৫ দিন পর দেশে চালু হলো ইন্টারনেট

  • ডেস্ক ,বার্তা২৪
  • |
  • Font increase
  • Font Decrease

৫ দিন পর দেশে ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা আবার চালু হয়েছে।

৫ দিন পর দেশে ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা আবার চালু হয়েছে।

৫ দিন পর দেশে ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা আবার চালু হয়েছে। কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে চলমান পরিস্থিতির মধ্যে সারা দেশের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ ছিল। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধের কারণ হিসেবে ডেটা সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা বলেছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার পর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু করে দেয় সরকার। টানা ৫ দিন ইন্টারনেটের বাইরে ছিল দেশ। তবে ইন্টারনেট চালু হলেও স্লো কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে সকালে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ব্যাংক খাত, বাণিজ্যিক এলাকা, মিডিয়া ও বন্দর এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইন্টারনেট সেবা চালু করা হবে। সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হতে কিছু সময় লাগবে।

সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টা থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বন্ধ ছিল।

বিজ্ঞাপন

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের কারণ হিসেবে তখন চলমান পরিস্থিতির কথা বলেছেন। শুক্রবার (১৯ জুলাই) তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, দুর্বৃত্তদের আগুনে মহাখালীতে অবস্থিত ডেটা সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান জানান, রাজধানীর মহাখালীতে দুস্কৃতকারীদের অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত ডেটা সেন্টার ও সঞ্চালন লাইন পুনঃসংযোগের কাজ চলছে; যা মেরামত করতে আরও সময় লাগবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মহাখালীতে দুর্যোগ ভবনে আগুন দেওয়া হয়। এ ভবনের পাশেই থাকা তিনটি ভবনে আইআইজি প্রতিষ্ঠানগুলোর ডেটা সেন্টারসহ ইন্টারনেট সরবরাহকারী কিছু প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়। আগুনে এসব ভবনের বাহিরে থাকা কিছু কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তাই ডেটা সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত কেবল কেটে ফেলা হয়।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এ জায়গা থেকে সারা দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ ইন্টারনেট সরবরাহ করা হয়। ফলে এখানে ডেটা সেন্টার বন্ধ থাকলে সারা দেশের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকবে না।

এদিকে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ইমদাদুল হক শনিবার (২০ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মহাখালীতে ডেটা সেন্টারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে কেবল ও বিভিন্ন সঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা সেবাগুলো আবার চালু করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশ  অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি রাসেল টি আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় প্রতিদিন আইসিটি সেবা খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকা। বিদেশ থেকে যেসব ফরমাশ আসে, সেখানে যোগাযোগে সমস্যা হচ্ছে। গ্রাহকেরা আস্থা হারাচ্ছেন। বাংলাদেশের বাজারের প্রতিও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এত দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট সেবা না পাওয়ায় আইসিটি খাতে সুদূরপ্রসারী ধাক্কা আসবে।