Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

খাশোগির অন্তর্ধানে সুবিধা অসুবিধা

খাশোগির অন্তর্ধানে সুবিধা অসুবিধা
নিখোঁজ সাংবাদিক জামাল খাশোগি
কাওসার আহমেদ


  • Font increase
  • Font Decrease

তুরস্ক, ইজমির থেকে: তুরস্কে নিখোঁজ খাশোগি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতির মোড়ল দেশগুলোর মধ্যে তাপ-উত্তাপের কূটনীতি চলছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, আপাতত সৌদ আরব এই ইস্যুতে বেশ বিপাকে পড়েছে। তুরস্ক তাদের দক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিয়ে ঘটনার ‍মুখোশ উন্মোচন করছে। অন্যদিকে সৌদি তার মিত্রদের কাছে এ নিয়ে সম্পর্কের টানাপোড়েনে পড়তে যাচ্ছে।

নিখোঁজ জামাল খাশোগি একজন পরিচিত সাংবাদিক। যিনি এক সময় বার্তা সংস্থা আল আরব নিউজ চ্যানেলের সম্পাদকীয় বিভাগের প্রধান ছিলেন। তারপর যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছায় নির্বাসিত থেকে সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন। সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের একজন কঠোর সমালোচনা থাকতো তার লেখায়। বিশেষ করে সৌদি রাজতন্ত্রের মানবাধিকার লঙ্ঘন, ইয়েমেনে যুদ্ধ, কাতারের ওপর অবরোধ আরোপ নিয়ে নিয়মিত সমালোচনামূলক কলাম লিখতেন ওয়াশিংটন পোস্টে।

২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে তাঁর সাবেক স্ত্রীর তালাক নামা ও নতুন তুর্কি বান্ধবীকে বিয়ের অনুমতিপত্র আনতে গিয়েছিলেন। এরপর সেখান থেকেই তিনি নিখোঁজ হন। তাঁর হবু স্ত্রী হাতিস চেঙ্গিস বলেন খাশোগি খুবই উদ্বিগ্ন ছিলেন এই জন্য যে তাঁকে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করতে হচ্ছে। তিনি খাশোগি বের না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিলেন। এমনকি পরদিন সকালে কনস্যুলেট খোলার পূর্বে তিনি সেখানে উপস্থিত হন।  

ঘটনার কয়েকদিন পর তুরস্কের প্রভাবশালী জাতীয় ইংরেজি দৈনিক ‘ডেইলি সাবাহ্’ ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাশোগির প্রবেশের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে। তাতে দেখা যায় খাসোগী সেখানে প্রবেশ করছেন। এবং এর কয়েক ঘণ্টা আগে কয়েকটি ভিআইপি কালো গাড়ি কনস্যুলেটের সামনে আসে ও কিছু লোক ভেতরে প্রবেশ করে। কিন্তু তিনি আর বের হয়ে আসেননি। এরপরই বিশ্ব মিডিয়ায় এ বিষয়টি নিয়ে তুমুল হইচই পড়ে যায়। 

তুর্কি কর্তৃপক্ষের দাবি, জামাল খাশোগিকে কনস্যুলেটে এর ভেতর হত্যা করা হয়েছে। যদিও এ ব্যাপারে প্রথম দিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ নিরব ছিল। কিন্তু এখন অভিযোগ অস্বীকার করে তুরস্কের দাবি প্রত্যাখান করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তুরস্কের কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেছেন, খাসেগীর হাতে থাকা ‘অ্যাপল ওয়াচ’ এর মাধ্যমে প্রাপ্ত ফুটেজ-ই প্রমাণ করে খাশোগিকে ভেতরে হত্যা করা হয়েছে। প্রকাশিত একটি অডিও রেকর্ডে স্পষ্টতই আরবি ভাষায় খাশোগির কথাবার্তা ও আকুতি শোনা গেছে।

তুর্কি কর্তৃপক্ষ এটাও দাবি করেছে যে, খাশোগিকে হত্যার জন্য সৌদির ১৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ স্কোয়াড ইস্তাম্বুল এসেছিল। তারা খুব তাড়াতাড়ি তুরস্ক ত্যাগ করে বিভিন্ন দেশে চলে যায়। তারাই এ হত্যার কাজটি করে থাকতে পারে।

