নতুন ব্র্যান্ড ‘মিগো মোবাইল’-এর যাত্রা শুরু



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নতুন ব্র্যান্ড 'মিগো মোবাইল'-এর যাত্রা শুরু

নতুন ব্র্যান্ড 'মিগো মোবাইল'-এর যাত্রা শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

অ্যামিগো অ্যালায়েন্স বিডি-এর নতুন ব্র্যান্ড 'মিগো মোবাইল' আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে। গত বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে অ্যামিগো অ্যালায়েন্স বিডি-এর কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত ব্র্যান্ড লঞ্চিং ইভেন্টে দেশের বাজারে মিগো মোবাইলের কার্যক্রম শুরুর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। লঞ্চিং ইভেন্টে অ্যামিগো অ্যালায়েন্স বিডি-এর সিইও এস, এম, রেজওয়ান আলম বলেন, প্রযুক্তি নির্ভর ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হিসেবে 'মিগো মোবাইল' গতানুগতিক ডিজাইনের বাইরে ব্যবহারকারীকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম হবে। এছাড়াও উন্নতধারার প্রোডাক্টস এবং সার্ভিস দিয়ে আরও বেশি গ্রাহক পরিচিতি এবং সন্তুষ্টি পেতে মিগো মোবাইল বদ্ধপরিকর।

অ্যামিগো অ্যালায়েন্স বিডি-এর সেলস এবং মার্কেটিং পরিচালক আসিফুর রহমান খান জানান, বাংলাদেশে ফিচারফোনের চাহিদা স্মার্টফোন চাহিদার থেকেও বেশি। তাই প্রথমে আমরা ফিচারফোন দিয়ে মার্কেটে পরিচিতি স্থাপনের জন্য কাজ করছি। আমাদের লক্ষ্য কোয়ালিটি প্রোডাক্টস এবং উন্নত সার্ভিস প্রদান এবং দামও থাকবে ক্রেতাদের হাতের নাগালে। পাশাপাশি খুব শীঘ্রই আমরা স্মার্টফোন সহ আরও নানা প্রযুক্তিপণ্য নিয়ে বাজারে সাড়া ফেলতে চাই।

মিগো মোবাইল ব্র্যান্ড লঞ্চিং অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যামিগো অ্যালায়েন্স বিডি-এর পরিচালক পারভেজ আহমেদ, পরিচালক মাহামুদুল হাসান হেলাল, কে.এ. এম. মশিউজ্জামান, ওয়াশিক জাহান, মোঃ শাদমান শাহ্‌রিয়ার, মোঃ আরিফুর রহমান প্রমুখ।


উল্লেখ্য যে, ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইন এবং ডিসপ্লে সাইজের মোট ৩টি ফিচারফোন মডেল লঞ্চ করেছে মিগো মোবাইল, যার মধ্যে আছে মিগো এমএল এগারো (migo ML11), মিগো এমএম ত্রিশ (migo MM30) এবং মিগো এমএম পঞ্চাশ (migo MM50)। স্টাইলিশ ডিজাইন, ওয়্যারলেস এফ এম রেডিও, বড় টর্চ লাইট এবং লং-লাস্টিং ব্যাটারি নিয়ে প্রতিটি মডেল ক্রেতাদের আলাদা আলাদা অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। এছাড়াও প্রতিটি হ্যান্ডসেটের জন্য থাকছে ১ বছরের ওয়ারেন্টি সেবার ব্যবস্থা। মিগো মোবাইল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে (https://amigo-bd.com/) ওয়েবসাইট ভিজিট করার ব্যবস্থা রয়েছে।

এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটাল ও সাইবার সিকিউরিটি সহযোগিতায় অ্যাকজেনটেক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম ব্যবসায়িক শিল্পগোষ্ঠী এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে স্মার্ট সলিউশন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাকজেনটেক পিএলসি। সম্প্রতি রবি আজিয়াটা লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাকজেনটেক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) আদিল হোসেন নোবেল এবং এন. মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান মনজুরুল হক এ সংক্রান্ত চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তি অনুসারে, দেশের প্লাস্টিক শিল্পের অন্যতম প্রতিষ্ঠান এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটাল কার্যক্রম গতিশীল করবে অ্যাকজেনটেক। এন মোহাম্মদ গ্রুপের ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ওসিআই) বাস্তবায়নে কাজ করবে অ্যাকজেনটেক, যা গ্রুপটির ওরাকল ইআরপি সিস্টেমকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখবে। এই সমন্বয়ের মাধ্যমে এন মোহাম্মদ গ্রুপের ব্যবসায়িক দক্ষতা, নির্ভরযোগ্যতা, কার্যকারিতা ও সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।

ইআরপির জন্য ওসিআই ব্যবহারের পাশাপাশি এন মোহাম্মদ গ্রুপ নিজেদের ই-কমার্স এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনার জন্য অ্যাকজেনটেকের রবি ক্লাউড ব্যবহার করছে। যা অনলাইনে গ্রুপটির প্রসার এবং স্থানীয় বাজারে ভোক্তাদের সাথে যোগাযোগের ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে বিস্তৃত করবে।

অ্যাকজেনটেক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) আদিল হোসেন নোবেল এ প্রসঙ্গে বলেন, “এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটাল অবকাঠামো নিয়ে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও রবি ক্লাউডের মাধ্যমে আমাদের সমন্বিত ক্লাউড সলিউশন এন মোহাম্মদ গ্রুপকে বর্তমান ডিজিটাল সময়ে নিজেদের ব্যবসাকে আরো এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।”

;

গিগাবাইটের গেমিং মনিটর এখন বাংলাদেশে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: গিগাবাইটের গেমিং মনিটর উন্মোচন

ছবি: গিগাবাইটের গেমিং মনিটর উন্মোচন

  • Font increase
  • Font Decrease

গেমিংয়ের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা আকর্ষণীয় ওলেড মনিটর বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এলো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কম্পিউটার ব্র্যান্ড গিগাবাইট। রোববার (১৪ জুলাই) রাজধানী একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এক পার্টনারমিট অনুষ্ঠানে এই মনিটর উন্মোচন করা হরে গিগাবাইট বাংলাদেশ। আয়োজনে গিগাবাইটের গেমিং ও বিনোদনের আরও বিস্তৃত পণ্যের সমাহারের সাথে পরিচিত হন পার্টনাররা।

এই মনিটর উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- গিগাবাইট এর পরিবেশক প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ডিসট্রিবিউশন বিজনেস ডিরেক্টর জাফর আহমেদ, চ্যানেল সেলস ডিরেক্টর মুজাহিদ আলবেরুনী সুজন এবং গিগাবাইট কান্ট্রি হেড খাজা মো. আনাস খান।

এ সময় বাংলাদেশ সহ বিশ্ববাজারে গেমিং মনিটরের ক্ষেত্রে অপ্রতিদ্বন্দ্বী গিগাবাইট বলে জানিয়েছেন বক্তরা। দেশের বাজারেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে জানান তাঁরা।

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ডিসট্রিবিউশন বিজনেস ডিরেক্টর জাফর আহমেদ বলেন-একসময় গিগাবাইট বলতে শুধু মানুষ মাদারবোর্ড ছিলো। এখন গিগাবাইট বলতে বুঝায় একটা ব্র্যান্ড পিসি। এ সময় সম্মানিত পার্টনারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

খাজা মো. আনাস খান বলেন-পৃথিবী এখন চলতেছে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট) বেইজড। এই এইআইকে গুরুত্ব আমরা এআই বেইজড ল্যাপটপ বাজারে নিয়ে এসেছি। এর ধারাবিকতায় গেমিংয়ের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা আকর্ষণীয় ওলেড গেমিং মনিটর বাজারে নিয়ে এসেছি। নতুন নিয়ে আসা এই ওলেড সিরিজের গেমিং মনিটরটি এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের লাসভেগাসে অনুষ্ঠিত এসইএস (কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস শো) ২০২৪-এ উন্মোচন করা হয়। এখন থেকে বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

নতুন এই মনিটরে কি আছে:

