Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলা, নিহত ৪৯

ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলা, নিহত ৪৯
নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলা, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অল্পের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের খেলোয়াড়রা রক্ষা পেলেও এখন পর্যন্ত দেশটির অন্তত ৪৯ জন মানুষ নিহত হয়েছে।

৪১ জন নিহত হয়েছে হ্যাগলি এরিয়ার মসজিদে আর বাকি ৮ জন লিন্ডউডের মসজিদে নিহত হয়।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১টা ৪০ (নিউজিল্যান্ড সময় অনুযায়ী) এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কতজন আহত হয়েছে সেটা এখনো নিশ্চিত নয়।

এ ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা নিজের জীবন বাঁচাতে দৌড়ে পালিয়েছেন। একইসাথে মসজিদের বাইরে মানুষ পড়ে আছে এবং তাদের রক্ত বের হতে দেখেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/15/1552627238020.JPG

বেঁচে যাওয়া একজনের বরাত দিয়ে বিবিসি এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, হামলাকারী একজন মানুষের বুকে গুলি চালিয়ে দেয়। বন্দুকধারী ২০ মিনিটের মতো গুলি চালায়। এতে অন্তত ৬০ জন মানুষ আহত হয়। এ সময় হামলাকারী প্রতিটি মানুষের মৃত্যু নিশ্চিত করতে একাধিকবার গুলি চালায়।

যেখানে মানুষ নামাজ পড়ছে বন্দুকধারী সেই জায়গাটা নিশান করে গুলি চালায়। তারপর সে নারীরা যেখানে নামাজ পড়ে সেদিকে যায়। সেখানেও সে গুলি চালায়।

দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, এক ব্যক্তি দুপুরে ১টা ৪০মিনিটে ক্রাইস্টচার্চের একটি মসজিদে প্রবেশ করে। এরপর গুলি চালাতে থাকে। পরবর্তীতে লিন্ডউডের আরেকটি মসজিদে হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪০ নিহত হলেও আহতের সংখ্যা জানা যায়নি।

শুক্রবার হওয়ায় জুম্মার নামাজের কারণে মসজিদগুলোতে মানুষের সমাগম ছিলো। এছাড়া ওই এরিয়ার স্কুলগুলোতে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে করে কেউ স্কুলের ভেতর ও বাইরে আসা যাওয়া করতে পারছে না। স্থানীয়দের ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করেছে প্রশাসন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আরদার্ন দিনটিকে কালো দিন হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

এক ফ্যান এক লাইটের বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি

এক ফ্যান এক লাইটের বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি
বিদ্যুৎ বিল

ভারতের উত্তর প্রদেশের হাপুর শহরের কাছে চামরি নামে একটি গ্রামের এক গৃহস্থের বাড়িতে ১২৮ কোটিরও বেশি রুপির বিদ্যুৎ বিল এসেছে। বাড়িটির বাসিন্দা এক দম্পতি, যাদের ঘরে কেবল লাইট আর ফ্যান চলে।

শামীম নামে ওই বাড়ির কর্তা বিল সংশোধনের জন্য বিদ্যুৎ অফিসে বার বার ধর্না দিয়েও এর কোন সুরাহা করতে পারেননি। বিল পরিশোধ না করায় তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগের দাবি নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে শামীমকে কর্মকর্তারা বলেছেন, বিল পরিশোধ করলেই কেবল তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করে দেওয়া হবে।

বাড়িটির ২ কিলোওয়াটের বিদ্যুৎ সংযোগের বিলের কাগজে ছাপা বিলের মোট পরিমাণ ১২৮ কোটি ৪৫ লাখ ৯৫ হাজার ৪৪৪ রুপি। এই উদ্ভট পরিমাণ সংশোধন করতে গিয়ে বিদ্যুৎ অফিসের টেবিলে টেবিলে ঘুরেছেন বলে জানিয়েছেন শামীম।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563676901455.jpg
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই’কে তিনি বলেন, কেউ আমাদের কথা শুনছে না। এই অর্থ আমরা কিভাবে পরিশোধ করব? অভিযোগ নিয়ে গেলে কর্মকর্তারা বলছেন, পুরো বিল পরিশোধ করতে হবে। তারা আমার বাড়ির লাইন ইতোমধ্যেই কেটে দিয়েছেন।

অভিযোগ করে শামীম আরও বলেন, প্রতি মাসে আমার বিদ্যুৎ বিল ৭শ’ থেকে ৮শ’ রুপির মধ্যেই থাকে। কিন্তু এবার আমাকে পুরো হাপুর শহরের বিদ্যুৎ বিল ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে!

ভুক্তভোগী শামীমের স্ত্রী খাইরুন্নিসা বলেন, আমরা কেবল লাইট আর ফ্যান চালাই। আমরা গরিব মানুষ, আমরা কিভাবে এত বিল দেব?

রামশরণ নামে প্রদেশের বিদ্যুৎ বিভাগের এক প্রকৌশলী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এটা বড় কোন ব্যাপার না, সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি। পরে সংশোধন করে দেওয়া হবে।
সূত্র: এনডিটিভি

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন
শীলা দীক্ষিত, ছবি: সংগৃহীত

দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার ৮১ বছর বয়স হয়েছিল।

শনিবার (২০ জুলাই) দিল্লির ফর্টিস এসকর্ট হার্ট ইনস্টিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

দেশটির গণমাধ্যম জানায়, শীলা দীক্ষিত বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মৃত্যুর খবর জানায় তার পরিবার।

এবারের অনুষ্ঠিতব্য লোকসভা নির্বাচনেও উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শীলা দীক্ষিত। তবে পরাজিত হন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেত্রী।

১৯৯৮, ২০০৩ এবং ২০০৮ সালে পরপর তিন বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হন শীলা দীক্ষিত। বর্তমানে তিনি দিল্লি কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

শীলা দীক্ষিতের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে কংগ্রেস পরিবারে। শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। 

এদিকে, শোকপ্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং। 

অন্যদিকে, এক টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র