এদিকে গত কয়েক দশক ধরে বিশেষ করে কাতার সংকটের পর গত তিন বছরে তুরস্ক এবং সৌদি আরব, তাদের অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত স্বার্থের জন্য দেশ দুটোর মধ্যকার সম্পর্ক  একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, সৌদি নাগরিক খাশোগি হত্যার পর যদি তুরস্ক তাদের দক্ষ জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার সক্ষমতার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হতো তাহলে সৌদি আরবই এ ঘটনায় তুরস্কের উপর দায় চাপিয়ে দিতো। কিন্তু বিধি বাম, হিতে বিপরীত। সৌদি আরবই মনে হয় তাঁদের জালে আটকা পড়ল। সু্যোগ পেল আন্তর্জাতিক রাজনীতির ঝানু খেলোয়ার ‘এরদোয়ান’। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এর ক্ষেত্রে চিরশত্রুতা বলতে কিছু নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক উন্নয়নের সু্যোগ যেন হাতছাড়া করছে না তুরস্ক। এক্ষেত্রে এক ডিলে দুই পাখি। যাকে বলে আন্ডার মাইন ডিপ্লমেসি। আন্তর্জাতিক মহলে সৌদিকে কোনটাসা করা আর নিজেদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আঁটকে থাকা সামরিক চুক্তির অগ্রায়ন করারও সুযোগ তুরস্কের। তাই দাবার গুটি হিসাবে ব্যবহার করা ব্যর্থ ক্যু এর সাথে জড়িত আটক খ্রিস্টান ধর্ম জাজক পস্টার। যুক্তরাষ্ট্রে তাঁদের নাগরিকের মুক্তি চাইল। মুক্তি পেল পস্টার আর খুব শিগগিরই ডলারের বিপরীতে তুর্কি লিরার মান বাড়তে শুরু করল। আঙ্কারা-ওয়াশিংটন যোগাযোগ বাড়ল।

প্রথম দিকে সৌদি আরবের মত ঘনিষ্ঠ মিত্রদের নিয়ে কথা বলতে নারাজ ছিলেন মার্কিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু বিশ্লেষকদের ধারণা তুরস্কের সাথে বোঝাবুঝির পর থেকেই সৌদি ওপর ক্ষেপেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প ইতোমধ্যে বলে দিয়েছেন, এই ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকলে সৌদিকে শাস্তি দেয়া হবে। অর্থনৈতিক অবরোধ আভাসও দিয়ে ফেলেছেন ট্রাম্প। এমনকি মঙ্গলবার এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত তদন্ত ও তথ্যাদি চেয়ে সৌদির বাদশার সঙ্গে আলাপও করেছেন।

এদিকে সৌদি আরবও নমনীয় হয়েছে। সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ সাংবাদিক জামাল খাশোগির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে রোববার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন (সূত্রেঃ রয়টার্স)। টেলিফোনালাপে খাশোগীর নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে তদন্ত করার জন্য দু’দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনে সম্মত হওয়ায় তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান সৌদি রাজা সালমান। বাদশাহ তুরস্কেকে ভ্রাতৃপ্রতীম দেশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আঙ্কারার সঙ্গে সকল ক্ষেত্রে সম্পর্ক ও সহযোগিতা শক্তিশালী করতে চায় রিয়াদ। এ সময় তুর্কি প্রেসিডেন্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

জামাল খাশোগি নিখোঁজের ঘটনায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ব্রিটিশ ধনাঢ্য ব্যবসায়ী রিচার্ড ব্র্যানসন ইতিমধ্যে সৌদি থেকে তার বিনিয়োগকৃত দু’টি পর্যটন প্রকল্প তুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন। জামালের সন্ধান চেয়ে ওয়াশিংটনসহ বিশ্বব্যাপী বিক্ষোভ হচ্ছে।

