Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

তাবলিগ নিয়ে যে খবর চায় না ধর্মপ্রাণ মানুষ

তাবলিগ নিয়ে যে খবর চায় না ধর্মপ্রাণ মানুষ
কাকরাইল মসজিদের বন্ধ গেইট, ছবি: সুমন শেখ, বার্তা২৪
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
বিভাগীয় সম্পাদক
ইসলাম


  • Font increase
  • Font Decrease

তাবলিগ নিয়ে দ্বন্দ্বটা এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়। এটা অনেকটা প্রকাশ্যেই চলছে। দ্বন্দ্বের এক পক্ষে মাওলানা সাদ (এতায়াতপন্থী) অনুসারী অপর পক্ষে শুরাপন্থীরা (যৌথনেতৃত্ব) রয়েছেন। তাদের এ দ্বন্দ্ব ইজতেমার ময়দান বা কাকরাইল মসজিদের গণ্ডি ছাড়িয়ে জেলায় জেলায় ছড়িয়েছে। পুলিশ সদর দফতর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিস এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রীকেও হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে তাবলিগের দ্বন্দ্ব নিরসনে। কিন্তু থামেনি। হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, দেন-দরবার, বিবৃতিবাজি সবই চলছে। তাবলিগ নিয়ে এমন দ্বন্দ্বে দ্বিধায় সাধারণ মানুষ। আসলে ঘটছে কী?

গণ্ডগোলের ধারাবাহিকতায় রাজধানীর কাকরাইল মসজিদে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষ ফের দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে। মসজিদ ও মাদরাসার কর্তৃত্ব নেওয়াকে কেন্দ্র করে শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত নয়টার দিকে দ্বন্দ্ব উত্তেজনায় রূপ নেয়। মসজিদ থেকে এক পক্ষকে বের করে দেওয়ায় সময় হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ায় বেশ কয়েকজন আহতও হন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাইরে অবস্থানকারীরা মসজিদের ভেতরে অবস্থানকারীদের ‘পাকিস্তানপন্থী’, ‘হেফাজতপন্থী’ বলে অভিহিত করে তাদের মসজিদ থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানায় ও স্লোগান দিতে থাকে।

কাকরাইলের ঘটনা প্রসঙ্গে রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘কাকরাইল মসজিদে যা হচ্ছে, তা পুলিশের নজরে আছে। তবে পুলিশ এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে।’

জানা গেছে, কাকরাইল মসজিদের ভেতরে থাকা (দিল্লি) মাওলানা সাদবিরোধীদের হঠাতে ভেতরে প্রবেশ করতে চায় সাদপন্থীরা। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। মূলত কাকরাইল মারকাজ মসজিদ ও মাদরাসার কর্তৃত্ব নিতেই এমন দ্বন্দ্ব।

তাবলিগ জামাতের মধ্যে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজ থেকে। সেখানকার মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভির কিছু বিতর্কিত মন্তব্য ও নিজেকে বিশ্ব আমির ঘোষণার পর অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে নানা দেশে। বাদ যায়নি বাংলাদেশও। এরপর দৃশ্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে তাবলিগ জামাত। মাওলানা সাদকে তার বক্তব্য থেকে ফিরে আসতে দারুল উলুম দেওবন্দসহ বিশ্বের আলেমরা বারবার অনুরোধ করলেও তিনি তা করেননি। তবে মাওলানা সাদপন্থীদের দাবি, তিনি সঠিক পন্থায় আছেন, ভুল বক্তব্যগুলো প্রত্যাহার করেছেন কিন্তু তা আলেমরা মানছেন না।

বিগত বিশ্ব ইজতেমায় মাওলানা সাদ ঢাকায় এলেও তাকে টঙ্গির বিশ্ব ইজতেমায় যেতে দেওয়া হয়নি। বিরোধিতার মুখে কাকরাইল অবস্থান করে ভারত ফিরে যেতে বাধ্য হন। সরকারের তরফ থেকে কয়েক দফায় সমঝোতার চেষ্টায় দু’পক্ষের মাঝে সাময়িক কিছুটা বরফ গললেও কাকরাইল ও ইজতেমার মাঠের দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠে সাদ অনুসারীরা। দেশের আলেমরা ধর্মীয় কারণে অবস্থান নেন সাদের বিপক্ষে। খোদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এটা নিয়ে বৈঠক করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও অন্য আলেমরা।

তবে ভেতরে ভেতরে দ্বন্দ্ব চলতেই থাকে। এর খানিকটা দেখা যায় চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল। সেদিন কাকরাইলে (তাবলিগ জামাতের প্রধান কেন্দ্র, মারকাজ) সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। তখন থেকে দুই পক্ষের শীর্ষ একাধিক নেতাকে কাকরাইলে যেতে বারণ করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। সেই থেকে কাকরাইল আপাতত শান্ত থাকলেও বিভিন্ন জেলায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। কিন্তু হঠাৎ করে শনিবার দিবাগত রাত থেকে আবারও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পরে তাবলিগের বিবদমান দুই পক্ষ। এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও কাকরাইলে উত্তেজনা চলছিল। পুলিশ কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। মাওলানা সাদের অনুসারীরা বিচ্ছিন্নভাবে বাইরে টহল দিচ্ছেন। যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/10/1536556813472.jpg

