বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবহারের দিকে যেতে হবে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্রেডার কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

স্রেডার কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারত বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে। আমাদেরও সেদিকে যাওয়া উচিত। এজন্য স্রেডা কাজ করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

শনিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে স্রেডার (সাসটেইনেবল এন্ড রিনিউয়েবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি) কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাপানি প্রতিষ্ঠান মিতসুবিশি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সঙ্গে জ্বালানি সাশ্রয় ও দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর করে স্রেডা। সরকার ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয় করতে চায়।

মাস্টারপ্লান অনুযায়ী শিল্পখাতে ব্যবহৃত ৪৮ শতাংশ এবং আবাসিকে ব্যবহৃত ৩০ শতাংশ জ্বালানির মধ্যে যথাক্রমে ৩১ ও ৩৫ শতাংশ সাশ্রয় করা সম্ভব। শিল্প ও আবাসিকে সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে এই সাশ্রয় সম্ভব বলে মনে করে স্রেডা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/31/1567252798144.jpg

সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি নিশ্চিত করার জন্য স্রেডা স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করবে। শিল্পের ক্ষেত্রে এই সুদের হার হবে ৪ শতাংশ। প্রাথমিক ও দ্বিতীয় ধাপে ৩'শ মিলিয়ন ডলার মার্কিন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈদ্যুতিক যাননবাহন ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য স্রেডা বিআরটিএ'র সঙ্গে কথা বলতে পারে। এ বিষয়ে পলিসি তৈরিতে কাজ করতে পারে। এমন হতে পারে বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবহারে প্রণোদনা থাকতে পারে। ভ্যাট -ট্যাক্স রিলিফ হতে পারে।

তিনি বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার খুবই জরুরি। এ জন্য ট্রেনিং ওয়ার্কসপ বাড়াতে হবে। মানুষকে জানাতে হবে সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুফল সম্পর্কে। সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন বাড়াতে হবে। বড়দের পাশাপাশি শিশুদেরকেও সচেতন করতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/31/1567252824794.jpg

অনুষ্ঠানে মিতসুবিশি রিসার্চ ইনস্টিউটের ম্যানেজিং এক্সিকিউটিভ অফিসার কোতারো নাগাসাওয়া ১৯৬০ সালের জাপানের একটি ছবি তুলে ধরেন। ছবিতে পলুশন দেখা যায়। সেইসব পলুশন দূর করে জাপান এখন গোছানো শহর গড়ে তুলেছে।

প্রতিমন্ত্রী ছবির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ১৯৬০ সালে জাপানের যে অবস্থা ছিল, সে তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থা অনেক ভালো। আমরা ভাগ্যবান, আমাদের অনেক নদী রয়েছে, বেশ বৃষ্টি হয়। প্রাকৃতিকভাবেই পরিবেশ অনেক পরিচ্ছন্ন থাকে। তবে মানুষ বাড়ার সঙ্গে দুষণও বাড়ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, এনার্জি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতির দাম তুলামুলক বেশি। তবে এটা বলতে পারি এর দীর্ঘমেয়াদি সুফল অনেক বেশি। যে পরিমাণ জ্বালানি খরচ কমবে তাতে অন্যদের তুলনায় লাভবান হবে। কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্রেডা চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন, সদস্য (জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ) সিদ্দিক জু্বায়ের প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :