বাংলাদেশে শুরু হলো হুয়াওয়ের ‘উইমেন ইন টেক’প্রতিযোগিতা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশে শুরু হলো হুয়াওয়ের ‘উইমেন ইন টেক’প্রতিযোগিতা

বাংলাদেশে শুরু হলো হুয়াওয়ের ‘উইমেন ইন টেক’প্রতিযোগিতা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের নারীদের জন্য একটি বিশেষ আইসিটি প্রতিযোগিতা নিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়া অফিস। আজ ঢাকায় অবস্থিত হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমিতে ‘উইমেন ইন টেক ২০২৩’ শীর্ষক

এই প্রোগ্রামটি উদ্বোধন করা হয়। আইসিটি খাতে প্রতিভা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখতে এবং নারীদের মাঝে এই খাত সংক্রান্ত জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে এই প্রোগ্রামটি নিয়ে আসা হয়েছে। বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতার কৌশলগত সহযোগী ইউনেস্কো।

হুয়াওয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো প্রযুক্তি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো। ‘টেক ফর হার, টেক বাই হার, টেক উইথ হার’ এই থিম নিয়ে ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী হুয়াওয়ে ‘উইমেন ইন টেক’ প্রোগ্রামটি চালু

করে। এবছরই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে যাচ্ছে হুয়াওয়ে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (STEM) বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নারী শিক্ষার্থী কিংবা গত দুই বছরের

মধ্যে স্নাতক সম্পূর্ণ করেছে এমন নারীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেং এবং ইউনেস্কো ঢাকা কার্যালয়ের অফিসার ইন চার্জ সুজান ভাইজ যৌথভাবে এই প্রোগ্রামের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আরও

উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি; বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন; চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার; বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং

বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মাহমুদা নাজনীন এবং বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, “শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে নারীর ক্ষমতায়নে অগ্রগতি হচ্ছে। চাকরির বাজারে আমাদের নারীদের সরব উপস্থিতি আছে এবং সব ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীরা যুক্ত হচ্ছে। আমাদের শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। কিন্তু আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে হুয়াওয়ের নতুন উদ্যোগ ‘উইমেন ইন টেক’ এবং এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত এ ধরনের অন্যান্য সব উদ্যোগ

প্রশংসনীয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে আমাদের পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই।”

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “এশিয়ায় একটি অলৌকিক ঘটনা ঘটছে। গত ৫০ বছরে একটি দেশ বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটিতে পরিণত হয়েছে - সেই দেশটি হলো বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এ উন্নয়ন অর্জন করেছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। এই বিশাল জনসংখ্যা সম্পদে পরিণত করতে মানবসম্পদ উন্নয়নে মনোযোগ দিতে হবে, বিশেষ করে নারীদের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশে অবশ্যই স্মার্ট নারী থাকতে হবে। এই দৃষ্টিকোণ বিবেচনায় নিলে সহজেই বোঝা যায় যে কেন ‘উইমেন ইন টেক’ প্রোগ্রামটি গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রোগ্রাম প্রমাণ করেহুয়াওয়ে বাংলাদেশের নারীদের ক্ষমতায়নকে কতটা গুরুত্ব দেয়।”

হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার সিইও প্যান জুনফেং বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করি যে, আইসিটি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশের নারীদের এদেশের আইসিটি খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার

জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা রয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে এবং এ দেশে নতুন প্রযুক্তিগত ও বাণিজ্যিক অগ্রগতি আনবে। ‘উইমেন ইন টেক’ উদ্যোগের মাধ্যমে নারীদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য আরেকটি সুযোগ তৈরি করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত।”

ইউনেস্কো ঢাকার অফিসার-ইন-চার্জ সুসান ভাইজ বলেন, “নারীদের ক্ষমতায়নে ও প্রযুক্তি খাতে তাদের সমান অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিতে হুয়াওয়ে ও ইউনেস্কো দুই প্রতিষ্ঠানই কাজ করছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (ফোরআইআর) লক্ষ্য অর্জনে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের অবদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ‘ওমেন ইন টেক' নারীদের দক্ষতা প্রদর্শন এবং প্রযুক্তি খাতে নারী ও তরুণীদের অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করছে। এই সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণে হুয়াওয়ের কৌশলগত সহযোগী হতে পেরে ইউনেস্কো আনন্দিত।”

এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে নিবন্ধন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে [email protected] -এ নিজেদের সিভি পাঠিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর, আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হবে। পরবর্তীতে, শীর্ষ ৫০ জন মনোনীত আবেদনকারী হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমিতে আট দিনের (অফলাইন এবং অনলাইন) বুট ক্যাম্প প্রশিক্ষণে যোগদান করবেন। পরবর্তীপর্যায়ে, হুয়াওয়ে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ভিন্ন-ভিন্ন দল গঠন করবে। এরপর মেন্টরদের সংশ্লিষ্টতায় এই দলগুলো তিন মাসব্যাপী প্রকল্প এবং ধারণা উপস্থাপনা (প্রেজেন্টেশন) প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবে, যার ফলাফলের ভিত্তিতে সেরা তিন বিজয়ীর/দলের নাম ঘোষণা করা হবে। ছয় মাসব্যাপী এই অনুষ্ঠানের চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার হিসেবে পাবে তিন লাখ টাকা। প্রথম এবং দ্বিতীয় রানার আপ পাবে যথাক্রমে দুই লাখ ও এক লাখ টাকা। বিজয়ীরা চীনে হুয়াওয়ের সদর দফতরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি, ভিসি ও এঞ্জেল ইনভেস্টরদের

সাথে দেখা করার ও তাদের ধারণা উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রকল্প শুরুর ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিনিয়োগ লাভের সুযোগ পাবেন।

উল্লেখ্য, হুয়াওয়ে সিডস ফর দ্য ফিউচার, আইসিটি ইনকিউবেটর এবং অন্যান্য আইসিটি ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও কর্মসূচির মতো কার্যকরী ও সময়োপযোগী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে আইসিটি খাতে প্রতিভা বিকাশে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে এবং এ খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। হুয়াওয়ের ২০২২ আইসিটি ইনকিউবেটরে দ্বিতীয় রানার-আপ রিল্যাক্সি’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী জাহ্নবী রহমান ‘ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০’ এশিয়া ২০২৩ এর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।

   

রিয়েলমি নোট ৫০ কিনতে আউটলেটে গ্রাহকের উপচে পড়া ভিড়



নিউজ ডেস্ক
রিয়েলমি নোট ৫০ কিনতে আউটলেটগুলোতে গ্রাহকের উপচে পড়া ভিড়

রিয়েলমি নোট ৫০ কিনতে আউটলেটগুলোতে গ্রাহকের উপচে পড়া ভিড়

  • Font increase
  • Font Decrease

তরুণদের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড রিয়েলমি’র এন্ট্রি-লেভেল স্মার্টফোন রিয়েলমি নোট ৫০ উল্লেখযোগ্যভাবে সমগ্র বাংলাদেশের টেকপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। বাজারে ছাড়ার প্রথম দিন থেকেই ডিভাইসটি কেনার জন্য দেশে রিয়েলমি’র সকল আউটলেটে আগ্রহী গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় হয়েছে দেখার মতো! ফোনটি কেনার জন্য স্মার্টফোনপ্রেমীদের এমন আগ্রহ এটির “লং-লাস্টিং ভ্যালু কিং” নামকরণটিকে যথার্থ সার্থক করে তুলেছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, রিয়েলমি নোট ৫০ স্মার্টফোনের বাজারে আসার পরপরই ব্র্যান্ডের আউটলেটগুলোতে আগ্রহী গ্রাহকদের ভিড় সামলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। সীমিত পরিমাণ ফোন থাকলে যদি কেনার সুযোগটাই না পাওয়া যায়, এজন্য অনেক গ্রাহকই ফোনটি হাতে পেতে আগেই প্রি-বুকিং দিয়ে রেখেছিলেন। স্মার্টফোনপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়ে রিলেমি’র আউটলেটগুলো যেন উৎসবের জায়গায় পরিণত হয়েছে। এই উদযাপনকে আরও বাড়িয়ে তুলতে গ্রাহকদের জন্য ব্যাকপ্যাক, হেডফোন, ব্যাক কভার, স্ক্রিন প্রটেক্টরসহ নানা ধরনের আকর্ষণীয় গিফটের ব্যবস্থা রেখেছে রিয়েলমি। পছন্দের শীর্ষে থাকা রিয়েলমি নোট ৫০ ডিভাইসটিকে নিজের দখলে নিতে ঢাকার মিরপুর, গাজীপুর, সিলেট এবং চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার আউটলেটে দেখা গেছে রিয়েলমিপ্রেমী ক্রেতাদের অবিশ্বাস্য লাইন।

