রৌমারীর ‌সেই অধ‌্যক্ষ বরখাস্ত, পুনরায় প্রথম ব‌র্ষে শিক্ষার্থীরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রা‌মের রৌমারী‌ উপ‌জেলার রৌমারী টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার পরও ক‌লে‌জের ৩২ শিক্ষার্থী‌ দ্বিতীয় বর্ষের প্রবেশপত্র না পাওয়ার দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কলেজ অধ্যক্ষ এস এম হুমায়ুন কবীরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার (১ ডি‌সেম্বর) কলেজের ম্যানেজিং ক‌মি‌টির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে‌ছে।

কলেজ সভাপতি ও রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল ইমরান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলেও প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন ইউএনও ।

শিক্ষার্থী‌দের অ‌ভি‌যোগ, অধ্যক্ষ এস এম হুমায়ুন কবীরের গাফিলতির কারনে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় আগামী আগামীকাল (২ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ক‌লে‌জের দ্বিতীয় ব‌র্ষের ৩২ শিক্ষার্থীর।

ইউএনও আল ইমরান জানান, ক‌রোনা মহামারীর কার‌ণে গতবছর এইচএস‌সি পরীক্ষার্থীরা অ‌টোপা‌শের অন্তর্ভুক্ত হয়। কিন্তু ক‌লেজের ৩২ শিক্ষার্থী অ‌টোপাশ না পে‌লেও অধ্যক্ষ এ নি‌য়ে বো‌র্ডে যোগা‌যোগ করেননি। এমন‌কি তি‌নি উ‌ল্টো ওই শিক্ষার্থীদের কা‌ছে দ্বিতীয়ব‌র্ষের ফরম পূর‌ণের টাকা নি‌য়ে‌ছেন। তার দায়িত্বে অব‌হেলার অ‌ভি‌যো‌গে তা‌কে সাম‌য়িক বরখাস্ত করা হ‌য়ে‌ছে।

ওই ২৮ শিক্ষার্থীর প্রথমব‌র্ষের প্রবেশপত্র এ‌সে‌ছে এবং তারা আগামীকাল প্রথমব‌র্ষের পরীক্ষার্থী হি‌সে‌বে পরীক্ষা দি‌তে পারবে জা‌নি‌য়ে ইউএনও ব‌লেন, ' আমরা ঊধ্বতন কর্তৃপ‌ক্ষের সা‌থে যোগা‌যোগ ক‌রেও ভুক্ত‌ভোগী শিক্ষর্থী‌দের দ্বিতীয় ব‌র্ষের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষ‌য়ে ই‌তিবাচক কোনও ব্যবস্থা নি‌তে পা‌রি‌নি। পরে বুধবার দুপু‌রে উপ‌জেলা‌ প‌রিষ‌দের কনফা‌রেন্স রু‌মে ভুক্ত‌ভোগী শিক্ষার্থী ও তা‌দের অ‌ভিভাবকসহ শিক্ষক‌দের নি‌য়ে আমরা ব‌সে‌ছিলাম। সর্বসম্ম‌তিক্রমে তারা প্রথমব‌র্ষের পরীক্ষায় অংশ নি‌তে সম্মত হয়েছে। তারা আগামীকাল প্রথম ব‌র্ষের শিক্ষার্থী হি‌সেবে পরীক্ষায় অংশ নি‌চ্ছে।'

কুবিতে অনলাইনে চলবে ক্লাস, খোলা থাকবে হল



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রশাসন।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৯ টায় ৬৯ তম জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সূত্রানুসারে, ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্লাস কার্যক্রমগুলো অনলাইনে হবে। আর পরীক্ষার বিষয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এছাড়া অফিস কার্যক্রম চলবে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এক্ষেত্রে যাদের অফিস কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন শুধু তারাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিসে আসবেন। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোও খোলা থাকবে।

;

স্বাস্থ্যবিধি মেনে জবিতে নেওয়া যাবে পরীক্ষা



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

  • Font increase
  • Font Decrease

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বিভিন্ন বিভাগে চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নেওয়া যাবে৷ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল বিভাগে পরীক্ষা চলমান আছে, সে সমস্ত পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও অনুষদের ডীনবৃন্দ আলোচনা সাপেক্ষে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক গ্রহণ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,  অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পারষ্পরিক সহযোগিতায় অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় স্কুল,কলেজ ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দু’সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার । এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার এক জরুরী মিটিংয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও দুই সপ্তাহের জন্য সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

;

শেকৃবির সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত, খোলা আবাসিক হল



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শেকৃবির সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত, খোলা আবাসিক হল

শেকৃবির সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত, খোলা আবাসিক হল

  • Font increase
  • Font Decrease

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রেক্ষিতে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল খোলা থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে ।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এক জরুরি সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়টির কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. পরিমল কান্তি বিশ্বাস বলেন,'সকল অনুষদের সব লেভেলের চলমান বা অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাসমূহ ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে, তবে শনিবারের (২২ জানুয়ারি) পরীক্ষাসমূহ অনুষ্ঠিত হবে। সশরীরে কোনো ক্লাস নয়, কোনো অনুষদ বা বিভাগ চাইলে শুধুমাত্র চলমান ক্লাসসমূহ অনলাইনে নিতে পারবে।'

এক্ষেত্রে ৬ তারিখ পর্যন্ত নতুন রুটিনে নতুন কোনো সেমিস্টারের ক্লাস অনলাইনে হবে না। শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলসমূহ খোলা থাকবে।

শেকৃবি অধিভুক্ত সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি কলেজে এবং ঝিনাইদহ ভেটেরিনারি কলেজের শনিবারের অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষা যথাসময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান ড. পরিমল কান্তি বিশ্বাস।

ইতোমধ্যে চলমান বা অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাসমূহ স্থগিতের পরিবর্তে অন্য বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানে শেকৃবিতে অনলাইনে পরীক্ষা কেন নেওয়া হবে না  জানতে চাইলে পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অলক কুমার পাল বলেন,‘অনলাইনে আমরা পরীক্ষা নিবো না, শিক্ষকরা মত দেননি। তাছাড়া অনলাইন পরীক্ষায় খাতা প্রিন্ট করা, মূল্যায়ণ করা সময় সাপেক্ষ এবং ঝামেলার শিক্ষকদের জন্য।'

;

হাবিপ্রবিতে বন্ধ হচ্ছে না হল, ক্লাস পরীক্ষা চলবে অনলাইনে!



হাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, দিনাজপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি ) সকল ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম অনলাইনে গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সঙ্গতি রেখে আপাতত হল সমূহ বন্ধ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদার!

শুক্রবার ( ২১ জানুয়ারি ) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক ও হল সুপারবৃন্দের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। বিকাল সাড়ে ৪ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত সভাটি অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সিদ্ধান্ত সমূহের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদার বলেন, ‘ সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক এখন থেকে আমাদের শিক্ষার্থীদের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম অনলাইনে চলবে। তবে হলসমূহ আপাতত বন্ধ হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের কঠোর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। টিএসটির নিচ তলা বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবহনের জন্য সকল বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে ’।

এ সময় ট্রেজারার আরও জানান, ‘ ভর্তি কার্যক্রম কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ক্ষেত্রে আমরা কোন ছাড় দিব না । এছাড়া যেসকল শিক্ষার্থী এখনও করোনার টিকা নিতে পারেনি তাদের জন্য আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি

;