Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আত্মসমালোচনা মানুষকে পাপ থেকে বাঁচিয়ে রাখে

আত্মসমালোচনা মানুষকে পাপ থেকে বাঁচিয়ে রাখে
আত্মসমালোচনা মানুষকে পাপ থেকে বাঁচিয়ে রাখে, ছবি: বার্তা২৪.কম
মাহফুজ আবেদ
অতিথি লেখক
ইসলাম


  • Font increase
  • Font Decrease

আল্লাহতায়ালার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষ। মানুষ মর্যাদাবান হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মর্যাদাবান মানুষের কথা বা বক্তব্য কেমন হবে? মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়াটাই তো স্বাভাবিক, কিন্তু বর্তমান সভ্যতায় এই স্বাভাবিক বিষয়টি কতটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে?

আসলে পৃথিবীর ক্ষমতাবান গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটছে না, আর তাদের অনেকের বিদ্বেষপূর্ণ ও বিষাক্ত বাক্যবানে হতাশার মাত্রা দিন দিন আরও বাড়ছে। এমন বিশ্ববাতাবরণে কেউ কেউ পবিত্র কোরআনের বাণীতে সমাধান খোঁজার আহ্বান জানাচ্ছেন। বলি, উত্তম আহ্বান।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, কোরআন পাঠে প্রবৃত্ত হওয়ার আগে তো মানুষের চোখে পড়ছেন মুসলিম এবং তাদের সমাজ। মানুষ তো পড়ার চাইতে দেখতে বেশি ভালোবাসে। মুসলমানদের দেখে কি বর্তমান সময়ে পবিত্র কোরআনের বার্তা উপলব্ধির খুব সুযোগ আছে? আর মুসলমানদের কথাবার্তা ও জীবনদৃষ্টি? দূষণে-মিশ্রণে বাস্তবতা এমন হয়েছে যে, মুসলমানদের অন্যদের থেকে আলাদা করা বেশ মুশকিল।

অথচ পবিত্র কোরআনে মুসলমানদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে সমগ্র মানবজাতির কল্যাণের জন্য।’ মুসলমান তো আসলে তথাকথিত কোনো ‘সম্প্রদায়ের’ নাম নয়, বরং বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত সচেতন মানবমণ্ডলীর নাম, যাদের লক্ষ্য শুধুই কল্যাণ। এই চেতনা এখন পৃথিবীতে কতটা বর্তমান আছে। মুসলমানদের কথাবার্তা বা বাক্য-বিন্যাসেই বা এর প্রতিফলন কতটা ঘটছে?

পবিত্র কোরআনে তো ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সৃষ্টি জগতের জন্য ‘রাহমাতাললিল আলামিন’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এখান থেকে তো আমরা মানুষের প্রতি, প্রাণীর প্রতি তথা পরস্পরের প্রতি দয়া-ভালোবাসা, স্নেহ-মমতার শিক্ষা পাই।

এখন প্রশ্ন হলো, আল্লাহতায়ালা তার প্রিয় নবীর মাধ্যমে মানবজাতির জন্য কি বার্তা পাঠালেন, আর আমরা করছি কী? এমন প্রশ্নে হতাশা নয়, বরং প্রয়োজন আত্মসমালোচনা। আর আত্মসমালোচনার দায়িত্বটা প্রথমেই পালন করতে হবে মুসলমানদের।

তবে আদমশুমারির তালিকায় কিংবা বংশানুক্রমে আমরা যারা মুসলিম, তারা এই দায়িত্ব কতটা উপলব্ধি করবো সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

দুনিয়ার স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিটি মানবসত্তাই মন্দ কাজে লিপ্ত হয়। তাই তা থেকে বেঁচে থাকার জন্য আত্মসমালোচনা একান্ত প্রয়োজন। প্রতিদিন মানুষ নিজেই নিজের পাপের হিসাব নেওয়ার মাধ্যমে পুনরায় ওই পাপে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকতে পারে। এছাড়া ব্যক্তির মাঝে যে পাপবোধ সৃষ্টি হয় আত্মসমালোচনা তাকে ক্ষমা লাভের উপযুক্ত করে তোলে।

আভিধানিক অর্থে আত্মসমালোচনা হলো- নিজের সম্পর্কে সমালোচনা করা। পারিভাষিক অর্থে আত্মসমালোচনা বলতে বুঝায়, সচেতনভাবে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বা পরিত্যাগ করা, যাতে কৃতকর্ম সম্পর্কে নিজের সুস্পষ্ট ধারণা থাকে। সুতরাং যদি তা আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক কাজ হয়, তবে তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা। আর যদি তা আল্লাহর অসন্তুষ্টিমূলক কাজ হয় তবে তা থেকে সর্বতোভাবে বিরত থাকা। সেই সঙ্গে নিজেকে সর্বদা আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক কাজ তথা ইবাদতে মশগুল রাখা।

আল্লামা ইবনুল কাইয়্যুম রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আত্মসমালোচনার অর্থ হচ্ছে- নিজের করণীয় এবং বর্জনীয় পৃথক করে ফেলা। অতঃপর সর্বদা ফরজ ও নফল কর্তব্যসমূহ আদায়ের জন্য প্রস্তত থাকা এবং হারাম বা নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ পরিত্যাগ করার উপর সুদৃঢ় থাকা।

আত্মসমালোচনার মাধ্যমে নিজের দোষ-ত্রুটি নিজের সামনে প্রকাশ করার মাধ্যমে মানুষ স্বীয় ভুল-ত্রুটি জানতে পারে। ফলে তার হৃদয় ভালো কাজের দিকে আকৃষ্ট হয় এবং মন্দ কাজ থেকে দূরে থাকতে পারে। আত্মসমালোচনা দ্বীনের ওপর দৃঢ়তা অর্জনের সবচেয়ে কার্যকরি মাধ্যম, যা মানুষকে আল্লাহর দরবারে মুহসিন ও মুখলিস বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করে। আত্মসমালোচনার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নিয়ামতসমূহ, অধিকারসমূহ জানতে পারে। আর সে যখন আল্লাহর নিয়ামত ও তার অবস্থান সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করে, তখন সে আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়ে উদ্বুদ্ধ হয়।

আত্মসমালোচনার মাধ্যমে মানুষের মাঝে পরকালীন জওয়াবদিহিতার উপলব্ধি সৃষ্টি হয়। এটা জীবনের লক্ষ্যকে সজীব করে রাখে। আত্মসমালোচনার ফলে কোনো পাপ দ্বিতীয়বার করতে গেলে বিবেকে বাধা দেয়। ফলে পাপের কাজ থেকে মুক্তির পথ সহজ হয়ে যায়।

মোদ্দাকথা হলো- আত্মসমালোচনা আমাদের পার্থিব জীবনে দায়িত্বশীলতা সৃষ্টি করে, পরকালীন জওয়াবদিহিতার চিন্তা বৃদ্ধি করে এবং বিবেককে শাণিত করে। করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভে সাহায্য করে। সর্বোপরি জীবনের উচ্চতম লক্ষ্যকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে একজন প্রকৃত মানুষ হয়ে গড়ে উঠার কাজে সর্বদা প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করে।

অতএব আসুন! আমরা নিজেদেরকে একজন প্রকৃত মানুষ হিসেবে, প্রকৃত মুসলমান হিসাবে গড়ে তোলার জন্য জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ সতর্কতার সঙ্গে ফেলি।

আপনার মতামত লিখুন :

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার
নবীর রওজার গিলাফের টুকরা দেখাচ্ছেন আমির খান, ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় ব্রিটিশ বক্সার আমির ইকবাল খান এক বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। তিনি জেদ্দায় অস্ট্রেলিয়ান বক্সার বিলি ডিবের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। সৌদি আরব যেয়ে তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় ওমরা পালন করেছেন। সেই সঙ্গে নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত গিলাফের একটি টুকরা পেয়েছেন উপহার হিসেবে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রিটেনের হয়ে অলিম্পিক পদকজয়ী এই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন স্ত্রী ফারিয়াল মাকদুমকে নিয়ে কাবা চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে ইহরাম পরিহিত ও রওজার গিলাফের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। গিলাফের ওই টুকরাটি সবুজ কাপড়ের। সেখানে সাদা রংয়ের ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা লেখা রয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289158690.jpg

আমির খান সম্মাননা পাওয়া রওজার গিলাফের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওজা শরিফের এক টুকরো কাপড় পেয়ে সম্মানিত ও খুব সৌভাগ্যবান। এটা আমার পুরো জীবনের জন্য উপভোগের বিষয়।’

