Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

মতলবে গ্রামবাসীর ওপর মন্ত্রিপুত্রের গুলি

মতলবে গ্রামবাসীর ওপর মন্ত্রিপুত্রের গুলি
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুগন্ধি গ্রামবাসীর ওপর অতর্কিত গুলি ছুড়েছেন জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব:) শামসুল হকের ছেলে আনিসুল হক।

গুলিতে সুগন্ধি গ্রামের নিক্সন (২৮) ও মাজহারুল (২৬) গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় আনিসুল হককে অবরুদ্ধ করে রাখেন গ্রামবাসী। 

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অতিরিক্ত দায়িত্বরত নির্বাচন অফিসার শুভাশিষ ঘোষ মতলব উত্তর থানা পুলিশসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আনিসুল হককে উদ্ধার করেন।

পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে এনে আনিসুল হকের নিরাপত্তার জন্য এলাকা ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে এলাকাবাসীর তোপের মুখে আনিসুল হক সস্ত্রীক বাড়ি ত্যাগ করে ঢাকায় চলে যান। আনিস গ্রাম ছাড়ার পর আনন্দ মিছিল বের করেন সুগন্ধি গ্রামের বাসিন্দারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে সুগন্ধি গ্রামের লোকজন মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার সময় আনিসুল হকের নেতৃত্বে কয়েকজন বখাটে গ্রামবাসীকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকেন।

এতে গ্রামবাসী প্রতিবাদ করলে দুই পক্ষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে। ঘটনার একপর্যায়ে আনিসুল হক পিস্তল ও শর্টগান দিয়ে ছয় থেকে সাত রাউন্ড গুলি ছুড়েন। এতে দুই জন গুলিবিদ্ধ হন। গুলির বিকট শব্দে আশেপাশের গ্রামের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

এলাকাবাসী জানান, আনিসুল হক ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম জজের সহায়তায় সুগন্ধি ও আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের লোকজনের উপর জুলুম নির্যাতন, মামলা, হামলা, নারী সংঘঠিত বিভিন্ন ঘটনা ঘটানোসহ নানা অপকর্ম করে আসছিলেন।

অভিযোগ আছে, আনিসের দলে কাজ না করলে মাদক দিয়ে পুলিশে হয়রানি’সহ তার নিজস্ব বাহিনী দিয়ে টর্চার সেলে নিয়ে নির্যাতন করার। সুগন্ধি গ্রামে জলাধার, পুকুর দখল ও বাহাদুরপুর চরে জমি দখল করে গরুর খামার করেছেন আনিস। প্রতিবাদ করলে প্রাণনাশের হুমকিসহ মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে দেন তিনি।

মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার
বাগান ঘুরে আম দেখছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার, ছবি: বার্তা২৪.কম

একদিনের সফরে মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজশাহীতে এসেছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেপুটি ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর। সকালে পূর্বনির্ধারিত কাজ শেষে বিকেলে বের হয়েছিলেন রাজশাহীর আম বাগান পরিদর্শনে। উদ্দেশ্য বাগানে বসে গাছপাকা আম খাওয়া।

বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর জিন্নাহনগরের একটি আম বাগানে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন গাছের আমের স্বাদ নেন তিনি। রাজশাহী অ্যাগো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হকের বাগানের ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজভোগ আম খেয়ে মুগ্ধতার কথা জানান কানবার হোসেন বর।

বাগান ঘুরে গাছ থেকে নিজে আম পেড়ে সঙ্গে নিয়েও গেছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের দায়িত্বে থাকা কানবার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561484344215.jpg

যাওয়ার সময় বলে গেলেন, ‘অসাধারণ আম! গাছ পাকা এমন স্বাদের আম আমি আগে কখনও খাই নি। বাংলাদেশে যতদিন আছি, আমের মৌসুমে বারবার এখানে আসতে মন চাইবে নিশ্চয়। চেষ্টা থাকবে প্রতিবছর রাজশাহীতে এসে তৃপ্তি সহকারে আম খাওয়ার।’

অ্যাগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাসাইটির চেয়্যারম্যান আনোয়ারুল হক জানান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর মঙ্গলবার বিকেলে আমার বাগানে আম দেখতে এবং খেতে এসেছিলেন।

তিনি গাছ থেকে ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজাভোগ আম পেড়ে খেয়েছেন। রাজশাহীর আমের প্রেমে পড়ে গেছেন বলে আবার আসার কথা জানিয়ে গেছেন হাইকমিশনার।

ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত

ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত
ডিআইজি মিজানুর রহমান, ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের বিতর্কিত ও সমালোচিত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বার্তা২৪.কমকে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে দুদকের এক কর্মকর্তাকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন ডিআইজি মিজান। বিষয়টি জানাজানি হলে সব মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

ঘুষ দাতা ও গ্রহীতার বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশসহ (টিআইবি) বিভিন্ন সংস্থা ও সর্বস্তরের মানুষ। ডিআইজি মিজানুর রহমানের ঘুষের অর্থ অনুসন্ধানে নামে পুলিশ।

এজন্য সোমবার (১৭ জুন) তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে পুলিশ সদর দফতর। কমিটির প্রধান করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. মইনুর রহমান চৌধুরীকে (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশন)।

তদন্ত কমিটির বাকি দুই সদস্য হলেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) শাহাবুদ্দীন কোরেশী ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মিয়া মাসুদ হোসেন।

ডিআইজি মিজানের ঘুষের অর্থ কোথায় আছে এবং এ ঘুষের উৎস কী তা জানতে অনুসন্ধান শুরু করে কমিটি। কমিটির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ডিআইজি মিজানের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র