Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চালের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির সুযোগ নেই: খাদ্যমন্ত্রী

চালের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির সুযোগ নেই: খাদ্যমন্ত্রী
চালের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির সুযোগ নেই: খাদ্যমন্ত্রী, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চালের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির সুযোগ নেই উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, বাজারে অযৌক্তিক কারণে অস্বাভাবিকভাবে চালের দাম বৃদ্ধির কোনো সুযোগ নেই। তবুও কেন এই সমস্যা হচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে হবে। দেশ হিসেবে আমরা খাদ্যে সয়ংসম্পন্ন হয়েছি অনেক আগে। ইতোমধ্যে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি চাল ও খাদ্যশস্য মজুদ আছে। তারপরও চালের দাম বাড়বে কেন?

বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) খাদ্য অধিদফতরে নির্বাচনের পর হঠাৎ প্রতি কেজি চালের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধির বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন অটো চাল মিল মালিকদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, চালের আড়তদার ও বিভিন্ন পর্যায়ের চাল ব্যবসায়িরা। অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশে কৃষক ধান উৎপাদন করে, সেই ধান প্রক্রিয়াজাত করে খুচরা বিক্রেতার কাছে পৌঁছে দেয় মিল মালিকরা। আর সেই খুচরা ব্যবসায়িরা সাধারণ ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়। এখানে তিন স্তরে মধ্যস্থাতাকারী থাকে। চালের দাম বাড়লে এই তিন পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের দায় নিতে হবে।

আমি বিষয়টি গণমাধ্যমে দেখার সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সংশ্লিষ্টদের ডেকেছি। আমরা এখানে বিস্তারিত কথা বলবো। সমাধানের উপায় খুঁজে বের করবো। কারণ বিষয়টি একেবারেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত- যোগ করেন খাদ্যমন্ত্রী।

এ সময় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদ্য দায়িত্ব নেওয়া বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি। তিনি বলেন, আমার যদিও খাদ্যের বিষয়ে কোনো কাজ নেই। কিন্তু চালের দাম বৃদ্ধি পেলে আমার জবাবদিহিতা রয়েছে। ফলে আমি খাদ্যমন্ত্রীর কাছে জানার পরপরই সম্মতি দিয়েছি, বিষয়টি নিয়ে আমাদের বসতে হবে।

টিপু মুন্সি বলেন, আমি পরিস্কার বলতে চাই যে দেশে খাদ্য মজুদ থাকে সেই দেশে হুটহাট খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পেতে পারে না। এটা আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে। যেকোনো মূল্যে চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে কাজ করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় নওগাঁ জেলা চাল কল মালিক নেতা নায়েব আলী বলেন, আমরা জাস্ট ধান ক্রয় করে প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে চাল বিক্রি করি। এখানে সামান্য লাভ রেখে আমরা চাল ছেড়ে দেই। চালের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি আমাদের ওপর বর্তায় না। এটা প্রতিরোধে খুচরা ব্যবসায়িদের প্রতি নজর দিতে হবে।

এ সময় আরেক চাল কল মালিক সমিতির নেতা বেলাল হোসেন বলেন, আমরা অটো রাইস মিল মালিকরা যে চাল ৪৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি করি সেটা ঢাকায় এসে প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৭৮ টাকা করে হয় কেমনে? এটা আমাদেরও প্রশ্ন। অযথা চাল মিল মালিকদের দোষারোপ করবেন না। এটা আমাদের প্রতি অন্যায়। কোথায় এই সমস্যা আছে সেটা সঠিক তদারকি করতে হবে।

এ সময় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা চাল ব্যবসায়ি ও মিল মালিকরা বক্তব্য দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

রাজশাহীতে বন্দুকযুদ্ধের সময় নদীতে পড়ে মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যু

রাজশাহীতে বন্দুকযুদ্ধের সময় নদীতে পড়ে মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যু
বন্দুকযুদ্ধের প্রতীকী ছবি

রাজশাহীতে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের সময় বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য ফেলে পালাতে গিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে এক মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাদক ব্যবসায়ী মো. আমিনের বাড়ি নগরীর হারুপুর এলাকায়। তার নামে নগরীর বিভিন্ন থানায় ৬টি মাদক মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মনসুর আরিফ।

ওসি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর ৩টার দিকে পদ্মা নদীর আইবাধ এলাকায় মাদক উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে একদল পুলিশ। সেখানে যাওয়ার পর মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দুই পক্ষের বন্দুকযুদ্ধ হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি শার্টারগান, দুই রাউন্ড গুলি ও ৭৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর পদ্মা নদীতে মাদক ব্যবসায়ী আমিনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। তবে তার শরীরে কোনো গুলি বা আঘাতের চিহ্ন নেই। লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়। সকালে সেখানে নিহতের স্বজনরা এসে তার পরিচয় শনাক্ত করে।

পুলিশের ধারণা, তিনি নদীতে ডুবে মারা গেছেন। মরদেহের ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর কর হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

 

এরশাদের সঙ্গে রংপুর যাচ্ছেন যারা

এরশাদের সঙ্গে রংপুর যাচ্ছেন যারা
চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ। ফাইল ছবি

রংপুর থেকে: আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বাদ জোহর রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার যোগে এরশাদের মরদেহ রংপুরে আনা হবে।

এরশাদের মরদেহের সঙ্গে রংপুরে আসবেন দলের শীর্ষ নেতারা। কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এরশাদ স্যারের রংপুরের জানাজায় তার মরদেহের সঙ্গে যাচ্ছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের, স্যারের ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সাল চিশতি, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, এটিইউ তাজ রহমান ও শফিকুল ইসলাম সেন্টুসহ বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য।’

জানাজা শেষে মঙ্গলবার বিকেলে তাকে ঢাকা বনানীর সামরিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। তবে জাতীয় পার্টির উত্তরাঞ্চলের নেতারা ইতোমধ্যে এরশাদের দাফন রংপুরে করার ঘোষণা দিয়ে কবর খনন করেছেন। দাফন নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হওয়ায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই ঢাকা সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এরশাদ মারা যান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র