প্রতি বছরই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা শরিফের গিলাফ এবং কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। পরে গিলাফের অংশ বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা হিসেবে উপঢৌকন দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মাদ আলীর পর মুসলিম বক্সার হিসেবে পরিচিত ও জনপ্রিয় মুষ্টিযোদ্ধা আমির ইকবাল খান এ উপহার পেলেন।

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো
কাবা প্রাঙ্গণে হজযাত্রীদের একাংশ, ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। জাতীয় হজ ও ওমরা নীতিমালা অনুযায়ী মৃত্যু বা মারাত্মক অসুস্থতাজনিত কারণে নিবন্ধিত কেউ হজে যেতে না পারলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে হজে পাঠানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমতি দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এজেন্সিকে ওই হজযাত্রীর অসুস্থতার পক্ষে চিকিৎসকের সনদপত্র অথবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সনদপত্র জমা দিতে হবে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

তবে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেই বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন, নীতিমালায় যাই থাকুক, রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোকে বাড়তি কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যেমন নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছরও ১০ শতাংশ হারে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তার পরও কিছু এজেন্সি দাবি করছেন আরও ৫ শতাংশ সুবিধার।

চলতি হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে এজেন্সিগুলোকে প্রতি ১০ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে তা নির্ধারিত সময়ের জন্য হওয়ার কারণে কিছু এজেন্সি তখন এই সুবিধা নিতে পারেনি। এখন এজেন্সিগুলো আরেক দফায় এই সুযোগ চায়। প্রতিস্থাপনের সুবধিা না পাওয়ার কারণে অনেক এজেন্সি এখনও সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করে তাসরিয়ার অনুমোদন নিতে পারছে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ও গত কয়েক দিন কয়েক দফায় এজেন্সিগুলোকে তলব করে তাদের সর্বশেষ অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ প্রায় ৪০টি এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ডেকেছিল।

এ বিষয়ে হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেছেন, আমরা শুরুতেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজযাত্রীকে রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েছি। মন্ত্রণালয় দুই দফায় আমাদের হজযাত্রীদের ১০ শতাংশ করে রিপ্লেমেন্টের সুযোগ দিয়েছে। এখন যারা হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যাপারে তথ্য দিতে পারছে না তাদেরকে ডেকে প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, রিপ্লেমেন্টের জন্য নতুন করে অনুরোধ করার কিছু নেই। আমরা আগেই অনুরোধ করে রেখেছি সেটি বিবেচনায় রেখে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা আশা করি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন এজেন্সি মালিক রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার বিষয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আসলে আগের বছর ১৫ শতাংশের বেশি রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হয়েছে তিন দফায়। এবারও দুই দফায় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময় নির্ধারিত থাকা কারণে পরে যাদের রিপ্লেসমেন্টের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আবার সুযোগ দেওয়া দরকার। এ ছাড়া দেখা গেছে, অনেকে শতকরা হারে সে সংখ্যায় রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা পেয়েছে তার প্রকৃত রিপ্লেসযোগ্য হজযাত্রীর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। ফলে সে আরেক দফায় সুবিধার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তাদের দাবি, যারা হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছেন তাদেরই তো রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হবে। এতে কোটা খালি থাকা বা সরকারের লাভ-লোকসানের কিছু নেই। বরং কোনো এজেন্সি তার হজযাত্রী পাঠাতে না পারলে তার বাড়ি ভাড়ার টাকা এমনকি বিমানের টিকিটের টাকাসহ ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আর ওই সব হজযাত্রীর কোটাও খালি যাবে। ফলে সব কিছু বিবেচনা করে সর্বশেষ রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়া উচিত।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য এবার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার কারণে হজ ফ্লাইট নিয়ে কোনো ঝামেলা এখন পর্যন্ত হয়নি। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের নামে বিমানের টিকিট নিশ্চিত করাসহ হজ অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসা নিশ্চিত করার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই দফায় দফায় এজেন্সিগুলোকে ডেকে তাদের সর্বশেষ তথ্য জানছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এখনও কিছু এজেন্সির সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া ও তাসরিয়ার ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তথ্য না থাকায় প্রকৃত অবস্থা জেনে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে।

উল্লেখ্য, সরকারি-বেসরকারি মিলে এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী যাওয়ার কথা। ৫৯৮টি বেসরকারি এজেন্সি এ বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের পরিবহন করছে। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজপালনের জন্য সৌদিতে যাওয়া বাংলাদেশি মধ্যে চার পুরুষ ও একজন নারী ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র