Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও আলোচিত চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ড

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও আলোচিত চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ড
ছবি: এএফপি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চকবাজারের চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি বেশ গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম গুলো। বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক এই ঘটনাটির সচিত্র প্রতিবেদন উঠে এসেছে সুপরিচিত সংবাদ মাধ্যম বিবিসি ও আল-জাজিরা সহ অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমগুলোতেও।

কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সংবাদ রেখেছেন তাদের ওয়েব সাইটের শীর্ষে। সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া শীর্ষ সংবাদটিতে শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘আমি আকস্মিক তীব্র শব্দ শুনতে পেলাম: ঢাকায় অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক প্রাণহানি’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550749443588.JPG

আল-জাজিরার বিস্তারিত সংবাদের শিরোনামে লিখেছে ‘বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে প্রচুর সংখ্যক মানুষ আগুনে পুড়ে মারা গেছে’। বিস্তারিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে ২০১০ সালের পুরনো ঢাকার অগ্নিকাণ্ডের কথাও। এছাড়াও আল-জাজিরা তাদের শীর্ষ সংবাদের সাথে উল্লেখ করেছে ইতোপূর্বে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া রানা প্লাজার মত বড় দুর্ঘটনার সংবাদও।

ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (বিবিসি) এর শীর্ষ সংবাদেও স্থান পেয়েছে এই দুর্ঘটনার সংবাদটি। তাদের শীর্ষ সংবাদের শিরোনাম হয়েছে ‘ঐতিহ্যবাহী ঢাকায় আগুনে মৃত ৭৮’। বিস্তারিত সংবাদের শিরোনামে লিখা হয়েছে ‘বাংলাদেশে অগ্নিকাণ্ড: ঐতিহ্যবাহী ঢাকায় আগুনে মৃত কয়েক ডজন মানুষ’। বিস্তারিত সংবাদের সাথে বিবিসি জুড়ে দিয়েছে একটি ডিজিটাল/ ভিডিও স্টোরিও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550749397659.JPG

বিবিসি এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটিকে পুনারাবৃত্তি উল্লেখ করে তুলে ধরেছে ২০১০ এর অগ্নিকাণ্ডের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ।

ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়াও বেশ গুরুত্বের সাথে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রচার করেছে। ২০১০ সালের অগ্নিকাণ্ডের কথা উল্লেখ না করলেও জার্মান ভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলে চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের সংবাদের সঙ্গে ২০১৩ সালের রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সংবাদটিও তুলে ধরেছে।

এছাড়াও রয়টার্স, এপি, এএফপি ছবি সহ সংবাদ সরবরাহ করছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র