ব্যক্তিগত অপরাধের দায় সংগঠন নেবে না: ছাত্রলীগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
আবরার হত্যার প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্রলীগের শোক র‌্যালি শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

আবরার হত্যার প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্রলীগের শোক র‌্যালি শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

  • Font increase
  • Font Decrease

কারো ব্যক্তিগত অপরাধের দায় ছাত্রলীগ নেবে না বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাস ভবনের সামনে আবরার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত শোক র‍্যালি শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, অপরাধীদের কোনো দল নেই। অপরাধীরা যেই দলেরই হোক না কেন তাদের শাস্তি পেতে হবে। আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বরা বার বলে আসছি ব্যক্তির দায় সংগঠনের উপর বর্তাবে না। আমরা কারো ব্যক্তিগত দায়ভার নেব না। বাংলাদেশ ছাত্রলীগে অপরাধীর জায়গা নেই।

তিনি বলেন, যারা অপরাধ করবে অথবা ছাত্রলীগের সুনাম নষ্ট করবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরে ছাত্রদের কোন ধরনের দাবি ওঠার আগে কিন্তু প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই কিন্তু আমরা প্রশাসনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। যে অপরাধী তার কোন দল নেই। কারো ব্যক্তিগত অপরাধের দায় আমাদের সংগঠন বহন করবে না।

তিনি বলেন, বুয়েটে যে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এটি বুয়েট শাখা ছাত্রলীগ বা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে হয়নি। কয়েকজনের ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এই হত্যাকাণ্ড কোনো সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ছিল না এটা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ছিল।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, টর্চার সেলের সঙ্গে ছাত্রলীগ কোনভাবেই পরিচিত নয়। যাচাই করে দেখবেন যারা ছাত্রলীগ করে এরা কখনো টর্চার সেলের নাম শুনিনি। ষড়যন্ত্রকারীরা বিভিন্নভাবে আমাদের উপর এই মিথ্যা অপবাদ চাপানোর চেষ্টা করছে। যারা ছাত্রলীগকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে তারা কোনদিনই সফল হবে না।

মহসিন হলে ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে অস্ত্রসহ আটকের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলো তিনি বলেন, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় আসছে মহসিন হল থেকে অস্ত্রসহ যে দুজনকে আটক করা হয়েছে তার ছাত্রলীগ নেতা ছিল। তাদেরকে অনেক আগেই সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।  তারা যে বর্তমানে ছাত্রলীগের নেতা নয় এ বিষয়টি প্রকাশ হচ্ছে না। ভিপি নুর সঙ্গে তারা ছাত্রলীগের এসেছিল এবং নুরকে যে কারণে বহিষ্কার করা হয় একই কারণে তাদেরও করা হয়। পরে নুর ভিপি হবার পর তাদের আবার হলে নিয়ে এসেছে। তারা নুরের সহযোগিতায় পুনরায় এই ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :