Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

আপরাইট ট্রাভেলসের সঙ্গে হজের লেনদেন না করার নির্দেশ

আপরাইট ট্রাভেলসের সঙ্গে হজের লেনদেন না করার নির্দেশ
আপরাইট ট্রাভেলসের সঙ্গে হজের লেনদেন না করার নির্দেশ, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি মৌসুমে হজ ব্যবস্থাপনার জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২৪ জানুয়ারি ২৮৫টি এজেন্সির নাম প্রকাশ করে। প্রকাশিত তালিকায় আপরাইট ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস লিমিটেড নামে এক এজেন্সির নাম ছিল। যার হজ লাইসেন্স নং- ১২৮০, প্রকাশিত ক্রমিক নম্বর- ২৫১।

কিন্তু তালিকা প্রকাশের পর বর্ণিত এজেন্সির কাগজপত্র পর্যালচনা করে দেখা যায়, ওই এজেন্সির নিবন্ধন হালনাগাদ করা নাই। তাই ২৪ জানুয়ারি ১০৭ নম্বর স্মারকে প্রকাশিত তালিকা থেকে ‘আপরাইট ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস লিমিটেড’-এর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব এস এম মনিরুজ্জমানা স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই নোটিশে নিবন্ধন হালনাগাদ না করা পর্যন্ত বর্ণিত এজেন্সির সঙ্গে হজ সংক্রান্ত কোনো ধরনের লেনদেন না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০১৯ সালের হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় দুই বারে মোট ৮৭৯টি হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করে। বলা হয়েছে, এসব এজেন্সি চলতি মৌসুমের হজ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

যে সব হজ এজেন্সি এ পর্যন্ত হালনাগাদের কাগজপত্র দাখিল করেনি, কিংবা বিভিন্ন অভিযোগে শাস্তি কিংবা অথবা জরিমানাপ্রাপ্ত হয়েছে, বিগত হজে অনিয়ম করে সৌদি আরবে কালো তালিকাভুক্ত হয়ে মামলায় জড়িত এবং অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে- সে সব এজেন্সিগুলো দুই দফার কোনো তালিকাতেই জায়গা পায়নি।

২০১৯ সালে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজ ব্যবস্থাপনাকে স্বচ্ছ ও গতিশীল দ্বিতীয়বারের মতো হজ ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। প্রকাশিত ক্যালেন্ডারে গৃহীত মোট ৭৯টি কার্যক্রমের কোনটি কবে শুরু ও কবে শেষ এবং কোন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কোন কর্মকর্তা থাকবেন তা সুনির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা আছে।

হজ ক্যালেন্ডারের হিসাবমতে ২০১৯ সালের হজ ফ্লাইট ৪ জুলাই শুরু হতে পারে, চলবে টানা একমাস। ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হবে ১৬ আগস্ট থেকে।

বাংলাদেশ থেকে ৩ বছর ধরে ১ লাখ ২৭ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ হজপালনের সুযোগ পান।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র