Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিজিএমইএ-তে ইতিহাস গড়লেন রুবানা হক

বিজিএমইএ-তে ইতিহাস গড়লেন রুবানা হক
ছবি: বার্তা২৪
উর্মি মাহবুব
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পাঁচ বছর পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া ২০১৯-২১ সালের জন্য বিজিএমইএ -এর দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছে পরিষদ-ফোরাম জোট। আর এই নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন জোটের প্যানেল লিডার রুবানা হক।

বিজিএমইএ -এর ইতিহাসে প্রথম নারী সভাপতি হতে চলেছেন মোহাম্মাদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক।

শনিবার (৬ এপ্রিল) সকালে ৮টা থেকে চলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। শেষ হয় বিকাল ৪টায়। বিকাল সাড়ে ৪টা নাগাদ শুরু হয় ভোট গণনা। শেষ হয় রাত সাড়ে ৮টায়। ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই সন্ধ্যা ৭টায় ভোট গণনা শেষে জয় লাভ করে পরিষদ-ফোরাম জোট। তারপর শুধুই যেন অপেক্ষা ছিল জয় উদযাপনের। রাত সাড়ে ৯টায় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ফল ঘোষণা করা হয়। সেখানেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান রুবানা হক। প্যানেল ভোট ও মিশ্র ভোট মিলিয়ে রুবানা হক পান ১ হাজার ২৮০ ভোট।

নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলামিন ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, অত্যন্ত সুন্দর একটি নির্বাচন হয়েছে এতে আমরা অত্যন্ত খুশি হয়েছি। আমি সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া ২৬ জনকে জয়ী ঘোষণা করছি।

জয়ী পরিষদ-ফোরাম জোটের প্যানেল লিডার রুবানা হক বলেন, ভোটাররা সুস্থভাবে ভোট দিতে পেরেছেন, এটা সত্যি আনন্দের। অনেকে হুইল চেয়ারে করে এসেও ভোট দিয়েছেন। পুরো পোশাক শিল্পই বিজয়ী। এখানে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। আগামীতে যাতে সবাই এক সাথে কাজ করতে পারি, সেই চেষ্টা করতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/06/1554566829148.jpg

অন্যদিকে স্বাধীনতা পরিষদের প্যানেল লিডার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি নির্বাচনে হেরেছি, এটা বিষয় নয়। রুবানা আপা যখন আমাকে পাশে চাইবেন, পাবেন। আশা করছি, তিনি আমাকে পাশে রাখবেন।

বিজিএমইএ -এর নির্বাচনে প্যানেল ভোট পড়েছে ৭৩২টি। আর এর সব ভোটই পেয়েছে পরিষদ-ফোরাম জোট। অন্যদিকে ২৬ জন প্যানেলের ১৭ জন প্রার্থী দিয়েছিল স্বাধীনতা পরিষদ। আর তাই প্যানেল ভোটের একটিও পায়নি স্বাধীনতা পরিষদ।

বিজিএমইএ -এর সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে প্যানেল ভোট পেড়েছে ৭৩২টি। আর মিশ্র ভোট পড়েছে ৬৬৫টি। ৯৯টি ভোট বাতিল হয়।

সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন পরিষদ-ফোরাম প্যানেলের এম এ রহীম। তার ব্যালট নম্বর সাত।

বিজিএমইএ -এর নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা অঞ্চলের ১ হাজার ৫৯৭ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। অন্যদিকে চট্টগ্রামে ৩৫৮ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২৮৮ জন। সে হিসাবে, মোট ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৭৬ শতাংশ ২৮ শতাংশ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/06/1554566749451.jpg

নির্বাচনে অংশ নেওয়া অপর পক্ষ স্বাধীনতা পরিষদের নেতৃত্ব দেন ডিএসএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি পেয়েছেন ৪২২টি ভোট।

ঢাকা অঞ্চলে যেমন জোটের ২৬ জনই জয়ী ঠিক তেমনি চট্টগ্রাম অঞ্চলে পরিষদ-ফোরাম জোটের নয় জন পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই জয়ী হয়েছেন।

নির্বাচিতরা হলেন- এম এ রহিম, রুবানা হক, আরশাদ জামাল, কে এম রফিকুল ইসলাম, ইনামূল হক খান, মিরান আলী, মো. মোহসিনুল আজম, মো. মহিুউদ্দিন রুবেল, মো. নাসির উদ্দিন, মো. রেজোয়ান সেলিম, মো. কামাল উদ্দিনন, মোহাম্মদ নাসির, মো. সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, মো. মনির হোসেন, এ কে এম বদিউল আলম, মো. আবদুল মোমেন, মো. শহীদুল হক মুকুল, ইকবাল হামিদ কোরেয়েশি, মো. শীহাবুদ্দোজা চৌধুরী, মাসুদ কাদের মনা, মো. মোশাররফ হোসেন ঢালী, এস এম মান্নান কচি, শরীফ জহির, নজরুল ইসলাম, আসিফ ইব্রাহীম ফয়সাল আহমেদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/06/1554566669921.jpg

১৮ এপ্রিল নির্বাচিত ৩৫ জন পরিচালক মিলে নির্বাচিত করবেন সভাপতি ও সাতজন সহ-সভাপতি। সভাপতি হিসেবে জোটের সবাই সমর্থন দিবেন রুবানা হককে বলেই ইতোমধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন কয়েকদিনের মধ্যেই পরিচালকরা নির্বাচন করবেন সাতজন সহ-সভাপতিকে।

চলতি মাসের ২০ তারিখের মধ্যেই বর্তমান কমিটিকে নব নির্বাচিত কমিটির কাছে সকল দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে। ২০১৫ সালে সমঝোতার মাধ্যমে গঠিত হয় বর্তমান কমিটি। দুই বছরের জন্য গঠিত এই কমিটি দফায় দফায় আরো দেড় বছর মেয়াদ বাড়ায়। এর ২০১৩ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিলেন বর্তমান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: বিজিএমইএ নির্বাচনে রুবানা হকের প্যানেল জয়ী

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র