২৭-৩৪ ইঞ্চির এই মনিটরগুলোয় রয়েছে ৩৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেট, এর সাথে যুক্ত হয়েছে সর্বাধুনিক স্পেকিফিকেশন ও বিশেষ ট্যাকটিকাল ফিচার; যা ব্যবহারকারীর গেমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ের অভিজ্ঞতাকে নিয়ে যাবে অনন্য উচ্চতায়। এসইএস ২০২৪ অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণই ছিল সর্বাধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ ৩২ ইঞ্চির অরাস এফও৩২ইউ২পি। বিশ্বের প্রথম ডিপি২.১ ইউএইচবিআর২০ ট্যাকটিকাল গেমিং মনিটর হিসেবে এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৮০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ। যা ডিসপ্লে স্ট্রিম কমপ্রেশন (ডিএসসি) ছাড়াই পূর্ববর্তী ডিপি১.৪ এইচবিআর৩ এর তুলনায় আড়াই গুণ বেশি ব্যান্ডউইথ-সম্পন্ন গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সক্ষম। এই মনিটরের ডিসপ্লে পোর্টে ডেইজি চেইন ব্যবহার করা যাবে, ফলে কোনোপ্রকার ক্যাবল ক্লাটার ছাড়াই মাল্টি-ডিসপ্লে কনফিগার করা হবে অনেক সহজ।

অরাসের গেমিং মনিটরগুলোয় বেশকিছু উদ্ভাবনী ও গেমিং-বান্ধব ট্যাকটিকাল ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কুইক অ্যাক্সেস ফাংশনের জন্য নির্ধারিত শর্টকাট কী - ট্যাকটিকাল সুইচ। কম আলোতেও সমৃদ্ধ দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রয়েছে নাইট ভিশন, যা পুরো স্ক্রিন ওভারএক্সপোজ না করেই অন্ধকার এলাকাকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম। পাশাপাশি, ফার্স্ট-পারসন শ্যুটারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা এর রেজ্যুলুশন সুইচ। দ্রুত গতির গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে যা মাত্র এক ক্লিকেই ২৪ ইঞ্চিকে ১০৮০ পিক্সেলে রূপান্তর করতে সক্ষম।

একইসাথে, এআই-নির্ভর সমাধান গিগাবাইট ওলেড কেয়ার নিয়ে এসেছে গিগাবাইট। ফলে, এখন ইমেজ জমিয়ে রাখার দুশ্চিন্তা কমে আসা এবং নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী স্বয়ংক্রিয় প্যানেল-প্রোটেকটিং ফিচার যুক্ত করা আরও সহজ হবে। বিশেষকরে, স্ক্রিন ব্যবহারের ধরন নিরবচ্ছিন্নভাবে শনাক্ত করতে পারে গিগাবাইট ওলেড, যা নিজেকে নিয়মিত ও স্বাধীনভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম। ফলে, এখানে ব্যবহারকারীর ম্যানুয়েল কোনো কাজ থাকছে না।

মোশনের ক্ষেত্রে অতুলনীয় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং মোশন ব্লার ও ঘোস্টিং উল্লেখযোগ্যহারে কমিয়ে আনতে নতুন এই গেমিং মনিটরগুলোয় ব্যবহার করা হয়েছে সিএমআর১৩০০০-টায়ার কিউডি-ওলেড প্যানেল। ব্যবহারকারীর স্ক্রিন দেখার ক্ষেত্রে একদম স্বচ্ছ ও ঝকঝকে অনুভূতি নিশ্চিত করবে এর ১,৫০০,০০০:১ কনট্রাস্ট রেশিও, ভেসা ডিসপ্লে এইচডিআর ট্রু ব্ল্যাক ৪০০ এবং ৯৯ শতাংশ ডিসিআই-পি৩ এর আলট্রা-ওয়াইড কালার গেমাট। এর উচ্চ রিফ্রেশ রেট ও বিদ্যুৎগতিসম্পন্ন ০.০৩ এমএস জিটিজি রেসপন্স টাইম গেমিংয়ের অভিজ্ঞতাকে করবে আরও নিখুঁত ও দুর্দান্ত।

অনবদ্য এই এফও৩২ইউ২পি-এর মতোই আরেকটি মনিটর হচ্ছে এফও৩২ইউ২; এতে এইচডিএমআই ২.১ এফআরএল ১২জি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। আরেকটি হচ্ছে এফও২৭কিউ৩, যেখানে সমৃদ্ধ দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে ৩৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহারকারীর জন্য অনবদ্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে এবং গেমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ের অনন্য চাহিদা পূরণ করতে আলট্রা-ওয়াইড কার্ভড মনিটর এমও৩৪ডব্লিউকিউসি ও এমও৩৪ডব্লিউকিউসি২ নিয়ে আসা হয়েছে।

;

আজ সারাদেশে থাকতে পারে ইন্টারনেটে ধীরগতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আজ সারাদেশে ১২ ঘণ্টা থাকতে পারে ইন্টারনেটে ধীরগতি

আজ সারাদেশে ১২ ঘণ্টা থাকতে পারে ইন্টারনেটে ধীরগতি

  • Font increase
  • Font Decrease

সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সারাদেশে ১২ ঘণ্টা ধীরগতিতে থাকতে পারে ইন্টারনেট। এদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেটের নিরবিচ্ছিন্ন সেবা ব্যাহত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। 

শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লিমিটেড পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, সাবমেরিন ক্যাবল (সিমিইউ-৪) সিস্টেমের সিঙ্গাপুর প্রান্তে কনসোর্টিয়াম কর্তৃক গৃহীত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করার জন্য ১৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রায় ১২ ঘণ্টা এ ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো আংশিক বন্ধ থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হতে পারে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বিএসসিপিএলসি।

তবে কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন (সিমিউই-৫) ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো যথারীতি চালু থাকবে।

;

মাসে দুই কোটি সক্রিয় গ্রাহকের মাইলফলক অর্জন করলো মাইজিপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মাসে দুই কোটি সক্রিয় গ্রাহকের মাইলফলক অর্জন করলো মাইজিপি

মাসে দুই কোটি সক্রিয় গ্রাহকের মাইলফলক অর্জন করলো মাইজিপি

  • Font increase
  • Font Decrease

মাসে দুই কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারীর মাইলফলক ছুঁয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় অ্যাপ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেল গ্রামীণফোনের ফ্ল্যাগশিপ অ্যাপ মাইজিপি। এই অর্জন দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মাইজিপি'র অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে অনন্য ও নিরবচ্ছিন্ন সব ডিজিটাল সেবা উপভোগ করছেন দেশের কোটি কোটি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী। অনন্য এই অর্জন উপলক্ষ্যে গতকাল রাজধানীর জিপি হাউজে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইয়াসির আজমান, চিফ ডিজিটাল অফিসার সোলায়মান আলম সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রামীণফোনের গ্রাহকদের জন্য 'ওয়ান-স্টপ' সল্যুশন হিসেবে ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু হয়েছিল মাইজিপি অ্যাপের; যাতে গ্রাহকরা সহজে কোম্পানিটির বিভিন্ন ধরণের সেবা উপভোগ করতে পারেন। সময়ের সাথে সাথে অ্যাপটি একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে; যোগ হয়েছে নতুন নতুন সুবিধা ও উদ্ভাবনী ফিচার, যাতে ক্রমবর্ধমান গ্রাহকদের বৈচিত্র্যময় চাহিদা পূরণ হয়।

মাইজিপি গ্রাহকদের মোবাইল নেটওয়ার্কের সাথে যোগাযোগের ধারাকে বদলে দিয়েছে। গ্রাহক অভিজ্ঞতা হয়েছে সহজ ও সমৃদ্ধ, যা অ্যাপটিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে। প্রতিটি গ্রাহকের অ্যাপ অভিজ্ঞতাকে তাদের নিজস্ব প্রয়োজন ও সুবিধা উপযোগী করা এবং সহজ রিচার্জ ও পেমেন্ট সলিউশন সহ এআই-সক্ষম অফার প্রদান করে অ্যাপটি। ফলে বাজারের সেরা মিনিট ও ইন্টারনেটের আস্থার অপর নাম হয়ে উঠেছে মাইজিপি। মাইজিপি এখন দেশের সবচেয়ে বড় সেল্ফ-সার্ভিস অ্যাপ যেখান থেকে ব্যবহার-বান্ধব ইন্টারফেসের মাধ্যমে গ্রাহক তার নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ও সুবিধামতো গ্রামীণফোনের ৯৯ শতাংশ সেবা এবং বিক্রয়-পরবর্তী সেবা গ্রহণ করতে পারেন। অ্যাপটির অনন্য বৈশিষ্ট্য, যেমন: অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সের রিয়েল-টাইম আপডেট, ভ্যালিডিটি, রোমিং সেবাসহ আরো অনেক কিছু অ্যাপটিকে কোটি কোটি গ্রাহকের কাছে একটি আবশ্যক টুলে পরিণত করেছে।

