Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ইরানে ক্ষমতার পালাবদল চায় সৌদি-আমিরাত

ইরানে ক্ষমতার পালাবদল চায় সৌদি-আমিরাত
সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাহ্যিক চাপ প্রয়োগ করে ইরানে ক্ষমতার পালাবদল করার পক্ষে মত দিয়েছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের পরিচালক।

আল-জাজিরা’র খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও-এর সাথে আলাপকালে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের ইরানের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র নিজের ইচ্ছায় সরকারে পরিবর্তন ঘটাতে রাজি নয়।’

নিউইয়র্কে ইরানের পারমাণবিক শক্তি বিরোধী জোট, ইউএএনআই-এর সম্মেলনে জুবায়ের বলেন, ‘যতক্ষণ না অভ্যন্তরীণভাবে প্রবল চাপের মুখোমুখি হবে, আমি বিশ্বাস করি না তাঁরা সোজা পথে আসবে।’ ইরানের সাথে ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির বিরোধীদের জোট হচ্ছে ইউএএনআই।   

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্যা ন্যাশনাল পত্রিকার উল্লেখ করে জুবায়ের বলেন, ‘যে রাষ্ট্রটি আমাদের হত্যা করতে চায়, আমরা কীভাবে তার সাথে সমঝোতা করতে পারি।’

ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাগত জানায় সৌদি ও আমিরাতের কর্মকর্তারা। ২০১৫ সালের এই চুক্তির শর্তানুসারে অবরোধ তুলে নেওয়ার বিনিময়ে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজি হয়েছিল ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রে আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ আল-ওতাইবা বলেন, ‘ইরানে পরিবর্তন আনার জন্য বাহ্যিক চাপ দরকার এবং তাই হবে মূল শক্তি।’

ইউসুফ আল-ওতাইবা বলেন, ‘আমি মনে করি বাহ্যিক নিয়মেই ইরানের বৈদেশিক নীতিতে ক্রমাঙ্কন আসবে।’ এই সময় তিনি তেহরানকে একঘরে করতে ইউরোপের পরাশক্তি, এশিয়ান দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা আশা করেন।

তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে যদি ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়, তবে এর প্রতিক্রিয়া কী হবে এবং আমরা কীভাবে এ থেকে রক্ষা পাব?’

‘আমি এটি আনুমানিকভাবে জানতে চাচ্ছি কিন্তু আসলেই এটি আনুমানিক নয়। উপসাগরীয় দেশগুলো, ইসরায়েল ও এর আশেপাশের দেশগুলো আশু ঝুঁকিতে আছে।’

ইয়েমেনে ইরান তার কর্তৃত্ব ধরে রাখছিল অভিযোগ এনে ওতাইবা বলেন, ‘সম্প্রতি জাতিসংঘ পরিচালিত শান্তি আলোচনা সম্ভবত হুতিদের নেতৃত্ব দেওয়ায় ইরানের ভূমিকা প্রকাশ করেছে।’

জেনেভায় ব্যর্থ শান্তি আলোচনার জন্য ইরানকে দায়ী করে তিনি বলেন, ‘লেবাননে যা ঘটেছিল ইয়েমেনে তা ঘটে না। তা নিশ্চিত করতে আমাদের কায়েমী স্বার্থ আছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চীন ও জাপানের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পেরে এখন বিপাকে মিয়ানমার। এই দুই দেশ ছাড়াও আরও প্রায় ২০টি দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে দেশটি।

যৌথ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছে।

কমিটি বলেছে স্বরাষ্ট্র, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচ; পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শিল্প এসব খাতে ১০.২ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার।

এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে এ বছর ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ যা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্য অর্থ।

২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে যা দেশটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচখাতে ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমার জাপানের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার যোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার। এ সুদের হার ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ। উচ্চতর সুদের হার ও মিয়ানমারে নিম্নমূল্যের মুদ্রা দেশের উপর একটি ভারী বোঝা সৃষ্টি করেছে। এই জাতীয় ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চতর সুদের হার, দুর্বল কায়াত এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে সরকারী অর্থায়নে ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বেশ কিছু ব্যর্থ প্রকল্প রয়েছে যারা ঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সেচের জন্য বিতরণের পরে কর্পোরেট প্রশাসনকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটি না করার ফলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'
ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া বলেন, 'ভারতীয় বিমানবাহিনী এখনও ৪৪ বছরের পুরনো মিগ-২১ (MiG-21 fighter jets) যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে, যখন কেউ এমন পুরনো গাড়িও চালাচ্ছে না। যেখানে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানও উন্নত এফ-১৬ জেট ব্যবহার করছে, সেখানে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে মূল হাতিয়ার হিসেবে চার দশকের পুরনো যুদ্ধবিমানগুলি এখনও ব্যবহার করে চলেছে ভারত।' 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানায়, মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ভারতীয় বিমানবাহিনীর আধুনিকীকরণ ও দেশীয়করণ সম্পর্কিত এক সেমিনারে বক্তব্য রাখার সময় এসব কথা বলেন তিনি।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের পাশে বসেই এমন মন্তব্য করেন দেশটির এয়ার চিফ মার্শাল  বিএস ধানোয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566308577608.jpg
 মিগ-২১ যুদ্ধ বিমান

 

তিনি আরও বলেন, 'এ বছরেই রাশিয়ান ফাইটার জেটের প্রাথমিক সংস্করণটি পর্যায়ক্রমে বাতিল করা শুরু হবে। আশা করি, আগামী সেপ্টেম্বরেই শেষবারের মতো ওড়ানো হবে এ রাশিয়ান যুদ্ধবিমান।' 

ভারতের তৈরি উপাদান ব্যবহার করে সংস্কারের কারণে বিমানটি গত কয়েক দশক ধরে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছিল। যেখানে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ৯৫ শতাংশেরও বেশি উপাদান ভারতে তৈরি হয়। রাশিয়ানরাও যেখানে মিগ ওড়াচ্ছে না, কিন্তু আমরা ওড়াতে পারছি কারণ আমাদের নিজেদের সংস্কারের সুবিধা রয়েছে।' 

এদিকে সম্প্রতি ভারতের সংসদে মিগ-২১ যুদ্ধবিমান গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার ভেঙে পড়ে বলে মন্তব্য করা হয়। ভারত তার সংগ্রহে থাকা ৮৭২টি মিগ বিমানের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি হারিয়েছে বলেও সংসদে তথ্য দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র