Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

৩০ আগস্ট পাঁচ নোবেল বিজয়ীর জন্মদিন  

৩০ আগস্ট পাঁচ নোবেল বিজয়ীর জন্মদিন   
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

৩৬৫ দিনের এক বছর। আর এই ৩৬৫ দিনের মাঝেও কিছু দিন অন্যান্য দিনগুলোর থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। আর এমনটা হয় পারে নানা কারণে। ঠিক তেমনি ৩০ আগস্ট অর্থ্যাৎ আজকের দিনটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন বটে। বিশ্বের নোবেল বিজয়ীদের মধ্যে আজ পাঁচজনের জন্মদিন।

এই পাঁচ নোবেল বিজয়ীর তিনজনই ছিলেন রসায়নবিদ। রসায়নে নোবেল পাওয়া তিন রসায়নবিদ হলেন জ্যাকবস ভ্যান টি হফ, আর্নেস্ট রাদারফোর্ড, থিওডোর সভেডবার্গ। এই দিনে জন্ম নেওয়া অন্য দুই নোবেল বিজয়ী হলেন এডওয়ার্ড মিল্স পারসেল ও রিচার্ড স্টোন।

জ্যাকবস ভ্যান টি হফ ১৮৫২ সালের ৩০ আগস্ট জার্মান সাম্রাজ্যের হল্যান্ডে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। রসায়নে প্রথম নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন জ্যাকবস। ছেলেবেলা থেকেই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ ছিলো তাঁর। ১৯০১ সালে তিনি রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান।

১৯০৮ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পাওয়া আর্নেস্ট রাদারফোর্ড ১৮৭১ সালের ৩০ আগস্ট নিউজিল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেণ। তিনি ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞানের জনক বলা হয় আর্নেস্ট রাদারফোর্ডকে। ১৯৩৭ সালের ১৯ অক্টোবর ৬৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেণ তিনি।

থিওডোর সভেদবার্গের নামে নামকরণ হয়েছে অধ:ক্ষেপনের মাত্রাকে। ১৮৮৪ সালের এইদিনে জন্মগ্রহণ করেন সুইডিশ এই রসায়নবিদ। ১৯২৬ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান তিনি। এছাড়াও ১৯৪৯ সালে ফ্রাঙ্কলিন মডেল  ও ১৯৪৪ সালে ফেলো অব দ্যা রয়েল সিটি পুরস্কার পান থিওডোর সভেডবার্গ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Aug/30/1535600355473.jpg

এডওয়ার্ড মিল্স পারসেল ১৯৫২ সালে তরল ও কঠিন পদার্থে নিউক্লিয়-চৌম্বক রেজোন্যান্স আবিস্করের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। এডওয়ার্ডের এই আবিস্কার প্রকাশিত হয় ১৯৪৬ সালে। ১৯১২ সালের ৩০ আগস্ট জন্ম নেওয়া এই পদার্থ বিজ্ঞানী ৮৪ বছর বয়সে ১৯৯৭ সালের ৭ মার্চ মৃত্যু বরণ করেন।

ইকোনোমিক সায়েন্সে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন রিচার্ড স্টোন। ১৯১৩ সালে লন্ডনে জন্ম গ্রহণ করেন স্টোন। একাউন্টিং মডেল থিউরির জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যু বরণ করেন নোবেল বিজয়ী রিচার্ড স্টোন।

এছাড়াও এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন  ইংরেজ বংশোদভূত  গায়ক ও রাজনীতিবীদ মাইকেল চিক্লিস, আর্জেন্টাইন ফুটবলার ইমানুয়েল কুলিও, ইংরেজ অভিনেত্রী হোলিওয়েস্টনসহ ইতিহাসের স্বনামধন্য অনেকেই।

আপনার মতামত লিখুন :

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চীন ও জাপানের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পেরে এখন বিপাকে মিয়ানমার। এই দুই দেশ ছাড়াও আরও প্রায় ২০টি দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে দেশটি।

যৌথ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছে।

কমিটি বলেছে স্বরাষ্ট্র, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচ; পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শিল্প এসব খাতে ১০.২ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার।

এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে এ বছর ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ যা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্য অর্থ।

২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে যা দেশটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচখাতে ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমার জাপানের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার যোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার। এ সুদের হার ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ। উচ্চতর সুদের হার ও মিয়ানমারে নিম্নমূল্যের মুদ্রা দেশের উপর একটি ভারী বোঝা সৃষ্টি করেছে। এই জাতীয় ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চতর সুদের হার, দুর্বল কায়াত এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে সরকারী অর্থায়নে ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বেশ কিছু ব্যর্থ প্রকল্প রয়েছে যারা ঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সেচের জন্য বিতরণের পরে কর্পোরেট প্রশাসনকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটি না করার ফলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'
ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া বলেন, 'ভারতীয় বিমানবাহিনী এখনও ৪৪ বছরের পুরনো মিগ-২১ (MiG-21 fighter jets) যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে, যখন কেউ এমন পুরনো গাড়িও চালাচ্ছে না। যেখানে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানও উন্নত এফ-১৬ জেট ব্যবহার করছে, সেখানে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে মূল হাতিয়ার হিসেবে চার দশকের পুরনো যুদ্ধবিমানগুলি এখনও ব্যবহার করে চলেছে ভারত।' 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানায়, মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ভারতীয় বিমানবাহিনীর আধুনিকীকরণ ও দেশীয়করণ সম্পর্কিত এক সেমিনারে বক্তব্য রাখার সময় এসব কথা বলেন তিনি।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের পাশে বসেই এমন মন্তব্য করেন দেশটির এয়ার চিফ মার্শাল  বিএস ধানোয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566308577608.jpg
 মিগ-২১ যুদ্ধ বিমান

 

তিনি আরও বলেন, 'এ বছরেই রাশিয়ান ফাইটার জেটের প্রাথমিক সংস্করণটি পর্যায়ক্রমে বাতিল করা শুরু হবে। আশা করি, আগামী সেপ্টেম্বরেই শেষবারের মতো ওড়ানো হবে এ রাশিয়ান যুদ্ধবিমান।' 

ভারতের তৈরি উপাদান ব্যবহার করে সংস্কারের কারণে বিমানটি গত কয়েক দশক ধরে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছিল। যেখানে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ৯৫ শতাংশেরও বেশি উপাদান ভারতে তৈরি হয়। রাশিয়ানরাও যেখানে মিগ ওড়াচ্ছে না, কিন্তু আমরা ওড়াতে পারছি কারণ আমাদের নিজেদের সংস্কারের সুবিধা রয়েছে।' 

এদিকে সম্প্রতি ভারতের সংসদে মিগ-২১ যুদ্ধবিমান গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার ভেঙে পড়ে বলে মন্তব্য করা হয়। ভারত তার সংগ্রহে থাকা ৮৭২টি মিগ বিমানের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি হারিয়েছে বলেও সংসদে তথ্য দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র