তাবলিগ জামাতের অনুসারীদের বরাবরই শান্তিপ্রিয় বলে অভিহিত করা হতো। নেতৃত্বের দ্বন্দ্বও তাদের মাঝে ছিল না। আলেমদের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা ছিল। কিন্তু হাল সময়ে এর কিছুই আর বাকী নেই। ভারতের মাওলানা সাদের বাড়াবাড়ি ও ভুল মতবাদকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে তার অনুসারী গুটিকতক ব্যক্তির হঠকারিতা ও ভ্রান্ত মতাদর্শের ফলে তাবলিগ এখন হুমকির মুখে। তাবলিগকে কেন্দ্র করে দেশের সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ ও আলেমসমাজকে মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে।

এমতাবস্থায় তাবলিগ জামাতকে তার সঠিক পথের ওপর টিকিয়ে রাখার জন্য আলেমরা যেকোনো পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হকসহ একাধিক শীর্ষ আলেম। তারা বার্তা২৪.কমকে বলেন, এতায়াতের (সাদের অনুসরণ) নামে আলেমসমাজ ও তাবলিগ জামাতের মধ্যে দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র সফল হবে না। সারা বিশ্বের তাবলিগ সংশ্লিষ্ট মুরুব্বি, আরব-আফ্রিকাসহ ইউরোপ-আমেরিকার সব তাবলিগি মারকাজ শূরার ভিত্তিতে তাবলিগ পরিচালনার পক্ষে। কিন্তু মাওলানা সাদ ব্যক্তিগতভাবে একক সিদ্ধান্তে তাবলিগ জামাত পরিচালনা করতে চাচ্ছেন। এটা মেনে নেওয়া হবে না। তার নিজস্ব চিন্তাধারা ও তাবলিগের ঐতিহ্যবিরোধী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাওলানা সাদ সাহেবের ভ্রান্ত মতাদর্শ প্রকাশের পর দিল্লি নিজামুদ্দিনের অনেক মুরুব্বি তাকে ত্যাগ করে মারকাজ থেকে চলে গেছেন। সাদ সাহেবকে বিশ্বের সকল দায়িত্বশীল সংশোধন ও নীতির ওপর ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন। কিন্তু তিনি তাদের কথা শুনেননি। উল্টো বাংলাদেশে তাবলিগের দুই-একজন লোক মাওলানা সাদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চ্যালেঞ্জ দিয়ে মাঠে নেমেছেন। তারা বাংলাদেশের আলেম সমাজের সঙ্গে তাবলিগ জামাতের দূরত্ব সৃষ্টি ও মসজিদে মসজিদে পাড়ায়-মহল্লায় বিরোধ ও আলেম বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন। কাকরাইলের শূরা ও আলেমদের সঙ্গে রীতিমতো দুর্ব্যবহার করছেন। কাকরাইলের উত্তেজনা এরই ফল।

আমরা মনে করি, তাবলিগের একটা ঐতিহ্য আছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যে পদ্ধতিতে তাবলিগ পরিচালিত হচ্ছে, এখনও সেভাবে চলা উচিত। এখানে নিজেদের জেদ বহাল রাখার চেষ্টা করা হবে ভুল। এর ফলে বিশৃঙ্খলা ও দ্বন্দ্ব আরও বাড়বে। শুধু তাই নয়, তাবলিগ জামাতের সঙ্গে আলেম সমাজের সুসম্পর্কেরও মারাত্মক ফাটল ধরবে। সাধারণ মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেবে দাওয়াতি কাজ থেকে। যা কোনো অবস্থাতেই কাম্য নয়।

আগেই বলেছি, ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের মানুষ শান্তি প্রিয়। তারা শান্তিপূর্ণ যেকোনো কাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেন। তাবলিগের শান্তিপূর্ণ নীতির কারণে বাংলাদেশের আপামর জনগণ দলমত নির্বিশেষে তাবলিগের কাজকে সমর্থন দিয়েছেন। এই বিপুল পরিমাণ মানুষ তাবলিগের এমন দ্বন্দ্বে দ্বিধাগ্রস্ত, তারা হতাশ। কারণ, কোনো ধর্মপ্রাণ মানুষ গভীর আস্থা, বিশ্বাস ও সম্মানের জায়গা থেকে মসজিদ, মাদরাসায় কোনো ধরনের গণ্ডগোল, কোন্দল, হাতাহাতি ও মারামারি প্রত্যাশা করেন না।

আশা করি, তাবলিগের বিবদমান গ্রুপ বিশেষ করে মাওলানা সাদের অনুসারীরা বিষয়গুলো মাথায় রেখে, মানুষের আস্থার প্রতিদান দেবেন। ধর্মীয় জায়গাগুলো ফেতনা থেকে দূরে রাখবেন। বিভিন্ন স্পর্শকাতর ইস্যুর সঙ্গে তাবলিগকে মিলিয়ে বিতর্কিত করবেন না।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র