েছে। এর সাথে স্ন্যাপ-চ্যাট, টিকটক, এক্স-এর মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোও যুক্ত হয়েছে।

টেক প্ল্যাটফর্মে বিশ্বজুড়ে একটি বিশাল নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ৪০টিরও বেশি দেশের ৪ বিলিয়ন লোক এর দ্বারা প্রভাবিত হবে৷ মেশিন লার্নিং ফার্ম ক্ল্যারিটির তথ্য অনুসারে, এআই-উৎপাদিত বিভিন্ন মাধ্যম উত্থানের ফলে বিভ্রান্ত করা সহজ। এর সাহায্যে নির্বাচন-সম্পর্কিত ভুল তথ্য প্রচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কারণ, বছর প্রতি ডিপফেকের সংখ্যা শতকরা ৯০০ ভাগ অবধি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২০১৬ সালোর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনি প্রচারণার সময় একটি বড় সমস্যা দেখা গিয়েছিল। রাশিয়ান অভিনেতাদের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন সম্পকির্ত ভুল তথ্য প্রচার হচ্ছিল। এখন মানুষকে ধোঁকা দেওয়া আরো সহজ। নকল ভিডিও বানানো অনেক সহজ হয়ে গেছে। তাছাড়া, এদের পার্থক্য অবধি করা যায় না। তাই, আইন প্রণেতারা এআই-এর দ্রুত উন্নতি নিয়ে আরো বেশি উদ্বিগ্ন।

তাই তারা সবাই সমঝোতায় এসেছেন। যার যার অবস্থান থেকে ভুল তথ্য প্রচার করা রোধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা। তারা সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করতে চান।  

;