Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঈদকে সামনে রেখে গরম মসলার বাজার

ঈদকে সামনে রেখে গরম মসলার বাজার
দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে নানা পদের মসলা, ছবি: বার্তা২৪.কম
তৌফিকুল ইসলাম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের বাকি আর সপ্তাহখানেক। রাজধানীর মসলার বাজারগুলোতে এরই মধ্যে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। ঈদে মাংস রান্নায় বিভিন্ন ধরনের মসলা দরকার হয়। তাই ঈদের সময় তুলনামূলকভাবে চাহিদা বাড়ে মসলার। বাজার বুঝে এ সময় দামও বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা।

রাজধানীর মসলার বাজারে এরই মধ্যে এলাচের দাম কেজিতে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেড়ে গেছে। কয়েকদিন আগে যে এলাাচ বিক্রি হতো ২৪০০ টাকায়। এখন তা ২৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর এই সময়ে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা কেজিতে এলাচ বিক্রি হয়েছে। একই সঙ্গে এবার জয়ত্রী ও পেস্তা বাদামের দামও ঊর্ধ্বমুখী।

বুধবার (২৯ মে) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার এবং কারওয়ান বাজার ঘুরে ঈদ কেন্দ্রিক মসলার এই বাড়তি দামের বিষয়টি জানা যায়।

Kismis
দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কিসমিস, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের মসলা ব্যবসায়ী রহমান মিয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, মসলার আমদানি শুল্ক বেড়েছে। আমাদের খরচ বাড়লে পণ্যের দামের ওপর সে প্রভাব পড়ে। পাইকারি থেকে খুচরা সবখানেই দাম বেড়ে যায়।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে মসলা কিনতে আসা মো. আতাউর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঈদের সামনে মসলার দাম বাড়ায় আমরা সাধারণ ক্রেতারা বিপাকে পড়েছি। কোনো উৎসব এলে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে মসলার দাম বাড়িয়ে দেন। ঈদকে কেন্দ্র করে জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোটা ব্যবসায়ীদের একটা অপকৌশল। আর আমরা সাধারণ ক্রেতারা বাড়তি দাম দিয়ে তাদের অপকৌশলের বলি হই।

কারওয়ান বাজারের মসলা ব্যবসায়ী এরাইট স্টোরের মালিক আব্দুল খালেক বার্তা২৪.কমকে বলেন, বেশির ভাগ মসলার দাম এবার স্থিতিশীল রয়েছে। তবে এলাচ, জয়ত্রী ও পেস্তা বাদামের দাম কিছুটা বাড়তি। এসব পণ্যের দাম ঈদ উপলক্ষে বাড়েনি। মসলার আমদানিকারকরা আমাদের জানিয়েছেন, আমাদের এখানে এলাচের বড় অংশ আমদানি করা হয় কুয়েত থেকে। সেখানে এলাচের ফলন কম হওয়ায় এবার এলাচের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে জয়ত্রী ও পেস্তা বাদামও এবার কম এসেছে। ফলে দাম একটু বেড়েছে।

ঈদের বাজার করতে আসা রওশন আক্তার বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঈদের সময় যেহেতু স্পাইসি খাবার বেশি রান্না করা হয়, তাই মসলার চাহিদা একটু বেশি থাকে। তবে মসলা কিনতে এসে দেখি দাম গত মাসের চেয়ে অনেক বেড়েছে। দাম বাড়ার কারণে যতটুকু কিনতে চেয়েছিলাম তার চেয়ে একটু কম কিনতে হচ্ছে।

সরকারের নজরদারি থাকলে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াতে পারতেন না বলেও মনে করেন তিনি।

টাউনহলের ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত মসলার মজুদ আছে। ঈদকে সামনে রেখে মসলার কোনো সংকট হবে না। মসলার দাম ঈদের আগে আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

