Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

মহররম, আশুরা ও কারবালার শিক্ষা

মহররম, আশুরা ও কারবালার শিক্ষা
কারবালার ঘটনা মুসলিম বিশ্বের কাছে চিরভাস্বর হয়ে আছে, ছবি: সংগৃহীত
ড. মাহফুজ পারভেজ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামে ‘মহররম’ কোনো উৎসবের নাম নয়, এটা আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস। যার অর্থ সন্মানিত বা পবিত্র। মহররম মাসের দশ তারিখকে বলা হয়- আশুরা। অর্থ ‘দশ’। ইসলামের ইতিহাসে আশুরার গুরুত্ব অপরিসীম বলে বিবেচিত হয়। এই কারণে মহররম মাসের প্রতিও বিশেষ গুরুত্ব আরোপিত হয়েছে। এমাসে মানবজাতির প্রতি নিজেদের অবিচারমূলক কাজ-কর্মের ব্যাপারে সতর্কতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পৃথিবী সৃষ্টিসহ সভ্যতার আদি পর্ব থেকে মহররম মাসের দশ তারিখে ইসলামের ইতিহাসে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ আছে। জাহিলিয়াতের যুগে অসভ্য আরববাসীরাও এই দিনে ঝগড়া-বিবাদ থেকে বিরত থাকতো। একইভাবে ইহুদি, খৃস্টানদের নিকটও দিনটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

তবে ঐতিহাসিকভাবে সর্বাপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারবালার প্রান্তরে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র, এবং ইসলামের চতুর্থ খলিফা হজরত আলী (রা.)-এর পুত্র হজরত হুসাইন (রা.) তথা নবী বংশ ও পরিবারের মর্মন্তুদ হত্যাকাণ্ড।

মহররম মাস স্মরণ করিয়ে দেয় কারবালার ময়দানে ইমাম হুসাইনের (রা.) শহীদ হওয়ার কথা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামের কথা শিক্ষা দেয়। হিজরি ৬১ সালের ১০ মহররম ফোরাত নদীর তীরবর্তী কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনী নির্দয়ভাবে ইমাম হুসাইন (রা.) ও তার শিশুপুত্রসহ ৭২ জন সাথীকে হত্যা করে। তবে ইমাম হুসাইন সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করে ইতিহাসে গৌরবজনক অধ্যায়ের রচনা করে অমর হয়ে বিশ্ববাসীর জন্য রেখে গেছেন আত্মত্যাগের অনুপম শিক্ষা ।

ইতিহাসে দেখা যায়, ইসলামের চারজন খলিফার মধ্যে শেষ খলিফা হজরত আলী (রা.) নবী করিম (সা.)-এর জামাতাও বটে। তার মৃত্যুর পর খলিফা নির্বাচিত হন তার পুত্র হজরত হাসান (রা.)। কিন্তু রাজনীতি ও সমর নীতিতে তার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। ফলে রাজনৈতিকভাবে তিনি হজরত মুয়াবিয়া (রা.)-এর কাছে পরাজয় বরণ করে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। তখন হজরত হাসান (রা.) ও হজরত মুয়াবিয়া (রা.)-এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বলা হয়, হজরত মুয়াবিয়া (রা.)-এর মৃত্যুর পর তিনি ক্ষমতা হস্তান্তর করনে। কিন্তু ৬৭৯ সালে হজরত মুয়াবিয়া (রা.) মৃত্যুর আগেই হজরত হাসান (রা.)-এর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত লংঘন করে ছেলে ইয়াজিদকে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন। এ ঘটনাই কারবালার যুদ্ধের সূত্রপাত।

ইয়াজিদের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে জনগণের মাঝে অসন্তোষ দেখা দেয়। বিশিষ্টদের মধ্যে অনেকেই তার খলিফা প্রাপ্তির ঘটনাকে মেনে নিতে নারাজ ছিলেন। তদুপরি, জনগণের কাছে হজরত হুসাইন (রা.) ছিলেন খলিফার হিসেবে বেশি পছন্দনীয়।

এমন পরিস্থিতির মাঝে ইয়াজিদের শাসনে কুফার নাগরিকরা অত্যাচারিত হয়ে হজরত হুসাইন (রা.)-এর সাহায্য প্রার্থনা করেন। তিনি কষ্টে থাকা কুফাবাসীর ডাক উপেক্ষা করতে পারেননি। তাদের সাহায্যে একদল সৈন্য ও পরিবারে লোকজকে সঙ্গে নিয়ে কুফার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এর আগে কুফাবাসীর ঘটনা সরজমিনে সত্যাসত্য নির্ণয়ের জন্য মুসলিম বিন আকিল নামে তার এক নিকটাত্মীয়কে কুফা পাঠান। কিন্তু ইয়াজিদের নির্দেশে আকিলকে হত্যা করা হয়। কুফা পৌঁছানোর আগে হজরত হুসাইন (রা.) এই হত্যকাণ্ডের খবর পেয়ে চিন্তিত হন ও মদিনায় ফিরে যাওয়া তাদের জন্য সমীচীন হবে বলে মনে করেন। কিন্তু হজরত হুসাইন (রা.)-এর সঙ্গে অবস্থানকারী আকিলের পরিবার তার হত্যকাণ্ডের প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।

অন্যদিকে হজরত হাসান (রা.)-এর পথ অবরুদ্ধ করতে ইয়াজিদের সেনা অফিসার ওবায়দুল্লাহর নির্দেশে ওমর বিন সাদ চার হাজার সৈন্য দ্বারা ঘিরে ফেলে। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে হজরত হাসান (রা.) ইরাকের ফোরাত নদীর পশ্চিম তীর বেয়ে পঁচিশ মাইল পথ হেঁটে কারবালার প্রান্তরে তাঁবু গাড়লেন। ওবায়দুল্লাহ হুসাইনকে বিনা শর্তে আত্মসমর্পণ করতে বলেন এবং আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করার জন্য ফোরাত নদীর তীর অবরোধের নির্দেশ দেন। ইমাম শত্রুতা ও রক্তক্ষয় এড়াতে ইয়াজিদের সেনাপতিকে আপোষ প্রস্তাব দিয়ে বললেন, ‘হয় আমাদের দেশে ফিরে যেতে দাও, অথবা ইয়াজিদের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা কর, আর এই প্রস্তাবে রাজী না হলে দূরে কোথাও যুদ্ধের ময়দানে যেতে দাও। যেখানে আমি অত্যাচারী শাসক ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারি।’

কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, তার এই শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হয়। নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে সময় গড়াতে থাকে। পরিণতি অসম এক যুদ্ধ।

যুদ্ধে হজরত হুসাইন (রা.) শাহাদত বরণ করেন। যুদ্ধের ঘটনা ও পরিস্থিতি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। যা নিষ্ঠুর হৃদয়ের মানুষকেও বিগলিত করে।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে হজরত হুসাইন (রা.)-এর লড়াই ও আত্মত্যাগ বিশ্ববাসীর কাছে অনন্ত শিক্ষার উৎস। ন্যায় ও সত্যের জন্য জীবন দান করে তিনি মহৎ শিক্ষা রেখে গেছেন। অথচ ইয়াজিদের কাছে আনুগত্য স্বীকার করলে তিনি অনায়াসে নিজের ও পরিবারবর্গের জীবন রক্ষা করতে পারতেন। কিন্তু অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করার শিক্ষা তার হৃদয়ে বিন্দুমাত্র স্থান পায়নি। কারবালার ঘটনা মানবজাতির কাছে সত্য ও ন্যায়ের জন্য এক উজ্জ্বল ত্যাগের নমুনা হয়ে আছে। কারবালার যুদ্ধে হজরত হুসাইন (রা.)-এর আপাত পরাজয় ঘটলেও তা ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে আদর্শবাদের জয়। যা মুসলিম বিশ্বকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। কারবালার ঘটনা মুসলিম বিশ্বের কাছে চিরভাস্বর হয়ে আছে।

কারবালার এই করুন কাহিনী সমগ্র মানব জাতির জন্য একটা অনন্ত শিক্ষা। কারণ, হজরত হুসাইন (রা.) জীবন, পরিজন উৎসর্গ করে আমাদের জন্য অফুরন্ত ভাবনা ও শিক্ষার খোরাক রেখে গেছেন। অন্যদিকে সাম্য ও ন্যায়ের ভিত্তিতে নির্বাচিত খেলাফত ব্যবস্থা ধ্বংস করে স্বৈরশাসনের বিরোধিতা করে গেছেন। অন্যায়ের প্রতি ইমামের প্রতিবাদ ছিল জলন্ত অগ্নিশিখার মতো, যে অগ্নিশিখা সমগ্র মানবজাতির জন্য আলোকবর্তিতাস্বরূপ।

কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মতাদর্শের লোকজন ত্যাগ ও আদর্শের ছাপহীন নানা কর্মসূচি পালন করেন। যদিও এসব উৎসব কোনও অর্থ বহন করে না এবং ইসলামের মতাদর্শকে প্রতিফলিত করে না।

বস্তুত কারবালাকে মাহাত্ম্যশোভিত করার জন্য চাই উপযুক্ত জ্ঞান ও শিক্ষা। মানুষের ত্যাগ-তিতিক্ষা ও সততার সাধনার মধ্যেই এ দিবসের তাৎপর্য নিহিত। এক কথায়, অসত্যের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম কারবালার নিরন্তর শিক্ষার উৎস হিসেবে বিবেচিত। কারণ, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট ভাষায় নির্দেশ দিয়েছেন, ‘উত্তম জিহাদ হলো- নিষ্ঠুর, স্বৈরাচারী রাষ্ট্রনায়ক ও সরকারের বিরুদ্ধে সত্য তথা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।’

সুতরাং আত্মস্বার্থ ও লোভের বশবর্তী হয়ে বিশ্বব্যাপী নিপীড়িত, নির্যাতনের প্রতিবাদে যদি চুপ থাকা হয়, তাহলে মহররম, আশুরা ও কারবালার প্রতি অবমাননা করা হয়। তাই শুধু আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আশুরা ও কারবালার চেতনা জাগ্রত হবে না, জাগ্রত হবে মানুষের সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়বোধ প্রতিষ্ঠিার মাধ্যমে।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র