Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সুপারির দাম চড়া, পানে স্বস্তি

সুপারির দাম চড়া, পানে স্বস্তি
পানের দাম কমলেও সুপারির দাম বেড়েছে দ্বিগুণ, ছবি: বার্তা২৪
রাকিবুল ইসলাম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাজেটের পর থেকেই বাজারে দ্রব্যসামগ্রীর দাম ধীরে ধীরে আবারও বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে সবজি, মাছ, মাংস, ডিমসহ বিভিন্ন পণ্যের। এছাড়া বাজারে অতিরিক্ত হারে দাম বেড়েছে সুপারির। তবে সুপারির দাম চড়া থাকলেও, পানের দাম কম থাকায় স্বস্তির কথা জানিয়েছেন ক্রেতারা।

রোববার (১৬ জুন) রাজধানীর বনানী কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতাদের থেকে এসব কথা জানা যায়।

বাজার ঘুরে জানা যায়, প্রতি একশ পিস কাঁচা সুপারির দাম রাখা হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা। ভিজা ভালো সুপারির দাম ৮০০ টাকা রাখা হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/16/1560682952633.jpg

অন্যদিকে, শুকনা সুপারির প্রতিকেজি মূল্য ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। তবে পানের দাম বেশ কম বাজারে। প্রতি ৮০টা (এক বিড়া) পানের দাম ১০০টা।

বিক্রেতারা বলছেন, যেখানে ১০০ পিস সুপারি বিক্রি হতো ৩০০ টাকায়। সেখানে এখন বাজার মূল্য ৮০০ টাকা। আবার পান বিক্রি হতো প্রতি বিড়া ৩০০ টাকা। এখন বাজার মূল্য সেটা ১০০ টাকা।

সুপারির খুচরা ক্রেতা সাইফুদ্দীন আহমেদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বাসায় মায়ের জন্য সুপারি কিনতে হয়। কিন্তু পানের দাম সাশ্রয়ী থাকলেও সুপারির দাম প্রচুর। মাত্র ৫০পিস সুপারি কিনেছি সাড়ে তিনশত টাকায়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/16/1560683752870.jpg
বাজারে পানের দাম কম, ছবি: বার্তা২৪

বাজারে সুপারির অতিরিক্ত দাম নিয়ে খুচরা ব্যবসায়ী রাসেল বলেন, ‘পানের আমদানি ভালো থাকায় দামটা বেশ কম। কিন্তু দাম বেড়েছে সুপারিতে। প্রায় দুইগুণ দাম বৃদ্ধি পেয়েছে সুপারির।’

অপর ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সুপারির দাম পানের দামের চেয়ে অনেকগুণ বেশি। সুপারির মৌসুম প্রায় শেষ। সুপারি খুব একটা পাওয়া যায় না। এখন প্রতি চার পিস (এক হালি) সুপারি বিক্রি করছি ৩০ টাকায়। ক’দিন আগেও দাম অনেক কম ছিল।’

তবে দাম আরও বাড়বে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (২১ জুলাই) বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ কমিটি গঠন করল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিনও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৯৭ পয়েন্ট। যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার সূচকের পাশাপাশি লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে। অন্য সদস্যরা হলেন- উপ পরিচালক মো. অহিদুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম ও মো.রাকিবুর রহমান। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই
ছবি: সংগৃহীত

আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সংগঠন এবিবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়ে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। অনেকগুলো বিষয় আছে। তবে আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বাস্তবায়ন হবে। কারণ আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমতে শুরু করেছে এবং রফতানি বাড়ছে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে ব্যাংক। আশা করি, আগামী জুন প্রান্তিকে এ উদ্যোগের আরও কিছুটা বাস্তবায়ন এবং খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’

‘শুধু একটি বিষয় নয়, এখানে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কীভাবে গ্রামীণ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাও করছে ব্যাংক খাত। আমাদের দেশের খেলাপি ঋণ মার্চ প্রান্তিকে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী প্রান্তিকে কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ খেলাপি ঋণ জুন প্রান্তিকে অন্তত ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে,’ যোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং পুরো ব্যাংক খাত মিলে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

সরকারি ব্যাংকগুলো এটা বাস্তবায়ন করলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব বেসরকারি ব্যাংকই যে ৯ শতাংশের ওপরে সুদ নিচ্ছে তা নয়। কিছু কিছু বেসরকারি ব্যাংকও এটা বাস্তবায়ন করেছে। তবে সবগুলো ব্যাংকে এ সুদ হার বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাই করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র