Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে দ্বিগুণ

ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে দ্বিগুণ
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গত বছরের তুলনায় ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে (অর্থাৎ একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পরের মাস) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের লেনদেন বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি।

বিদায়ী এ মাসে ডিএসইতে দিনে লেনদেন হয়েছে পৌনে ১ হাজার কোটি টাকার করে। এর আগের বছরের একই সময়ে ছিলো ৪৩৭ কোট টাকা করে। লেনদেন বাড়ায় বাজার থেকে তারল্য সংকট দূর হতে চলছে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ বাড়ছে। তারাও বিনিয়োগে ফিরছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের ইস্যুতে গত বছরের অক্টোবরের পর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বেশির ভাগ সময়ে দরপতন হয়েছিলো। ফলে সেই সময় লেনদেন নেমে এসেছিলো ৩-৪শ কোটি টাকার কোটায়। বিনিয়োগকারীসহ বাজার সংশ্লিষ্ট সবাইর একটা শঙ্কা ছিলো নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার তৈরি হতে পারে।

তবে গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হওয়ার পর সেই প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়। বড় ধরনের হাঙ্গামা ছাড়াই নির্বাচন হয়েছে। নয় সরকারের নেতৃত্বে দেশ চলছে। আর তাতে নতুন পুঁজিবাজারের প্রত্যাশায় দেশি বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি বিদেশিরা আসছে শুরু করেছে। ফলে জানুয়ারি মাসে বিদেশিদের লেনদেনে বেড়েছে ৩৭ শতাংশের বেশি।

ডিএসইর তথ্য মতে, জানুয়ারির মোট ২৩ কার‌্যদিবস লেনদেন হয়েছে। যার মধ্যে বেশির ভাগ দিন সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন হয়েছে। বিদায়ী মাসে ডিএইতে প্রতিদিন গড়ে ৯৭২কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। সেই হিসেবে জানুয়ারি মাসে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২২ হাজার ৩৫৬কোটি টাকা।

একই বাজারে ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে মোট ২৩ কার‌্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো। সেই সময় মোট ১০ হাজার ৭২ কোটি ১৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিলো। যার গড় ছিলো মাত্র ৪৩৭কোটি ৯২ লাখ টাকা। তবে ২০১৭ সালের প্রথম মাসে লেনদেন হয়েছিলো ২৭ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, নির্বাচনের আগে এক ধরনের রাজনৈতিক শঙ্কা ছাড়াই, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে এ কারণে দেশিদের পাশাপাশি বিদেশিরাও শেয়ার কেনা বাড়িয়েছেন। ফলে লেনদেন বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র