টেলিযোগাযোগ সেবার পাশাপাশি বিনোদন, খেলা, শিক্ষা, সহজ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা এবং জিপি-স্টার ডিসকাউন্টের মতো বিভিন্ন সেবার সহযোগে একটি সমন্বিত সেবা প্রদান করে অ্যাপটি। মাইজিপির মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে জনপ্রিয় সব খেলা উপভোগ এবং শীর্ষস্থানীয় কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলো সহজে ব্যবহারের সুযোগ পান গ্রাহকরা। এছাড়া অ্যাপটিতে বিভিন্ন লাইফস্টাইল -ভিত্তিক কনটেন্ট যেমন: সংবাদ প্ল্যাটফর্ম, জিপি’র প্রিমিয়ার ইসলামিক কনটেন্ট, নামাজের সময়সূচী, ইত্যাদি যোগ করা হয়েছে। ফলে মাইজিপি হয়ে উঠেছে দৈনন্দিন জীবনে নিত্য ব্যবহার্য এক অনুষঙ্গ।

টেলকো সুবিধার বাইরে মাইজিপির মাধ্যমে সহজেই বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক আইওটি ডিভাইস ব্যবহার করতে পারেন গ্রামীণফোনের গ্রাহক যা ডিজিটাল জীবনধারার ভবিষ্যতকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে। অ্যাপটির মাধ্যমে যানবাহন ট্র্যাকিং সিস্টেম এবং অ্যাডভান্সড সেফটি মনিটরের মতো ডিভাইস কিনে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারেন ইন্টারকানেক্টেড ইনটেলিজেন্স ও সেবা; যা গ্রাহকদের দেবে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও সুখী জীবন। গ্রাহকরা অ্যাপ থেকে প্রতিযোগিতামূলক আকর্ষণীয় দামে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে এই ডিভাইসগুলো কিনতে পারবেন। এসব সুবিধাই অ্যাপটিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

গ্রামীণফোনের চিফ ডিজিটাল অফিসার সোলায়মান আলম বলেন, "মাইজিপি অ্যাপে মাসে দুই কোটির বেশি ব্যবহারকারীর সংখ্যা আমাদের প্রতি গ্রাহকদের অবিচল আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিফলন।

উদ্ভাবন, গ্রাহক-কেন্দ্রিকতা এবং গ্রাহকের বাস্তব সমস্যার সমাধানে আমাদের একনিষ্ঠতা মাইজিপিকে একটি সাধারণ সেল্ফ-সার্ভিস অ্যাপ থেকে অল-ইন-ওয়ান সল্যুশনে রূপান্তরিত করতে সক্ষম করেছে। এতে গ্রামীণফোনের সকল টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত সুবিধাসহ জীবনধারা, বিনোদন ও অন্যান্য অফার প্রদান করা হয়। ফলে অ্যাপটি হয়ে উঠেছে গ্রাহকদের অন্যতম ডিজিটাল সহযোগী।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা মাইজিপির মাধ্যমে এমন একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চাই যা গ্রাহকদের প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল চাহিদাগুলো মেটাবে এবং গ্রাহকদের আরো ডিজিটাল-বান্ধব ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে তুলবে। মাইজিপি হবে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে সহজে ও দ্রুত সব কিছু করা যাবে যা অ্যাপটিকে দেশের অন্যতম শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এর অবস্থানকে আরো দৃঢ় করবে।”

গুগল প্লেস্টোর বা আইওএস অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে মাইজিপির সুযোগ ও সুবিধাগুলো উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা।

;