প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্যতা ও গুণগত মান ধরে রেখে, রিয়েলমি নোট ৫০ টেকপ্রেমীদের দিচ্ছে আকর্ষণীয় সব ফিচারের অফার। এতে রয়েছে আইপি৫৪ রেটিং এর ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স, আরও রয়েছে দুই ধরনের মসৃণ ব্যাক কভার ডিজাইন এবং ৭.৯৯ মিলি মিটারের একটি পাতলা বডি, যা ফোনের ব্যবহারকারীকে দেয় এক ধরনের আরামদায়ক অভিজ্ঞতা। ফোনটির ৬.৭৪-ইঞ্চির ফুল-স্ক্রিন ডিসপ্লেতে রয়েছে অসাধারণ ৯০.৩% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও, ৯০ হার্টজ হাই রিফ্রেশ রেট এবং ওয়াইড কালার গেমুট, যা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীকে দেয় অতুলনীয় ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিয়েন্সের গ্যারান্টি।

অসাধারণ ডিজাইনের এই ডিভাইসে রয়েছে নির্ভরযোগ্যতা ও পারফরম্যান্সের একটি পাওয়ার হাউস। এতে রয়েছে অক্টা-কোর প্রসেসর এবং ঈর্ষণীয় ২৪৫,৩৪৩ আনটুটু বেঞ্চমার্ক স্কোর, যা স্মার্টফোন ইউজারকে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স পাওয়ার সুযোগ এবং নির্বিঘ্ন মাল্টিটাস্কিংয়ের সক্ষমতা প্রদান করে। ফোনের শক্তিশালী ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি দেয় ফোনটিকে বাড়তি ব্যবহারের নিশ্চয়তা। মোট কথা, ডিজাইন ও কার্যকারিতার প্রতিটি দিক থেকে নির্ভরযোগ্যতা ও গুণগত মান ধরে রেখে, এই ডিভাইসটি যে কোনো কাজের জন্য একটি অবিচল সঙ্গী হিসেবে নিজের অবস্থানকে ধরে রাখে।

টেকপ্রেমীরা রিয়েলমি নোট ৫০ এর ৪ জিবি+৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্ট পাচ্ছেন মাত্র ১০,৯৯৯ টাকার আকর্ষণীয় দামে। অন্যদিকে ৪ জিবি+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টটি পাচ্ছেন মাত্র ১১,৯৯৯ টাকায়। এছাড়াও, ফোনটির ৪ জিবি+৬৪ জিবি ভেরিয়েন্টটি ব্যবহারকারীরা Pickaboo.com -এ বিশেষ অফারে পাচ্ছেন মাত্র ১০,৪৯৯ টাকায় অথবা ৬ মাসের ইএমআই এর মাধ্যমে কেনার সুযোগ। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে এবং রিয়েলমি নোট ৫০ স্মার্টফোনটি কিনতে, যেতে পারেন এই লিঙ্কেঃ https://www.pickaboo.com/product-detail/realme-note-50-4gb-64gb/।

;

জিপি বনাম রবি, বাংলালিংক বিরোধের সুরাহা হয়নি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রামীণফোনের ৮৫০ ব্যান্ডে স্পেকট্রাম চাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌছায়নি বলে জানিয়েছে।

গ্রামীণফোন বিটিআরসির কাছে ৮৫০ ব্যান্ডে স্পেকট্রাম চাওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক বলছে, গ্রামীণফোন যদি ৮৫০ ব্যান্ডে ১০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেওয়া হয় তাহলে তাদের নেটওয়ার্কে সমস্যা তৈরি করবে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমের সাথে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় একথা জানানো হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ প্রথম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বিটিআরসির মহাপরিচালক (স্পেকট্রাম বিভাগ) ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান বলেন, মার্চের শুরুতেই সব মোবাইল অপারেটর এমটবের ব্যানারে একসাথে বসবে। এরপর অপারেটরেরা আমাদেরকে একটা প্রস্তাবনা দেবে। ওই প্রস্তাবনা নিয়ে ভেন্ডরদের সঙ্গে বসবো। এ বিষয়ে দেশের ও গ্রাহকদের জন্য যা ভালো হয় সেটিই আমরা করবো।

;

পর্নো ও বেটিং সাইটের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা পর্নোগ্রাফি ও বেটি সাইটগুলোর বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেছে, এ ধরনের সাইটের সন্ধান পেলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমের সঙ্গে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় একথা জানানো হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ প্রথম সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খলিল-উর-রহমান বলেন, নিরাপদ ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে বিটিআরসি। আইন প্রয়োগকারী বা সরকারি সংস্থার অনুরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইস্যুগুলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে জানিয়ে সমাধানের চেষ্টা করে থাকি আমরা। ফেসবুক আমাদের সব অনুরোধ রাখে না। তাদের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ করে থাকে। তবে উসকানিমূলক, রাষ্ট্রদ্রোহী কোনো কনটেন্ট এবং বিশেষ করে পর্নো ও বেটি সাইটগুলোর বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হয় না। যখনই এ ধরনের সাইটের সন্ধান পাওয়া যায়, আমরা তাৎক্ষণিক ওই সব সাইট বন্ধ করে দেই।