Spice

বর্তমান বাজারে মান ভেদে প্রতি কেজি জয়ত্রী ২৪০০ টাকা, যা আগে ছিল ২০০০ টাকা, পেস্তা বাদাম ১৯০০ থেকে ২১৫০ টাকা, যা আগে ছিল ১৭০০ টাকা, দারুচিনি ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, লবঙ্গ ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা, জিরা ৩২০ থেকে ৩২০ টাকা, তেজপাতা ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, সাদা গোলমরিচ ৭০০ টাকা, কালো গোলমরিচ ৫০০ টাকা, জয়ফল ৪৫০ থেকে ৯০০ টাকা, কিসমিস ৩০০ থেকে ৩৭০ টাকা, আলুবোখারা ৩৩০ টাকা, পোস্তদানা ৯৮০ থেকে ১১৫০ টাকা, কাঠবাদাম ৭৫০ টাকা, কাজুবাদাম ৯০০ টাকা ও চিনাবাদাম ১০৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান ভোক্তাদের উদ্দেশে বার্তা২৪.কমকে বলেন, যে সব মসলার দাম বেড়ে গেছে, ক্রেতারা যদি সেগুলো একটু কম কেনেন, তাহলে এসব পণ্যের দাম কমে যাবে।

এদিকে, ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কথায় আছে, ‘চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী'। আমাদের ব্যবসায়ীদের অবস্থা ঠিক ওই রকমই। যারা শুধু লাভের পেছনে ছোটেন, তারা তো ভোক্তার কথা চিন্তা করবেন না।

আপনার মতামত লিখুন :

কিছু কিছু স্থানে চামড়া নষ্ট হয়েছে: শিল্প সচিব

কিছু কিছু স্থানে চামড়া নষ্ট হয়েছে: শিল্প সচিব
বক্তব্য রাখছেন শিল্প সচিব মো.আব্দুল হালিম, ছবি: সংগৃহীত

চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করার ফলে কিছুকিছু স্থানে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা কাঁচা চামড়া নষ্ট করে ফেলেছেন বলে স্বীকার করেছেন শিল্প সচিব মো.আব্দুল হালিম। তবে এটি সমগ্র দেশের চিত্র নয় বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য স্থানের চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।’

শনিবার (১৭ আগস্ট) সাভারে চামড়া শিল্পনগরীতে চামড়া শিল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

শিল্প সচিব বলেন, 'লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানদণ্ডে মোট ১ হাজার ৩৬২টি পয়েন্ট রয়েছে। এরমধ্যে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ও ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্টের জন্য ২০০ পয়েন্ট। লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সার্টিফিকেট অর্জনে অবশিষ্ট পয়েন্টগুলোর প্রতি মনোযোগী হবার আহ্বান জানান শিল্প সচিব।’

আব্দুল হালিম বলেছেন, ‘সাভার ট্যানারি শিল্পনগরীর সিইটিপি সম্পূর্ণ চালু রয়েছে। কোরবানির সময় ট্যানারিগুলো সারা বছরের সরবরাহের অর্ধেক চামড়া সংগ্রহ করে। তাই আগামী দু'-তিন মাস এই শিল্প নগরী ট্যানারিগুলো পূর্ণ গতিতে চলবে। পিক সিজনে উৎপাদিত চামড়ার আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার স্বার্থে সব ট্যানারিকে একসঙ্গে কাজ না করে নিজেদের মধ্যে সময় নির্ধারণ করে কাজ করার আহ্বান জানান শিল্প সচিব।'

সভায় বিসিকের চেয়ারম্যান মোশতাক হাসান, প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী জিতেন্দ্রনাথ পাল, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল জলিল, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ, বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিলজাহান ভূঁইয়া এবং সাভারের উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজুর রহমান, সাভারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এফ এম সায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সাভার ট্যানারি শিল্প নগরী ভালোভাবে কাজ করছে। শিল্প নগরীর সিইটিপি'র চারটি ইউনিটই যথাযথভাবে কাজ করছে। শিগগিরি লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানদণ্ড অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চামড়ার গুণগত মান ভালো থাকলে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ট্যানারিগুলো চামড়া ক্রয় করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুয়েটের অধ্যাপক আব্দুল জলিল বলেন, ‘কিছু কিছু ট্যানারি ক্রোম বর্জ্য আলাদাভাবে না ফেলায় ক্রোমের সাথে অন্যান্য জিনিস চলে আসছে।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি মেট্রিকটন চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ট্যানারিগুলো ২৫ হাজার লিটার পানি ব্যবহার করতে পারবে। বর্তমানে সাভার ট্যানারি শিল্প নগরীর ট্যানারিগুলো একই পরিমাণ চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ৪০ হাজার লিটার পানি ব্যবহার করছে। এতে করে সিইটিপি'র ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। ডিপ টিউবওয়েলে মিটার লাগানো হলে পানির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।’

বিমা কোম্পানির শেয়ারে নজর বিনিয়োগকারীদের

বিমা কোম্পানির শেয়ারে নজর বিনিয়োগকারীদের
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ/ ছবি: সংগৃহীত

তৈরি পোশাক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রকৌশল ও ওষুদ খাতের কোম্পানিকে পেছনে ফেলে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে বিমা কোম্পানির শেয়ার।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যমতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাসে আট হাজার ৯৪৬ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ২৯৪ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বিমা খাতের ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৮৪ কোটি ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ২৭০ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে বিমা খাতের উপর বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। আর তার প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে, তাতে দরপতনের মাসেও এ খাতের শেয়ার কিনেছে বেশি বিনিয়গকারীরা। ফলে জুন মাসে ৬ষ্ঠ স্থানে থাকা বিমা খাত জুলাই মাসে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে।

বাজেটে শস্য, বিমা, গবাদিপশু বিমা করাসহ একগুচ্ছ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১৫ শতাংশের উপরে এজেন্ট কমিশন দেওয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসবের ফলে অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে বিমা কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে।

ডিএসইতে বিদায়ী অর্থবছরে শেষ মাস জুনে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে ছিল পোশাক খাতের শেয়ার। সে মাসে পোশাক খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ এক হাজার ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৫৮ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

আর জুলাই মাসে লেনদেন হয়েছে ৯৬৭ কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার ৮৮৪ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। ফলে জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে তিন ধাপ নিচে নেমে চতুর্থ স্থানে নেমেছে।

ডিএসইর মোট ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ লেনদেন হওয়া ওষুধ খাত লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এ খাতের কোম্পানির ২২ কোটি ৭৮ লাখ ৯৮ হাজার ৯৩১টি শেয়ার বিক্রি বাবদ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৬ কোটি ২৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৯৪ টাকা।

ফলে জুন মাসে দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রকৌশল খাত এক ধাপ নিচে নেমে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এ খাতে জুলাই মাসে লেনদেনে হয়েছে ৯৯৪ কোটি সাত লাখ ৫৮ হাজার ৪৭ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ১১ শতাংশ।

আর পুঁজিবাজারের ‘প্রাণ’ বলে খ্যাত ব্যাংকের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় ৬ষ্ঠ পর্যায়ে রয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ার। ফলে এ খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৭৮১ কোটি ৪১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮৮ টাকা। যা মোট লেনদেনের আট দশমিক ৭৩ শতাংশ।

আর জুলাই মাসে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৬৪৯ কোটি ২৩ লাখ তিন হাজার ৩৫৪ টাকা। যা সাত দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিনিয়াগকারীরা বলছেন, যতক্ষণ ব্যাংক খাতের শেয়ারের দাম বাড়বে না, ততক্ষণ পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে না।

এছাড়াও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৫৯৯ কোটি ৯৩ লাখ ৫২ হাজার ১৮৯ টাকা। ট্যানারি খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৩৯৬ কোটি ৬৭ লাখ আট হাজার ৩১৭ টাকা।

খাদ্য-আনুষঙ্গিক খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ ডিএসইর তিন দশমিক ২০ শতাংশ, ভ্রমণ ২ দশমিক ৬১শতাংশ, নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ, সিরামিক ২ দশমিক ২৩ শতাংশ, আইটির ২ দশমিক ১৭ শতাংশ,টেলিকমিউনিকেশন ১ দশমিক ২৮ শতাংশ, সিমেন্ট ২ দশমিক ২৩ শতাংশ, এবং কাগজ-প্রকাশনা খাতের দশমিক ৬৮দশমিক শতাংশ টাকার লেনদেনে হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র