Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

২৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের পাওয়ার ব্যাংক

২৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের পাওয়ার ব্যাংক
সি পোর্ট সমৃদ্ধ পাওয়ার ব্যাংক, ছবি: সংগৃহীত
টেক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমানে স্মার্টফোনে শক্তিশালী প্রসেসর, উন্নতমানের চিপসেট এবং ক্যামেরার দিকেই বিশেষ নজর দেয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে স্মার্টফোনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে ব্যাটারি। কিন্তু এদিকটাতেই যেন খুব বেশি নজর নেই প্রতিষ্ঠানগুলোর। তাইতো স্মার্টফোন ইউজারদের এখন নির্ভর করতে হয় পাওয়ার ব্যাংকের ওপর।

তবে বাজারে ভালো মানের একটি পাওয়ার ব্যাংক খুঁজে পাওয়া এখন মুশকিল। ব্র্যান্ডের কিছু পাওয়ার ব্যাংক বাজারে থাকলেও এগুলোতে ফোন চার্জ হতে অনেক সময় নেয়। তাই চীনা প্রতিষ্ঠান বাজারে নিয়ে আসছে বিশ্বের প্রথম ইউএসবি সি পোর্টের সাথে ১০০ ওয়াট পাওয়ার আউটপুট সুবিধার পাওয়ার ব্যাংক। যা দিয়ে একসাথে দুটি ডিভাইসে চার্জ দেওয়া যাবে।

প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, তারাই প্রথম পাওয়ার ব্যাংকে ১০০ ওয়াটের পাওয়ার আউটপুট সুবিধা নিয়ে এসেছে। এতে একসাথে ইউএসবি সি পোর্ট সাপোর্টে দুটি ডিভাইস চার্জ করা যাবে। একটি ১০০ ওয়াটের আউটপুট এবং অন্যটিতে ৬০ ওয়াটের আউটপুট পাওয়ার সুবিধা পাওয়া যাবে।

এতে স্মার্টফোন ছাড়াও ইউএসবি সি সাপোর্টেড ল্যাপটপ, অ্যাপেলের ম্যাকবুক এয়ার এবং ম্যাকবুক প্রোতে চার্জ করা যাবে।

হাইপার জুস পাওয়ার ব্যাংকটি পাওয়ার ব্যাকআপ নিশ্চিত করতে এতে রয়েছে ২৭ হাজার মিলি-অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি যা দিয়ে একটি ম্যাকবুক প্রো ফুল চার্জ করা যাবে। আর এই বিশাল পাওয়ার ব্যাংকটি ১১২ ওয়াটের পাওয়ার অ্যাডাপ্টার দিয়ে ফুল চার্জ হতে সময় নিবে মাত্র এক ঘণ্টা।

এর বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০ মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় ২১ হাজার ১১০ টাকা।

আপনার মতামত লিখুন :

ছাঁটাই এর বিষয়ে পাঠাও এর বিবৃতি

ছাঁটাই এর বিষয়ে পাঠাও এর বিবৃতি
ছবিঃ সংগৃহীত

অনাকাঙ্খিত ব্যয় বৃদ্ধি রোধে এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে কর্মী ছাঁটাই করেছে  বলে জানিয়েছে দেশীয় রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাঠাও। কিন্তু মুখ খুলতে রাজি নন ছাঁটাইকৃত কোন কর্মকর্তা।

বুধবার(২৬ জুন)  সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

তারা জানায় প্রযুক্তিনির্ভর, সহজলভ্য, বিরতিহীন ও গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে তারা নিজেদের প্রস্তুত করছে।

গণমাধ্যমের কাছে  পাঠানো পাঠাওয়ের বিবৃতিটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘দেশের বৃহত্তম অন- ডিমান্ড ডিজিটাল প্লাটফরম পাঠাও ব্যবসায়িক বিকাশের নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আমরা কতিপয় কৌশলগত নীতি অবলম্বন করছি যা আমাদের ব্যবসার মূল শাখাগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে, দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং অনাকাঙ্খিত ব্যয়বৃদ্ধি রোধে সহায়তা করবে। পরিবর্তনের এই প্রভাব পাঠাওয়ের সাংগঠনিক অবকাঠামোসহ এর ব্যবসার সর্বস্তরে মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তর ঘটাবে। আমরা এমন একটি ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছি যেখানে আমাদের প্রতিটি সেবা হবে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, সহজলভ্য, বিরতিহীন ও গ্রাহকবান্ধব। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস হলো এসব নতুন ও মৌলিক পরিবর্তন পাঠাওকে বর্তমান প্রতিযোগীতা নির্ভর বাজারে দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য এনে দিবে।’

উল্লেখ্য, ২৫ জুন, মঙ্গলবার ‘তিন শতাধিক’ কর্মীকে ছাঁটাই করে পাঠাও। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ছাঁটাই হওয়ার কর্মীর সংখ্যা তিন শতাধিক। মঙ্গলবার সকালে তাদের ছাঁটাই করা হয়। ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা পাঠাওয়ের বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত। এদের মধ্যে এক্সিকিউটিভ অ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার ও কয়েকজন ডিপার্টমেন্টাল হেডও রয়েছেন।এ বিষয়ে পাঠাও এর ছাঁটাইকৃত বিভিন্ন কমর্কর্তার সাথে যোগাযোগের চেস্টা করা হলে তারা কেউই মুখ খুলেননি।

ই-কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি, সময় চাইলেন সংশ্লিষ্টরা

ই-কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি, সময় চাইলেন সংশ্লিষ্টরা
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

বাজেটে ই কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে বলে জানালেন খাত সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি আমলে নিয়ে অনলাইনে পণ্য ও সেবা বিক্রয়কে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮ ও বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত সংজ্ঞা অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত করে আলাদা সার্ভিস হিসাবে বিবেচনা করা এবং নতুন সেবা কোড বরাদ্দ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে এই খাতের জাতীয় সংগঠন ই-কমার্স  অ্যাসোসিয়েশন   অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) 

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে সংগঠনটি। 

সম্মেলনে জানানো হয়, ইতিমধ্যে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি বৃন্দ এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় , আইসিটি বিভাগ , এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে একাধিকবার বৈঠক করে বাজেটে ই-কমার্স এর সংজ্ঞা পরিবর্তন, ভুল সংশোধন এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসের উপর আরোপিত ভ্যাট অব্যাহতি সহ বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পেশ করেছেন। ই-ক্যাব এর প্রস্তাবনার উপর সম্মতি জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি বিভাগ থেকে দুটি অফিসিয়াল চিঠিও এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে ভারতে ই-কমার্সের উপর কোন ভ্যাট নেই উল্লেখ করে  শমী কায়সার বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই ই-কমার্সের উপর ভ্যাট নেই। বাংলাদেশেও এই খাতটি একদমই নতুন। যখন এই খাত টি মাত্র দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে তখন এমন ধরনের সিদ্ধান্ত ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাঁধা গ্রস্ত করবে। 

ই-কমার্স খাতে ভ্যাট সরকারের ডিজিটাল সেবা খাত বিকাশে বাধাগ্রস্ত করবে উল্লেখ করে ই-ক্যাব সেক্রেটারি মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বেলেন,  আমরা সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগের সঙ্গে এক মত। কিন্তু তাই বলে বৃহত্তর স্বার্থে স্বল্প মেয়াদী আয়ের বিনিময়ে নয়।
এ কারণেই আমরা ই-কমার্সের সংজ্ঞাকে পরিষ্কার করতে চাই। যাদের ফিজিক্যাল কোনও স্টোর নেই, কেবল অনলাইনেই পণ্য বিক্রি করেন শুধু সেসব প্রতিষ্ঠানকেই ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানাই। কেননা অনলাইন ব্যবসায় করেন তারা বাজার থেকে পণ্য কেনার সময়ই একদফা ভ্যাট দিয়ে থাকেন। এরপরও যদি পুনরায় তাদেরকে ভ্যাট দিতে হয় তবে তাদেরকে দুই দফা কর দিতে হবে। আর এই করভার কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর গড়াবে। অর্থাৎ অনলাইনে পণ্য মূল্য বেড়ে যাবে। তখন কেউ অনলাইনে কেনা-কাটা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।
তিনি জানান, ই-ক্যাব আগামী তিন বছরে সারাদেশে আরও ১০ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে ই-কমার্সের সঙ্গে প্রায় ৫০ হাজার উদ্যোক্তা সরাসরিভাবে জড়িত। ই-কমার্সের উপর প্রস্তাবিত ভ্যাট তাদের সবার জন্যই একটা মারাত্মক ঝুঁকির ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। শুধু উদ্যোক্তাদের এই খাতে আসলেই চলবে না, গ্রাহকদেরও নিয়ে আসতে হবে। নতুন করে এই খাতের উপর প্রস্তাবিত ভ্যাট উদ্যোক্তা-গ্রাহক উভয়কেই এ খাত থেকে দূরে সরিয়ে দিবে।  

ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ: আব্দুল ওয়াহেদ তমাল, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হক সহ ই-ক্যাব কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পরিচালকবৃন্দ । 

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র