;

বাজারে এলো ইনফিনিক্সের গেমিং স্মার্টফোন হট ৪০ প্রো



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্মার্টফোন গেমারদের জন্য বাংলাদেশের বাজারে নতুন গেমিং ফোন ‘হট ৪০ প্রো’ নিয়ে এলো তরুণদের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। তরুণ গেমারদের সেরা গেমিং অভিজ্ঞতা দিতে, শক্তিশালী ও উন্নত ফিচারে আনা হয়েছে ফোনটি। ডিভাইসটিতে উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে জোর দেওয়া হয়েছে খুঁটিনাটি প্রতিটি বিষয়ের ওপর।

হট ৪০ প্রো ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬ ন্যানোমিটারের মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৯ আল্ট্রা-স্পিড প্রসেসের। ফলে কম শক্তি খরচেই পাওয়া যাবে কার্যকর পারফরম্যান্স। এই প্রসেসরকে আরও শক্তিশালী করেছে ইনফিনিক্সের তৈরি এক্স-বুস্ট গেমিং ইঞ্জিন। এই সমন্বয়টি তরুণদের গেমিং চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নিশ্চিত করবে স্বচ্ছন্দ অভিজ্ঞতা।

দিনব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে সাশ্রয়ী মূল্যের গেমিং ফোনটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি এবং ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার। এই চার্জার দিয়ে মাত্র ৩৫ মিনিটেই ফোনটির চার্জের পরিমাণ ২০% থেকে ৭৫% করা যায়। এছাড়া চার্জিং-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফোনটিতে আছে রিয়েল-টাইম টেম্পারেচার মনিটরিং ফিচার।

উন্নত গেমিং পারফরম্যান্সের জন্য হট ৪০ প্রো ফোনটিতে আছে ৮ জিবি র‍্যাম, যা ১৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যায়। ১২৮ জিবি ধারণক্ষমতার স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১৩ ভিত্তিক এক্সওএস ১৩.৫ অপারেটিং সিস্টেমে চলে। ফোনটির সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা আরও বাড়াবে।

গেমারদের ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা উন্নত করতে ডিভাইসটিতে আছে ম্যাজিক রিং ফিচারসহ ৬.৭৮ ইঞ্চির ফুল এইচডি+ আইপিএস ডিসপ্লে। স্বচ্ছন্দ টাচ ও স্ক্রলিংয়ের জন্য ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট দেওয়া হয়েছে ডিভাইসটিতে। গেমিংয়ের সময় সর্বোত্তম স্বচ্ছতা ও দেখার স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ৯০.৭% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও এবং ৫০০ নিটস ব্রাইটনেস থাকছে এতে। এর মাল্টিফাংশনাল এনএফসি’র মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ডেটা শেয়ার অথবা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন সহজেই।

হট ৪০ প্রো-তে নতুন মেটাম্যাটেরিয়াল অ্যান্টেনা নিয়ে এসেছে ইনফিনিক্স। অ্যান্টেনাটি চলে মেটাম্যাটেরিয়াল গেমিং নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে। এই প্রযুক্তি তিনগুন বেশি অ্যান্টেনা এরিয়া কাভার করতে পারে। ফলে গেমিংয়ের সময় নেটওয়ার্ক সিগন্যাল নিয়ে বাড়তি দুঃশ্চিন্তা করতে হয় না।

ফটোগ্রাফির জন্য ডিভাইসটিতে আছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা। এই হাই-রেজোলিউশন লেন্সের সঙ্গে আছে দুই মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো লেন্স। পাশাপাশি এতে আছে একটি এইচএমএস সেন্সর, যা সুন্দর ও স্পষ্ট ছবি তুলতে ব্যবহারকারীদের সাহায্য করবে। ডিভাইসটির সামনে থাকা ৩২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে সুন্দর সেলফি তুলতে পারবে তরুণরা।

উদ্ভাবনী ফিচারযুক্ত ইনফিনিক্স হট ৪০ প্রো পাওয়া যাচ্ছে একটি চমৎকার এমএলবিবি-কাস্টমাইজড বক্সে। পাম ব্লু, হরাইজন গোল্ড এবং স্টারলিট ব্ল্যাক— এই তিনটি রঙে বাজারে এসেছে ফোনটি। ১৯,৯৯৯ টাকা মূল্যের ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ইনফিনিক্সের অনুমোদিত শপ এবং দেশের বৃহত্তম অনলাইন শপিংপ্লেস দারাজে।

;