Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

শহীদদের স্মরণে আল্লাহর গুণবাচক নাম সম্বলিত স্তম্ভ

শহীদদের স্মরণে আল্লাহর গুণবাচক নাম সম্বলিত স্তম্ভ
মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে আল্লাহতায়ালার গুণবাচক ৯৯ নাম সম্বলিত দৃষ্টিনন্দন স্তম্ভ, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের প্রথম কোরআনে কারিমের ভাস্কর্য স্থাপন করা হয় ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবার কদমতুলির মোড়ে। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ভাস্কর্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

চারুকলা ইনস্টিটিউটের ছাত্র ভাস্কর কামরুল হাসান শিপনের নকশায় দেশের প্রথম কোরআন ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা পৌরসভার মেয়র এমরানুদ্দীন জুয়েলের তত্ত্বাবধানে।

এরপর নরসিংদীর আমদিয়া ইউপির কান্দাইল বাসষ্ট্যান্ডে নির্মিত হয়েছে আল্লাহতায়ালার ৯৯ নামের ভাস্কর্য। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মুন্সিগঞ্জে আল্লাহতায়ালার ৯৯ নাম সম্বলিত স্তম্ভ বানানো হলো।

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে আল্লাহতায়ালার গুণবাচক ৯৯ নাম সংবলিত দৃষ্টিনন্দন স্তম্ভটি নির্মিত হয়েছে মুন্সিগঞ্জ জেলার প্রাণকেন্দ্র কাচারি চৌরাস্তার মাঝে।

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

নির্মিত স্তম্ভটি শহরের সোন্দর্যবর্ধন ও একই সঙ্গে কাচারি মোড়ের যানবাহনের এলোপাতালি চলাচলে শৃঙ্খলা আনবে।

এই স্থাপনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘আসমাউল হুসনা’ যার অর্থ আল্লাহতায়ালার সুন্দরতম নাম। স্তম্ভের নির্মাণকারী প্রকৌশলীর নাম মোহাম্মদ আলী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/31/1548937905806.jpg
কসবার কোরআন ভাস্কর্য ও নরসিংদীর আমদিয়ার আল্লাহর ৯৯ নামের ভাস্কর্য

চারকোণ আকৃতির ২৯.৬ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট স্তম্ভের নিচের প্রায় পাঁচ ফুট কালো টাইলসের আস্তরণ রয়েছে। এর ওপরে স্তম্ভের চারদিকে মার্বেল পাথরে আল্লাহতায়ালার গুণবাচক ৯৯টি নাম লেখা হয়েছে। সবার ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ছোট্ট একটি গম্বুজ। ওই গম্বুজে সবুজ টাইলসের আবরণ দেওয়া হয়েছে। দেখতে মদিনার সবুজ গম্বুজের মতো।

বুধবার (৩০ জানুয়ারি) দৃষ্টিনন্দন এই স্থাপনার ফলক উন্মোচন করেন মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের সভাপতিত্বে ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সভাপতি আল্লামা খন্দকার গোলাম মাওলা।

বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে এভাবে স্থাপিত বিভিন্ন স্থাপনায় আল্লাহতায়ালার কিংবা কোরআন থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষদের। সাধারণ মানুষ মনে করেন, শহরজীবনের ব্যস্ততায় কিংবা চলার পথে এমন স্থাপনা দেখে দয়াময় ও সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালার কথা পথচারীদের স্মরণ হবে। যার মনে আল্লাহর নাম জাগরুক ওই মনে কোনো অন্যায়ের স্থান নেই।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র