Alexa

হজের চূড়ান্ত নিবন্ধন শুরু বৃহস্পতিবার, চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত

হজের চূড়ান্ত নিবন্ধন শুরু বৃহস্পতিবার, চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত

পবিত্র কাবা, ছবি: সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার (১৪) থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০১৯ সালে পবিত্র হজ গমনেচ্ছুদের চূড়ান্ত নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে, চলবে ৫ মার্চ পর্যন্ত। অন্যদিকে বেসরকারিভাবে হজ গমনেচ্ছুদের চূড়ান্ত নিবন্ধন শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করতে হবে। সরকারিভাবে হজ গমনেচ্ছুদের প্রাক-নিবন্ধনের ৩০ হাজার টাকা বাদে সমন্বয় করে প্যাকেজ অনুযায়ী বাকী টাকা নিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। অন্যদিকে বেসরকারিভাবে হজ গমনেচ্ছুদের প্রাক-নিবন্ধনের ৩০ হাজার টাকা বাদে প্যাকেজ অনুযায়ী নির্ধারিত টাকা থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে।

এবার সরকারি-বেসরকারিভাবে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ ব্যক্তি হজ করতে সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে বেসরকারিভাবে যাবেন এক লাখ ২০ হাজার, বাকি সাত হাজার ১৯৮ জন যাবে সরকারিভাবে। হজ গমনেচ্ছুদের প্রাক-নিবন্ধন হজের কোটার চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় চূড়ান্ত নিবন্ধনের ক্রমিক শেষ নম্বর জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি যাত্রীদের সর্বশেষ প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমিক নম্বর ২২ হাজার ৭৬৪। আর বেসরকারি যাত্রীদের সর্বশেষ প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমিক নম্বর ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৮১৫।

হজযাত্রীদের জন্য গতবারের তুলনায় এ বছর বিমান ভাড়া কমানো হয়েছে হয়েছে ১০ হাজার টাকা। তার পর সরকার দু’টি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। প্যাকেজ-১ এর জন্য প্রতিজনের লাগবে ৪ লাখ ১৮ হাজার ৫শ টাকা আর প্যাকেজ-২ এর জন্য লাগবে ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলো হজনীতির সঙ্গে মিল রেখে সুযোগ-সুবিধার ভিত্তিতে হজ প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে। তবে ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকার কমে কাউকে হজ করার জন্য নিয়ে যেতে পারবে না।

সুতরাং ২০১৯ সালে সনে হজ গমনেচ্ছুদের প্রাক-নিবন্ধিতদের কেউ নির্ধারিত ক্রমিকের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পনন্ন না করলে তার পরিবর্তে জাতীয় হজ ও ওমরা নীতি সংশোধিত ১৪৪০ হিজরি ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ-এর ৩.১.৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরবর্তী ক্রমিকের প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তিদের নিবন্ধনের জন্য আহ্বান জানানো হবে।

হজের চূড়ান্ত নিবন্ধনের জন্য হজযাত্রীর এমআরপি পাসপোর্ট থাকতে হবে। পাসপোর্ট স্ক্যান করে নিবন্ধন তথ্য পূরণ করতে হবে। হজযাত্রীর পাসপোর্টের মেয়াদ হজের দিন থেকে পরবর্তী ছয় মাস অর্থাৎ ২০২০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে হবে।

নারী হজযাত্রীকে মাহরামের তথ্য নিবন্ধনের সময় দিয়ে দিতে হবে। যে দুই বা তার চেয়ে বেশি হজ করেছেন অথবা হজভিসা পেয়েছিলেন কিন্তু হজ পালন করেননি তাদের মধ্য থেকে যারা চলতি বছর হজ করবেন তাদের জন্য রাজকীয় সৌদি সরকার কর্তৃক আরোপিত ভ্যাটসহ অতিরিক্ত চার্জ দুই হাজার একশ’ সৌদি রিয়াল সমপরিমাণ টাকা জমা দিতে হবে।

চূড়ান্ত নিবন্ধনের পর কোনো হজযাত্রীর কোনো কারণে হজে যেতে না পারলে শুধু বিমান ভাড়া এবং খাবারের বাবদ গৃহীত টাকা ফেরত দেওয়া হবে। 

হজের চূড়ান্ত নিবন্ধন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

আপনার মতামত লিখুন :