অভিনয় করেছেন একাধিক ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার সিনেমায়।
এর আগে বাংলাদেশে এবং কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে ‘অগ্নি ২’ এবং ‘রোমিও ভার্সেস জুলিয়েট’।
আগের দুটি সিনেমা মুক্তির সঙ্গে এই সিনেমার অবশ্য একটু ভিন্নতা আছে।
এটি আপাতত শুধু কলাকাতায়ই মুক্তি পাচ্ছে, বাংলাদেশে নয়।
মুক্তি এই মাসেই, ৩১ আগস্ট।
পরিচালনায় বাংলাদেশের অনন্য মামুন এবং ভারতের জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।
পরিচালক এবং প্রযোজক অনন্য মামুন বলছিলেন-
ছবির গল্পে তিন নায়কই মাহির প্রেমে অন্ধ। সবাই তার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কে তাকে পাবে, তা সিনেমা হলে ছবি শেষ হওয়ার আগে দর্শক বুঝতে পারবেন না।
একজন মডেল তিনি। উচ্চাকাঙ্ক্ষী। সে আকাঙ্খা পূরণ করতে গিয়ে ঘটে নানা ঘটনা। জড়িয়ে পড়েন সম্পর্কে, দুই নায়কের সঙ্গে।
সোহম, কলকাতার অভিনেতা। বাংলাদেশেও তার প্রচুর ভক্ত। বাংলা সিনেমা যারা দেখেন, তারা প্রায় সবাই-ই চেনেন তাকে। সোহমের সঙ্গে স্ক্রীনশেয়ার করে আপ্লুত মাহি।
বলছেন-
অভিনয়ে আসার আগে থেকেই সোহমের অভিনয় দেখেছি। তার ছোটবেলায় অভিনয় করা সিনেমার একটা ডায়ালগ, ‘হরলিকস দাও না, চেটে চেটে খাবো’র কথা খুব মনে পড়ে। এমন তারকার সঙ্গে কাজ করার মজাই আলাদা।
পরিচিত হাউজে কাজ করতে সবারই ভালো লাগে। মাহিরও তাই। পরিচিত অভিনেতার সঙ্গে কাজও উপভোগ করেন সবাই।
মাহি বলছেন-
‘তুই শুধু আমার’-এ কাজ করার অভিজ্ঞতা অসাধারণ। ওম আমার পছন্দের অভিনেতা। ওর সঙ্গে আগেও কাজ করেছি। তা ছাড়া পরিচিত হাউজে কাজ করতে ভালোই লাগে।
বাংলাদেশে এখন অব্দি ছাড়পত্র পায়নি ‘তুই শুধু আমার’। প্রিভিউ কমিটি সিনেমাটি দেখেছে। ছাড়পত্র দেয়নি। সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা।
তারা বলছেন-সিনেমাটি তৈরির ক্ষেত্রে যৌথ প্রযোজনার যথাযথ নিয়ম মানা হয়নি।
কিন্তু অনন্য মামুন বলছেন-আমরা যৌথ প্রযোজনা প্রিভিউ কমিটির কাছ থেকে চিত্রনাট্য পাস করিয়ে তবেই শুটিং করেছি।
আসলে, সিনেমাটি তৈরির ক্ষেত্রে ২০১২ সালের নীতিমালা অনুসরণ করেছেন প্রযোজক-পরিচালক। সিনেমাটির গল্প লন্ডন শহরকে ঘিরে হওয়ায় পুরো শুটিং-ই করা হয়েছে লন্ডনে। সমস্যা এখানেই।
অনন্য মামুনের ভাষ্যমতে-প্রিভিউ কমিটি ২০১৭ সালে হওয়া নতুন নীতিমালায় ছবিটি প্রিভিউ করেছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী ছবির ৫০ ভাগ কাজ দেশে করতে হবে।
এই প্রশ্নের সরল উত্তর মেলে ‘তুই শুধু আমার’-এর অন্যতম পরিচালক এবং প্রযোজক অনন্য মামুনের কথায়।
তিনি বলছেন-আমরা তথ্য মন্ত্রণালয়ের আপিল বিভাগে আবেদন করেছি। দেখি, কী সিদ্ধান্ত পাই। যদি এভাবে না হয়, তাহলে সাপটা চুক্তি অনুযায়ী শিগগিরই ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি পাবে।
আরও পড়ুনঃ