Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ব্যবসায়ীদের আল্টিমেটাম

মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ব্যবসায়ীদের আল্টিমেটাম
কর্ণফুলী নদীর শাহ আমানত সেতু/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

জেলেদের পর এবার মাছ বিক্রেতা ও বোট মালিকরাও সাগরে ৬৫ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কর্ণফুলী নদীর শাহ আমানত সেতুর সামনে অবস্থান নেন ব্যবসায়ীরা। কর্মসূচি থেকে তারা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে। ফলে এ সময় সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে সড়ক ছেড়ে দেন ব্যবসায়ীরা।

জানতে চাইলে ফিশারীঘাটের ব্রাদার্স সি ফুড এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এইচএম বাহার উদ্দীন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘সরকারের নিষেধাজ্ঞায় ছোট ছোট নৌযানে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। এর সাথে অনেক পরিবার নিঃস্ব হতে বসেছে। ছোট নৌযানগুলো গভীর সাগর যায় না, উপকূলে থেকে মাছ আহরণ করে। তাই আমরা নিশেধাজ্ঞা তুলে নিতে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছি।’

এদিকে ব্যবসায়ীদের কর্মসূচির কারণে ব্যস্ততম ঐ সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তি পোহাতে হয় যাত্রীদের। এ বিষয়ে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধের কিছুক্ষণ পরে তারা চলে যান। পরে যান চলাচল স্বাভাকি হয়ে আসে।’

এর আগে গতকাল সোমবার (১০ জুন) সীতাকুণ্ড উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন জেলেরা। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ১০ দিনের সময় চান।

উল্লেখ্য, গত ২০ মে থেকে সাগরে সকল ধরনের নৌযানে মাছ ধরা বন্ধ করে দেয় সরকার। ৬৫ দিনের এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত। এর আগে চট্টগ্রামে জেলে, মালিক ও ব্যবসায়ীদের সাথে মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খাদে, চালক-হেলপারের মৃত্যু

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খাদে, চালক-হেলপারের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে চালক-হেলপারের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) সকালে উপজেলার লেংরা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী মাহমুদ বার্তা২৪.কমকে জানান, ট্রাকটি সম্ভবত উত্তরাঞ্চল থেকে আসছিলো। লেংরা বাজার এলাকায় আসার পর ময়মনসিংহ শহরগামী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে চালক ও হেলপার ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

ওসি আরও জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

ভারতে গ্রেফতার গোদাগাড়ীর জঙ্গি শাহীন

ভারতে গ্রেফতার গোদাগাড়ীর জঙ্গি শাহীন
জঙ্গি শাহীন। ছবি: সংগৃহীত

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদ বাংলাদেশের (জেএমবি) চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ একটি দল। মঙ্গলবার (২৫ জুন) তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশকে জানিয়েছে- তারা স্লিপার সেলের সদস্য হিসেবে কাজ করত। কলকাতায় তারা বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে দুই বাংলার প্রশাসন এখন তৎপর।

কলকাতায় গ্রেফতার চার জঙ্গির মধ্যে তিনজনই বাংলাদেশি। এর মধ্যে আল-আমিন ওরফে শাহীন (২৩) রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ছেলে। শাহীনের বাবা পৌর এলাকার বুজরুক রাজারামপুর গ্রামের রিকশাচালক রফিকুল ইসলাম।

শাহীন ২০১৮ সালের জুন মাস থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের কারও সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগও নেই বলে জানিয়েছেন তার মা।

শাহীনের মা সাহের বানু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘গতবছরের (২০১৮ সাল) জুন মাসের দিকে শাহীনকে ধরতে বাড়িতে পুলিশ আসে। কিন্তু আমার ছেলে ওই সময় বাড়িতে ছিল না। পরে তারা শাহীনের মোবাইল নম্বর ও ছবি নিয়ে যায়।’

সাহের বানু বলেন, ‘পুলিশ বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর আমরা তাকে মোবাইলে যোগাযোগ করেও কোনো খোঁজ পাইনি। পরে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তার বন্ধু-বান্ধব বা যাদের সঙ্গে সে মিশত, তারাও কেউ শাহীনের খোঁজ দিতে পারেনি।’

শাহীনের মা জানান, তার ছেলে গোদাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও গোদাগাড়ী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে। পরে সে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হয়। নিখোঁজের সময় শাহীন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।

শাহীনের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘২০১৭ সালে রাজারামপুর গ্রামের আমিজুল ইসলাম রনিকে ক্রসফায়ারে দেয় পুলিশ। রনির সঙ্গে আমার ছেলে মিশত। তবে রনি এবং আমার ছেলে কোনো খারাপ কাজে জড়িত ছিল কিনা তা জানি না। রনি মারা যাওয়ার পর শাহীনও এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। এক বছর হল শাহীনের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই।’

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘শাহীনকে গ্রেফতার করতে আমরা তার বাড়ি এবং ওই এলাকায় কয়েক দফা সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছি। তবে সে খুব চতুর। বড় কোনো পর্যায়ে তার যোগাযোগ ছিল। আগে থেকে সে সরে পড়ত।’

ওসি আরও বলেন, ‘গত এক বছর ধরে তার আর কোনো সন্ধান মিলছিল না। মূলত সে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। গতকাল মঙ্গলবার (২৫ জুন) সে কলকাতায় গ্রেফতার হয় বলে শুনেছি।’

প্রসঙ্গত, ভারতের শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা থেকে মঙ্গলবার জিয়াউর রহমান ওরফে মহসিন এবং মামুনুর রশিদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে আল-আমিন ওরফে শাহীন এবং রবিউল আলমকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য দুই বাংলাদেশি জঙ্গি জিয়াউর রহমানের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং মামুনুর রশিদের বাড়ি রংপুরে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র