Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শাহরুখের হৃদয় এখন সিনেমার জন্য নয়

শাহরুখের হৃদয় এখন সিনেমার জন্য নয়
শাহরুখ খান
বিনোদন ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

‘ফ্যান’ (২০১৬), ‘রইস’ (২০১৭) এবং ‘জিরো’ (২০১৮) গত তিন বছরে শাহরুখের অভিনীত এই ছবিগুলো মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত একটি ছবিও সফলতার মুখ দেখেনি। প্রতিটি ছবিই মুখ থুবড়ে পড়েছে বক্স অফিসে।

শুধু এই ছবি তিনটি নয়, ২০১৫ সালে শাহরুখ খান-কাজল জুটি অভিনীত ‘দিলওয়ালে’ ছবিটি বক্স অফিসে শত কোটি রুপি আয় করে নিলেও দর্শকদের প্রশংসা কুড়াতে পারেনি।

এদিকে, গত কয়েক বছর ধরে বক্স অফিসে সফলতার মুখ দেখতে না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন কিং খান। এমনকি ‘জিরো’ ছবিটির ব্যর্থতার পর থেকে তিনি কিছুদিনের বিরতি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। কারণ এই মুহূর্তে তার হৃদয় কোনো ছবি করার জন্য সায় দিচ্ছে না বলে জানান বলিউডের এই সুপারস্টার।

মাঝে শোনা গিয়েছিলো রাকেশ শর্মার জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘সারে জাহা সে আচ্ছা’ ছবিতে অভিনয় করবেন কিং খান। এছাড়া সঞ্জয়লীলা বানসালি পরিচালিত একটি ছবিতেও তার অভিনয় করার গুঞ্জন উঠেছিলো।

তবে এই ছবিগুলোতে অভিনয় করছেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শাহরুখ খান। তিনি বলেন- ‘আমার হাতে এই মুহূর্তে কোনো ছবির কাজ নেই। আমি কোনো ছবিতে অভিনয় করছি না।’

যোগ করে শাহরুখ আরও বলেন- ‘সচরাচর যেটি হয় একটি ছবির কাজ শেষ হতে না হতেই আরেকটি ছবির কাজ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু আমার হৃদয় এখন কোনো ছবিতে অভিনয়ের জন্য আমাকে সায় দিচ্ছে না।’

অভিনয় থেকে দূরে সরে বর্তমানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাচ্ছেন শাহরুখ খান। এ প্রসঙ্গে শাহরুখ বলেন, ‘আমার মেয়ে এখন কলেজে আছে। ছেলের পড়াশোনা প্রায় শেষ। তাই আমি এখন আমার বেশিরভাগ সময় আমার পরিবারের সঙ্গে কাটাতে চাই।’

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা
'গাল্লিবয়' রানা

কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে বেড়ে ওঠা রানাকে নিয়ে প্রথম 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ হাসান তবীব। তারপর 'গাল্লিবয়' রানা ইন্টারনেট জুড়ে ভাইরাল।

'গাল্লিবয়' রানা এতটাই ভাইরাল যে ১৭ জুলাই ইউটিউবে 'গাল্লিবয় পার্ট-২' শিরোনামের গান প্রকাশের একদিনেই ১ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করেছে । গানটিতে রান প্রশ্ন রেখেছেন, আমি রানা, আমার সবটাই জানা। আমার মত আছে হাজার রানা। এক গান গেয়ে আমি আজ ভাইরাল, বাকী রানাদের বলো কি হবে কাল?

বরাবরের মতোই গানটির কথা, সুর ও ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব। গানটি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

এই বছরের মে-জুন মাসের রানার সঙ্গে পরিচয় হয় তবীবের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরে র‌্যাপ গান শোনাতো রানা। তবীবের সঙ্গে রানার পরিচয়ের পর বলিউডের 'গাল্লিবয়' নাম জুড়ে দেন রানার নামের সঙ্গে। তারপর রানার গাওয়া 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান
আনন্দ কুমারকে পা ছুঁয়ে সম্মান জানাচ্ছেন হৃতিক রোশন

গত ১১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃতিক রোশন অভিনীত ‘সুপার থার্টি’। ভারতের পাটনার গণিত শিক্ষক আনন্দ কুমারের জীবনী নিয়ে নির্মিত ছবিটি এরইমধ্যে আয় করে নিয়েছে ৭০ কোটি রুপি।

ছবিটির প্রচারণার জন্য পাটনা শহরে গিয়েছিলেন হৃতিক রোশন। এ কারণে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) হোটেল মৌরিয়াতে আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে ছবির অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ কুমারও।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সামনে আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে তাকে সম্মান জানান হৃতিক।

এমন সম্মানে আবেগ আপ্লুত আনন্দ কুমার বলেন, ‘হৃতিক যখন এসেছিলেন সেসময় গুরু পূর্নিমা ছিল। এই দিনটিতে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে। আর এটি জানার পর হৃতিকও আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই বলিউডের এই অভিনেতাকে। বিশেষ করে আমার গল্পটি বিশ্বের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞ।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563459345069.jpg১৯৯৪ সালে আনন্দ কুমার কেমব্রিজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। শুধু প্লেনের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন সেখানেই ভেঙে যায় তার।

নিজের স্বপ্ন সত্যি হয়নি, তাই অন্যের স্বপ্ন পূরণে নেমে যান আনন্দ কুমার। যেসব গরিব ছাত্র স্বপ্ন দেখত আইআইটিতে (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) পড়ার, নিজের স্বল্প আয়ের পুরোটাই তিনি খরচ করতেন ওই ছাত্রদের খাওয়া, পড়া, থাকা আর লেখাপড়ার খাতে।

২০০২ সাল থেকে আনন্দ কুমার নিজের কোচিং সেন্টার চালু করেন। সেখানে প্রতি বছর বিহারের সেরা ৩০ জন গরিব মেধাবী ছাত্র একেবারে বিনা পয়সায় ‘সুপার থার্টি’ প্রজেক্টের অধীনে আইআইটির ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করার সুযোগ পায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আনন্দ কুমারের কোচিং থেকে ৪৮০ জনের ভেতরে ৪২২ জন চান্স পায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র