Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

তনুশ্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ থেকে নানার রেহাই

তনুশ্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ থেকে নানার রেহাই
ছবি: সংগৃহীত
বিনোদন ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

যৌন হয়রানির অভিযোগ থেকে রেহাই পেলেন বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকার। তার বিরুদ্ধে অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্তের অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে আদালতকে জানিয়েছে মুম্বাই পুলিশ।

আদালতের শুনানি ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার পর ৬৮ বছর বয়সী নানা পাটেকারকে মিটু মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। আদালতে তনুশ্রীর আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীতিন সাতপুত। তাই এই মামলা বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

নানা পাাটেকার নিষ্কৃতি পেয়ে যাওয়ার খবরে ৩৫ বছর বয়সী তনুশ্রী বলেন, ‘আমি মোটেও হতবাক হইনি কিংবা চমকে যাইনি। দুর্নীতিবাজ পুলিশ বাহিনী দুশ্চরিত্রের একজন মানুষকে রেহাই দিয়েছে। তবে আমার বিশ্বাস, একদিন ন্যায়বিচার পাব আর আমার জয় হবে। সময়ই সব বলবে।’

গত বছর ভারতে এসে তনুশ্রী অভিযোগ করেন, ২০০৮ সালে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবির একটি গানের শুটিং চলাকালে তাকে পেছন দিক থেকে জড়িয়ে ধরেছিলেন নানা পাটেকার। এ ঘটনার পরপরই ভারতে মিটু হ্যাশট্যাগ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। আরও অনেক অভিনেত্রী যৌন হেনস্তার বিভিন্ন ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনেন।

আপনার মতামত লিখুন :

হাসপাতালে বসে সম্মাননা পদক পেলেন এটিএম শামসুজ্জামান

হাসপাতালে বসে সম্মাননা পদক পেলেন এটিএম শামসুজ্জামান
এটিএম শামসুজ্জামান

গত দুই মাস ধরে হাসপাতালে আছেন এটিএম শামসুজ্জামান। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি রয়েছেন। আর সেখানে বসেই সম্মাননা পদক পেলেন বাংলা সিনেমার এই গুণী অভিনেতা।

রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে হাসপাতালে গিয়ে বুলবুল আহমেদ স্মৃতি সম্মাননা পদক প্রদান করা হয় ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে। ফাউন্ডেশনের পক্ষে বুলবুল আহমেদের সহধর্মিণী ডেইজি আহমেদ ও কন্যা তাহসিন ফারজানা তিলোত্তমা পদক তুলে দেন এটিএম শামসুজ্জামানের হাতে।

সম্মাননা পদক পেয়ে এটিএম শামসুজ্জামান বলেন, ‘এখন যারা বুলবুল আহমেদকে সরাসরি পাবে না, তারা তার সিনেমা দেখো। তিনি ভালো মানুষ ছিলেন।’

আজ বুলবুল আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১০ সালের এই দিনে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। সেই থেকে তার স্মৃতিকে ধরে রাখতে এবং প্রবীণ বরণীয় শিল্পীদের স্মরণীয় করে রাখতে বুলবুল আহমেদের পরিবার ও বুলবুল আহমেদ ফাউন্ডেশনের পক্ষে প্রতি বছর সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন করা হয়।

অন্যের গান বাণিজ্যিকভাবে কিভাবে ব্যবহার করছেন নোবেল?

অন্যের গান বাণিজ্যিকভাবে কিভাবে ব্যবহার করছেন নোবেল?
সুরকার ও গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ ও সা রে গা মা পা খ্যাত শিল্পী নোবেল

আলোচনায় মাঈনুল আহসান নোবেল। আলোচনার মঞ্চ ভারতীয় চ্যানেল জি বাংলায় প্রচারিত গানের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ‌‌‘সা রে গা মা পা’। মঞ্চে কখনো যার গান গাইছেন নোবেল সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিচ্ছেন না, কখনো বা গানটির গীতিকার ও সুরকারের নাম বলছেন না আবার কখনো শিল্পীর নাম বলছেন ঠিকই কিন্তু শ্রদ্ধা নেই সে বাচন ভঙ্গিতে।

এসবের বাইরে নোবেলকে নিয়ে আরও আলোচনা আছে। অন্যের গান অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করছেন নোবেল। জি বাংলায় প্রচারিত ‘সা রে গা মা পা’র মঞ্চে গাওয়া প্রতিটি গান নিজের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুকে আপলোড করছেন বাংলাদেশি এই তরুণ শিল্পী।

অন্যের গাওয়া এসব গান গায়ক, গীতিকার কিংবা সুরকারের অনুমতি না নিয়ে নিজে সুরারোপিত করে বাণিজ্যিকভাবে কি ব্যবহার করতে পারেন নোবেল? বাংলাদেশের কপি রাইট আইন বলছে, 'যেকোনো গান সুরকার ও গীতিকারের সম্পদ। কেউ তাঁদের অনুমতি ছাড়া গানের বাণিজ্যিক ব্যবহার করলে তা আইনের লঙ্ঘন হবে।'

তাহলে এসব গান কিভাবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নিজের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুকে আপলোড করছেন নোবেল?

‘সা রে গা মা পা’র মঞ্চে বাংলাদেশের সংগীতের কালজয়ী গীতিকার প্রিন্স মাহমুদের একাধিক লেখা ও সুর করা গান গেয়েছেন নোবেল। তবে এসব গান বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য কোনো প্রকার অনুমতি নেননি প্রিন্স মাহমুদের।

বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে প্রিন্স মাহমুদ বলেন, 'নোবেল আমার যেসব গান ‌‌‘সা রে গা মা পা’তে গেয়েছে সেগুলোর মালিক আমি। সে এসব গান আমার অনুমতি না নিয়ে ফেসবুকে বা ইউটিউবে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করছে। যা বাংলাদেশের কপি রাইট আইন লঙ্ঘন করে।'

আইন লঙ্ঘনের ব্যাপারে আপনি কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নে প্রিন্স মাহমুদ বলেন, 'আমি এখনই এ ব্যাপারে মক্তব্য করতে চাইনা। পরে বিস্তারিত জানাবো। তবে আমি এই ব্যাপারে দ্রুতই আমার আইনজীবীর সঙ্গে বসবো এই টুকু বলতে পারি।'

এই প্রসঙ্গে কথা বলতে নোবেলের মোবাইল নম্বরে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র