Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চট্টগ্রামে সাবেক সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে সাবেক সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

বেশ কয়েকদিন ধরে নিখোঁজের পরে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ইকোনমিক জোনের পাশ্ববর্তী নদী থেকে সাবেক এক সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৬ জুন) দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সেনা সদস্য নান্নু মিয়ার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার মধুপুর উপজেলায়। তিনি ইকোনোমিক জোন এলাকার করিম কইন্সট্রাকশনের আয়তাধীন ওয়াহিদ এন্টারপ্রাইজের নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

জোরারগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবেদ আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, পুলিশ নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’

অরপদিকে, আনোয়ারা পারকি সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মোহাম্মদ মিনহাজ নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মিনহাজের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায়।

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

বালিশ-কাণ্ড আমাদের ইমেজ প্রশ্নবিদ্ধ করেছে: গণপূর্তমন্ত্রী

বালিশ-কাণ্ড আমাদের ইমেজ প্রশ্নবিদ্ধ করেছে: গণপূর্তমন্ত্রী
গণপূর্ত অধিদপ্তরের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, কোন রাজনৈতিক প্রভাবে কাজ করবেন না। এরপর যদি কিছু হয় আমি আপনাদের পাশে আছি।

তিনি বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধিকাংশ কর্মকর্তারাই সততা, স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এর ভেতরে কিছু ব্যত্যয়ও ঘটেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঘটনা আমাদের ইমেজকে ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের উদ্দেশে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের বিশেষায়িত পদ এবং শিক্ষা যাতে কোনভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সে বিষয়টি সতর্কতার সাথে মনে রাখতে হবে। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে আপনাদের সুখ-দুঃখকে ভাগাভাগি করে নিতে প্রস্তুত আছি।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, কোন কোন জেলায় আমাদের প্রকৌশলীরা বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়েন। যতদিন আমি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে আছি, আমাদের একজন কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক বা অন্য কোন ক্ষমতা দেখিয়ে প্রভাবান্বিত বা হয়রানি করতে চাইলে আমাকে জানাবেন, আমি আপনাদের পাশে দাঁড়াব। টেন্ডার এবং অন্যান্য কর্মকাণ্ডে কাজ শেষ না করে দ্রুত বিল দিতে হবে, জোরপূর্বক তার লোককে টেন্ডার দিতে বাধ্য করা হবে-এই প্রবণতা কোনভাবেই প্রধানমন্ত্রীর নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং আমি নিজে এটাকে কোনভাবে অনুমোদন করব না। আপনাদের ভীত সন্ত্রস্ত্র হবার কোন কারণ নেই।

মন্ত্রী আরও বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধিকাংশ কর্মকর্তারাই সততা, স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এর ভেতরে কিছু ব্যত্যয়ও ঘটেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঘটনা আমাদের ইমেজকে ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আমি সবখানেই বলি রূপপুর প্রকল্পের একটি ঘটনা দিয়ে গোটা অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না। অনেক সময় কেউ কেউ অতি লোভী হয়ে গোটা ডিপার্টমেন্টের ভাবমূর্তি ধ্বংস করার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন।

প্রকৌশলীদের উদ্দেশে শ ম রেজাউল করিম বলেন, আমি অতীতে এমপি-মন্ত্রী ছিলাম না। কিন্তু আমার জীবনে আন্দোলন, সংগ্রাম ও লড়াইয়ের কারণে মার্শাল ল’ সরকারের আমলে জেল খাটতে হয়েছে। আমি কিন্তু কোনদিন মুচলেকা দিয়ে বের হইনি। এই শক্ত অবস্থানে থাকা আত্মবিশ্বাসী মানুষ আমি। টিম ওয়ার্কে আপনারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উইং। আপনাদের এটাকে ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, এ দেশটা ৩০ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া। এ দেশের জন্য অনেক মানুষ জীবন দিয়েছেন। বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের জন্য জাতির জনক পাকিস্তানের সঙ্গে সমঝোতা করেননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্তত ১৯ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন, কিন্তু একবারের জন্যও তিনি শঙ্কিত হয়ে আমাদের অধিকার প্রশ্নে ছাড় দেননি। কর্তব্য পালনে আমি চাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। অনিয়মের পরিসর থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে। আপনারা মর্যাদাপূর্ণ পদ পান, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পান, বেতন-ভাতা পান। কোনভাবেই যেন চিহ্নিত না হন যে, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সঙ্গে আপনারা সম্পৃক্ত। এক-দুই জনের জন্য কেন বদনামের বোঝা আমাদের কাঁধে আসবে। তাদের উদ্দেশে বলছি, আসুন আমরা আত্মশুদ্ধি করি, আত্মসমালোচনা করি। আমারা ভুল-ত্রুটিকে শুধরে নেই। তাহলে এই ডিপার্টমেন্টের ভাবমূর্তি অনেক উজ্জ্বল হবে।

রেজাউল করিম বলেন, দেশটা আমাদের সবার। এ দেশ গড়ায় আপনাদের সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ দরকার। উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। তাই উন্নয়নে আপনারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। আপনাদের সুখ-দুঃখ, মাঠ পর্যায়ের সমস্যা, প্রতিকূলতা, দাবি-দাওয়া আমাদের সামনে পেশ করুন। আইনের পরিসরের মধ্যে আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। প্রয়োজনে বিধি-বিধান পরিবর্তনের চেষ্টা করব। আশা করি সাধ্যের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আপনাদের সব প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হব।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ১৮ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী গণপূর্ত অধিদপ্তরের এ বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কিনা সিদ্ধান্ত অক্টোবরে

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কিনা সিদ্ধান্ত অক্টোবরে
সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ডেপুটি প্রসিকিউটর জেমস স্টুয়ার্ট/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ডেপুটি প্রসিকিউটর জেমস স্টুয়ার্ট বলেছেন, ‘চলতি বছর অক্টোবরে আইসিসির বিচারকরা ঠিক করবেন মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করবেন কিনা।’

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সফররত আইসিসি প্রতিনিধিদলের প্রধান জেমস স্টুয়ার্ট।

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের ঘটনা জানতে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ঢাকায় আসে প্রতিনিধিদলটি। তিন দিনের এ সফরে তারা রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে জানতে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এর আগে এই প্রতিনিধিদলটি পররাষ্ট্র, আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। বুধবার প্রতিনিধিদলটি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী এলাকা পরিদর্শন করে।

জেমস স্টুয়ার্ট বলেন, আমরা আইসিসিতে তথ্য উপাত্ত জমা দেবো। আইসিসি নির্ধারণ করবে অফিসিয়ালি তদন্ত করবে কি-না।  এটার সম্পূর্ণ এখতিয়ার আইসিসি ও বিচারকের। মিয়ানমার আইসিসির সদস্য না হওয়া সত্তেও একটি অপরাধ অন্য প্রান্তে সংগঠিত হয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্তে ভুক্তভোগীরা আশ্রয় নিয়েছে। তাদের স্বার্থে এ বিচার শুরু হতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালত এখনও মিয়ানমার যায়নি। আমরা মিয়ানমারে যাওয়ার চেষ্টা করব। বিচারকার্য শুরু হলে মিয়ানমারকে আহ্বান জানাব যাতে বিচারকাজে অংশগ্রহণ করে। এভাবে প্রক্রিয়াটি চলতে থাকবে।

এ সময় তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিসির অফিসিয়ালি তদন্ত শুরুর আগে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটা সমঝোতা চুক্তি হওয়া উচিত বলেও জানান জেমস স্টুয়ার্ট।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র