এমন অবস্থার মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশটির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সৌদিকে বদলে দেয়া কার্যক্রমের জন্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন। যেখানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের প্রধান প্রধান দেশের কোম্পানিগুলোর। তবে জামাল খাশোগি ইস্যুতে ইতোমধ্যে সৌদির এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন বর্জনের ডাক দিয়েছে আন্তর্জাতিক বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম ও কোম্পানি। বিবিসি জানিয়েছে, সেই তালিকায় যোগ হতে পারে ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নাম। এরই মধ্যে জামাল খাশোগি ইস্যুতে প্রকৃত সত্য তুল ধরার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, আইএমএফসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংগঠন।

আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে তুরস্ক আন্ডার মাইন ডিপ্লমেসি ভালই খেলছে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতির খেলার মাঠে কিছুটা হলেও সৌদি আরবকে বেকায়দায় ফেলেছে। নিজের দৃড় অবস্থান, সহযোগিতার মানসিকতা আর দক্ষ নিরাপত্তা, কৌশলী কূটনীতির সদ্ব্যবহার দেখালো তুরস্ক।  

আপনার মতামত লিখুন :

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চীন ও জাপানের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পেরে এখন বিপাকে মিয়ানমার। এই দুই দেশ ছাড়াও আরও প্রায় ২০টি দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে দেশটি।

যৌথ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছে।

কমিটি বলেছে স্বরাষ্ট্র, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচ; পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শিল্প এসব খাতে বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার।

এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে এ বছর ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ যা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্য অর্থ।

২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে যা দেশটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচখাতে ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমার জাপানের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার যোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার। এ সুদের হার ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ। উচ্চতর সুদের হার ও মিয়ানমারে নিম্নমূল্যের মুদ্রা দেশের উপর একটি ভারী বোঝা সৃষ্টি করেছে। এই জাতীয় ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চতর সুদের হার, দুর্বল কায়াত এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে সরকারী অর্থায়নে ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বেশ কিছু ব্যর্থ প্রকল্প রয়েছে যারা ঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সেচের জন্য বিতরণের পরে কর্পোরেট প্রশাসনকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটি না করার ফলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'
ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া বলেন, 'ভারতীয় বিমানবাহিনী এখনও ৪৪ বছরের পুরনো মিগ-২১ (MiG-21 fighter jets) যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে, যখন কেউ এমন পুরনো গাড়িও চালাচ্ছে না। যেখানে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানও উন্নত এফ-১৬ জেট ব্যবহার করছে, সেখানে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে মূল হাতিয়ার হিসেবে চার দশকের পুরনো যুদ্ধবিমানগুলি এখনও ব্যবহার করে চলেছে ভারত।' 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানায়, মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ভারতীয় বিমানবাহিনীর আধুনিকীকরণ ও দেশীয়করণ সম্পর্কিত এক সেমিনারে বক্তব্য রাখার সময় এসব কথা বলেন তিনি।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের পাশে বসেই এমন মন্তব্য করেন দেশটির এয়ার চিফ মার্শাল  বিএস ধানোয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566308577608.jpg
 মিগ-২১ যুদ্ধ বিমান

 

তিনি আরও বলেন, 'এ বছরেই রাশিয়ান ফাইটার জেটের প্রাথমিক সংস্করণটি পর্যায়ক্রমে বাতিল করা শুরু হবে। আশা করি, আগামী সেপ্টেম্বরেই শেষবারের মতো ওড়ানো হবে এ রাশিয়ান যুদ্ধবিমান।' 

ভারতের তৈরি উপাদান ব্যবহার করে সংস্কারের কারণে বিমানটি গত কয়েক দশক ধরে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছিল। যেখানে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ৯৫ শতাংশেরও বেশি উপাদান ভারতে তৈরি হয়। রাশিয়ানরাও যেখানে মিগ ওড়াচ্ছে না, কিন্তু আমরা ওড়াতে পারছি কারণ আমাদের নিজেদের সংস্কারের সুবিধা রয়েছে।' 

এদিকে সম্প্রতি ভারতের সংসদে মিগ-২১ যুদ্ধবিমান গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার ভেঙে পড়ে বলে মন্তব্য করা হয়। ভারত তার সংগ্রহে থাকা ৮৭২টি মিগ বিমানের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি হারিয়েছে বলেও সংসদে তথ্য দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র