Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

নির্বাচনের মৌসুমে বাড়েনি পতাকা বিক্রি

নির্বাচনের মৌসুমে বাড়েনি পতাকা বিক্রি
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পতাকা বিক্রি করছেন মৌসুমী বিক্রেতারা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
মনিরুজ্জামান বাবলু
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চারদিকে নির্বাচনী ডামাডোল। নৌকা, ধানের শীষের সাথে আছে আরো নানান প্রতীক। প্রার্থীরা দেশের উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এবার বিজয়ের মাসে বিগত কয়েক বছরের তুলনায় জাতীয় পতাকা বিক্রি বাড়েনি। বরং কমেছে বলে দাবি মৌসুমী পতাকা বিক্রেতাদের।

প্রতি বছর বিজয় দিবসসহ জাতীয় দিবসগুলোতে বিভিন্ন মাপের পতাকা হাতে নেমে পড়েন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। তেমনি একজন মো. রুবেল হোসেন, ২০০২ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পতাকা বিক্রি করে আসছেন। মূলত তিনি রাজমিস্ত্রি। দিবস আসলেই নেমে পড়েন এই ব্যবসায়। শতকরা ৫০ টাকা লাভ হয় বলে জানান রুবেল।

শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজারের বড় মসজিদের পাশে কথা হয় রুবেল হোসেনের সঙ্গে। তিনি জানান, চাঁদপুর জেলায় প্রায় ১৮ থেকে ২০ জনের মতো মৌসুমী পতাকা ব্যবসায়ী রয়েছেন। তাদের মধ্যে হাজীগঞ্জ বাজারে প্রায় ১০ জন। গত বছরের তুলনায় এবার দৈনিক বিক্রির হার কমেছে। এখন হয় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা বিক্রি হয়। গত বছরের এমন দিনে তিন থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত পতাকা বিক্রি হতো।

আরেক পতাকা বিক্রেতা আবদুস সোবহান। তিনি জানান, তাদের কাছে তিন ধরনের পতাকা আছে। ৪০ টাকা, ৬০ টাকা ও ১০০ টাকা মূল্যের পতাকা রয়েছে। এছাড়া মাথার ব্যাজ প্রতিটি ১০ টাকা, স্টিকারের পাতা ১০ টাকা হারে বিক্রি করেন।

এছাড়াও তারা বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল খেলা চলাকালে চট্টগ্রাম, মিরপুর ও সিলেট স্টেডিয়ামে পতাকা বিক্রির জন্য হাজির হন বলে জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার
বাগান ঘুরে আম দেখছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার, ছবি: বার্তা২৪.কম

একদিনের সফরে মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজশাহীতে এসেছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেপুটি ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর। সকালে পূর্বনির্ধারিত কাজ শেষে বিকেলে বের হয়েছিলেন রাজশাহীর আম বাগান পরিদর্শনে। উদ্দেশ্য বাগানে বসে গাছপাকা আম খাওয়া।

বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর জিন্নাহনগরের একটি আম বাগানে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন গাছের আমের স্বাদ নেন তিনি। রাজশাহী অ্যাগো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হকের বাগানের ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজভোগ আম খেয়ে মুগ্ধতার কথা জানান কানবার হোসেন বর।

বাগান ঘুরে গাছ থেকে নিজে আম পেড়ে সঙ্গে নিয়েও গেছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের দায়িত্বে থাকা কানবার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561484344215.jpg

যাওয়ার সময় বলে গেলেন, ‘অসাধারণ আম! গাছ পাকা এমন স্বাদের আম আমি আগে কখনও খাই নি। বাংলাদেশে যতদিন আছি, আমের মৌসুমে বারবার এখানে আসতে মন চাইবে নিশ্চয়। চেষ্টা থাকবে প্রতিবছর রাজশাহীতে এসে তৃপ্তি সহকারে আম খাওয়ার।’

অ্যাগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাসাইটির চেয়্যারম্যান আনোয়ারুল হক জানান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর মঙ্গলবার বিকেলে আমার বাগানে আম দেখতে এবং খেতে এসেছিলেন।

তিনি গাছ থেকে ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজাভোগ আম পেড়ে খেয়েছেন। রাজশাহীর আমের প্রেমে পড়ে গেছেন বলে আবার আসার কথা জানিয়ে গেছেন হাইকমিশনার।

ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত

ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত
ডিআইজি মিজানুর রহমান, ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের বিতর্কিত ও সমালোচিত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বার্তা২৪.কমকে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে দুদকের এক কর্মকর্তাকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন ডিআইজি মিজান। বিষয়টি জানাজানি হলে সব মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

ঘুষ দাতা ও গ্রহীতার বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশসহ (টিআইবি) বিভিন্ন সংস্থা ও সর্বস্তরের মানুষ। ডিআইজি মিজানুর রহমানের ঘুষের অর্থ অনুসন্ধানে নামে পুলিশ।

এজন্য সোমবার (১৭ জুন) তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে পুলিশ সদর দফতর। কমিটির প্রধান করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. মইনুর রহমান চৌধুরীকে (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশন)।

তদন্ত কমিটির বাকি দুই সদস্য হলেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) শাহাবুদ্দীন কোরেশী ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মিয়া মাসুদ হোসেন।

ডিআইজি মিজানের ঘুষের অর্থ কোথায় আছে এবং এ ঘুষের উৎস কী তা জানতে অনুসন্ধান শুরু করে কমিটি। কমিটির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ডিআইজি মিজানের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র